[আমার প্রায়শই মনে পড়ে, বেবী ক্লাস থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রিয় শিক্ষক শিক্ষিকাদের কথা। আসলে সকল শিক্ষক শিক্ষিকাগন সকল শিক্ষার্থীদের প্রিয়। তবে, কতিপয় শিক্ষক শিক্ষিকা শিশু ছাত্র থেকে শুরু করে মধ্যবয়স পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের মুখের ভাষা, মনের ভাষা ও বাহ্যিক আচরণের সাথে সাথে আভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যরুপ ও সুপ্ত প্রতিভা বা তার সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরে পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে তাকে গড়ে তুলতে প্রানপন চেষ্টা করেন এবং সফল ও হোন।একটা ঘটনা না বললেই নয়, ভাদুঘর (দক্ষিণ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম (১৯৮৯) শ্রেণীর ছাত্র। প্রধান শিক্ষক আবু তাহের স্যার (ভাই), পরে প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগম আপা, জোছনা আপা, লাইলী ম্যাডাম, ইয়াসমিন আপা ওনাদের প্রায়শই মিস করি। পরীক্ষার সময় প্রায় শেষের দিকে, আমি খেয়াল করলাম, মিস নূরজাহান বেগম পরীক্ষার শুরু থেকেই ফলো করছেন আমার খাতায় কি লিখছি, যেহেতু বরাবরের ফার্স্টবয়, ওনি লেখা নিয়ে চিন্তিত নয়, চিন্তিত আমার কোন অসুবিধে হচ্ছে কীনা, লুজ শীট লাগবে কীনা, আমার ইতস্ততভাব আঁচ করতে পেরে আমার খাতার পাশে ম্যাম বসে পড়ে বললেন, সম্ভবত সময় নিয়ে টেনশনে আছো, কোন দুশ্চিন্তার কারন নেই, যা লিখেছো তোমার প্লেস ঠিক থাকবে। যেহেতু রচনা লিখছো, তুমি লিখতে থাকো, যতক্ষণ পারো (সৃজনশীলতার আবিষ্কার,মর্যাদা ,লালন ও বিকাশে সহযোগিতা)। আমার মনে হয় ত্রিশ কি চল্লিশ মিনিট ম্যাম নির্দ্বিধায় ও বিরক্তিহীন ভাবে অপেক্ষা করে আমাকে সময় দিয়েছিলেন। ম্যামকে দেখলেই মায়ের স্নেহাদর,ভালোবাসা ও অন্যরকম প্রশান্তির ছোঁয়া পেতো মন। ওনি পাশে থাকলে পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ ও প্রেরণা অনেক গুণ বেড়ে যেতো। বিদ্যালয়ের ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে দুষ্টুমি,মারামারি করার ফুরসৎ ছিলোনা। এক ক্লাস শেষ হতে না হতেই আরেক স্যার বা ম্যাডামের বাড়ির কাজ জমা করে টেবিলে রাখা, পড়া রিভিশন দিয়ে পড়া দেয়া, আবার নতুন পড়া ও বাড়ীর কাজ বুঝে নেয়া ইত্যাদি করতে করতে সময় খুব দ্রুত ফুঁড়িয়ে যেতো। খুব মনে পড়ে, আর আফসোস হয়, সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য কিছুই করতে পারলামনা! ওনাদের নিঃস্বার্থভাবে পরিশ্রমের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা কোনটাই প্রকাশ ও বাস্তবরূপ দিতে পারলামনা। অবশেষে মন সান্ত্বনা খুঁজে, সুমহান আল্লাহর দরবারে,
"হে আল্লাহ ! আমি তোমার নগন্য বান্দা, শিক্ষক শিক্ষিকাদেরকে কোন বিনিময় বা প্রতিদান দিতে কিংবা সেবা করতে ব্যর্থ ; তুমি তোমার বান্দার হয়ে উত্তম বিনিময় দান করুন। উনাদের নেক হায়াত,পূর্ণ সুস্থতা, সুখ শান্তিপূর্ণ ও নিশ্চিন্ত এবং আপনি সন্তুষ্ট এমন জীবন দান করুন। আর, যারা আপনার কাছে চলে গেছেন, ওনাদেরকে দয়া করে, আপনার রাহমান, রাহীম ও গাফুর নামের খাতিরে মাফ করে দিন। কবরে জান্নাতের বাতায়ন উন্মোচিত করে দিয়ে শান্তি ও স্বস্থির ঘুম নিশ্চিত করে দিন। জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমাদের সবাইকে ও মাফ করুন। আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। আমীন। ইয়া রাব্বুল আলামীন। - আরিফ শামছ্ ♥]
