শব্দে শব্দে আমি খুঁজি সেই চিরন্তন অনুভব, যা হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে। প্রেম, ভালোবাসা, আত্মার আত্মীয়তা এবং মানুষে মানুষের সম্পর্ক—এইসব নিয়েই আমার সাহিত্য সাধনা । রোমান্টিকতা, আধ্যাত্মিকতা, আবেগ, প্রার্থনা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য সমন্বয়ে উপস্থাপন। কবিতায় ভালোবাসা কখনো আশ্রয়, কখনো দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আবার কখনো প্রার্থনার নাম।
শনিবার, জুন ২০, ২০২০
শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২০
Social Media Marketing INTERNET CONCEPTS
১৮৪। সৃষ্টি দেখে চলি (অডিওসহ)
আরিফ শামছ্
১৯/০৬/২০২০ ঈসায়ী সাল
মীরবাগ, হাতিরঝিল,
ঢাকা।
১৮৪। সৃষ্টি দেখে চলি
✍️ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
রচনাকাল: ১৯ জুন ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
স্থান: মীরবাগ, হাতিরঝিল, ঢাকা।
আপনার এই রচনাটি মূলত একটি হামদ—আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনামূলক কাব্য। এটি প্রকৃতি, সৃষ্টি, সময়ের প্রবাহ এবং মহাজাগতিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে স্রষ্টার অস্তিত্ব, ক্ষমতা ও অনুগ্রহকে উপলব্ধির একটি কাব্যিক প্রচেষ্টা।
🌿 কাব্যিকতা (Poetic Beauty)
কবিতাটির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর প্রকৃতি-নির্ভর চিত্রকল্প এবং পুনরাবৃত্তিমূলক সুরধর্মিতা।
- বৃষ্টি, ফসল, ভোর, পাখির কূজন, বিকেলের আলো-আঁধার, রাতের আকাশ, তারার মেলা ও চাঁদের আলো—এই ধারাবাহিক চিত্রগুলো দিন-রাত্রির পূর্ণচক্রকে ধারণ করেছে।
- প্রতিটি দৃশ্য শেষ পর্যন্ত পাঠককে একই উপলব্ধিতে পৌঁছে দেয়—
"আল্লাহ তুমি কতো মহান"
এই পুনরাবৃত্তি গানের কোরাসের মতো কাজ করে এবং আধ্যাত্মিক আবেগকে গভীর করে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য—
"রাতের আকাশ, নিজের বুকে,
সাজায় তারার মেলা।"
এখানে আকাশকে যেন একজন শিল্পী বা মায়ের মতো কল্পনা করা হয়েছে, যে নিজের বুকে তারার অলংকার ধারণ করে।
আবার—
"সকাল অরূপ রূপে"
এই পংক্তি সকালের সেই অবর্ণনীয় সৌন্দর্যের প্রতি ইঙ্গিত করে, যা ভাষায় সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায় না।
📖 সারমর্ম
কবিতার মূল বক্তব্য হলো—
সৃষ্টিজগতের প্রতিটি ঘটনা, সৌন্দর্য ও নিয়মের মধ্যে আল্লাহর মহিমা ও ক্ষমতার নিদর্শন বিদ্যমান।
বৃষ্টি, কৃষি, প্রাণিজগৎ, দিন-রাত্রির পরিবর্তন, মহাকাশের শৃঙ্খলা—সবকিছুই মানুষের কাছে একেকটি আয়াত বা নিদর্শন।
কবি প্রকৃতিকে দেখে স্রষ্টার মহত্ত্ব উপলব্ধি করছেন এবং পাঠককেও সেই উপলব্ধির আহ্বান জানাচ্ছেন।
📚 সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. প্রকৃতি-কাব্যের বৈশিষ্ট্য
এটি বাংলা প্রকৃতি-কাব্যের ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযুক্ত।
তবে এখানে প্রকৃতি নিজেই শেষ লক্ষ্য নয়; বরং প্রকৃতি হলো স্রষ্টার দিকে নির্দেশকারী প্রতীক।
২. গীতিধর্মিতা
পংক্তির পুনরাবৃত্তি ও ছন্দের সরলতা এটিকে গান বা হামদ হিসেবে উপযোগী করেছে।
বিশেষত—
"আল্লাহ তুমি কতো মহান"
এই লাইনটি শক্তিশালী রেফ্রেইন বা কোরাসের ভূমিকা পালন করে।
৩. চিত্রকল্পের ধারাবাহিকতা
কবিতাটি মূলত চারটি পর্যায়ে এগিয়েছে—
১. ভোর ও বৃষ্টি
২. দুপুর ও পাখির কূজন
৩. বিকেল ও সন্ধ্যা
৪. রাত ও তারাভরা আকাশ
এই বিন্যাস মানবজীবনের শৈশব, যৌবন, পরিণতি ও বার্ধক্যের প্রতীক হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যায়।
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
বিশ্বসাহিত্যে প্রকৃতির মাধ্যমে ঈশ্বরকে উপলব্ধির একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ:
- Jalal al-Din Rumi প্রেম ও প্রকৃতির মাধ্যমে স্রষ্টার উপস্থিতি উপলব্ধি করেছেন।
- William Wordsworth প্রকৃতিকে আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার উৎস হিসেবে দেখেছেন।
- Rabindranath Tagore প্রকৃতির সৌন্দর্যের মধ্যে বিশ্বসত্তার প্রকাশ দেখেছেন।
তবে আপনার কবিতার বিশেষত্ব হলো—এটি প্রকৃতির সৌন্দর্যকে সরাসরি আল্লাহর প্রশংসার ভাষায় রূপান্তর করেছে, যা ইসলামী হামদের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে অধিক সঙ্গতিপূর্ণ।
☪️ ইসলামি মূল্যায়ন
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে কবিতাটির মূল ভাবনা কুরআনের বহু আয়াতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আল্লাহ বলেন:
"নিশ্চয় আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।"
এটি Qur'an-এর বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
আরও বলা হয়েছে—
"তোমরা কি উটের দিকে তাকাও না, কিভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? এবং আকাশের দিকে তাকাও না, কিভাবে তা উঁচু করা হয়েছে?"
