👤 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: এ.এস একাডেমি 📚 শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.এস (অনার্স), অর্থনীতি — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এম.এস.এস (অর্থনীতি) — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বি.এড — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, এম.এড — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়| 🏫 পেশাগত অভিজ্ঞতা: প্রাক্তন শিক্ষক, ব্লু-বার্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাটিকাটা, ঢাকা সেনানিবাস। প্রাক্তন শিক্ষক, হলি ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। 📧 Email: ariful01711@gmail.com Mobile: +966572496324
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬
পরিচয়
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
পরিচয়: আরিফ শামছ্
✦ লেখক পরিচিতি ✦
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
ছদ্মনাম: আরিফ শামছ্
ব্যক্তিগত তথ্য
পিতা: বিশিষ্ট সমাজ ও সাহিত্যসেবক, কবি ক্বারী আলহাজ্ব শামছুল ইসলাম ভূঁইয়া (রাহঃ)
সহকারি প্রকৌশলী, বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন (BT&T / BTCL)
মাতা: মোয়াল্লিমা হালীমা সাদীয়া ভূঁইয়া
স্থায়ী ঠিকানা:
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস, বাড়ি# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২
ভুঁইয়া পাড়া, ভাদুঘর দক্ষিণ
সদর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
মোবাইল: ০১৬১০০০৭৯৭০
শিক্ষাগত যোগ্যতা
প্রাথমিক শিক্ষা: বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার
৬ষ্ঠ শ্রেণি: নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়
৭ম–১০ম: ভাদুঘর মাহবুবুল হুদা পৌর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
এস.এস.সি (১৯৯৫): হাবলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (১ম বিভাগ)
এইচ.এস.সি (১৯৯৭): ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরকারি কলেজ
বি.এস.এস (অনার্স, অর্থনীতি) – ২০০১
এম.এস.এস (অর্থনীতি) – ২০০৩ (সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা)
বি.এড – বাংলাদেশ টিচার্স ট্রেইনিং কলেজ
এম.এড – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এমবিএ / এমএইস – অধ্যয়নরত
পেশাগত অভিজ্ঞতা
শিক্ষকতা ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজ
মোবাইল টেলিকম ও ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস খাতে অভিজ্ঞতা
কর্মরত ছিলেন (২০০৮–২০২৩):
ওয়ারিদ টেলিকম
এয়ারটেল লিমিটেড
রবি আজিয়াটা লিমিটেড
নগদ লিমিটেড
(কন্ট্রাকচুয়াল ও পারমানেন্ট উভয় পদে)
সাহিত্যিক পরিচয়
কবি, লেখক ও সাহিত্য সংগঠক
২০০+ কবিতার রচয়িতা
প্রাক্তন বিভাগীয় সম্পাদক ও সাহিত্য সম্পাদক
মাসিক “বলিতে ব্যাকুল”
“তিতাস বার্তা”
প্রকাশিত গ্রন্থ ও লেখা
যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শেখ সম্পাদিত "ঝরা ফুলের গন্ধ" যৌথ কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত
(১) "শ্বাশ্বত আহ্বাণ" এবং (২) "ছন্দ নাবিক"।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শেখ সম্পাদিত "বিজয়ের উল্লাসে" যৌথ কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত
(১) সত্য সন্ধানী (২) বাঙালির স্বাধীনতা (৩) বিজয়ের উল্লাসে (৪) অনুশোচনা (৫) বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী (৬) আজকের এই বাংলাদেশ (৭) ভাঙ্গা গড়া