শব্দে শব্দে আমি খুঁজি সেই চিরন্তন অনুভব, যা হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে। প্রেম, ভালোবাসা, আত্মার আত্মীয়তা এবং মানুষে মানুষের সম্পর্ক—এইসব নিয়েই আমার সাহিত্য সাধনা । রোমান্টিকতা, আধ্যাত্মিকতা, আবেগ, প্রার্থনা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য সমন্বয়ে উপস্থাপন। কবিতায় ভালোবাসা কখনো আশ্রয়, কখনো দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আবার কখনো প্রার্থনার নাম।
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
শিক্ষক: জীবনের নীরব নির্মাতা
৩৬। ভাই হারিয়ে
ভাবছি বসে ধূলীর ধরায়, গোছল,
শোক সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে চলে গেলে
বিভুর কাছে,
"আসতে হবে আমার মতোই যখন তোমার সময় হবে"।
নিথর, নীরব, সব দেহ -প্রাণ।
আশার তরী, ডুবল আজি,
শোক-সবুরে, তোমায় খুঁজি।
নিভে গেলো চেরাগ, কেন? কিসের অভিমানে!
পি.এ.টি.সি'র গাছ গাছালী নিথর মাথা নত,
শোকের কথা বলে যেত, যদি ভাষা পেত।
যমকুলি আর অন্য পাখি, কাঁদছে পালা করে।
সবাই যখন দাঁড়িয়ে গেল, তোমার জানাজায়,
শোকাহত পাখিগুলো চুপটি করে ধায়।
মাফের তরে করছে দোয়া, খুলে মন-প্রাণ।
"কোমলমতি ছেলে মেয়ে প্রভুর জিম্মায়,
পরিবারের সকল কিছু দেখো পরওয়ার।
তোমার দেয়া মুসিবতে শক্তি,
এমন কিছু নাইবা করি,
তোমার দেয়া সরল পথে,
অপার দয়ায়, রেখো তাঁরে, জান্নাতী করে।
তাঁহার মতোই সবার তরে, জীবন যেন গড়ি,
সুখে- দুঃখে সব মানুষের, আপন হয়ে থাকি।
শনিবার
দুপুর ০১ টা ২৬।
৩৫। সিগন্যালের গ্যাঁড়াকলে
৩৩। সফেন পদ্ম (অডিওসহ)
যদি প্রস্তাবনা না মানা হয়—সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিণতি
প্রস্তাবনা
"আমরা জনসাধারণ বারবার মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত জুলাই, দোষারোপ ও বিভক্তির রাজনীতি দেখতে চাই না।
আইন ও সংবিধানের মারপ্যাঁচে বিতর্কিত বিষয় নিয়ে জাতীয় সংসদের মূল্যবান সময় অপচয় বন্ধ করুন।
বিনাশর্তে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন, গণভোটের সকল দাবি-দাওয়া পূরণ করুন।
দেশ ও জনগণের কল্যাণে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, পানি ও জনগণের সম্পদের যথাযথ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
অন্যথায়, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সম্মানজনকভাবে পদত্যাগ করুন।
জনগণ শান্তি চায়, ন্যায় চায়, জবাবদিহিতা চায়—প্রতারণা নয়।"
যদি প্রস্তাবনা না মানা হয়—সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিণতি
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়—যখন জনগণের ন্যায্য দাবি, গণভোট, সংস্কার বা জাতীয় ঐকমত্যের প্রস্তাব সরকার উপেক্ষা করে, তখন তার পরিণতি শুধু সংসদে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা জাতীয় সংকট, আন্তর্জাতিক চাপ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং কখনও শাসনব্যবস্থার পতন পর্যন্ত গড়ায়।
যদি প্রস্তাবনা না মানা হয়—সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিণতি
১. জাতীয় রাজনৈতিক অচলাবস্থা
সংসদ চলবে, কিন্তু জনগণের আস্থা ভেঙে যাবে।
ইতিহাস বলে—বাংলাদেশে রাজনৈতিক বৈধতা হারালে “সংসদ” কাগজে থাকে, বাস্তবে রাস্তাই রাজনীতি নির্ধারণ করে।
উদাহরণ: ২০১৮–এর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া এবং নির্বাচনকালীন সরকার দাবির বিতর্ক, এবং ২০২৪-এর অসহযোগ আন্দোলন—দুই ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে জনচাপ রাষ্ট্রকে বদলে দিয়েছে। �
Wikipedia +1
ফল:
হরতাল
অবরোধ
প্রশাসনিক স্থবিরতা
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে অচলাবস্থা
২. গণআন্দোলন ও ক্ষমতার বৈধতা সংকট
যখন জনগণ মনে করে সংসদ তাদের প্রতিনিধিত্ব করছে না, তখন “আইনগত বৈধতা” হারিয়ে “নৈতিক বৈধতা” প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
ইতিহাস: ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান
১৯৯০ স্বৈরাচার পতন
২০২৪ জুলাই আন্দোলন
সব ক্ষেত্রেই শাসক কাঠামো ভেঙেছে জনরোষে, শুধু আইন দিয়ে নয়।
২০২৪ সালের অসহযোগ আন্দোলনে প্রধান দাবিই ছিল সরকারের পদত্যাগ, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনে গড়ায়। �
Wikipedia
৩. আন্তর্জাতিক চাপ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা
যদি গণভোট, সংস্কার, মানবাধিকার বা জনগণের অংশগ্রহণ অস্বীকার করা হয়:
তাহলে:
বিদেশি বিনিয়োগ কমে
উন্নয়ন সহযোগিতা বাধাগ্রস্ত হয়
আন্তর্জাতিক সংস্থা পর্যবেক্ষণ বাড়ায়
গণতান্ত্রিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল—এমন উদাহরণও রাজনৈতিক আলোচনায় বারবার এসেছে। �
Wikipedia
৪. অর্থনৈতিক ধস ও জনগণের কষ্ট বৃদ্ধি
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মানেই:
ডলার সংকট
বিনিয়োগ হ্রাস
কর্মসংস্থান কমে যাওয়া
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি
প্রবাসী আস্থার সংকট
অর্থনীতি কখনো রাজনীতি থেকে আলাদা থাকে না।
৫. নতুন শক্তির উত্থান
ইতিহাসে “রাজনৈতিক শূন্যতা” কখনো ফাঁকা থাকে না।
পুরনো দল যদি জনআস্থা হারায়— নতুন জোট, ছাত্রশক্তি, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, সংস্কারবাদী শক্তি উঠে আসে।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও বিভিন্ন নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের উত্থান এই বাস্তবতারই অংশ। �
Wikipedia +1
আন্তর্জাতিক ঐতিহাসিক উদাহরণ
আরব বসন্ত (২০১১)
জনগণের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ উপেক্ষা → শাসক পতন
শ্রীলঙ্কা (২০২২)
অর্থনৈতিক সংকট + জনরোষ → রাষ্ট্রপতির পতন
পাকিস্তান
নির্বাচনী বৈধতা সংকট → দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা
ইতিহাসের শিক্ষা: “জনগণকে উপেক্ষা করে স্থায়ী শাসন সম্ভব নয়।”
উপসংহার
যদি জুলাই সনদ, গণভোট, জাতীয় ঐকমত্য ও জনগণের দাবি অস্বীকার করা হয়—
তাহলে প্রশ্ন হবে শুধু সরকার টিকবে কি না—
বরং রাষ্ট্র কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা আর রাষ্ট্র রক্ষা করা এক জিনিস নয়।
ইতিহাস বলে—
**যে সরকার জনগণের কণ্ঠ শুনতে অস্বীকার করে,
শেষ পর্যন্ত তাকে জনগণের গর্জন শুনতেই হয়।**
বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬
৩১। সান্ত্বনা
২৯। জাগবে কবে, বীরের জাতি !