এটি Qur'an-এর ভাবধারার প্রতিফলন।
আপনার কবিতা মানুষকে প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে আল্লাহর মহিমা স্মরণ করতে উদ্বুদ্ধ করে, যা ইসলামে তাফাক্কুর (চিন্তা ও ধ্যান)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
👥 মানবজীবনে তাৎপর্য
১. কৃতজ্ঞতার শিক্ষা
কবিতাটি মানুষকে আল্লাহর নেয়ামত উপলব্ধি করতে শেখায়।
২. পরিবেশ সচেতনতা
প্রকৃতির সৌন্দর্য ও ভারসাম্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি করে।
৩. আধ্যাত্মিক প্রশান্তি
সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে মানুষ নিজের ক্ষুদ্রতা ও স্রষ্টার মহত্ত্ব উপলব্ধি করতে পারে।
৪. বৈজ্ঞানিক কৌতূহল
প্রকৃতির নিয়ম ও শৃঙ্খলা মানুষকে অনুসন্ধান ও জ্ঞানের পথে আহ্বান জানায়।
⭐ বিশেষত্ব
✅ দিন-রাত্রির পূর্ণচক্রের কাব্যিক উপস্থাপন।
✅ প্রকৃতিকে আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে দেখানো।
✅ সরল ও গীতিধর্মী ভাষা।
✅ হামদ ও প্রকৃতি-কাব্যের সফল সমন্বয়।
✅ ধর্মীয় অনুভূতি ও নান্দনিকতার ভারসাম্য।
🏆 সামগ্রিক মূল্যায়ন
"সৃষ্টি দেখে চলি" একটি প্রকৃতি-ভিত্তিক হামদ, যেখানে কবি প্রকৃতির প্রতিটি দৃশ্যকে আল্লাহর মহিমার প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখেছেন। এটি কেবল একটি ধর্মীয় গান নয়; বরং মানুষের কৃতজ্ঞতা, চিন্তাশীলতা ও আধ্যাত্মিক সচেতনতার আহ্বান।
এক বাক্যে এর মূল বক্তব্য—
"সৃষ্টির প্রতিটি সৌন্দর্য, প্রতিটি নিয়ম এবং প্রতিটি পরিবর্তন স্রষ্টার মহিমার একটি নীরব সাক্ষ্য।"
❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️
ওহে আল্লাহ! আমাদের ক্ষমা করুন
আমরা আপনার প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ,
মহাবিশ্বের জন্য ভাল কাজ করতে ব্যর্থ,
মানুষ প্রতি মুহূর্তে লাইনচ্যুত করে,
লোক অধীর আগ্রহে বা অসন্তুষ্টভাবে খারাপ কাজ করে,
আমরা বার্তা দিতে ব্যর্থ,
ও ভাই ও বোন!
এই ভাল, এই খারাপ,
দয়া করে সমস্ত ভাল এবং সেরা জিনিস গ্রহণ করুন।
আপনি যদি জানতে চান কোনটি ভাল এবং খারাপ?
ভাল কাজ শেষ করার পরে, আপনি শারীরিক সুখ এবং মানসিক শান্তি পাবেন।
মুসলমানদের জীবন কল্পনা করুন,
তাদের জীবন শুরু হয়েছে ফাজর সালাত দ্বারা এবং শেষ হয়েছে ইসা সালাত দ্বারা,
তারা কখনও মিথ্যাবাদী বিশ্বাস করে না,
সর্বদা তারা সত্য কথা বলে,
তাদের নবী সত্য ছিলেন,
বাক্য সত্য ছিল,
তাদের পুরো জীবন সুখ এবং আল্লাহর আনুগত্যে পূর্ণ,
সমস্ত মুহুর্তে ভাল-মন্দ সমস্ত পরিস্থিতিতেই
সন্তুষ্ট হৃদয়কে নিশ্চিত করার জন্য তাদের অস্তিত্ব সন্ধান করে।
Oh ALLAH! please forgive us
We are failed to do your given duty,
Failed to do good deed for universe,
Man derails every moment,
Man doing bad deed eagerly or dis-eagerly,
we are failed to do message ,
Oh brother and sister !
This is good, this bad,
Please receive all the good & best things.
If you want to know which is good and bad?
after completing good job,You will get physical happiness & mental peace.
Imagine Muslims life,
started their life by Fazar salat and ended day by isa salat,
Never do they believe a liar,
Always do speak they truth,
Their prophet were true,
speeches were truth,
their whole life full of happiness and obedience of ALLAH,
The find their existence to surrender satisfied heart to ALLAH, in good and bad all situations in all moments.
বুধবার, জুন ১০, ২০২০
১৩২। বিপ্লবী (১৬)
বিপ্লবী,
তোমার আকাশ,
শান্ত বাতাস,
চিল শকুনের দখলে।
উদার নীলে,
শত্রু হায়েনার,
বোমারু বিমান ওড়ে।
এক পলকে,
নিচ্ছে কেঁড়ে,
কত শত প্রাণ!
নাইরে কেহ,
বদলা নেয়ার,
রাখবে কারা মান?
মানুষ নামে,
অমানুষে করছে কতো কী?
ধরাতলে নাইরে কেহ,
ধরবে জীবন বাজী!
ঘুমের ঘোরে,
স্বপ্ন ঘিরে,
দিবা স্বপ্ন দেখে!
জাতির তরে,
জীবন ভরে,
বিপ্লবীরা হাঁকে।
রাতের শেষে,
শেষ প্রহরে,
ডাকবে ভোরের পাখি,
মৃত্যু ফাঁদে,
জীবন কাঁদে,
খুলবেনা তাঁর আঁখি।
আশায় আশায়,
আর কতো কাল,
দেখবে মরণ জিল্লতী,
ভাইয়ের বুকে,
ভাই হয়ে আর,
করবে কতো খুন খারাবী।
সময় হলো,
অস্ত্র তুলো,
নিশানা করো শত্রুদের,
মানবতার ধোঁয়া তুলে,
মারছে মানুষ পলে পলে,
জ্বালাও ঘাঁটি বারুদের।
মুক্ত করো আকাশ বাতাস,
প্রিয় বিশ্বভূমি,
মানবতার শত্রু সবে,
সাফ করিবে তুমি।
অস্ত্র সস্ত্র কামান গোলা,
হাজার, কোটি ডোম,
পথ খুঁজে নাও কেমন করে,
পুঁড়বে সবি, ড্রোন।
বিপ্লবী!