সংকলন ও সম্পাদনা: তাসকিন আব্দুল্লাহ "বাংলার ১০০ কবি ও কবিতা" যৌথ কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত "আগুন জ্বালা অন্তরে" |
পত্রিকায় প্রকাশিত
দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
দৈনিক প্রজাবন্ধু
মাসিক বলিতে ব্যাকুল
তিতাস বার্তা
হক্ব পয়গাম
সম্মাননা ও পুরস্কার
পাক্ষিক সেরা কবি (একাধিকবার)
আধুনিক বাংলা কবিতা আসর
বাংলাদেশ কবি পরিষদ
আন্তর্জাতিক কবি পরিষদ
সাহিত্য জাগরণ বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কবি সংসদ (সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ)
বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনে সাপ্তাহিক/মাসিক সেরা কবি
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কবিতা:
কারবালার শিক্ষা
বিদ্রোহী তুমি বিপ্লবী
বাঙ্গালীর স্বাধীনতা
জীবন তরী
অনাগত সন্তানের আহ্বান
বংশ পরিচিতি (ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট)
বৃহত্তর বিভাগ ময়মনসিংহের অন্তর্গত বেলগাঁও থানার দিলালপুরে বসবাস করতেন পাঁচ ভাই।দুই ভাই দ্বীনের কাজে বা ভ্রমনের উদ্দ্যেশ্যে দিলালপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া (ত্রিপুরা) জেলার সদর থানার অন্তর্গত ভাদুঘর গ্রামে আসেন।প্রাকৃতিক পরিবেশের অপূর্ব লীলানিকেতনের মোহে মোহাবিষ্ট হয়ে ভ্রাতাদ্বয় স্থায়ী বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন ভাদুঘরে।"বংশ পরম্পরায় দ্বীন ধর্মের প্রচার প্রসার, অলি-আল্লাহদের খেদমত ও ইহসানের সুবাদে ধারণা মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় যে, ভ্রমণে নয়, দ্বীন ধর্ম প্রচার বা ইসলামের দাওয়াত নিয়েই দুই ভাই এসেছিলেন"।
অনলাইন উপস্থিতি
Facebook: https://www.facebook.com/ariful.bhuiyan.bd/�
LinkedIn: https://www.linkedin.com/in/arifulislambhuiyan/�
Twitter: https://www.twitter.com/arifulbhuiyan12�
YouTube: https://www.youtube.com/c/arifbhuiyan01711�
কপিরাইট
All Copyright Reserved by:
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস, ভাদুঘর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।
শুক্রবার, জুন ২৭, ২০২৫
মধুর যন্ত্রণা
শুক্রবার, মে ১৬, ২০২৫
গল্প : ভালোবাসি দিবানিশি
ভূমিকা: প্রেম, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব—এই তিনটি শব্দ মানব জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন, কোমল ও সংবেদনশীল অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব করে। কিছু সম্পর্ক শুরু হয় নিঃশব্দে, গড়ে ওঠে হৃদয়ের গভীরে, এবং শেষ হয় নিঃশেষে, কিন্তু রেখে যায় অম্লান স্মৃতির ছাপ। এই প্রবন্ধে এমনই এক বাস্তব প্রেমকাহিনীর বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে—আরিফ ও কবিতার গল্প।
অনুচ্ছেদ ১: প্রেমের বীজ রোপণ ঘটনা শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি অনার্স কলেজে, অর্থনীতিতে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার দিন। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা আরিফের চাহনির গন্তব্য ছিল কবিতার কাজল কালো নয়ন। সেখানে জন্ম নেয় মুগ্ধতা, স্পন্দন, আর অনুভবের এক নতুন জগৎ। প্রথম ক্লাসেই দেখা হওয়া, অবাক হওয়া, এবং ধীরে ধীরে হৃদয়ের ভিতরে ভালোলাগার বীজ অঙ্কুরিত হওয়া—এসবই এক তরতাজা প্রেমের শুরুর চিত্র।
