অন্যান্য | Others লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য | Others লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা

জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোর একটি হলো মাধ্যমিক স্তরের সমাপনী পরীক্ষা—এসএসসি। এটি শুধু একটি পরীক্ষা নয়, বরং ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আজ যারা এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে, তাদের প্রত্যেকের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, দোয়া ও অফুরন্ত ভালোবাসা।

পরীক্ষা মানেই কিছুটা ভয়, কিছুটা উদ্বেগ, আর অনেক আশা-স্বপ্নের সমন্বয়। তবে মনে রাখতে হবে—পরীক্ষা আপনার জ্ঞান যাচাইয়ের একটি মাধ্যম মাত্র, আপনার পুরো জীবন বা সম্ভাবনার চূড়ান্ত বিচার নয়। আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য এবং পরিশ্রমই পারে আপনাকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে।

বিখ্যাত মনীষীরা সবসময়ই আমাদের জীবনের কঠিন সময়ে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। যেমন, Thomas Edison বলেছিলেন:
“Success is 1% inspiration and 99% perspiration.”
অর্থাৎ, সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

আবার Albert Einstein বলেছেন:
“Try not to become a man of success, but rather try to become a man of value.”
অর্থাৎ, শুধুমাত্র ফলাফল নয়, নিজের চরিত্র ও মূল্যবোধ গঠনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকেও জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব অপরিসীম। Prophet Muhammad (সা.) বলেছেন:
“জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ।”
এটি আমাদের শেখায় যে, শিক্ষা শুধু পার্থিব সাফল্যের জন্য নয়, বরং আত্মিক উন্নতির জন্যও অপরিহার্য।

পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা—
নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।
সময় ব্যবস্থাপনা ঠিকভাবে করুন।
প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে উত্তর দিন।
অযথা ভয় বা দুশ্চিন্তা করবেন না।
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন এবং যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।

পরিশেষে, প্রিয় পরীক্ষার্থীরা—তোমাদের এই পথচলা হোক আলোকিত, সফলতা হোক সুনিশ্চিত। মনে রেখো, সৎ প্রচেষ্টা কখনো বিফলে যায় না। আল্লাহ তায়ালা তোমাদের সকলের পরিশ্রম কবুল করুন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্য দান করুন।

সবার জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া—তোমরাই আগামী দিনের স্বপ্ন, তোমরাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ।

আরিফ শামছ্
রিয়াদ, সউদী আরব।

সোমবার, জুলাই ১৪, ২০২৫

ফেইসবুক কমেন্ট ও জবাব

শিক্ষকরা যখন ছাত্রীদেরকে অনৈতিক ও কুপ্রস্তাব দেয় তখন শিক্ষকদের সম্মানের কথা কি শিক্ষকদের স্মরণে থাকে না?

উত্তর: Monirul Islam Bhuiyan চাচা মিঞা, এমনো ছাত্রী আছে নেশা করে, নাটক সাজায়, অন্যের প্ররোচনায় স্যারকে হেনস্থা, হেয় ও অপমানিত করার জন্য কুকীর্তি করে। অনেক সময় ক্লাসে পড়া না দিতে পারলে, সবার সামনে শাস্তি পেয়ে অপমানিত হওয়ায়, অন্ধ হয়ে প্রতিশোধপরায়ণা হয়ে যাচ্ছে তাই করে। ছাত্রীরা ও নৈতিকভাবে কতটুকুই বা সঠিক! তরুণ শিক্ষক পেলে অফার করতে ও পিছপা হয়না। অনেক সময় নাটক সিনেমার অনুকরণে বান্ধবীরা দলবদ্ধভাবে চ্যালেঞ্জ করে, কে স্যারকে অপমান করতে পারবে বা কে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে সফল হবে। বলে ব্যাটে না মিললেই হিংস্র হয়ে ওঠে। "দুর্জন বিদ্ব্যান হইলেও পরিত্যাজ্য"। ছাত্র-ছাত্রী, অভিবাবক যদি বুঝতে পারেন, শিক্ষকের চাহনি, অঙ্গভঙ্গি, অশালীন উপস্থাপন সাথে সাথে তথ্য প্রমান সহ ওয়ান টু ওয়ান ওয়ার্নিং দেয়া ও পরবর্তীতে আইনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অনৈতিক ও কুপ্রস্তাব তো অনেক পরের কথা, এর আগে উভয় পক্ষ স্বেচ্ছায় ও সাগ্রহে বা প্ররোচনায় অনেক ধাপ পেড়িয়ে আসে। তাছাড়া বিশেষ করে মেয়ে বা নারীরা পুরুষের চাহনি দেখলেই সহজে বুঝতে পারে, এটি বিষাক্ত, হিংস্র ও নিষিদ্ধ চাহনি কীনা। তখন দূরত্ব বজায় রেখে, সতর্কতা অবলম্বন করা চায়। ধন্যবাদ, চাচা।