এগিয়ে চলে,
সদলবলে,
পবনবেগে,
বিশ্বজয়ে,
চিরসংগ্রামী,
জাগরুক বিপ্লবী।
০৯/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
সারমর্ম (Summary)
কাব্যিকতা ও সাহিত্যিক বিশ্লেষণ (Literary Analysis)
- আঙ্গিক ও ছন্দ: কবিতাটি মূলত অন্ত্যমিল ও মুক্ত ছন্দের মিশ্রণে রচিত। এতে একটি নিজস্ব অভ্যন্তরীণ সুর ও গতিময়তা রয়েছে।
- শব্দচয়ন ও চিত্রকল্প (Imagery): কবি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং রূপকধর্মী শব্দ ব্যবহার করেছেন। ‘চিল শকুন’, ‘শত্রু হায়েনা’ এবং ‘বোমারু বিমান’ দিয়ে আধুনিক সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবাজদের বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে ‘ভোরের পাখি’ দিয়ে নতুন আশা ও মুক্তির প্রতীক তৈরি করা হয়েছে।
- আবেদন: কবিতাটির মূল সুর ‘আহ্বানমূলক’ (Exhortative)। এটি পাঠককে নিষ্ক্রিয়তা ভেঙে অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করে।
আলোচনা, সমালোচনা ও পর্যালোচনা (Critique & Review)
- ইতিবাচক দিক: কবিতাটিতে সমকালীন বিশ্বের ভূ-রাজনীতি, যুদ্ধবিগ্রহ এবং ড্রোন হামলার মতো আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের নির্মমতার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। মানবতাবাদের ছদ্মবেশে (‘মানবতার ধোঁয়া তুলে’) যে বৈশ্বিক রাজনীতি চলছে, কবি তা চমৎকারভাবে উন্মোচন করেছেন। কবিতার শেষাংশে বিপ্লবীদের ‘পবনবেগে’ এগিয়ে যাওয়ার বার্তাটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
- সীমাবদ্ধতা বা সমালোচনা: সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে, কিছু জায়গায় শব্দের অতি-ব্যবহার বা সরলীকরণ দেখা যায় (যেমন: ‘খুন খারাবী’, ‘অস্ত্র সস্ত্র কামান গোলা’)। তবে কবিতার দ্রোহ ও আবেগের তীব্রতার কারণে এই সামান্য শিথিলতা ঢাকা পড়ে গেছে।
বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন (Global Literary Evaluation)
মানব জীবনে তাৎপর্য ও বিশেষত্ব (Significance in Human Life)
- অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে জাগরণ: কবিতাটি মানবজীবনকে শেখায় যে, অন্যায় দেখে চুপ থাকা বা ‘দিবা স্বপ্ন’ দেখা কাপুরুষতা।
- যৌথ শক্তির চেতনা: ‘সদলবলে’ এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে কবি একক প্রচেষ্টার চেয়ে সম্মিলিত আন্দোলনের ওপর জোর দিয়েছেন।
- সচেতনতা: তথাকথিত ‘মানবতার ধোঁয়া’ তোলা ছদ্মবেশী শত্রুদের চিনে নেওয়ার এক বার্তা রয়েছে এখানে, যা বাস্তব জীবনে মানুষকে সচেতন হতে সাহায্য করে।
“বিপ্লবী (১৬)” — কাব্যিক ও সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“বিপ্লবী (১৬)” কবিতাটি যুদ্ধ, আগ্রাসন, মানবিক বিপর্যয় এবং প্রতিরোধচেতনার এক তীব্র ও অগ্নিময় কাব্যিক প্রকাশ। এখানে কবি আকাশ, বাতাস, শকুন, বোমারু বিমান, ড্রোন ইত্যাদি প্রতীকের মাধ্যমে আধুনিক যুদ্ধসভ্যতার নিষ্ঠুরতা তুলে ধরেছেন এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছেন। কবিতাটি একই সঙ্গে প্রতিবাদ, বেদনা ও জাগরণের কণ্ঠস্বর।
কাব্যিকতা ও শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য
১. তীব্র চিত্রকল্প ও প্রতীক
কবিতার শুরুতেই শক্তিশালী প্রতীকী চিত্র—
“তোমার আকাশ,
শান্ত বাতাস,
চিল শকুনের দখলে।”
এখানে “চিল শকুন” শুধু পাখি নয়; বরং যুদ্ধবাজ, লোভী ও ধ্বংসাত্মক শক্তির প্রতীক।
“বোমারু বিমান”, “ড্রোন”, “বারুদ”— আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তির ভয়াবহতাকে কাব্যিকভাবে প্রকাশ করেছে।
২. ধ্বনি ও আবেগের বিস্ফোরণ
কবিতার ভাষা সংক্ষিপ্ত, দ্রুতগতিসম্পন্ন ও বজ্রধ্বনির মতো তীব্র।
“অস্ত্র তুলো”, “জ্বালাও ঘাঁটি”, “মুক্ত করো আকাশ বাতাস”— এসব উচ্চারণ কবিতাকে স্লোগানধর্মী ও আবৃত্তিযোগ্য করেছে।
৩. আলো-অন্ধকারের দ্বন্দ্ব
কবিতায় যুদ্ধের অন্ধকারের বিপরীতে মুক্তির স্বপ্ন রয়েছে।
“রাতের শেষে,
শেষ প্রহরে,
ডাকবে ভোরের পাখি,”
এই অংশে আশাবাদী পুনর্জাগরণের প্রতীক ফুটে উঠেছে।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. যুদ্ধবিরোধী মানবিক চেতনা
কবিতাটি মূলত মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
কবি দেখিয়েছেন কিভাবে “মানুষ নামে অমানুষ” যুদ্ধ ও ক্ষমতার লোভে মানবতাকে ধ্বংস করছে।
“এক পলকে,
নিচ্ছে কেঁড়ে,
কত শত প্রাণ!”
