শব্দে শব্দে আমি খুঁজি সেই চিরন্তন অনুভব, যা হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে। প্রেম, ভালোবাসা, আত্মার আত্মীয়তা এবং মানুষে মানুষের সম্পর্ক—এইসব নিয়েই আমার সাহিত্য সাধনা । রোমান্টিকতা, আধ্যাত্মিকতা, আবেগ, প্রার্থনা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য সমন্বয়ে উপস্থাপন। কবিতায় ভালোবাসা কখনো আশ্রয়, কখনো দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আবার কখনো প্রার্থনার নাম।
বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২০
Some Snap Shot
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Images & Photo
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
অসাধারণ সুরেলা কণ্ঠে সূরা হিজর এর তেলাওয়াত ┇ Recited by Hazza Al Balush...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
009) সূরা আত তাওবাহ Surah At-Taubah | سورة التوبة অনুবাদ | Qari Shakir ...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
শিষ্ঠাচার শিখতে চাইলে এই সূরাটি শুনুন | Surah Al-Hujurat - سورة الحجرات ...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
আত্মা প্রশান্তকারী কণ্ঠে সূরা আর রহমান┇ Recited by Omar Hisham Al Arabi ...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
আবেগময় সূরা কাহফ এর তিলাওয়াত ┇ Beautiful Surah Kahf Recited by Ismail Al...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
১০৪। ভালবাসার ফসল
বলিষ্ঠ স্বরে ছড়িয়ে যাবো ভালবাসি যারে,
লজ্জা ভূলে বলবো আমি, নেবো আপন করে।
ভালবাসার ঝর্ণা দিলাম, নিলাম তাহার তরে,
লোহিতকণার মিছিল হবে, তুলতে তা'রে ঘরে।
শোভা পেলো অঙ্গে যেনো, একই ফুলের রেণু,
ভালবাসার রঙ মেখে নেয়, একই ধ্যানের মনু।
ভাবতে কভু, পারে কিগো, তোমার আকাশ ছাড়া!
ভালবাসার পাহাড় সাগর, আরো উজ্জ্বল তারা।
দিবা-নিশি ভর দুপুরে, কভু মধ্যরাতে,
নিদ থাকেনা চোখের ঘরে,
তোমায় রাখে ঘিরে।
আমার ঘুমের প্রাণযে সখি, তোমার কাছেই জানি,
পায়নি তাহার নাগাল কভু, বৃথাই খুঁজে ফিরি।
ইচ্ছে আমার কবেই গেলো, কেঁড়ে নিলে ঘুম,
হৃদয়টারে আবাদ করে, নিও করে ঝুম।
মন পাথুরে, এটেল ভূমে, আঘাত করো পলে পলে,
প্রেমের চারা করলে রোপন, ভালবাসার ফসল ফলে।।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২১/০২/২০০২ ঈসায়ী সাল।
১৪ টা ৪৫ মিনিট।
২১/০২/২০০২ ঈসায়ী সাল।
১৪ টা ৪৫ মিনিট।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২০
রামাদানের ২৪ঘন্টা কীভাবে কাটাবেন? | Shaikh Tamim Al Adnani
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
মঙ্গলবার, মার্চ ১৭, ২০২০
এক আল্লাহ জিন্দাবাদ - কাজী নজরুল ইসলাম (Foysal Aziz's Recitation)
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, মার্চ ১৭, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
১০২। শান্তির আকাশ
ভালবাসার ভিত রচনা করতে যেয়ে,
এ কেমন ঝড়, জীবনে এলোরে ধেয়ে!
লন্ড-ভন্ড করে নিলো সব আহ্লাদ,
গুঁড়িয়ে দিল সব মোর সুখ স্বপ্ন সাধ।
মোহনা দেয়নি দিশা, নিয়েছে গতি,
দূর্বোধ্য দূর্গম পথ হলো নিত্য সাথী।
সুনির্দিষ্ট কক্ষপথে, হলোনা পথ চলা
ন্যায্য প্রাপ্য যা ছিল, তা হয়নি বলা।
তবু শ্বেত মসৃণ কাগজে তুলির আঁচরে,
কভু ভাঙ্গা, আধো ভাঙ্গা হাসি গোলাপী অধরে।
বুঝতে চেয়েছিনু তুমি আমার,
শুধুই আমার,
ভালবাসার তৃষ্ণার্ত হৃদয় খোঁজে ফিরে বারবার।
নীলাচল পাহাড়ের চূড়ান্ত শিখরে দাঁড়িয়ে,
একাকি অবেলায় দৃষ্টি চলে সবুজের কিনারে,
ফুল ফলে রুপ রসে মুগ্ধ সাজে,
অপরুপ ভালবাসা;
শান্তির আকাশ কী, রাঙ্গানো যায় একা!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
বেলাঃ২৩ টা ২০ মিনিট
২০/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া -৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
১০০। চিরচেনা
১০০। চিরচেনা
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবো, ভালবাসার গান,
তুমি বিশাল স্বপ্ন-তরু, আমার হৃদিরাজ।
তারকাপুঞ্জে নিখুঁতভাবে, আঁকা তোমার ছবি,
আকাশ পটে, আবীর মাখা লিখছে কেমন কবি।
ঝড়ের তোড়ে, মূর্ছা গেলো বীর প্রতীকের সাধ,
ভেবেছিলাম নরম রোদে, রাখবো আমার হাত,
ইটের ভাঁটা রক্ত মাখা, অগ্নি মুখে বিদ্রোহী,
অবুঝ প্রেমের বাঁধনহারা, মন হলোরে আসামী।