রবিবার, জুন ১৮, ২০২৩

বাঙালির চা-প্রেম, চা নিয়ে উন্মাদনা

 



বাংলাদেশে চা শিল্প একটি সম্ভাবনাময় এবং অর্থকরী খাত। ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে – অন্য মতে ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে – সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া উদ্যানে রোপিত হয়েছিল এই শিল্পের প্রথম বীজ। তখন থেকে নিয়ে এই একবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত চা শিল্প পাড়ি দিয়েছে বেশ লম্বা একটা পথ, এবং বাণিজ্যিকভাবে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধি আর উন্নতির জোয়ার দেখেছে এই খাতটি। সর্বশেষ ২০২০ অর্থবছরে ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে আমাদের দেশে। তাছাড়া রেকর্ড পরিমাণ ২.১৭ মিলিয়ন কেজি চা দেশের মাটি থেকে রপ্তানি হয়েছে উন্নত বিশ্বগুলোতে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে চা আমদানির প্রয়োজন হবে না বরং রপ্তানির ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে বলে বিশ্বাস চা-সচেতন মহলের। বাঙালির চা-প্রেম, চা নিয়ে উন্মাদনা নতুন কোনো বিষয় নয়।



ঘরে ঘরে, শহুরে অলিগলির মোড়ে মোড়ে, পাড়া-গঞ্জের বাঁশের মাচায়, মহাসড়কের পাশের ছোট্ট দোকানে, রাজনীতি আর নির্বাচনী প্রচারণার উত্তপ্ত পরিবেশে, কর্পোরেট অফিসের ঠান্ডা-শীতল এয়ার কন্ডিশন্ড রুমের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক আলোচনায়; কোথায় গড়ে উঠেনি বলুন তো বাঙালির চা সংস্কৃতি? রিফ্রেশমেন্টের এক প্রধানতম অনুসঙ্গ এই চাকে পরিপূর্ণ শুদ্ধতা আর প্রাকৃতিক নির্যাসে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যেই আল হিকমাহ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের শাই টি উদ্যোগের সূচনা। নানা ছল চাতুরির আশ্রয় নিয়ে অবিকল চেনা ব্রান্ডের মোড়কে খোলা, মানহীন চা BSTI এর নকল সিলের ছাপ্পা মেরে যখন বাজারজাত হতে দেখছিলাম, তখন গুণগতমান আর সেরা চা পাতা বাজারজাত করার দুঃসাহসী উদ্যোগ নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম আমাদের যাত্রা। ফলে অল্পসময়েই আমরা পেয়েছি চাঞ্চল্যকর সাড়া, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মানুষের দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছি অতি দ্রুত। আপনাদের প্রিয় শাই টির অতি উন্নত আর ঝরঝরে প্রতিটি দানা মন কেড়েছে চা প্রেমীদের। ফলে সহজেই আমরা অর্জন করেছি মানুষের আস্থা, বিশ্বাস আর ভালোবাসা। আল হিকমাহ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে আমাদের সকল ভোক্তা, গ্রাহক, পরিবেশক, শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 





শাই টি কেন সেরা?