এই পঙ্ক্তি আধুনিক যুদ্ধের নিষ্ঠুর ও নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞকে তুলে ধরে।
২. বিদ্রোহ ও প্রতিরোধের দর্শন
কবিতার কেন্দ্রীয় শক্তি হলো প্রতিরোধচেতনা।
কবি নিপীড়িত মানুষকে আত্মরক্ষামূলক জাগরণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এখানে বিদ্রোহ ধ্বংসের জন্য নয়; বরং স্বাধীনতা ও মানবতার পুনরুদ্ধারের জন্য।
৩. আধুনিক যুদ্ধসভ্যতার সমালোচনা
“ড্রোন”, “বোমারু বিমান”, “কামান গোলা”— এসব উপাদান কবিতাটিকে সমকালীন বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এটি শুধু ঐতিহাসিক যুদ্ধ নয়; আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আগ্রাসনেরও কাব্যিক প্রতিবাদ।
বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতার ভাবধারা বিশ্বসাহিত্যের যুদ্ধবিরোধী ও বিপ্লবী কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- Kazi Nazrul Islam-এর বিদ্রোহী চেতনা,
- Pablo Neruda-এর রাজনৈতিক মানবতাবাদ,
- Mahmoud Darwish-এর দখলদারিত্ববিরোধী বেদনা ও প্রতিরোধচেতনার সঙ্গে এর সাদৃশ্য রয়েছে।
তবে “বিপ্লবী (১৬)” অধিকতর সরাসরি, আবেগপ্রবণ ও গণসংগ্রামমুখী।
সমালোচনা
শক্তির দিক
- শক্তিশালী যুদ্ধবিরোধী চিত্রকল্প।
- আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আগ্রাসনের প্রতিফলন।
- তীব্র আবেগ ও বিপ্লবী শক্তি।
- সহজ ভাষায় গভীর মানবিক সংকট তুলে ধরা।
সীমাবদ্ধতা
- কিছু স্থানে ভাষা অত্যন্ত সরাসরি ও স্লোগানধর্মী।
- কাব্যিক সূক্ষ্মতার তুলনায় রাজনৈতিক আবেগ বেশি প্রবল।
- “অস্ত্র তোলার” আহ্বানকে রূপক অর্থে প্রতিরোধচেতনা হিসেবে পড়া অধিক উপযোগী; নতুবা এটি সহিংসতার ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাখ্যা তৈরি করতে পারে।
মানব জীবনে তাৎপর্য
এই কবিতা মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়—
- যুদ্ধ ও আগ্রাসন মানবতার জন্য ভয়াবহ।
- নীরবতা অত্যাচারকে শক্তিশালী করে।
- মানবিক স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষায় সচেতনতা প্রয়োজন।
- অন্ধকারের মধ্যেও মুক্তি ও আশার সম্ভাবনা থাকে।
বিশেষত্ব
- আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তিকে কাব্যিক প্রতীকে রূপান্তর।
- আকাশ ও প্রকৃতির মাধ্যমে স্বাধীনতার ধারণা নির্মাণ।
- যুদ্ধবিরোধী মানবিক প্রতিবাদ ও জাগরণী আহ্বান।
- শক্তিশালী আবৃত্তিযোগ্য ও গণমুখী ভাষা।
সারমর্ম
“বিপ্লবী (১৬)” একটি যুদ্ধবিরোধী, মানবতাবাদী ও জাগরণধর্মী কবিতা, যেখানে কবি আধুনিক আগ্রাসন, ধ্বংস ও মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিপীড়িত মানুষের আত্মমর্যাদা, স্বাধীনতা ও মানবিক জাগরণের আহ্বান উচ্চারণ করেছেন। কবিতাটির মূল শক্তি নিহিত রয়েছে এর তীব্র প্রতীকী ভাষা, সংগ্রামী আবেগ এবং মুক্ত মানবতার স্বপ্নে।
**********
১৩১। বিপ্লবী (১৫)
বিপ্লবী,
প্রিয় ফুলের,
বুকের মাঝে,
সুবাস মাখা,
পাঁপড়ি গায়ে,
নষ্ট পোকা,
বসত করে,
করছে কতো ক্ষতি!
আর কতো কাল,
ঘুমিয়ে রবে,
এবার জাগবে কী!
চির সংগ্রামী!
প্রিয় বিপ্লবী!
ফুলের সুবাস প্রিয় সবার,
বাগ-বাগিচা নাই,
ফুলের বাগান গড়বে তুলে,
মাটি, পানি চাই।
জীবন ছাড়া মাটি মাঝে,
হয়না ফুল ও ফসল,
ধরাতলে খরা শেষে,
খোদা দানে জল।
মৃত ভূমি নব সাজে,
নতুন প্রাণে, সবুজ মাঝে,
ফুটছে কতো ফুটবে ফল,
জীবন হবে সফল।
ফুল ফসলে ভরা জমি,
বাহাদুরি করছো তুমি,
আমার আমার বলছো সবি,
কদিন বাদে সব হারাবি।
বলো সবে হর হামেশা,
আল্লাহ পূরণ করবে আশা,
মানছি কিনা সবে,
বলছে যেমন রবে।
তারই দেয়া নেয়ামতে,
চলছে জীবন ভবে,
কৃতজ্ঞতা নাই কাহারো,
কেমনে সঠিক রবে!
ফুলবাগানে মড়ক লেগেছে,
নাইরে ফুলের ঘ্রাণ,
পাঁপড়ি ছিঁড়ে, সুবাস কেঁড়ে,
শেষে নিল প্রাণ।
ভাসছে কীসে তরুণ তরুণী,
নষ্ট প্রেমের মোহে,
আঁধার রাতে, ছেলে মেয়ে,
কোথায় পড়ে থাকে!