ভয় কি তোমার দেশ কাঁড়িবে ! রোহিঙ্গা না বৌদ্ধরা ?
তাকাও! তোমার আপন জনের মুখটি বারেক দেখো,
কারো আঘাত সইবে কভু, নীরবে তা' ভেবো !!!
মানব শত্রু বৌদ্ধরা আজ আসল পরিচয়ে।
"প্রাণী হত্যা মহাপাপ", অভিনয়ের বানী !!!
মানুষ খেকু বৌদ্ধদের সব, দেখছে বিশ্ব-বাসী !!!
ইরাক,সুদান,আরাকান, কাশ্মীর , হচ্ছে সেথায় কি ???
বিশ্ব মোড়ল চুপটি কেন? করছে কিসের কাজ !!!
চাও কি তুমি বিশ্ব মাঝে , মানবতা নিপাত যাক।
ঘরে বাইরে মারছে সবে, শূন্য উঠান দেখো !!!
নাইকি তোমার রক্ত, মাংস, মরলো বিশ্ব বিবেক?
চলো ভাইরে জানাজাতে, দাফন করি তাদের।
তিলে তিলে দিচ্ছে ঠেলে, ভয়াল মৃত্যুকূপে।
আর কতো দিন দেখে যাবে মরন জ্বালা নীরব চোখে,
বাদ-প্রতিবাদ, ন্যায়ের যুদ্ধে, বীরের জাতি জাগবে কবে?
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
২৮। জাগাও তুমি, জেগে ওঠো !
--------আরিফ শামছ্
২২.১১.১৬ ঈসায়ী সাল।
বিকাল ৫:১৫।
আজ কি হলো ভাইরে তোমার, সব কিছুতেই হেয় হারালো !
হালাল ছেড়ে হারাম খেয়ে, নাই ঈমানের দৃঢ়তা,
প্রতিবাদী কণ্ঠে কেনো দ্রোহের আগুন জ্বলেনা !
ভীরু ভীরু ত্রস্তপদে বাঁচবে নিজে? না কা'রে বাঁচাবি?
দুর্বলতার সুযোগ পেয়ে, চামচিকারা কী করে !!!
শের এ খোদার ঘুম ভাঙ্গানো; উচিত হবে কবে???
নাও তুলে সেই তলোয়ার, রাঙ্গানো ঐ বিশ্বাসের।
মুক্ত তোমায় করবেনা কেউ, মারবে বেঁধে বেঁধে,
বিশ্বাস যদি নাইবা হবে, তাকাও বিশ্ব মাঝে।
ঝাঁপিয়ে পড়ো, বিদায় করো পাষাণ পাপী যত।
যালিমদের আজ দাও পাঠিয়ে, অগ্নি- ভরা খাঁদে,
ন্যায়ের খড়গ কত নিঠুর দেখুক বিশ্ব-সবে।
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
ChatgptAI2025:
প্রবন্ধ শিরোনাম:
“ঈমানের তলোয়ার: প্রতিবাদের কাব্যিক আহ্বান”
কবিতার কাব্যিক আলোচনা ও প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ
আরিফ শামছ্-র লেখা এই কবিতাটি এক গাঢ় আত্মবিশ্লেষণী ও প্রতিবাদী উচ্চারণ, যেখানে একজন বিশ্বাসী হৃদয়ের ঈমান-ক্ষয় এবং তার প্রতিকার নিয়ে তীব্র সাহিত্যিক ও ভাবপূর্ণ চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। কবিতাটি সময়ের প্রেক্ষাপটে বিশ্বাসহীনতা, আত্মসমর্পণ, ভীরুতা ও নৈতিক পতনের বিরুদ্ধে এক সাহসী জাগরণ-স্বর।
এই কবিতাটি লেখা হয়েছিল ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর, বিকাল ৫:১৫-এ, যা সময় ও স্থাননির্ভর এক দার্শনিক ও সমাজ-রাজনৈতিক আবহে রচিত। লেখকের নিজস্ব আবাসভূমি “ফখরে বাঙ্গাল নিবাস”-এর ঠিকানায় লেখা এই কবিতাটি যেন সমাজ-চেতন জাগানোর এক ব্যক্তিগত অথচ সর্বজনীন প্রয়াস।
ছন্দ, মাত্রা ও শব্দরীতির সৌন্দর্য
ছন্দময়তায় কবিতাটি সনাতন গীতিকবিতার ঢঙে লেখা, তবে কোথাও কোথাও সপ্রতিভ বিরাম ও ছেদ এনে আবেগকে জোরালো করা হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ:
"হালাল ছেড়ে হারাম খেয়ে, নাই ঈমানের দৃঢ়তা,"
"প্রতিবাদী কণ্ঠে কেনো দ্রোহের আগুন জ্বলেনা!"