সেরা পণ্য আমাদের “শাই স্পেশাল টি ” এর কিছু বৈশিষ্ট্যঃ

১. BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution) অনুমোদিত। বিএসটিআই নাম্বারঃ আরপি -৯২৩/জি-০৫/২০২০

২. ক্ষতি-কারক ক্যামিকেল মুক্ত ।  একশ ভাগ প্রাকৃতিক দানা।

৩.বিক্রিত পন্য ফেরত নেয়ার নিশ্চয়তা ।  *শর্ত প্রযোজ্য*

৪. প্রতি কাপ চা নিশ্চয়তা দেয় গাঢ় লিকার, মন মাতানো ঘ্রান, এবং ন্যাচারাল স্বাদের মিশ্রণ।

৫. সিলেট, শ্রীমংগলসহ দেশের সেরা সব বাগানের সেরা চা সরবরাহ । (কর্নফুলি এবং ফিনলে বাগান এর মধ্যে অন্যতম)

৬. এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

৭. শাই টি, ল্যাবরেটরিতে গুনগত -মান যাচাই করে বাজারজাত করা হয়ে থাকে।

৮. স্পেশাল গ্রিন টি পাওয়া যায়



বিঃ দ্রঃ এই প্রডাক্ট বিক্রির একটি লভ্যাংশ সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য ব্যয় করা হয়।

শনিবার, জুন ১১, ২০২২

ভাদুঘর গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর বিদায়ী শিক্ষার্থীবৃন্দের তরে দুটি কথাঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। 
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

ভাদুঘর গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর 
বিদায়ী শিক্ষার্থীবৃন্দের তরে দুটি কথাঃ

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
সুমহান আল্লাহ তাআ'লার অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমি অনিবার্য কারণবশতঃ আপনাদের এই স্মরণীয় বিদায় অনুষ্ঠানে সশরীরে আসতে না পারায় আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাদের কাছে আমার কথাগুলো ব্যক্ত করছি,আপনাদের স্বপ্নীল জীবনের রাজপ্রাসাদ বিনির্মানে যদি দু'একটা কথা উপকারে আসে, তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করবো এবং আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে হালকা হতে পারবো।

প্রিয় বিদায়ী বন্ধু!
নতুন জীবনের প্রস্তুতি ও হাতছানিতে সাড়া দিয়ে, প্রাণের এই বিদ্যাপীঠ থেকে বিদায় নেয়ার মুহুর্তে সবাই দাঁড়িয়ে। বেদনাবিধুর এই সময়ে বলতে চাই, আজকের এই তথ্য প্রযুক্তি ও ব্যবসা বাণিজ্যের চরম উৎকর্ষের যুগে, তোমরা নিজেরা নিজেদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর (Brand Ambassador). তুমি নিজেই একটা ব্র্যান্ড। তিলতিল করে, কঠোর পরিশ্রম ও ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে নিজস্ব এই ব্র্যান্ডকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে উন্নীত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

প্রিয় গৌরব!
গৌরব বলেই সবাইকে সম্বোধন করলাম। সব সময় মনে প্রাণে বিশ্বাস ও স্মৃতিতে ধারণ করবে,তুমি তোমার আচার, আচরণ, কাজ-কর্ম, শিক্ষা-দীক্ষা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার দ্বারা মানব সমাজে যে অবদান রাখতে চাও, তার দ্বারা যেনো অন্তত তোমার নামের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে পারো। তাছাড়া, এটাও মনে রাখতে হবে, তুমি বা তোমরা শুধুমাত্র নাম সর্বস্ব নও। তুমি তোমার ভাই ও বোনের গর্বিত ভাই কিংবা বোন। মা-বাবার অত্যধিক আদরের ও গর্বিত সন্তান। সমাজের একটি অত্যুজ্জ্বল নক্ষত্র। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনামের ধারক-বাহক। জাতির আকাশে আশার সূর্য এবং বিশ্বায়নের যুগে, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে হবে বিশ্ববাসীর গৌরব। এই তো তোমার পরিচয়। তোমার বিকল্প নেই। তুমি অপরিমিত সম্ভাবনাময়ী। নিজেকে শাখা-প্রশাখায় মহীরুহ হয়ে, ফুলে, ফলে, পত্র পল্লবে পরিপূর্ণ বিকশিত করতে হবে। দার্শনিক সক্রেটিসের ভাষার বলতে বাধ্যঃ Know Thyself.