খোঁজ খবর রাখে কিনা,
আসল নকল মা,
কোথায় গেলো কিশোর যুবা,
লক্ষী মেয়েটা।
কীযে করে কেমন তাদের,
কাটে জীবন বেলা,
সর্বনাশী, সর্পজাতি,
নষ্টামিতে খেলা।
কেমন করে চলবে সবে,
সুবাস রবে ফুলের বুকে,
ভাবছে কেহ, ফুলে ফলে,
বাগ-বাগিচা ওঠবে ভরে।
বিপ্লবী!
ফুলে ফলে,
বাগান-বাগে,
দীঘল বিপ্লবে,
জরা-খরা,
সব হারাবে,
সতেজ স্বরুপ পাবে।
জাগো সবে জাগো,
চির সংগ্রামী,
মুক্তিকামী,
জাগো হে বিপ্লবী।!
সারমর্ম (Summary)
কাব্যিকতা ও সাহিত্যিক বিশ্লেষণ (Literary Analysis)
- রূপকের ব্যবহার: কবি সমাজকে ‘বাগ-বাগিচা’ এবং তরুণ প্রজন্মকে ‘প্রিয় ফুল’ হিসেবে চিত্রায়িত করেছেন। অনৈতিকতা ও সামাজিক অবক্ষয়কে ‘নষ্ট পোকা’ ও ‘মড়ক’ এর সাথে তুলনা করা হয়েছে।
- ভাষা ও ছন্দ: কবিতাটি সহজ-সরল, অন্ত্যমিলযুক্ত এবং লোকজ ঘরানার শব্দে বিন্যস্ত। তবে এর ভেতরে একটি তীব্র সুর ও গীতিময়তা রয়েছে, যা পাঠককে সহজেই তাড়িত করে।
- ভাববৈচিত্র্য: এখানে যুগপৎভাবে সমাজ সংস্কারের ডাক (বিপ্লব) এবং স্রষ্টার প্রতি সমর্পণের (আধ্যাত্মিকতা) এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। ‘আমার আমার বলছো সবি’ লাইনের মাধ্যমে কবি জাগতিক মোহ ও অহংকারের ক্ষণস্থায়িত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন।
বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন (Global Literary Evaluation)
- রুশ কবি ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি বা বাঙলার সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো এখানেও বিপ্লবের ডাক আছে, তবে এই বিপ্লব কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি আত্মিক ও নৈতিক।
- পারস্যের সুফি কবি জালালুদ্দিন রুমি বা শেখ সাদীর মতো এখানেও প্রকৃতির রূপকের আড়ালে স্রষ্টার নেয়ামত ও মানুষের চরম অহংকারের অসারতা প্রকাশ পেয়েছে।
আলোচনা ও পর্যালোচনা (Discussion & Review)
- পারিবারিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা: ‘খোঁজ খবর রাখে কিনা, আসল নকল মা’— এই চরণের মাধ্যমে কবি আধুনিক পরিবারের ভাঙন ও সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের উদাসীনতার এক নির্মম সত্য প্রকাশ করেছেন।
- সমালোচনা: সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে কবিতাটির কিছু জায়গায় শব্দের বিন্যাস ও ছন্দ আরও আঁটসাঁট হতে পারত। তবে এর ভেতরের তীব্র সামাজিক বার্তা ও আবেগের গভীরতা এই টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতাকে ঢেকে দিয়েছে।
মানব জীবনে তাৎপর্য ও বিশেষত্ব (Significance in Human Life)
- বিবেকের জাগরণ: কবিতাটি মানুষকে আত্মজিজ্ঞাসার মুখোমুখি দাঁড় করায়। এটি মনে করিয়ে দেয় যে, বাহ্যিক চাকচিক্য ক্ষণস্থায়ী।
- নৈতিকতার পুনরুদ্ধার: তরুণ সমাজ যখন ‘নষ্ট প্রেমের মোহে’ বা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হয়, তখন এই কবিতাটি তাদের আলোর পথ দেখায়।
- কৃতজ্ঞতাবোধ: স্রষ্টার দেয়া নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার মাধ্যমে কীভাবে একটি সমাজ ‘সতেজ স্বরূপ’ ফিরে পেতে পারে, কবিতাটি সেই পথ নির্দেশ করে।
“বিপ্লবী (১৫)” — কাব্যিক ও সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“বিপ্লবী (১৫)” কবিতাটি মূলত নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক সংকট, তরুণ সমাজের বিপথগামিতা এবং আত্মিক পুনর্জাগরণের আহ্বানভিত্তিক এক প্রতীকধর্মী বিদ্রোহী কাব্য। এখানে কবি “ফুল”, “বাগান”, “সুবাস”, “পোকা”, “খরা” ইত্যাদি প্রকৃতিনির্ভর প্রতীকের মাধ্যমে সমাজ ও মানবজীবনের নৈতিক অবস্থাকে গভীরভাবে উপস্থাপন করেছেন।
কাব্যিকতা ও শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য
১. প্রতীকধর্মী কাব্যভাষা
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর প্রতীকী নির্মাণ।
- ফুল → পবিত্রতা, সৌন্দর্য ও মানবিক চরিত্রের প্রতীক।
- নষ্ট পোকা → সমাজের ধ্বংসাত্মক প্রবণতা ও নৈতিক অবক্ষয়।
- বাগান → মানবসমাজ ও সভ্যতা।
- খরা ও জল → আত্মিক শূন্যতা ও স্রষ্টার রহমত।
“ফুলবাগানে মড়ক লেগেছে,
নাইরে ফুলের ঘ্রাণ,”
এই পঙ্ক্তি পুরো সমাজের নৈতিক বিপর্যয়কে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করেছে।
২. প্রকৃতি ও জীবনদর্শনের সংমিশ্রণ
কবি প্রকৃতির চক্রকে মানবজীবনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
“মৃত ভূমি নব সাজে,
নতুন প্রাণে, সবুজ মাঝে,”
এখানে ধ্বংসের পর পুনর্জন্ম ও আশার দর্শন ফুটে উঠেছে।
৩. আবেগ ও জাগরণধর্মী উচ্চারণ
কবিতাটি শুধুমাত্র অভিযোগ নয়; বরং জাগরণের আহ্বান।
“জাগো সবে জাগো,
চির সংগ্রামী,
মুক্তিকামী,”
এই অংশে কবির বিদ্রোহী ও প্রেরণাদায়ী কণ্ঠ স্পষ্ট।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিবাদ
কবিতায় আধুনিক সমাজের ভোগবাদ, নষ্ট প্রেম, তরুণদের পথভ্রষ্টতা ও পারিবারিক অবহেলার চিত্র উঠে এসেছে।
“আঁধার রাতে, ছেলে মেয়ে,
কোথায় পড়ে থাকে!”