অভিলাষী মন পেয়েছি, স্বচ্ছ জলের মতো,
অভিমানী অশ্রুধারা ঝরায় অবিরত।
বাঁধার পাহাড়, আপোষহীনা ভীঁড়ের মেলা,
অবোধ নদীর শুষ্ক চরে ভাসবে ভেলা।
জমে উঠুক আকাশ পরে কালোমেঘের ফনা,
ব্যাথার এটম উর্ধ্বে উঠে ছড়াক ত্যাজিকণা,
মিশিয়ে দেয়ার পরে দেখো হৃদয় আস্তানা,
তোমার তরে থাকবে সেজে, সতেজ চিরচেনা।
১৯/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ২০ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবো, ভালবাসার গান,
তুমি বিশাল স্বপ্ন-তরু, আমার হৃদিরাজ।
তারকাপুঞ্জে নিখুঁতভাবে, আঁকা তোমার ছবি,
আকাশ পটে, আবীর মাখা লিখছে কেমন কবি।
ঝড়ের তোড়ে, মূর্ছা গেলো বীর প্রতীকের সাধ,
ভেবেছিলাম নরম রোদে, রাখবো আমার হাত,
ইটের ভাঁটা রক্ত মাখা, অগ্নি মুখে বিদ্রোহী,
অবুঝ প্রেমের বাঁধনহারা, মন হলোরে আসামী।
অভিলাষী মন পেয়েছি, স্বচ্ছ জলের মতো,
অভিমানী অশ্রুধারা ঝরায় অবিরত।
বাঁধার পাহাড়, আপোষহীনা ভীঁড়ের মেলা,
অবোধ নদীর শুষ্ক চরে ভাসবে ভেলা।
জমে উঠুক আকাশ পরে কালোমেঘের ফনা,
ব্যাথার এটম উর্ধ্বে উঠে ছড়াক ত্যাজিকণা,
মিশিয়ে দেয়ার পরে দেখো হৃদয় আস্তানা,
তোমার তরে থাকবে সেজে, সতেজ চিরচেনা।
১৯/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ২০ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
-**------********
“চিরচেনা” — সাহিত্যিক বিচার, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
রচয়িতা: আরিফ শামছ্
(আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া)
“চিরচেনা” একটি আবেগঘন, প্রতীকধর্মী ও কল্পনাবহুল প্রেমকবিতা, যেখানে প্রেমকে কেবল ব্যক্তিগত অনুভূতি হিসেবে নয়, বরং মহাজাগতিক, রাজনৈতিক ও অস্তিত্বময় এক শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কবিতার ভেতরে একদিকে আছে কোমল ভালোবাসা, অন্যদিকে আছে ঝড়, বিদ্রোহ, বেদনা ও সামাজিক টানাপোড়েন।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. প্রেমের মহাজাগতিক বিস্তার
কবিতার সূচনাই প্রেমকে বিশাল পরিসরে নিয়ে গেছে—
“বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবো, ভালবাসার গান,”
এখানে প্রেম কেবল দু’জন মানুষের সম্পর্ক নয়; বরং বিশ্বব্যাপী এক অনুভূতির বিস্তার। কবি প্রেমকে মানবিক সীমার বাইরে নিয়ে মহাজাগতিক মাত্রা দিয়েছেন।
২. প্রেমের প্রতীকায়ন: “স্বপ্ন-তরু”
“তুমি বিশাল স্বপ্ন-তরু, আমার হৃদিরাজ।”
এখানে “স্বপ্ন-তরু” অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতীক। এটি প্রেমিকাকে/প্রেমকে জীবনের আশ্রয়, ছায়া ও উৎস হিসেবে উপস্থাপন করে। “হৃদিরাজ” শব্দটি এক ধরনের আত্মসমর্পণ ও মানসিক শাসনের ইঙ্গিত দেয়।
৩. কল্পনা ও আকাশচিত্র
“তারকাপুঞ্জে নিখুঁতভাবে, আঁকা তোমার ছবি,”
এখানে প্রেমিকাকে মহাকাশে স্থাপন করা হয়েছে। প্রেম যেন স্থির নয়; বরং নক্ষত্রের মতো চিরন্তন ও দূরবর্তী।
এই ধরনের আকাশভিত্তিক রূপক বাংলা রোমান্টিক কবিতায় জীবনানন্দ দাশ-এর কল্পচিত্রধর্মী কবিতার কথা স্মরণ করায়।
৪. প্রেম ও বাস্তবতার সংঘাত
কবিতার মাঝের অংশে একটি তীব্র সংঘর্ষ দেখা যায়—
“ইটের ভাঁটা রক্ত মাখা, অগ্নি মুখে বিদ্রোহী,”
এখানে শহুরে বাস্তবতা, শ্রম, সহিংসতা ও বিদ্রোহের চিত্র উঠে এসেছে। প্রেম এখানে কেবল রোমান্টিক নয়; বরং সামাজিক বাস্তবতার সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত।
এটি কবিতাটিকে একমাত্রিক প্রেমকবিতা না রেখে বহুমাত্রিক করে তুলেছে।
৫. আবেগ ও বেদনার প্রবাহ
“অভিমানী অশ্রুধারা ঝরায় অবিরত।”
এখানে প্রেমের অপরিহার্য অংশ হিসেবে বেদনা ও অভিমানকে দেখানো হয়েছে। প্রেম মানেই শুধু সুখ নয়—এটি কান্না, অপেক্ষা ও অভিমানও।
৬. প্রকৃতি ও অন্তর্জগতের সংযোগ
“অবোধ নদীর শুষ্ক চরে ভাসবে ভেলা।”
এখানে নদী, চর ও ভেলা—সবকিছুই প্রতীকী। নদী এখানে জীবনের প্রবাহ, আর শুষ্ক চর হলো থমকে যাওয়া বাস্তবতা। এই বৈপরীত্য কবিতার গভীরতা বাড়িয়েছে।
৭. আধুনিক বিজ্ঞান-প্রতীক: “এটম” ও “ত্যাজিকণা”
“ব্যাথার এটম উর্ধ্বে উঠে ছড়াক ত্যাজিকণা,”
এটি কবিতার একটি ব্যতিক্রমী অংশ। এখানে কবি আধুনিক বৈজ্ঞানিক শব্দ ব্যবহার করে বেদনার বিস্তারকে মহাজাগতিক রূপ দিয়েছেন। এটি আধুনিক বাংলা কবিতার একটি পরীক্ষামূলক ধারা নির্দেশ করে।
ভাষা ও কাব্যশৈলী
বৈশিষ্ট্য
কল্পনাধর্মী ও প্রতীকসমৃদ্ধ ভাষা
আবেগ ও বিদ্রোহের মিশ্রণ