অনুচ্ছেদ ২: জীবন ও মৃত্যু—সম্পর্কের ধাক্কা কবিতার বাবার মৃত্যু সেই প্রেমের ভুবনে প্রথম বড় ধাক্কা। আরিফের পক্ষে ফেনি থেকে খবর না পেয়ে উপস্থিত না হওয়া আর কবিতার অভিমানী প্রশ্ন—"তুমি না এসে পারলে?"—এই বাক্যেই যেনো হাজারটা বিষণ্নতা লুকিয়ে আছে। ভালোবাসার গভীরতা তখনই বোঝা যায় যখন চোখের জল হয়ে যায় অনুভবের ভাষা।
অনুচ্ছেদ ৩: অনুচ্চারিত মুহূর্তে ভালোবাসা আখাউড়ার এক স্মৃতি—টিউবওয়েলের পাশে দাঁড়িয়ে অযু করার দৃশ্য। এমন এক সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করা যায় কেবল প্রেমিকের চোখেই। আরিফের বর্ণনায় কবিতার সেই রূপ যেনো হৃদয়স্পর্শী কাব্যের মতোই।
অনুচ্ছেদ ৪: প্রস্তাব ও প্রতিরোধ চাচাতো দুলাভাইয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠানো হলেও পরিবারের সামাজিক রক্ষণশীলতা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। অন্য জায়গায় তড়িঘড়ি বিয়ে—এ যেনো প্রেমের করুণ পরিণতির পূর্বাভাস। তবু কোনো ঝামেলা না করা, সম্মান বজায় রাখা, এই নায়কোচিত আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রমাণ করে ভালোবাসা মানেই প্রাপ্তি নয়, আত্মত্যাগ।
অনুচ্ছেদ ৫: ছিন্ন যোগাযোগের বেদনাবিধুরতা ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া, কিছু প্রতিক্রিয়া জানানো, এবং এরপর ব্লক করে দেওয়া—এই রূপকথার বাস্তবতায় ফিরে আসা। যেনো ভালোবাসা এখন কেবল স্মৃতি, স্মৃতিতে এখন কেবল নিঃসঙ্গতা।
অনুচ্ছেদ ৬: উপহার ও কবিতার সাক্ষী "রমজানের সওগাত" নামে উপহার দেওয়া কবিতা যেনো ভালোবাসার প্রতীকচিহ্ন, অব্যক্ত অনুভবের ছন্দময় স্বাক্ষর। সেসব কবিতা আজও হৃদয় কাঁপায়, চোখে জল আনে।
অনুচ্ছেদ ৭: চূড়ান্ত বিচ্ছেদ আরিফ যখন মাস্টার্স পরীক্ষা দিচ্ছিল, তখন কবিতার বিয়ে হয়। ভাগ্য যেনো দুইজনকে এক রেখায় আনলো না, বরং দুই ভিন্ন পৃথিবীর দিকে চালিত করলো। কোনো অভিযোগ নয়, কেবল তাকদীরের ওপর আস্থা রেখে সংযমে মিশে থাকা এক ব্যর্থ প্রেমের চূড়ান্ত অধ্যায়।
অনুচ্ছেদ ৮: অনন্ত স্মরণে কবিতা, আজো ভুলতে পারেনি আরিফ। ভুলা যায় না। প্রেম যেমন অক্ষরহীন কবিতা, তেমনি কবিতা হয়ে আছেন তার হৃদয়ের শ্রেষ্ঠতম পঙ্ক্তি। যতদিন প্রেম শব্দটি উচ্চারিত হবে, ততদিন ভালোবাসা দিবানিশি-র কবিতার থাকবে আরিফের হৃদয়মণ্ডলে।
উপসংহার: এই গল্প কোনো সাধারণ ভালোবাসার নয়। এটি একটি আত্মত্যাগময়, গভীর, তীব্র ভালোবাসার দলিল। সমাজ, পরিবার, সংস্কার, বিশ্বাস, সব কিছুর মাঝে দাঁড়িয়ে ভালোবাসার এই গল্প হৃদয়বিদারক হলেও অনন্য। আরিফ ও কবিতার এই প্রেম কেবল ব্যর্থতার কাহিনী নয়, তা এক আদর্শ প্রেমের ছায়া, স্মৃতির ধ্বনি, এবং চিরন্তন মানবিকতার পরিচয়।
শুক্রবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৫
রবিবার, জুন ৩০, ২০২৪
৮৮। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে
ছারখার হয়ে যাক,
পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার,
কারো দখলে এমনি থাক।
আমার আসন ঠিক আছে তো,
বিশ্ব তাহার সবি হারাক।
মানব-দানব ধ্বংস চালায়,
কার কী আসে যায়।
তোমার আঙ্গিনায় ফোটে,
রং বেরঙের, নানা জাতের ফুল,
আমার আঙ্গিনা ক্ষত বিক্ষত,
জাজরা বুলেটে, বংশ নির্মূল!
তোমার সুখে ও দুঃখে সবাই
প্রাণাধিক সুখী ব্যাথাতুর,
আমার জীবন যৌবন, সন্তান,
প্রিয়তমা হারায়, নিত্য কূল।
বসত ভিটা, জমি-জমা, স্বপ্ন কাঁড়ে,
পাষাণ অরি,
সকাল-সাঁঝে, হর হামেশা, ঝাঁপিয়ে
পড়ে প্রাণ হরি।
যাক চলে যাক সহায় সন্তান দুঃখ নাই
মোর অন্তরে,
প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস, কার দখলে,
কোন কারণে?