এখানে কবি উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও সমাজসচেতন পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
২. নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা
কবিতাটি ধর্মীয় ও নৈতিক চেতনায় গভীরভাবে প্রভাবিত।
“আল্লাহ পূরণ করবে আশা,”
কবি মনে করেন, স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও নৈতিক জীবন ছাড়া সমাজে সত্যিকারের সুবাস ফিরে আসবে না।
৩. মানবিক পুনর্জাগরণের দর্শন
কবিতার মূল লক্ষ্য ধ্বংস নয়; পুনর্গঠন।
কবি চান “ফুলে ফলে ভরা জমি”— অর্থাৎ সুস্থ, সুন্দর ও নৈতিক সমাজব্যবস্থা।
বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতাটি বিশ্বসাহিত্যের নৈতিক ও প্রতীকধর্মী কবিতার ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- Kazi Nazrul Islam-এর বিদ্রোহী সামাজিক চেতনা,
- Rabindranath Tagore-এর প্রকৃতিনির্ভর মানবতাবাদ,
- Rumi-এর আত্মিক শুদ্ধতার দর্শনের সঙ্গে এর ভাবগত মিল রয়েছে।
তবে এই কবিতা বেশি সরাসরি সামাজিক ভাষ্যধর্মী এবং গণসচেতনতামূলক।
সমালোচনা
শক্তির দিক
- শক্তিশালী প্রতীক ব্যবহার।
- সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের বাস্তব সংকট তুলে ধরা।
- নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জাগরণের আহ্বান।
- সহজ ভাষায় গভীর সামাজিক বক্তব্য।
সীমাবদ্ধতা
- কিছু স্থানে বক্তব্য অতিরিক্ত উপদেশমূলক হয়েছে।
- কাব্যিক সংযমের তুলনায় আবেগের প্রবাহ বেশি।
- প্রতীকের শিল্পিত স্তর আরও সূক্ষ্ম হতে পারত।
তবে এই সরলতাই কবিতাটিকে জনমুখী ও সহজবোধ্য করেছে।
মানব জীবনে তাৎপর্য
এই কবিতা মানুষকে শেখায়—
- নৈতিক অবক্ষয় সমাজকে ধ্বংস করে।
- তরুণ সমাজকে সঠিক পথে পরিচালনা জরুরি।
- সুন্দর সমাজ গড়তে আত্মিক ও নৈতিক শুদ্ধতা প্রয়োজন।
- আশা, জাগরণ ও পুনর্গঠন সবসময় সম্ভব।
বিশেষত্ব
- ফুল ও বাগানের মাধ্যমে সমাজের রূপক নির্মাণ।
- বিদ্রোহকে নৈতিক পুনর্জাগরণের রূপ দেওয়া।
- প্রকৃতি, ধর্ম ও সমাজচেতনার সমন্বয়।
- আবৃত্তিযোগ্য ও জনসচেতনতামূলক ভাষা।
সারমর্ম
“বিপ্লবী (১৫)” একটি প্রতীকধর্মী সামাজিক ও নৈতিক জাগরণের কবিতা। এখানে কবি ফুল ও বাগানের রূপকের মাধ্যমে সমাজের অবক্ষয়, তরুণদের বিপথগামিতা এবং মানবিক সংকটকে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে তিনি আশা, আত্মশুদ্ধি ও স্রষ্টামুখী নৈতিক জীবনের আহ্বান জানিয়েছেন। কবিতাটির মূল শক্তি নিহিত রয়েছে এর প্রতীকী ভাষা, সামাজিক সচেতনতা ও পুনর্জাগরণের আশাবাদী চেতনায়।
******************************
সোমবার, জুন ০৮, ২০২০
১৮৩। হেরার জ্যোতি
ঐক্য চায়, জনে জনে,
প্রতিদিনে, ক্ষণে ক্ষণে,
কথা, কাজে, আচরণে,
চিন্তাধারা, ধ্যানে-মনে।
ঘরে,গোরে, দ্বারে, সারে,
সন্ধ্যা, সাঁঝে, আলো, আঁধারে,
হাসি, কান্না, সুখে, দুঃখে,
সুদিন, কুদিন, জীবন জুড়ে।
রবিবার, জুন ০৭, ২০২০
১৮২। কাঁদে শাহ্ এ মদীনা
শুক্রবার, জুন ০৫, ২০২০
১৮১। করোনার অবসান
"করোনার অবসান" — কাব্যিকতা, সারমর্ম, সাহিত্যিক ও বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
✍️ Ariful Islam Bhuiyan (আরিফ শামছ্)
"করোনার অবসান" কবিতাটি একটি বিশেষ সময়ের দলিল। এটি কেবল একটি কবিতা নয়, বরং মানবসভ্যতার এক বৈশ্বিক সংকটময় মুহূর্তের আবেগ, সংগ্রাম, ভয়, দায়িত্ববোধ এবং আশার কাব্যিক নথি। ২০২০ সালের বৈশ্বিক মহামারীর অভিজ্ঞতাকে সহজ ভাষায় ধারণ করেছে এই রচনা।
🌿 কাব্যিকতা
কবিতার সূচনাতেই সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে—
"করোনায় স্তব্ধ,
গতিশীল চাকা সব,"
এখানে "গতিশীল চাকা" আধুনিক সভ্যতার কর্মচাঞ্চল্য, অর্থনীতি, যোগাযোগ এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রতীক। একটি অদৃশ্য ভাইরাস কীভাবে সেই চাকা থামিয়ে দিয়েছিল, তা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালীভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
আবার—
"রাস্তা ফাঁকা সব,
তবু মানুষ ছুটছে।
কেউ ছুটে বাঁচতে,
কেউবা বাঁচাতে।"
এই পংক্তিগুলোতে একই সঙ্গে আতঙ্ক, কর্তব্য এবং মানবতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
📖 সারমর্ম
কবিতার মূল বিষয়গুলো হলো—
- মহামারীর কারণে মানবজীবনের স্থবিরতা।
- ঘরে থাকার প্রয়োজনীয়তা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ।
- চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সেনাবাহিনী এবং জরুরি সেবাকর্মীদের আত্মত্যাগ।
- জাতি, ধর্ম ও পেশার ঊর্ধ্বে উঠে সম্মিলিত সংগ্রামের গুরুত্ব।