আধুনিক ও ক্লাসিক চিত্রকল্পের সংমিশ্রণ
গীতিময় কিন্তু কখনও নাটকীয়
চিত্রকল্প ও প্রতীক
প্রতীক
অর্থ
স্বপ্ন-তরু
প্রেম/আশ্রয়
তারকাপুঞ্জ
চিরন্তনতা/মহাজাগতিক প্রেম
ইটের ভাঁটা
শহুরে বাস্তবতা/শ্রম
অগ্নি মুখ
বিদ্রোহ/সংগ্রাম
নদী
জীবনপ্রবাহ
শুষ্ক চর
স্থবিরতা
এটম
আধুনিক বেদনা/শক্তি
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
শক্তির দিক
✔ মহাজাগতিক ও দার্শনিক প্রেমচেতনা
✔ আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক প্রতীক ব্যবহার
✔ প্রেম ও বাস্তবতার সংঘাত
✔ শক্তিশালী চিত্রকল্প
✔ আবেগ ও বিদ্রোহের মিশ্রণ
উন্নয়নের সম্ভাবনা
কিছু লাইনে ছন্দ ও গঠন আরও সুশৃঙ্খল করা যেতে পারে
অত্যন্ত ঘন প্রতীক ব্যবহারে পাঠকের বোঝার গতি কিছুটা কঠিন হতে পারে
কিছু স্থানে সংযোগ (flow) আরও মসৃণ করা যেতে পারে
বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ
এই কবিতায় প্রেমকে শুধু ব্যক্তিগত আবেগ হিসেবে না দেখে মহাজাগতিক ও সামাজিক শক্তি হিসেবে দেখা হয়েছে। এটি আধুনিক প্রতীকবাদী কবিতার ধারা অনুসরণ করে।
Pablo Neruda-এর প্রেমকবিতায় যেমন প্রেম ও প্রকৃতির গভীর মিশ্রণ দেখা যায়, এই কবিতাতেও প্রেম ও মহাবিশ্বের সংযোগ বিদ্যমান।
সারাংশ
“চিরচেনা” একটি বহুমাত্রিক প্রেম ও জীবনচেতনার কবিতা, যেখানে প্রেম একদিকে স্বপ্ন, অন্যদিকে বিদ্রোহ, আবার কখনো মহাজাগতিক সত্য। কবি এখানে প্রেমকে সীমাবদ্ধ অনুভূতি না রেখে বিশ্বজগতের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
এই কবিতার মূল শক্তি এর বিস্তৃত কল্পনা ও প্রতীকধর্মী ভাষা। এটি পাঠককে কেবল অনুভব করায় না, বরং চিন্তা করতে বাধ্য করে—প্রেম আসলে কী, এবং তা কোথায় শেষ হয়।
***********
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
৯৯। জীবনের ডাকঘর
জীবনের ডাকঘর
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
হতাশার মোহনায় নিরাশার মুখোমুখি,
ব্যাথা আর বেদনা দেয় উঁকিঝুঁকি,
হৃদয়ে শংকার অপছায়া চেঁপে বসে,
হিংসুটে ডাইনী কুটি কুটি হাসে।
জীবনের ডাকঘরে কতো চিঠি দেখি,
হলুদ খামে কোনটা সাদা খামে মোড়ি,
ভিতরে থাকে যে বেদনার তিক্ততা,
কোনটার পেখমে সীমাহীন রিক্ততা।
ভালবাসা, সুখ আর দিতে নব উচ্ছ্বাস,
আরো দিতে পূর্ণতা দৃপ্ত জয়োল্লাস।
সাদা খাম জীবনের, বড় এক আশীর্বাদ,
সুখ আর আশা যেনো, নিয়ে আসে সাধুবাদ।
নীল কিইবা হলুদে, কখনো সাদা খামে,
সুখ-দুঃখ একাকার, স্বপ্ন দেখাতে,
জীবনের ডাকঘর দিবা-নিশি খোলা রবে,
সুখ আর পূর্ণতার, চিঠি সব বিলি হবে।
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ৪০ মিনিট।
১৩ টা ৪০ মিনিট।
*******
“জীবনের ডাকঘর” — সাহিত্যিক বিচার, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
রচয়িতা: আরিফ শামছ্
(আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া)
“জীবনের ডাকঘর” কবিতাটি মানবজীবনের অনুভূতি, ভাগ্য, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাকে একটি প্রতীকী “ডাকঘর”-এর মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে। এখানে জীবন যেন একটি বিশাল পোস্ট অফিস, আর সুখ-দুঃখ, আশা-হতাশা সবই বিভিন্ন রঙের চিঠি হয়ে মানুষের হাতে পৌঁছে যায়।
এই কবিতার মূল শক্তি হলো—জীবনকে প্রতীক ও চিত্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার দার্শনিক প্রচেষ্টা।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. হতাশা ও মানসিক অস্থিরতার চিত্র
কবিতার শুরুতেই এক তীব্র মানসিক সংকট ফুটে উঠেছে—
“হতাশার মোহনায় নিরাশার মুখোমুখি,
ব্যাথা আর বেদনা দেয় উঁকিঝুঁকি,”
এখানে “মোহনা” শব্দটি জীবনের এক সংযোগস্থলকে বোঝায়, যেখানে মানুষ হতাশার দিকে ধাবিত হচ্ছে। ব্যথা ও বেদনা যেন জীবনের নিয়মিত আগন্তুক।
এই ধরনের অস্তিত্বমূলক বিষণ্নতা বাংলা আধুনিক কবিতায় জীবনানন্দ দাশ-এর নিঃসঙ্গ ও অন্তর্মুখী ভাবনার সঙ্গে তুলনীয়।
২. জীবনের ডাকঘর — একটি শক্তিশালী রূপক
কবিতার কেন্দ্রীয় ধারণা—
“জীবনের ডাকঘরে কতো চিঠি দেখি,”
এখানে “ডাকঘর” হলো জীবন, আর “চিঠি” হলো অভিজ্ঞতা।
হলুদ খাম → দুঃখ, বেদনা, স্মৃতি
সাদা খাম → সুখ, আশা, আশীর্বাদ
নীল খাম → অনিশ্চয়তা, স্বপ্ন
এই প্রতীকী ব্যবস্থার মাধ্যমে কবি জীবনের বহুমাত্রিকতা তুলে ধরেছেন।
৩. সুখ-দুঃখের দ্বৈততা
কবিতায় জীবনকে একরৈখিক নয়, বরং দ্বৈত বাস্তবতা হিসেবে দেখানো হয়েছে—