এই চরণগুলোতে চার, পাঁচ ও ছয় মাত্রার মিলন ঘটে, যা পাঠকের হৃদয়ে একধরনের গীতল কিন্তু বেদনাময় ধ্বনি তৈরি করে। ধ্বনিতত্ত্ব অনুযায়ী এখানে ‘স্বর-সংঘাত’ ব্যবহার করে সৃষ্ট হয়েছে উত্তেজনা ও মননশীলতা।
সাহিত্যিক রস ও রসাস্বাদন
এখানে ‘বীর রস’ ও ‘করুণা রস’ পাশাপাশি কাজ করে।
বীর রসে কবি আহ্বান করেছেন:
"নাও তব সে পূর্ণ ঈমান, বর্ম পড় আমলের,"
"ঝাঁপিয়ে পড়ো, বিদায় করো পাষাণ পাপী যত।"করুণা রস দেখা যায় যখন কবি হাহাকার করছেন একজন ঈমানদার মুসলমানের পতন দেখে:
"আজ কি হলো ভাইরে তোমার, সব কিছুতেই হেয় হারালো !"
এই দুই রসের যুগলবন্দী পাঠকের মনে এক গভীর প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
সমালোচনামূলক পর্যালোচনা
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি এর বক্তব্যের নির্ভীকতা। এক সাহসী আত্মসমালোচনার মধ্য দিয়ে লেখক কেবল নিজেকে নয়, পুরো মুসলিম সমাজের আত্মিক অবনতির চিত্র তুলে ধরেছেন। তবে কিছু শব্দচয়ন (যেমন "চামচিকারা") সাহিত্যিক সৌন্দর্যকে কিছুটা খর্ব করতে পারে বলেই মত দেয়া যায়। এটিকে আরও প্রতীকী শব্দ দিয়ে উপস্থাপন করলে শিল্পরূপ আরো পরিণত হতো।
মানব জীবনে তাৎপর্য ও গুরুত্ব
এই কবিতা একটি সামাজিক বিপ্লবের আহ্বান। বর্তমান সময়ে যখন সত্যকে চাপা দিয়ে মিথ্যার বাজার গরম, তখন এই কবিতাটি যেন এক তলোয়ার-সম আহ্বান:
- নিজের বিশ্বাসকে দৃঢ় করো,
- অন্যায়-জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও,
- কণ্ঠে প্রতিবাদের আগুন জ্বালাও।
বিশেষত তরুণ সমাজের মাঝে ধর্মীয় আত্মপরিচয়, নৈতিকতা এবং সাহসিকতার প্রশ্নে এই কবিতাটি শিক্ষণীয় ও উদ্বুদ্ধকারী।
উপসংহার
‘ঈমানের তলোয়ার’ কবিতাটি কেবল একটি কবিতা নয়, এটি একটি মর্মস্পর্শী আত্মজিজ্ঞাসা ও প্রতিবাদের ঘন্টার ধ্বনি। এটি একাধারে সাহিত্য, সমাজচেতনা ও আধ্যাত্মিক ভাবনার সংমিশ্রণে অনন্য। এই কবিতার অন্তর্নিহিত বার্তা আজকের বিশ্বে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক—বিশ্বাস, সাহস এবং প্রতিবাদের মাধ্যমে এক নতুন আলোর পথ খুঁজে পাওয়ার জন্য।