প্রিয় পরিক্ষার্থী ! 
কীভাবে বোর্ডের অত্যধিক প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষায় গর্বিত ও স্মরণীয় ফলাফল অর্জন করা যায়,  তা নিয়ে সুচারু পরিকল্পনা করে, বাস্তবায়নে এখন থেকেই পরিশ্রমে নেমে পড়। প্রতিটি বিষয়ে নিজেদের শক্তিশালী দখল ও দূর্বলতার জায়গাগুলো সনাক্তকরণ ও উন্নয়নে কঠোর পরিশ্রম করবে, যেনো ইচ্ছায় অনিচ্ছায় কোন ভুল করতে চাইলেও পরীক্ষায় কোন ভুল না হয়।

পরিশেষে, তোমাদের সার্বিক কল্যাণ ও গৌরবান্বিত চমৎকার ফলাফলের প্রত্যাশা রেখে বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবে, সবাইকে ভালো রাখবে।আল্লাহ হাফেজ। 

ভাদুঘর গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ
এর
উপদেষ্টামন্ডলীর পক্ষ থেকে
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া

শুক্রবার, মে ২৭, ২০২২

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।আজকের এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে, মেঘনার কন্যা, তিতাসবিধৌত স্বনামধন্য ভাদুঘর গ্রামের প্রিয় অধিবাসীদের তরে দুটি কথাঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। 
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
আজকের এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে, মেঘনার কন্যা, তিতাসবিধৌত স্বনামধন্য ভাদুঘর গ্রামের প্রিয় অধিবাসীদের তরে দুটি কথাঃ

প্রিয় ভাদুঘরবাসী,
অশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন সহকারে বলছি, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, হাজারো বছরের লালিত স্বপ্ন, সহজ সরল দৃপ্ত স্বপ্নজয়ী, আপামর ভাদুঘরবাসীর প্রাণের দাবী "ভাদুঘর আইডিয়াল কলেজ" আজ বাস্তবতার দোরগোড়ায়। আর স্বল্প সময়ের মধ্যে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে, আপনাদের বহুল কাংখিত মহাবিদ্যালয় ইনশাআল্লাহ। আজ ও আগামী প্রজন্মের স্বপ্ন সারথি, জীবন অলংকরণের অন্যতম অলংকার উচ্চশিক্ষার সোনালী সোপান আমাদের এই কলেজ।

কবির ভাষায়ঃ 
এসো আজি সবে উল্লাস করি,
নব জীবনের কেতন সবি, উচ্চে ধরি।
হর্ষে প্রাণের ঐকতানে সবাই ছুটি,
আজ সূর্য হাসে, আঁধার টুঁটি। 

আজ প্রাণেরা সব উঠলো জেগে, 
ছুটছে সবে আলোর পথে গতিবেগে। 
আলোর মিছিল চলছে দেখো সকাল সাঁঝে,
প্রাণের জোয়ার ভাসছে সবার হৃদয় মাঝে। 

প্রিয় গ্রামবাসী! 
পূর্ব পুরুষদের হাঁড়ভাঙ্গা হাঁটুনি, অক্লান্ত পরিশ্রম ও পরম সৌহার্দ্য ও ভ্রার্তৃত্বের দৃঢ় মজবুত সম্পর্কের ভিত্তিতে, জীবন যাপনের পরম লক্ষ্য ছিলো, শান্তিতে  সকলের বসবাস আর এলাকাবাসীর সার্বিক উন্নয়নে সকলের সর্বাত্মক অংশীদারীত্ব নিশ্চিত করা।চলুন, আজ থেকে দলাদলি, হানাহানি, মারামারি আর দূরত্ব সৃষ্টি নয়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শান্তি, কল্যাণ ও সার্বিকভাবে টেকসই উন্নয়নের পথে, দৃঢ় পদে, একসাথে, সামনের দিকে এগিয়ে চলি আমরা সবাই। 