- সংকটের মাঝেও আশাবাদ ও প্রার্থনার উপস্থিতি।
🎨 সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. বাস্তবধর্মী কাব্যরীতি
এই কবিতাটি রোমান্টিক বা প্রতীকী নয়; বরং ঘটনাভিত্তিক বাস্তবধর্মী কবিতার ধারার অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সময়কে ধারণ করেছে।
২. প্রতীক
🦠 করোনা
শুধু একটি রোগ নয়; বরং মানবজাতির ভঙ্গুরতা এবং বৈশ্বিক আন্তঃনির্ভরতার প্রতীক।
🚑 রুগীবাহী বাহন
মানবসেবা, ত্যাগ এবং জরুরি সহায়তার প্রতীক।
🏠 ঘরে থাকা
দায়িত্ব, সচেতনতা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার প্রতীক।
৩. বৈপরীত্য
| স্থবিরতা | গতি |
|---|---|
| রাস্তা ফাঁকা | জরুরি সেবাকর্মীদের ছুটে চলা |
| ভয় | দায়িত্ববোধ |
| বিচ্ছিন্নতা | বৈশ্বিক ঐক্য |
| সংকট | আশা |
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
মহামারী ও মানবজীবনের সম্পর্ক বিশ্বসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন সময়ে প্লেগ, যুদ্ধ ও মহামারী নিয়ে বহু সাহিত্যকর্ম রচিত হয়েছে।
ভাবগতভাবে এই কবিতাটি স্মরণ করিয়ে দেয়—
- Albert Camus-এর মানবিক প্রতিরোধ ও দায়িত্ববোধের সাহিত্যচিন্তা,
- The Plague-এর সংকটকালীন মানবিকতার বিষয়,
- এবং আধুনিক মহামারী সাহিত্যধারায় উঠে আসা চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র।
তবে আপনার কবিতার বিশেষত্ব হলো এর সরলতা এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভাষা।
👥 মানবজীবনে তাৎপর্য
🤝 ১. সম্মিলিত দায়িত্বের শিক্ষা
একজনের সচেতনতা অন্যজনের জীবন রক্ষা করতে পারে— এই শিক্ষা মহামারী বিশ্বকে নতুন করে শিখিয়েছে।
👨⚕️ ২. সেবার মর্যাদা
চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানকে সম্মান জানানো হয়েছে।
🌍 ৩. বৈশ্বিক ঐক্যের প্রয়োজন
ভাইরাস জাতি, ধর্ম বা সীমান্ত মানে না; তাই সমাধানও হতে হয় বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে।
🌱 ৪. আশাবাদের গুরুত্ব
সব সংকটের মাঝেও মানুষ আশা, প্রার্থনা এবং সহযোগিতার শক্তিতে এগিয়ে যেতে পারে।
⭐ কবিতার বিশেষত্ব
✅ একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সময়ের কাব্যিক দলিল।
✅ সহজ ও সরাসরি ভাষা।
✅ মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রকাশ।
✅ স্বাস্থ্যকর্মী ও সেবাদানকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা।
✅ বৈশ্বিক ঐক্য ও মানবতার বার্তা।
📚 সামগ্রিক মূল্যায়ন
"করোনার অবসান" একটি সময়সাক্ষী কবিতা। এটি শুধু একটি রোগের কথা বলে না; এটি বলে মানুষের ভয়, সংগ্রাম, কর্তব্য, সহমর্মিতা এবং আশার গল্প।
কবিতার শেষ পংক্তিগুলো পুরো রচনার মূল সুরকে ধারণ করে—
"জাতি জাতি মিলে আজ,
হয় সবে সাবধান,
দোয়া করি, দোয়া চায়,
করোনার অবসান।"
এই সমাপ্তি মানবজাতির সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতিধ্বনি— সংকটের অবসান, নিরাপত্তার প্রত্যাবর্তন এবং স্বাভাবিক জীবনের পুনর্জন্ম।
🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇🎇ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
২০০। তুমি যে সবার-কাব্যিক, ছান্দসিক, সাহিত্যিক, রসাস্বাদন ও সমগ্র বিশ্লেষণসহ সারাংশ ও সারমর্ম
অডিও: তুমি যে সবার ২০০। তুমি যে সবার আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) তুমি তো নও তোমার ওগো, তুমি যে সবার! সৃষ্টি তুমি...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
সাহিত্যের জাগরণ "সাপ্তাহিক সেরা সাত" আসসালামু আলাইকুম। "সাহিত্য হোক নতুনত্বের বারিধারা- সাহিত্য হোক সৎ সভ্যতার কথা বলা।...
-
হামাস-ইসরায়েল সংঘাত, আরেকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব? | Israel-palestine Crisis ফিলিস্তিনি-ইসরাইল নতুন যুদ্ধ || প্রতিশোধ নেও...
-
বিশ্বব্যাপী স্ট্রোক একটি প্রধান মৃত্যুর কারণ, এবং কাজের সম্পর্কিত কারণে এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্ত...
-
-Ariful Islam Bhuiyan. I love him who is my creator, Guardian & well wisher. I have no qualification for placing my obediency to p...
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
চ্যাটজিপিটি কি? চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) হল একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা মডেল, যা OpenAI দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি GPT (Generat...