“ভিতরে থাকে যে বেদনার তিক্ততা,
কোনটার পেখমে সীমাহীন রিক্ততা।”
এখানে “তিক্ততা” ও “রিক্ততা” শব্দ দুটি মানবজীবনের শূন্যতা ও বেদনার গভীর রূপ প্রকাশ করে।
কবির দৃষ্টিতে সুখ ও দুঃখ আলাদা নয়; বরং একই জীবনের দুই রূপ।
৪. আশাবাদ ও পুনর্গঠন
কবিতার শেষাংশে একটি আশাবাদী সুর পাওয়া যায়—
“সাদা খাম জীবনের, বড় এক আশীর্বাদ,”
এখানে সাদা খামকে আশার প্রতীক করা হয়েছে। জীবনের দুঃখের মাঝেও সুখ ও পূর্ণতার সম্ভাবনা আছে—এটাই মূল বার্তা।
৫. জীবনদর্শন ও দার্শনিকতা
কবিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জীবনকে একটি চলমান যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে দেখা—
“জীবনের ডাকঘর দিবা-নিশি খোলা রবে,”
এখানে বোঝানো হয়েছে—জীবন কখনো থেমে থাকে না। সুখ-দুঃখ সব সময় আসতেই থাকে, এবং মানুষ তা গ্রহণ করেই এগিয়ে যায়।
এটি এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতাভিত্তিক জীবনদর্শন (acceptance philosophy)।
ভাষা ও কাব্যশৈলী
বৈশিষ্ট্য
সহজ ও সরল ভাষা
প্রতীকী রূপকের শক্তিশালী ব্যবহার
আবেগনির্ভর গঠন
গীতিময় প্রবাহ
কবিতাটি পাঠকের জন্য সহজবোধ্য, আবার চিন্তার গভীরতাও রাখে।
চিত্রকল্প ও প্রতীক
প্রতীক
অর্থ
ডাকঘর
জীবন
চিঠি
অভিজ্ঞতা/ভাগ্য
হলুদ খাম
দুঃখ/বেদনা
সাদা খাম
সুখ/আশা
নীল খাম
স্বপ্ন/অনিশ্চয়তা
খাম
সময়ের বার্তা
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
শক্তির দিক
✔ শক্তিশালী কেন্দ্রীয় রূপক (ডাকঘর)
✔ জীবনদর্শনভিত্তিক চিন্তা
✔ সুখ-দুঃখের ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন
✔ সহজ কিন্তু অর্থবহ ভাষা
✔ প্রতীকী কাব্যশৈলী
উন্নয়নের সম্ভাবনা
কিছু লাইনে ছন্দ ও মাত্রা আরও মসৃণ করা যেতে পারে
চিত্রকল্পগুলোর মাঝে সামান্য সংযোগ বাড়ালে প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে
বানান ও যতিচিহ্ন সামঞ্জস্য করলে পাঠযোগ্যতা বাড়বে
বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ
বিশ্বসাহিত্যে জীবনকে “যাত্রা”, “গ্রন্থ”, “নদী” বা “চিঠি বিনিময়” হিসেবে দেখানোর প্রবণতা রয়েছে।
এই কবিতায় “ডাকঘর” একটি আধুনিক ও মৌলিক রূপক, যা জীবনের অভিজ্ঞতাকে যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করে। এটি আধুনিক প্রতীকধর্মী কবিতার ধারা অনুসরণ করে।
সারাংশ
“জীবনের ডাকঘর” একটি প্রতীকধর্মী জীবনকবিতা, যেখানে জীবনকে একটি ডাকঘর হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে এবং সুখ-দুঃখকে বিভিন্ন রঙের চিঠি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কবিতাটি দেখায়—জীবন মানে কেবল আনন্দ নয়, বরং ব্যথা, হতাশা, আশা ও স্বপ্নের এক অবিরাম আদান-প্রদান।
এর মূল বার্তা হলো—জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা একটি বার্তা, এবং সেই বার্তাগুলোই মানুষকে পূর্ণতা দেয়।
*******
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
৯৮। জীবন বন্দনা
জীবন বন্দনা
--আরিফ শামছ্
তোমাকে চাই নিতে
হৃদয়ের কাছাকাছি করে,
আমার সাধ আহ্লাদ
সব তোমাকে ঘিরে।
পূর্ণতা আর শূণ্যতা,
সবি তোমার দান,
কি করে ভূলে যাবো;
তুমি যে মহীয়ান।
শুধু কি আবেগ আপ্লুত হয়ে একাকি,
অসার প্রার্থনা করে, তোমাকে পাবো কি!
ঘোর অমাবস্যার রাতে,
পূর্ণিমার আলোর ঝলকে,
স্নিগ্ধতায় পূর্ণতা পাবে কি,
তনুমন নীরবে।
তোমাকে ছাড়া এ জীবন মরু প্রান্তর,
শ্রীহীন, জঞ্জালে পূর্ণ কালিমাখা অন্তর,
তেপান্তরের মাঠে, এ কোন অভিলাষী,
ঘোর বিপদের উলঙ্গ থাবার মুখোমুখি।
ভালবাসার একটু পরশ, জীবন বন্দনা,
করুণার সিন্ধু হতে, চাই বিন্দু করুণা!
দু'জাহানে ব্যর্থ হবো, তা'ই যদি তুমি চাও,
তোমার খুশিতে স্বর্গ নরক, মেনে নেবো যা' দাও।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৯/০১/২০০৩
১৩ টা ১০ মিনিট।
আমার সাধ আহ্লাদ
সব তোমাকে ঘিরে।
পূর্ণতা আর শূণ্যতা,
সবি তোমার দান,
কি করে ভূলে যাবো;
তুমি যে মহীয়ান।
শুধু কি আবেগ আপ্লুত হয়ে একাকি,
অসার প্রার্থনা করে, তোমাকে পাবো কি!
ঘোর অমাবস্যার রাতে,
পূর্ণিমার আলোর ঝলকে,
স্নিগ্ধতায় পূর্ণতা পাবে কি,
তনুমন নীরবে।
তোমাকে ছাড়া এ জীবন মরু প্রান্তর,
শ্রীহীন, জঞ্জালে পূর্ণ কালিমাখা অন্তর,
তেপান্তরের মাঠে, এ কোন অভিলাষী,
ঘোর বিপদের উলঙ্গ থাবার মুখোমুখি।
ভালবাসার একটু পরশ, জীবন বন্দনা,
করুণার সিন্ধু হতে, চাই বিন্দু করুণা!