কবির ভাষায়ঃ
স্বপ্নের কথা বলছি,
আলোর স্বপ্ন,
সুখের রাজ্য,
আশার আলো,
অনেক ভালো, 
স্বর্গীয় সে স্বপ্ন।

কলেজ হবে,
ভাইরে কবে,
ভাই বোনেরা,
ছুটবে কবে।

পড়ার আশে,
স্বপ্ন পাশে,
দীঘল সময়,
পাড়ি দিবে,
সফল হবে।

গরীব দুঃখি,
সুখী  অসুখী, 
সবার কাছে, 
আপন মনে,
রাখবে পাশে,
নিজের ভালো।

প্রিয় শিক্ষানুরাগী গ্রামবাসী! 
শিক্ষার প্রতি আপনাদের বিশেষ অনুরাগ, আজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নত জীবনের প্রত্যাশা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার তাগিদে আপনাদের সূর্য সন্তানদের অন্যতম সংগঠন " ভাদুঘর প্রবাসী কল্যান সংস্থা" আপনাদের প্রাণের দাবী "ভাদুঘর আইডিয়াল কলেজ" প্রতিষ্ঠার জন্য বিগত বছর সময়কাল ধরে প্রাণপণ প্রচেষ্টা, যোগাযোগ ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। মা, বাবা, পরিবার, পরিজন ফেলে যারা দূর প্রবাসে অতিব্যস্ততার মাঝে দিনাতিপাত করেন, তাঁরা নিজের গ্রামবাসী, তাঁদের প্রয়োজন ও উন্নয়নের কথা মোটেও ভুলেনি। আপনাদেরই গর্বিত সন্তান হিসেবে চিরগৌরবের অবদান রাখতে বদ্ধপরিকর। 

প্রিয় এলাকাবাসী! 
কলেজ হবে, কলেজ হচ্ছে, চলো আজকের অনুষ্ঠানে সবাই যায়, এসব মনোহর গুঞ্জনে মুখরিত আজ পুরো ভাদুঘর।প্রাণের ভাদুঘর আমার, আপনার, সবার। শান্তি, সৌহার্দ্য, প্রীতি, সম্প্রীতির সাথে বসবাসের ঐতিহ্য সুদীর্ঘকালের তথা যুগ, শতবর্ষব্যাপী। কোন একটি মতভেদকে কেন্দ্র করে হানাহানি, মারামারি, দ্বন্দ্ব-সংঘাত, হামলা-মামলা, আহত-নিহত হওয়ার মতো যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা সকল প্রকার প্রচার মাধ্যমের সংবাদ শিরোনাম হয়ে যেনো অসাম্প্রদায়িক ও শান্তির পরিবেশ বিনষ্ট না করে, সেদিকে আমাদের সবার সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। 

প্রিয় বিজ্ঞসম্প্রদায়!
স্বেচ্ছাচারিতায় বা অন্যের প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে নয়, সচেতন, দূরদর্শী, সমাজহিতৈষী বিজ্ঞ সদস্য হিসেবে আপনার মূল্যবান মতামত,পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সৎ, তরুণ,   উদ্যমী, পরোপকারী, নিঃস্বার্থ, জনদরদী, আপামর জনসাধারণ তথা ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় সহ সকল ভেদাভেদের উর্ধ্বে উঠে যে যুবসম্প্রদায় সব সময় পাশে থেকে সকলের সেবা করে যাবেন তাঁদেরকে সামনে এগিয়ে চলার পথে সর্বাত্মক সহযোগিতা করুন।

প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী, 
আমরা সবাই সর্বান্তকরণে সবার শান্তি ও নিরাপত্তা চায়। এখন সময় সমাজের সার্বিক কল্যাণে সমাজ ও উন্নয়নকর্মী যুব সমাজকে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা করা। যারা আপামর জনসাধারণের শান্তি-সমৃদ্ধি, উন্নয়নের জন্য প্রাণপণ ভূমিকা রাখবে। আমাদের পরিবেশ সুশৃঙ্খল, শান্ত ও নিরাপদ রাখার জন্য সব সময় সবাই সচেতন ও নিয়ন্ত্রিত থাকবো। অন্যকোন পক্ষ যেনো ঝগড়াঝাটি, বিশৃঙ্খলায় পরিবেশ ঘোলাটে করে ফায়দা লুটে নেবার সুযোগ না পায়।