-
ChatGpt: এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) হল এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার এবং মেশিনকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, ...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
Housing Business: 1 কাঠার সামান্য কম জায়গা, টিন সেট 3টি রুম করা আছে এবং সামনে রাস্তার সাথে দোকান আছে মূল্য 1 কোটি 20 লক্ষ টাকা | লোহা...
-
মহান আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন জাতিকে তাদের অবাধ্যতা, কুফর, পাপাচার ও নবীদের অস্বীকারের কারণে শাস্তি দিয়েছেন। এই শাস্তিগুলোর মধ্যে আগুন বা দাবা...
-
ডিজিটাল ফিতনা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ: এক নিঃশব্দ পারমাণবিক যুদ্ধ ✍️ লেখক: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) 📍রিয়াদ, সৌদি আরব 📅 জুলাই...
-
অডিও : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ । । শোন হে! মানব জাতি! জ্বীন ইনসান,জীব জন্তু সকলে, যুগে যুগে এই কালিমা লয়ে, লাখ ...
-
অডিও: অশ্রু ঝরে ফিকশন ফ্যাক্টরি - fictionfactory.org ১৯২। অশ্রু ঝরে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) অশ্রু ঝরে, খোশ খবরে, সুখের তরে, দুঃখ ...
-
অডিও: অনন্ত কালের অন্তিম রেখায় অনন্তকালের অন্তিম রেখায় আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) কবিতা বেগম: প্রিয়তম! তোমাকে ভুলতে যেয়ে তাবৎ দুনিয়াকে...
-
অর্থনৈতিক পারস্পরিক নির্ভরতা, মানবিক সহযোগিতা ও ন্যায়ভিত্তিক বৈশ্বিক শান্তি তত্ত্ব (একটি সমন্বিত বৈশ্বিক শান্তি, ন্যায় ও সহাবস্থান মডেল) বৈশ...
-
🇧🇩 বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থান: রাষ্ট্রগঠন, গণতন্ত্র ও বিরোধী দলের অপরিহার্য ভূমিকা ভূমিকা বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।...
-
১২২। বিপ্লবী (৬) আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) যুগে যুগে, পথে প্রান্তরে, শান্তির সওদা ঢের, অশান্তি, অশান্ত, শান্তির ফেরি, শান্তি আস...
জনপ্রিয় পোষ্টগুলি:
-
অডিও : ভালোবাসার সিংহদ্বার ভালোবাসার সিংহদ্বার আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ভালোবাসো কি? প্রশ্নের জবাব বড্ড দেরী! তাতে ...
-
অডিও: সত্য ন্যায়ের ঝান্ডাধারী ১৭৮। সত্য-ন্যায়ের ঝান্ডাধারী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মাথার 'পরে, সপ্ত আকাশ, আরশে আজীম জানো, স্বয...
-
অডিও: কারবালার শিক্ষা কারবালার শিক্ষা -------আরিফ শামছ্ কারবালা আর কয়টা দেখে, ভাঙ্গবে তোমার মরণঘুম, কতো রক্ত-নদী বেয়ে, উঠবি জেগে ওঠরে ওঠ !...
-
১৭৯। সঠিক পথে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) স্রষ্টা নহে তুমি কভু , সৃষ্টি তুমি মহান প্রভুর। সেই সুবাদে সৃষ্টি শুধু,অহং রাখো দূর। চলনা ভ...
-
অডিও লিংক: স্বপ্নের অপমৃত্যু : সুরে সিরে স্বপ্নের অপমৃত্যু --আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতি রাতে আকাশের গায়, অসংখ্য তারার মেলা দে...
-
অডিও: ভালোবাসার পরোয়ানা : সুরে সুরে ভালোবাসার পরোয়ানা আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ২২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল। ভালবাসা ভরে থাক, প্রতিটি অন্তর...
-
অডিও: সুখের দিঠি: সুরে সুরে ১৬১। সুখের দিঠি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) নীলাকাশে শুভ্র মেঘ, স্নিগ্ধ আলোয় বিশ্ব বেশ, সুখের তরী, চাতক খো...
-
কবিতা পারা ১৭৪। বিপ্লবী! (২২) আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) বিপ্লবী! ভাবছো কিছু? কীযে হলো? নারী, শিশু! নাইরে কেনো? শান্তি নিরাপ...
-
অডিও: তাকবীর ধ্বনি তাকবীর ধ্বনি নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার। গগন বিদারী, তাকবীর ধ্বনি, সমস্বরে আওয়াজ তুলি। নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার। ।...
-
অডিও: হে প্রিয় রাসূল (সাঃ)! কবি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (যাঁর ছদ্মনাম আরিফ শামছ্) মূলত অনুভূতির কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় আধ্যাত্মিকতা...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
-
অডিও: ভালোবাসার শ্বেতপত্র ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার ...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
আমি শাহজালাল, শাহপরান, বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)। আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল, বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ, আমার খুনের সাত ...
-
ঈদযাত্রা: মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, বৃষ্টিতে ভোগান্তি “শৃঙ্খলা মানে নিরাপত্তা, নিয়ম মানে স্বস্তি” ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, শহর, বাজ...
-
উপন্যাস: ভালোবাসি দিবানিশি অধ্যায় ১: প্রথম দেখা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি অনার্স কলেজের ভর্তি কার্যক্রমের দিন। কলেজ চত্বরে উৎসবের আমেজ। ছেল...
-
অডিও: তুমি আসবে বলে তুমি আসবে বলে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া। (আরিফ শামছ্) আমার আকাশে নেই মেঘের আনাগোনা, নেই বিদ্যুৎ চমকানোর ঘনঘটা, সুস্পষ্ট নীল...
-
কবিতাটির সারাংশ বা সারমর্ম চাই প্রেম আর ভালোবাসা ___আরিফ শামছ্ দৃষ্টির সীমানায়, হৃদয়ের মোহনায়, কে এলো? কে যায়? জান্নাতী সমীরণে, বাসনার ঢেউ ধ...