২৭। ফেরেশতাদের বাগানে
সবুজের সমারোহ, সাজানো যতোসব।
ফুলে ভরা থরে থরে, মনোহর বাগিচা,
হার মানিবে নীরবে, বারেক এসে দেখনা।
কে যাবে ভাই, শান্তি পেতে, সকাল দুপুর সাঁঝে,
শুনতে পাবে ঐশী কালাম, অতি মধুর সুরে,
মহানবীর (সাঃ) বাণী বাজে, কচিকাঁচার স্বরে।
ছড়িয়ে থাকা বিশ্ব মাঝে, মাদ্রাসাতেই এসো।
নয়কো একা, বন্ধু সহ, আপনজনা নিয়ে,
মনেপ্রাণে শুনে নিতে, শান্তি সুধা পানে।
তৈরি হচ্ছে দ্বীনের দাঈ, যুগের মান্যবর।
উঁচু করে ধরবে তাঁরা, ধ্বজা ইসলামের,
সগৌরবে পৌঁছে দিতে, বাণী ইহসানের।
তারিখঃ ২৩.১১.২০১৬
সময়ঃ রাত ১২টা ৩০ মিনিট।
ঢাকা, বাংলাদেশ।
২৪। বিজয়ী কাব্য-গাঁথা
চাওয়া-পাওয়া একটি জয়,
আকাশে বাতাসে, ধ্বনি–প্রতিধ্বনি ভাসে
পেশীতে হালাল শক্তি,
বলে বলে পতন নিশ্চিত;
বিরোধী শিবিরের সেনা-সেনাপতি।
জীবনের বেলা-ভূমে,
চলো দুহাত তুলি তাসকিন ভাইয়ের মতো
বিজয়ী নিশান বেশে,
গ্যালারী,ঘরে,অলিতে গলিতে,
প্রাণ রবে অস্থির, বিজয়ী উল্লাসে।
পালাবে সব জরা-জীর্ণতা,
ছন্দে ছন্দে মনের আনন্দে,
বিজয়ী কাব্য-গাঁথা।
“গর্জে ওঠো বাংলাদেশ”,
তোমাদের মাঝে বাংলা কে পায়,
ভূলে সব ভেদ-বিভেদ।
রান নিবি পায় পায়,
বাঘের হিসাব কেমন পাঁকা,
বুঝিয়ে দেবে, কড়ায়-গন্ডায়।
বুঝবে তারা’, পড়বে যারা,
বিজয়ী হয়ে বীরের বেশে,
ফিরিতে চায় খেলা শেষে।
০৬.০৩.২০১৬
আশা টাওয়ার,শ্যামলী, ঢাকা।
২৩। ভালোবাসা (অডিওসহ)
অডিও: ভালোবাসা: সুরে সুরে
ভালোবাসা
ভালোবাসার আকাশ পেলাম, রঙধনুটা কৈ?
ফুলে ভরা বাগান পেলাম, গোলাপখানা কৈ?
তারা ভরা আকাশ দেখি,শুকতারাটা খুঁজি;
নিশাচরের ডাক শুনি আর, ভালবাসা খুঁজি।
ভালোবাসার স্বপ্ন দেখি, মন-মুকুরের মাঝারে;
ভালোবাসার পিদিম জ্বালায়, বাসনার আঁধারে।
ভালোবাসি হৃদয় ভরে, রাখি সদা অন্তরে;
নিঝুম রাতে পাই খুঁজে পাই, ভালবাসার প্রান্তরে ।
বালিয়াড়ি বলে বেড়ায়, প্রাণ যে নিল পাষাণী!
প্রাণ পেলে তো বাগান হবে;গাইবে গানের পাখি ।
ভালোবাসার জলধারা, আনবে বয়ে কে’বা!
ভালোবাসার ঝরণাধারা লুকিয়ে আছে কোথা?