দু'জাহানে ব্যর্থ হবো, তা'ই যদি তুমি চাও,
তোমার খুশিতে স্বর্গ নরক, মেনে নেবো যা' দাও।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৯/০১/২০০৩
১৩ টা ১০ মিনিট।
********
“জীবন বন্দনা” — সাহিত্যিক বিচার, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
রচয়িতা: আরিফ শামছ্
(আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া)
“জীবন বন্দনা” একটি গভীর আত্মিক, দার্শনিক ও প্রেমময় কবিতা। এখানে প্রেম, ভক্তি, আত্মসমর্পণ ও অস্তিত্ববোধ একসাথে মিলেমিশে গেছে। কবিতাটি পাঠ করলে মনে হয়—কবি যেন একাধারে প্রিয়তমা, জীবন, এবং স্রষ্টার প্রতি নিবেদন জানাচ্ছেন। এই দ্ব্যর্থক আবেদনই কবিতাটিকে বহুস্তরীয় অর্থ দিয়েছে।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. প্রেম না প্রার্থনা — দ্বৈত ব্যঞ্জনা
কবিতার প্রথম লাইন থেকেই গভীর আকাঙ্ক্ষার সুর ধ্বনিত হয়েছে—
“তোমাকে চাই নিতে
হৃদয়ের কাছাকাছি করে,”
এখানে “তুমি” কে?
কোনো প্রিয় মানুষ?
জীবন?
নাকি মহান সত্তা?
কবি ইচ্ছাকৃতভাবেই বিষয়টিকে উন্মুক্ত রেখেছেন। ফলে কবিতাটি একইসঙ্গে প্রেমের কবিতা ও আধ্যাত্মিক প্রার্থনায় রূপ নিয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর “গীতাঞ্জলি” বা লালন শাহ-এর আধ্যাত্মিক প্রেমধারার সঙ্গে এই ধরনের দ্ব্যর্থক আবেদন কিছুটা সাদৃশ্যপূর্ণ।
২. পূর্ণতা ও শূন্যতার দার্শনিকতা
কবির অন্যতম শক্তিশালী উপলব্ধি—
“পূর্ণতা আর শূণ্যতা,
সবি তোমার দান,”
এই দুই বিপরীত অবস্থাকে একই উৎসের দান হিসেবে দেখানো হয়েছে। এটি সুফিবাদী ও অস্তিত্ববাদী চিন্তার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
এখানে কবি যেন বলতে চেয়েছেন—
সুখ ও দুঃখ,
প্রাপ্তি ও বঞ্চনা,
আলো ও অন্ধকার— সবই জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৩. আলো-অন্ধকারের প্রতীকী ব্যবহার
“ঘোর অমাবস্যার রাতে,
পূর্ণিমার আলোর ঝলকে,”
এখানে অমাবস্যা মানে হতাশা, শূন্যতা ও সংকট; আর পূর্ণিমা আশার, প্রশান্তির ও আধ্যাত্মিক আলোর প্রতীক।
এই বৈপরীত্য কবিতাটিকে নান্দনিকতা ও গভীরতা দিয়েছে।
৪. জীবনকে মরুভূমির সঙ্গে তুলনা
কবিতার সবচেয়ে আবেগঘন অংশ—
“তোমাকে ছাড়া এ জীবন মরু প্রান্তর,”
এটি বিশ্বসাহিত্যের চিরন্তন প্রেম-উপমাগুলোর একটি রূপান্তর। “মরু প্রান্তর” এখানে:
নিঃসঙ্গতা,
শূন্যতা,
প্রাণহীনতা,
ও আধ্যাত্মিক তৃষ্ণার প্রতীক।
এরপর—
“শ্রীহীন, জঞ্জালে পূর্ণ কালিমাখা অন্তর,”
এই আত্মসমালোচনামূলক প্রকাশ কবির অন্তর্গত বেদনা ও আত্মঅনুভূতির পরিচয় দেয়।
৫. আত্মসমর্পণ ও আধ্যাত্মিক বোধ
কবিতার শেষাংশ অত্যন্ত শক্তিশালী—
“তোমার খুশিতে স্বর্গ নরক,
মেনে নেবো যা' দাও।”
এখানে প্রেম পরিণত হয়েছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে। এটি নিছক রোমান্টিক ভালোবাসা নয়; বরং ভক্তি, বিশ্বাস ও ভাগ্য মেনে নেওয়ার এক আধ্যাত্মিক স্তর।
এই ধরনের আত্মসমর্পণ জালালউদ্দিন রুমি-এর সুফি কবিতার ভাবধারার সঙ্গে কিছুটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভাষা ও কাব্যশৈলী
ভাষার বৈশিষ্ট্য
সহজ কিন্তু ভাবগভীর
আবেগনির্ভর
গীতিময় প্রবাহ রয়েছে
প্রার্থনামূলক স্বর স্পষ্ট
কবিতার ভাষা অলংকারে ভারাক্রান্ত নয়; বরং অনুভূতির আন্তরিকতাই এর মূল শক্তি।
চিত্রকল্প ও প্রতীক
প্রতীক
তাৎপর্য
অমাবস্যা
হতাশা ও অন্ধকার
পূর্ণিমা
আশা ও আলোকপ্রাপ্তি
মরু প্রান্তর
শূন্যতা ও নিঃসঙ্গতা
করুণার সিন্ধু
অসীম দয়া বা ঈশ্বরীয় অনুগ্রহ
তেপান্তরের মাঠ
অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘ যাত্রা
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
শক্তির জায়গা
✔ গভীর আত্মিক আবেগ
✔ প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার মিশ্রণ
✔ শক্তিশালী প্রতীক ব্যবহার
✔ সহজ অথচ দার্শনিক ভাষা
✔ আন্তরিক আত্মসমর্পণের প্রকাশ
উন্নয়নের সম্ভাবনা
কিছু স্থানে পঙ্ক্তি বিভাজন করলে আবৃত্তিযোগ্যতা আরও বাড়বে।
“শূণ্যতা” এর আধুনিক বানান “শূন্যতা” ব্যবহার করা যেতে পারে।
মাত্রাবিন্যাসে সামান্য পরিমার্জন করলে সুরধর্মিতা আরও শক্তিশালী হবে।
বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ
বিশ্বসাহিত্যে প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার সংমিশ্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা। বিশেষত সুফি সাহিত্য ও মরমি কবিতায় “প্রিয়তম” প্রায়ই ঈশ্বর, জীবন বা চিরন্তন সত্যের প্রতীক হয়ে ওঠে।
“জীবন বন্দনা” সেই ধাঁচের অনুভূতি বহন করে। এটি ব্যক্তিগত প্রেমের সীমা ছাড়িয়ে অস্তিত্ব ও করুণার সন্ধানে পৌঁছে যায়।
সারাংশ
“জীবন বন্দনা” মূলত ভালোবাসা, আত্মসমর্পণ, আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা ও জীবনের পূর্ণতা-শূন্যতার এক কাব্যিক ব্যাখ্যা। কবি এখানে প্রেমকে কেবল আবেগ হিসেবে দেখেননি; বরং জীবন ও অস্তিত্বের মূল শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
এই কবিতার সৌন্দর্য এর গভীর আন্তরিকতায়। পাঠকের মনে হয়—মানুষ যতই শক্তিশালী হোক, তার হৃদয়ের গভীরে সবসময়ই থাকে এক অনন্ত প্রার্থনা, এক অব্যক্ত ভালোবাসা, এবং করুণার জন্য এক অবিরাম আকাঙ্ক্ষা।