প্রিয় শান্তিকামী! 
প্রথমেই ধন্যবাদ জানায়, এক ঝাঁক তরুণদের হৃদস্পন্দন "ক্ষুদ্র প্রয়াস" সংগঠনকে। "ঐক্যের ভাদুঘরে কলেজ চায়" এ যুগোপযোগী ও বিপ্লবী ব্যানারে, শ্লোগানে, শ্লোগানে দলমত নির্বিশেষে আমরা সবাই শান্তি ও ঐক্যের পক্ষে সমবেত হয়। তাহলেই ঐতিহ্যবাহী ভাদুঘরের সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে। চলুন সবাই সমস্বরে আওয়াজ তুলি,
"সংঘাত নয় ঐক্য চায়, 
আমরা সবাই ভাই ভাই। "

প্রিয় আদর্শগ্রামের অধিবাসী, 
আমার পরম শ্রদ্ধেয় আব্বাজান আলহাজ্ব, কবি, ক্বারী শামছুল ইসলাম ভূঁইয়া (রাহঃ) বলতেন, "আমি আদর্শের পাগল। আদর্শ মানব জীবনের শান্তি, কল্যাণ,সফলতা ও পূর্ণতার নিয়ামক "। আর উনি সারা জীবন আদর্শ ছাত্র, আদর্শ সন্তান, আদর্শ পরিবার ও আদর্শ গ্রামের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। আজ ঐতিহাসিক চিরস্মরণীয় সময়ের এই বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে বলতে চাই, ভাদুঘর আইডিয়াল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমাদের প্রাণপ্রিয় ভাদুঘর গ্রাম, আদর্শ গ্রাম হিসেবে এগিয়ে থাকলো। সীমাহীন শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও স্নেহাদর রইলো শ্রেণীবিশেষ অরুণ, তরুণ স্বপ্নবাজ, স্বপ্নবিজয়ী, সংগঠক ও ভূঁইয়া পাড়া যুব সংগঠন, মুন্সী স্মৃতি বয়েজ ক্লাব, জয় তারুণ্য, আলোর সন্ধানে সহ ভাদুঘরের আরো অনেক সামাজিক সংগঠন রয়েছে যারা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজকের এই মহতি অনুষ্ঠানের আয়োজন ও সফলতার জন্য একপায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। 

পরিশেষে, দলমত নির্বিশেষে, আপনাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতা, সর্বাত্মক অংশীদার কামনাসহ ভাদুঘর আইডিয়াল কলেজ প্রতিষ্ঠা ও পরবর্তী সকল কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহনের সবিশেষ নিমন্ত্রণ রয়লো। আপনারা সবাই শান্তি, নিরাপত্তার ও উন্নয়নের জন্য যার যার অবস্থান থেকে সুদৃঢ় ভূমিকা পালন করুন। আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর বসবাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করে আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি। 

ভাদুঘর আইডিয়াল কলেজ বাস্তবায়ন কমিটির 
পক্ষে, আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া 
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, সিডিআইএম,কাস্টমার সার্ভিস, সেলস।
নগদ লিমিটেড, বাংলাদেশ। 
সদস্য, কলেজ বাস্তবায়ন কমিটি।

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

ডিজিটাল যুগে যৌনতাকেন্দ্রিক কনটেন্ট: ক্রিয়েটর, দর্শক ও প্রযুক্তি কোম্পানির দায়বদ্ধতা

ডিজিটাল যুগে যৌনতাকেন্দ্রিক কনটেন্ট ও সামাজিক সংকট বিজ্ঞাপন, অ্যালগরিদম, পরিবারব্যবস্থা ও মানবিক দায়বদ্ধতা লেখক: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শ...