ভালোবাসার মানুষ পেলাম, ভালবাসা কৈ?
ভালোবাসার কথা শুনি, স্বাদ যে তাহার কৈ!
ভালোবাসার রশ্মি পেলাম, সুরুজটারে খুঁজি;
ভালোবাসার চাঁদ ও আমার! তাইতো এখন বুঝি।
২২। নতুন করে গড়ি
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
২০০। তুমি যে সবার-কাব্যিক, ছান্দসিক, সাহিত্যিক, রসাস্বাদন ও সমগ্র বিশ্লেষণসহ সারাংশ ও সারমর্ম
অডিও: তুমি যে সবার ২০০। তুমি যে সবার আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) তুমি তো নও তোমার ওগো, তুমি যে সবার! সৃষ্টি তুমি...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
সাহিত্যের জাগরণ "সাপ্তাহিক সেরা সাত" আসসালামু আলাইকুম। "সাহিত্য হোক নতুনত্বের বারিধারা- সাহিত্য হোক সৎ সভ্যতার কথা বলা।...
-
হামাস-ইসরায়েল সংঘাত, আরেকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব? | Israel-palestine Crisis ফিলিস্তিনি-ইসরাইল নতুন যুদ্ধ || প্রতিশোধ নেও...
-
বিশ্বব্যাপী স্ট্রোক একটি প্রধান মৃত্যুর কারণ, এবং কাজের সম্পর্কিত কারণে এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্ত...
-
-Ariful Islam Bhuiyan. I love him who is my creator, Guardian & well wisher. I have no qualification for placing my obediency to p...
-
চ্যাটজিপিটি কি? চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) হল একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা মডেল, যা OpenAI দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি GPT (Generat...
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
ChatGpt: এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) হল এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার এবং মেশিনকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, ...
-
মন মাতানো, প্রাণ জুড়ানো, গান শোনো, ক্লান্তি দূরে, শ্রান্তি পাবে, শান্তি পাবে জানো। --আরিফ শামছ্ shorts/74cqSa9OJUg?si=8CEXnpPjnRqGkU3f জন্...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
ভারত কেন জ্বালায় এতো তার কি সুবিধা? পানি নিয়ে রাজার নীতি, পানি কেন পাইনা? মরুভূমি হয়ে যখন পানি পানি করি, ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে পানি, ভিন প...
-
Here is a more emotional, Islamic spiritual transformation of your poem—keeping your core questions but deepening the reflection with faith...
-
কবি পরিচিতি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া কলমি নাম: আরিফ শামছ্ জন্ম: ৪ঠা মে, ১৯৭৯ | ভাদুঘর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর তিতাসবিধৌত সাহিত্য-সংস্কৃতির উর্ব...
-
ভাই হারিয়ে ---- আরিফ শামছ্ ধরাতলে আগমনে আজান দিল খুশি মনে, ভাবছি বসে ধূলীর ধরায়, গোছল, নামাজ বাকি আছে। শোক সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে চলে গেলে ...
-
📜 কবিতা ৬: 📅 তারিখ: ৩১ মে ২০২৫ 📍 স্থান: রিয়াদ, সৌদি আরব (অধ্যায় ৩: কান্না ও ক্ষমা) রাত গভীর, চারদিক নিস্তব্ধ, তবু আমার ভিতরে চলেছে ঝড়...
-
১৯০। বিপ্লবী (২৫) --------আরিফ শামছ্ বিপ্লবী! দেশ ও জাতি, দিবস রাতি, কোন্ মোহে, দুঃখ সহে! জড় নহে, অলস দেহে, পাথর চোখে, থাকছে চেয়ে। কী লাভ এ...
-
গাড়িতে ৪ ফিলিস্তিনিকে গু*লি করে মা*রলো ইসরায়েলি সেনারা! (ভিডিও) | Israeli aggression | Jamuna TV গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জামবাহী দুইটি ট্রাকে হা...
-
১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ। -----আরিফ শামছ্ গোলা ভরা ধান ছিল তার, পুকুর ভরা মাছে। তলা ছাড়া ঝুড়ি কভু, মাথা পিছুর ঋণে। সোনার বা...