*******
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
৯৭। অবিরত (অডিওসহ)
অবিরত
- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
প্রতিটি অঞ্চল আজ হৃদয়ের
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে।
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল
রাত ১২ টা ১৫ মিনিট।
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে।
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল
রাত ১২ টা ১৫ মিনিট।
*************
“অবিরত” — সাহিত্যিক বিচার, বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
রচয়িতা: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“অবিরত” একটি গভীর আবেগনির্ভর প্রেম ও মানসিক বেদনার কবিতা। এখানে প্রেম কেবল রোমান্টিক অনুভূতি নয়; বরং প্রত্যাখ্যান, আঘাত, আকাঙ্ক্ষা, স্মৃতি ও অন্তর্গত আর্তনাদের এক নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ। কবিতার শিরোনাম “অবিরত” নিজেই এর মূল সুরকে ধারণ করেছে—একটানা বয়ে চলা অনুভূতির ব্যথা।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. হৃদয়ের আর্তনাদ ও মানসিক সংঘাত
কবিতার শুরুতেই এক তীব্র আবেগময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে—
“প্রতিটি অঞ্চল আজ হৃদয়ের
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,”
এখানে “হৃদয়ের অঞ্চল” বলতে মানুষের অন্তর্জগতকে বোঝানো হয়েছে। প্রেমের আকাঙ্ক্ষা, ভবিষ্যতের স্বপ্ন ও মানসিক অস্থিরতা একসাথে কাজ করছে।
কিন্তু পরক্ষণেই কবিতাটি এক বেদনাময় মোড় নেয়—
“আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!”
এই চিৎকারধর্মী উচ্চারণ কবিতার আবেগকে হঠাৎ তীব্র করে তোলে। এটি নিছক অনুরোধ নয়; বরং অস্তিত্ব রক্ষার আকুতি।
২. প্রেমের আঘাত ও অন্তর্দহন
কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী অংশগুলোর একটি—
“আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে
যা কাঁদে অবিরত!”
এখানে “গহীন অঞ্চল” শব্দবন্ধ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাহ্যিক আঘাত নয়, গভীর মানসিক ক্ষতই কবির আসল যন্ত্রণা। “অবিরত” শব্দটি শুধু কান্নার ধারাবাহিকতা নয়; এটি স্মৃতি ও ব্যথার দীর্ঘস্থায়ী অস্তিত্বের প্রতীক।
এই ধরনের অন্তর্মুখী বেদনার প্রকাশ বাংলা আধুনিক কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম-এর প্রেম ও বিদ্রোহের মিশ্র আবেগ এবং জীবনানন্দ দাশ-এর নিঃসঙ্গ বিষণ্নতার অনুভূতির সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্য বহন করে।
প্রকৃতি ও অনুভূতির সমান্তরাল চিত্র
কবি প্রকৃতিকে অনুভূতির প্রতিচ্ছবি হিসেবে ব্যবহার করেছেন—
“ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,”
এটি অত্যন্ত সুন্দর একটি চিত্রকল্প। ঝর্ণার শব্দকে কবি কান্নার সঙ্গে তুলনা করেছেন। অর্থাৎ প্রকৃতিও যেন কবির সঙ্গে শোক প্রকাশ করছে।
আবার—
“পাহাড় নীরবে জানায়,
গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,”
এখানে পাহাড়কে ধৈর্য ও নীরব সহিষ্ণুতার প্রতীক করা হয়েছে। প্রেমের ব্যথা যেমন গভীর, পাহাড়ের নীরবতাও তেমন গভীর।
আবহ ও মানসিক দৃশ্যপট
কবিতার মাঝামাঝি অংশে একটি ভারী, গুমোট আবহ তৈরি হয়েছে—
“নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,”
এখানে বাইরের পরিবেশ আসলে কবির মনের প্রতিফলন। এটি মনস্তাত্ত্বিক কবিতার একটি বৈশিষ্ট্য, যেখানে প্রকৃতি ও মানসিক অবস্থা একে অপরের প্রতিবিম্ব হয়ে ওঠে।
প্রেমের দ্বৈত রূপ
কবিতায় প্রেম একইসঙ্গে:
আকর্ষণীয়,
আবার বেদনাদায়ক।
“লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।”
এই একটি লাইনে প্রেমের দ্বৈততা প্রকাশ পেয়েছে। ভালোবাসা মানুষকে টানে, কিন্তু সেই ভালোবাসাই আবার হতাশা সৃষ্টি করে।
ভাষা ও কাব্যশৈলী
ভাষার বৈশিষ্ট্য
আবেগময় ও আন্তরিক
সরল কিন্তু গভীর
গীতিধর্মী প্রবাহ রয়েছে
ব্যক্তিগত ডায়েরির মতো স্বীকারোক্তিমূলক ভঙ্গি
কবিতার ভাষা কৃত্রিম নয়। এতে হৃদয়ের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ আছে।
চিত্রকল্প ও প্রতীক
প্রতীক
তাৎপর্য
ঝর্ণা
অশ্রু ও অবিরাম কান্না
পাহাড়
নীরব সহিষ্ণুতা
গুমোট পরিবেশ
মানসিক অস্থিরতা
ক্ষত দাগ
স্মৃতি ও মানসিক ব্যথা
রঙ্গীন স্বপ্ন
প্রেম ও ভবিষ্যৎ আশা
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
শক্তির জায়গা
✔ আবেগের আন্তরিকতা
✔ প্রকৃতি ও অনুভূতির সুন্দর মেলবন্ধন
✔ হৃদয়ের ব্যথার শক্তিশালী প্রকাশ
✔ চিত্রকল্পের ব্যবহার
✔ পাঠকের সঙ্গে আবেগীয় সংযোগ তৈরি করার ক্ষমতা
উন্নয়নের সম্ভাবনা
কিছু স্থানে যতিচিহ্ন ও শব্দবিন্যাস আরও মসৃণ করা যেতে পারে।
“ব্যাথা” এর পরিবর্তে “ব্যথা” আধুনিক বানান হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।
কয়েকটি লাইনে মাত্রা ও ছন্দ সামঞ্জস্য করলে আবৃত্তির গতি আরও সুন্দর হবে।
বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ
বিশ্বসাহিত্যের প্রেমের কবিতায় প্রায়ই দেখা যায়—
প্রেমের আকাঙ্ক্ষা,
প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা,
এবং স্মৃতির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব।
Pablo Neruda তাঁর প্রেমের কবিতায় যেমন ব্যক্তিগত আবেগকে প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে প্রকাশ করেছেন, “অবিরত” কবিতাতেও তেমন আবেগ-প্রকৃতির সমান্তরালতা দেখা যায়।
সারাংশ
“অবিরত” মূলত হৃদয়ের গভীর বেদনা ও ভালোবাসার এক অন্তর্মুখী কাব্যিক প্রকাশ। এখানে প্রেম আনন্দের নয়; বরং স্মৃতি, ক্ষত, নীরব কান্না ও অনন্ত আকাঙ্ক্ষার রূপে উপস্থিত। কবি প্রকৃতির উপমা ব্যবহার করে নিজের মানসিক অবস্থাকে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে তুলে ধরেছেন।
এই কবিতার প্রধান শক্তি এর কৃত্রিমতাহীন আবেগ। পাঠক অনুভব করতে পারে—ভালোবাসার কিছু ক্ষত সময়ের সঙ্গে মুছে যায় না; তারা হৃদয়ের গভীরে “অবিরত” কাঁদতেই থাকে।
********
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
৯৬। স্বাগতম নববর্ষ
স্বাগতম নববর্ষ
--- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
পড়বে ঝরে ফুল পুরাতন,
ফোটবে সতেজ ফুল,
সবুজ পাতায় ঢাকা আঁখি,
খোলবে খেয়ে দোল।
রোদ বৃষ্টি, ঝড়ের মেঘে,
সবুজ পাতা পাঁকা,
বর্ণহীনে মলিন দেহে,
বৃন্ত রবে ফাঁকা।
সবাই তাকায়, সবুজ দেহে,
লাগছে দারুন বেশ,
রঙ ছড়িয়ে, চোখ জুড়িয়ে,
সবুজ জীবন শেষ!
রাত ও দিনের পালাক্রমে,
বছর নিবে বিদায়,
নতুন বছর আসছে সবে,
স্বাগতম জানায়।
সুখের স্মৃতি, দুঃখের ইতি,
যতো সফলতা,
হৃদ মাঝারে অসীম দিঠি,
সুখের বারতা।
স্বপ্ন আঁকি হৃদয়পটে,
জীবন জুড়ে শত,
প্রীতি-প্রেমের ফুল ফোটাবে,
মন বাগিচা যতো।
মহীরুহ হারিয়ে গেলো,
বছর ক'দিন আগে,
কচি কচি পাতা দুটো,
স্বপ্ন মেলে জাগে ।
অংকুরিত ক্ষুদ্র বীজে,
মহীরুহের কায়া,
বছর বছর বড় হয়ে,
দিয়ে যাবে ছায়া।
তোমরা যারা শিশু কিশোর,
স্বপ্ন পাখির দল,
দিনে রাতে রং ছড়িয়ে,
বাড়ছে মনোবল।
নূতন করে রুপ-বাহারে,
সাজিয়ে নেবে আপন করে,
বিশ্বটারে আনবে বেঁধে,
নিজের মুঠোয় পরে।
রাত ০১ টা,
বুধবার,
২৭/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল,
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰
🌹🌹🌹🌹🌹🌹
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
তারায় তারায় কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি
৯৫। আরিফীনের জন্মদিনে (বড় সাহেবজাদা)
কোন পাহাড়ের চূঁড়া থেকে,
নামলো এমন শীতলধারা,
কোন গগনের মধ্যিখানে,
জাগলো শশী আত্মহারা।
কোন তটিনী ধেয়ে চলে,
খুশির চোটে, আপনমনে,
ফেনিল কোলে পদ্ম দেখি,
নাচছে গাইছে ছন্দতালে।
কোন প্রভাতে, আভীর মেখে,
চমকে দিলো সকলজনে।
প্রথম হাসি কান্নাকাটি,
মধুর আওয়াজ সহসাতে।
আরিফীনের সূর্য বুঝি,
উঠলো হেসে মায়ের কোলে,
ডিসেম্বরের ত্রিশ তারিখ,
স্মরণীয় হৃদয়-পটে।
৩০/১২/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
কবিতার স্বর্গ-কানন,
ভালোবাসি দিবানিশি
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
২০০। তুমি যে সবার-কাব্যিক, ছান্দসিক, সাহিত্যিক, রসাস্বাদন ও সমগ্র বিশ্লেষণসহ সারাংশ ও সারমর্ম
অডিও: তুমি যে সবার ২০০। তুমি যে সবার আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) তুমি তো নও তোমার ওগো, তুমি যে সবার! সৃষ্টি তুমি...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
সাহিত্যের জাগরণ "সাপ্তাহিক সেরা সাত" আসসালামু আলাইকুম। "সাহিত্য হোক নতুনত্বের বারিধারা- সাহিত্য হোক সৎ সভ্যতার কথা বলা।...
-
হামাস-ইসরায়েল সংঘাত, আরেকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব? | Israel-palestine Crisis ফিলিস্তিনি-ইসরাইল নতুন যুদ্ধ || প্রতিশোধ নেও...
-
বিশ্বব্যাপী স্ট্রোক একটি প্রধান মৃত্যুর কারণ, এবং কাজের সম্পর্কিত কারণে এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্ত...
-
-Ariful Islam Bhuiyan. I love him who is my creator, Guardian & well wisher. I have no qualification for placing my obediency to p...
-
চ্যাটজিপিটি কি? চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) হল একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা মডেল, যা OpenAI দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি GPT (Generat...
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
ChatGpt: এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) হল এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার এবং মেশিনকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, ...
-
মন মাতানো, প্রাণ জুড়ানো, গান শোনো, ক্লান্তি দূরে, শ্রান্তি পাবে, শান্তি পাবে জানো। --আরিফ শামছ্ shorts/74cqSa9OJUg?si=8CEXnpPjnRqGkU3f জন্...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: প্রেমিক আর স্বামী: সুরে সুরে প্রেমিক আর স্বামী ---আরিফ শামছ্ একদা রাতের গভীর ভাগে, ঝগড়া বাধে দুজনায়, "স্ত্রী আমার বৈধ জানো,তবু ...