শান্তি নিয়ে জুয়া খেলা, খেলছে কারা
দিবালোকে,
দাবা খেলার গুটি নিয়ে, হন্যে হয়ে
চলছে ছুটে।
শান্তি-চাবি গুটি কয়েক বোকা রাজার
হাতেই রবে?
বিশ্ব মাঝে ঝাঁকিয়ে তোলা, অশান্তির
সেই শেষ কবে?
যতো আছে পথের কাঁটা, সরায় সবে
শক্ত হাতে,
অত্যাচারীর বুকে মাটি, দাফন করি
সবাই মিলে।
চিরতরে স্তব্ধ করি, ঝগড়া বিবাদ
মারামারি,
কারণে আর অকারণে করে যারা
হানাহানি।
বিশ্বটাকে এমনি করে তুলে দিবে!
পাগল, ছাগল, পামর করে,
ভয় কি তোমার, ভীত কেন?
শক্তি তোমার কম কি কীসে??
মানবতার ধারক বাহক কোটি
কোটি জীবন পাবে,
অস্ত্র তোমার ঈমান আমল,
শক্তির আধার আল্লাহ পাশে।
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
সকাল ০৭ টা ৩৩ মিনিট।
১৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
বুধবার, মে ২৯, ২০২৪
৮৫. বিজয়ের উল্লাসে
রবিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৩
০৭। ভালোবেসে কাছে যেতে
০৫। জীবন যেখানে যেমন
সোমবার, এপ্রিল ১০, ২০২৩
সময় লেগেছে, হৃদয় ভেংগেছে; কষ্ট দিয়েছি, হৃদয় ভেংগেছি !!!
সোমবার, মে ০৯, ২০২২
বুধবার, অক্টোবর ২০, ২০২১
অনন্য মহাপুরুষ (সাঃ)
অনন্য মহাপুরুষ (সাঃ)
------আরিফ শামছ্
২০-অক্টোবর-২০২১ ঈসায়ী সাল
প্রতিটি হৃদয়ের চারিপাশ যবে ঘোর তমসায় ঘেরা,
তোমার প্রেম ভালবাসা, মুগ্ধকর আন্তরীকতা;
সৃজিল আলোর ফোঁয়ারা প্রতিটি হৃদয় জুড়ে,
আঁধারের সব আঁধার উপনীত হলো, নতজানু হয়ে।
অনন্য মহাপুরুষ! তৃষিত হৃদয়ের আবে জমজম,
দিকভ্রান্ত মানবজাতি খোঁজে পেল দিক দর্শন।
একবিংশ শতাব্দীর এক উম্মতের মরুতৃষা আজ,
তোমাকে হৃদয় ভরে দেখে নিতে দুর্নিবার অভিলাষ।
সহস্র ষড়যন্ত্রের মাঝেও সহাস্য বদনে নেয় প্রস্তুতি,
সুপারিশ তোমার দিশারী হবে, এমনি কালের আকুতি।
বলহীন, কমজোর ঈমানে নয় গড়া মুসলিম জাতি,
অকাতরে সঁপে দিবে প্রান, আসুক বাঁধারা বিপ্লবী।
স্বর্ণ যুগের সাহস নিয়ে লড়তে চাহি রণাঙ্গণে,
দ্বীনের ধ্বজা রাখতে উঁচু, লড়বো সবে প্রাণপনে।
সফলতা ধরা দিবে, প্রভূ যদি রহম করে,
সব কিছু যে চাই করিতে, মহান সে' বিভুর তরে।
চায় হতে যে বিলীন তব ভালবাসার অকূল জলে,
চোখ দুটো যে পাবে জ্যোতি ভালবাসা তব পেলে,
ফুলে ফলে পূর্ণরূপে, পেয়ে যাবে বসন- বিলাস,
কভু যদি পেয়ে যেতাম, স্বপ্ন মাঝে তব দীদার।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, বি.বাড়ীয়া।
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
ভালোবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র [১৩/০৪/২০১৭ - ০৯/০১/২০১৯] [০০১-১০৪] ০১। ১৪২৩ বলছি ০২। এলরে মাহে রমজান! ০৩। ভালোবাসা আর শংকায় ব...
-
ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার সম্মতি ছিলোনা পক্ষে আমার। ...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
উপন্যাস: ভালোবাসি দিবানিশি অধ্যায় ১: প্রথম দেখা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি অনার্স কলেজের ভর্তি কার্যক্রমের দিন। কলেজ চত্বরে উৎসবের আমেজ। ছেল...