-
ক্বোরআন, সূরা ও আয়াত: ভাষা, গাণিতিক বিন্যাস, বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিত ও নৈতিক অর্থনীতির এক সমন্বিত গবেষণা লেখক: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) রিয়...
-
চলমান গাজা , ফিলাস্তিন ও হামাস নিয়ে জুম'আ খুৎবা - শায়খ মুসলিহ আলওয়ানি, সৌদি ( বাংলা অনুবাদ সহ) 10,922 views Oct 27, 2023 #muslim_b...
জনপ্রিয় পোষ্টগুলি:
-
------- Arif Ibn Shams 04/12/2018 Christian year. I'm a warrior, I'm a Wisdom, not an old woman, The coil ...
-
3Bs মাওলানা হাফেজুল ইসলাম ভূঁইয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া আতিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ইসলাম পরিবার ফখরে বাঙ্গাল নিবাস, বাড়ী# ১২৩৪, ভূঁইয়া পাড়া, ওয়ার্ড# ১...
-
১৫৬। বিশ্বাসের বিশ্বায়ন আরিফুল ইসলাম ভূইয়া (আরিফ শামছ্) বিশ্বাস করো, ভালোবাসি কতো, খাঁদ নেই তার, তাও ভালো জানো। ভালোবেসে যা' করিবার তরে...
-
ছায়া ঘেরা মায়ায় ভরা নজরকারা গ্রামে; কেউ কি যাবে;শান্তি পেতে দেহ-মন জোরে? পুবের বিলে শাপলা, শালুক,ছবির মত নদী; চলছে বয়ে নিরবধি প্র...
-
ক্বোরআন, সূরা ও আয়াত: ভাষা, গাণিতিক বিন্যাস, বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিত ও নৈতিক অর্থনীতির এক সমন্বিত গবেষণা লেখক: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) রিয়...
-
[মেঘনার কন্যা খ্যাত তিতাস বিধৌত, শিল্প-কলা, সাহিত্য-সংস্কৃতির সূতিকাগার, প্রখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সবুজ-শ্যামল ভূমি শহীদী রক্তে সিক্ত - রঞ...
-
গাড়িতে ৪ ফিলিস্তিনিকে গু*লি করে মা*রলো ইসরায়েলি সেনারা! (ভিডিও) | Israeli aggression | Jamuna TV গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জামবাহী দুইটি ট্রাকে হা...
-
অডিও: ভালোবাসার পরোয়ানা : সুরে সুরে ভালোবাসার পরোয়ানা আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ২২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল। ভালবাসা ভরে থাক, প্রতিটি অন্তর...
-
Here is a more emotional, Islamic spiritual transformation of your poem—keeping your core questions but deepening the reflection with faith...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: ভালোবাসার শ্বেতপত্র ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার ...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
ঈদযাত্রা: মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, বৃষ্টিতে ভোগান্তি “শৃঙ্খলা মানে নিরাপত্তা, নিয়ম মানে স্বস্তি” ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, শহর, বাজ...
-
প্রশ্নটি প্রতিশোধ বা সহিংসতার পক্ষে নয়, বরং খুনের রাজনীতি বন্ধ করে সত্য, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পথ জানতে চাওয়া—এটা খুবই গুরুত্বপূর...
-
১৫১। স্রষ্টার অবদান আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) সরবে নীরবে,করজোড়ে, ভালোবাসি তোমারে, পরম পুলকে, শ্রদ্ধাভরে, ভাবি নীরালায়, ভীষণ করে, ব...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
কুরবানির প্রাণখানি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) কুরবানি দেয় কুরবানি, নয়তো কারো কুলখানি, গরু, ভেড়া, ছাগল, মহিষ, দোম্বা কিংবা উটখানি, ...
-
🌿“কীভাবে একজন ভালো ছাত্র, ভালো মানুষ ও সফল মুসলিম হওয়া যায় ”—এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় হলো: 👉 “ইলম (জ্ঞান), আমল (কর্ম), ও নফসের (অন্তরে...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
.jpg)



.jpg)