-
অডিও: হৃদয় কন্দরে : সুরে সুরে হৃদয় কন্দরে ---আরিফ শামছ্ কবিতা তোমার আশ্রয়স্থল হয়তো হারিয়ে যাবে! মিশিয়ে দেবে দুঃখের উদ্ভট গন্ধ মেশানো মদে...
-
জাতীয় সংগীত হবে কী? -------- আরিফ শামছ্ যে সংগীতে প্রতিবাদের ভাষা নেই, মজলুমের বজ্রকন্ঠের নিনাদ নেই, জালিমের বিরুদ্ধে নেই বিদ্রোহেরই অগ্ন...
-
মাগো তুমি দোল খেয়ে যাও তব মায়ের কোলে, দিনে দিনে ঘনিয়ে আসে আমি আসব যবে। রুহের ধরার অধিবাসী আজ, অনাগত সন্তান, বলিতে কিছু বড় সাধ জাগে, শোন দিয়...
-
প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস -আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে ছারখার হয়ে যাক, পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার, ক...
-
১৩২। বিপ্লবী (১৬) আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) বিপ্লবী, তোমার আকাশ, শান্ত বাতাস, চিল শকুনের দখলে। উদার নীলে, শত্রু হায়েনার, ব...
-
১২৫। বিপ্লবী (৯) আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) কী অপরাধ করেছে তারা, ঠিক সময়ে আসবে যারা, অনাগত তব অধস্তন, করবে জীবনের আয়োজন। ...
-
বিভীষিকাময় সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনের গাজা ! | Palestine | Gaza | Israel | Ekattor TV ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিলিস্তিনের পক্ষ হয়ে বিশাল...
-
বর্তমান বিশ্বে ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা, তাদের বৃদ্ধির হার এবং বিশেষ করে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে আলোচনা করতে হলে জনমিতি (Demography), ...
-
📜 কবিতা ১৩: ✍️ কবি: আরিফ শামছ্ 📅 তারিখ: ৩১ মে ২০২৫ 📍 স্থান: রিয়াদ, সৌদি আরব (অধ্যায় ৬: কেয়ামত ও অনন্ত জীবন) আমি যখন সব দরজা বন্ধ পেলা...
জনপ্রিয় পোষ্টগুলি:
-
Housing Business: 1 কাঠার সামান্য কম জায়গা, টিন সেট 3টি রুম করা আছে এবং সামনে রাস্তার সাথে দোকান আছে মূল্য 1 কোটি 20 লক্ষ টাকা | লোহা...
-
১৩২। বিপ্লবী (১৬) আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) বিপ্লবী, তোমার আকাশ, শান্ত বাতাস, চিল শকুনের দখলে। উদার নীলে, শত্রু হায়েনার, ব...
-
https://www.kobitapara.com/2020/08/21/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e...
-
📜 কবিতা ১০: ✍️ কবি: আরিফ শামছ্ 📅 তারিখ: ৩১ মে ২০২৫ 📍 স্থান: রিয়াদ, সৌদি আরব (অধ্যায় ৫: আল্লাহ্র আলোয় জীবনযাপন) একদিন থেমে গিয়েছিল স...
-
Audio: নোটবুক এলএম ও আধুনিক গবেষণার রূপান্তর গুগল নোটবুকএলএম (NotebookLM) : শক্তিশালী ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ---আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরি...
-
১৮১। করোনার অবসান আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) করোনায় স্তব্ধ, গতিশীল চাকা সব, কেউ কেউ ক্ষুব্ধ, জমছে চাঁপা ক্ষোভ। নানা পেশার লোকজন, নিজ ন...
-
১৫০। ফিরতেই হবে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আজো মেঘ ডাকে গুরুগম্ভীর স্বরে, বৃষ্টিরা নামে বাতাসে ভর করে। কী বার্তা পড়িয়ে শোনায়, মর্ম...
-
আল্লাহ্কে নিয়ে একটি অনুভূতিময় ও অভিনব (অভূতপূর্ব) আধুনিক ঢঙের কবিতা দিলাম। কবিতাটিতে ঈমান, প্রেম, প্রযুক্তি ও বর্তমান বাস্তবতার ছোঁয়া রা...
-
“আল্লাহর সৃষ্টিশীল কাজের আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ” — কোরআনি ব্যখ্যা, ঐতিহ্যবাহী তফসীর, কোয়ান্টাম-কসমোলজি, জীববিজ্ঞান (ভ্রূণবিকাশ/স্টেম-সে...
-
চীন জাপান থেকে পায়ে হেটে গাজায় যাওয়ার রাস্তা বলো। ChatgptAI2025: চীন বা জাপান থেকে পায়ে হেঁটে গাজা যাওয়ার রাস্তাটা আসলে বাস্তবে অনেক জটিল, ক...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: ভালোবাসার শ্বেতপত্র ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার ...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
পৃথিবীর সমস্ত মহাসাগরের নিচেই পাহাড় ও পর্বতশ্রেণী রয়েছে, তবে প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean) -এর নিচে সবচেয়ে বেশি পর্বতমালা ও আগ্নেয়গিরি রয়...
-
ঈদযাত্রা: মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, বৃষ্টিতে ভোগান্তি “শৃঙ্খলা মানে নিরাপত্তা, নিয়ম মানে স্বস্তি” ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, শহর, বাজ...
-
প্রশ্নটি প্রতিশোধ বা সহিংসতার পক্ষে নয়, বরং খুনের রাজনীতি বন্ধ করে সত্য, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পথ জানতে চাওয়া—এটা খুবই গুরুত্বপূর...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
১৫১। স্রষ্টার অবদান আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) সরবে নীরবে,করজোড়ে, ভালোবাসি তোমারে, পরম পুলকে, শ্রদ্ধাভরে, ভাবি নীরালায়, ভীষণ করে, ব...
-
🌿“কীভাবে একজন ভালো ছাত্র, ভালো মানুষ ও সফল মুসলিম হওয়া যায় ”—এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় হলো: 👉 “ইলম (জ্ঞান), আমল (কর্ম), ও নফসের (অন্তরে...
-
কুরবানির প্রাণখানি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) কুরবানি দেয় কুরবানি, নয়তো কারো কুলখানি, গরু, ভেড়া, ছাগল, মহিষ, দোম্বা কিংবা উটখানি, ...























































