তারায় তারায় কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তারায় তারায় কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬

১৭।   সব হারানো শেষে

ভারত কেন জ্বালায় এতো তার কি সুবিধা?
পানি নিয়ে রাজার নীতি, পানি কেন পাইনা?
মরুভূমি হয়ে যখন পানি পানি করি,
ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে পানি, ভিন প্রদেশে টানি।

বর্ষাকালে বাঁচিনারে ভীষণ পানির জ্বালা,
গ্রীষ্মকালের পাওনা সবি মিটায় করে মায়া।
বানের জলে ভাসি যখন আমরা বাঙ্গালী,
সব বাঁধেরই মুখ খুলে দেই, সবাই তাহা জানি।

কেমনতরো নোংরা কাজের খেলা বারে বারে,
বাঙ্গালিরা দেখে যাবে, বানের জলে মরে।
বিশ্বে কেহ নাইকি দেখার এমন আচরণ?
বছর বছর করে যাবে, নাইকি তাদের শরম?

নেতা হয়ে আসন দখল কাজের বেলা নাই,
নামে দেশের নেতা হয়ে, দেশটা বেঁচে খাই।
জনগনের নাইরে সময়, ধান্দা পেটের করে,
কষ্ট করে দিবা নিশি, আহার যোগায় সবে।

ভাল করে জানতে শিখ সকল ইতিহাস,
কেমনে তারা করছে তোমায় নিত্য পরিহাস?
স্বাধীণতা পেলাম সবাই, তাদের অবদানে!
আজো শুনি ঋণ যে বাকী, সব হারানো শেষে।

---------আরিফ শামছ্

*********

কবিতা: সব হারানো শেষে
বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারমর্ম

এই কবিতাটি নদী, পানি, সীমান্ত রাজনীতি, রাষ্ট্রীয় অবিচার এবং জাতিগত আত্মসমালোচনার এক প্রতিবাদী কাব্য। এখানে কবি ব্যক্তিগত বেদনা নয়, বরং সমষ্টিগত ক্ষোভ, বঞ্চনা এবং জাতীয় চেতনার প্রশ্নকে সামনে এনেছেন। “সব হারানো শেষে” শিরোনামেই আছে দীর্ঘশ্বাস—যেন ইতিহাস, ভূগোল এবং রাজনীতির মাঝে সাধারণ মানুষের হারিয়ে যাওয়া অস্তিত্বের আর্তনাদ।

বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. পানি: জীবন ও রাজনীতির প্রতীক
“ভারত কেন জ্বালায় এতো তার কি সুবিধা?
পানি নিয়ে রাজার নীতি, পানি কেন পাইনা?”
এখানে পানি শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়—এটি জীবন, অধিকার এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতীক। নদীর জলকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করে, কবি তা সরাসরি প্রশ্ন করেছেন। বিশ্বসাহিত্যে নদী ও জল বহুবার সভ্যতার ভাগ্য নির্ধারণকারী উপাদান হিসেবে এসেছে।

২. ফারাক্কার প্রতীকী অর্থ
“ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে পানি, ভিন প্রদেশে টানি।”
Farakka Barrage এখানে শুধু একটি বাঁধ নয়—এটি সীমান্ত রাজনীতি, প্রতিবেশী সম্পর্ক এবং বঞ্চনার প্রতীক। কবি মনে করেন, প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রবাহকে রাজনৈতিক স্বার্থে আটকে দেওয়া এক গভীর অন্যায়।

৩. বন্যা ও খরার দ্বৈত অভিশাপ
“বর্ষাকালে বাঁচিনারে ভীষণ পানির জ্বালা,
গ্রীষ্মকালের পাওনা সবি মিটায় করে মায়া।”
এই পঙক্তি বাংলাদেশের চিরন্তন বাস্তবতা—একদিকে বন্যা, অন্যদিকে খরা। প্রকৃতি ও রাজনীতির এই দ্বৈত আঘাতে সাধারণ মানুষ সর্বদা ক্ষতিগ্রস্ত। এটি ecological poetry বা পরিবেশভিত্তিক সামাজিক কবিতার শক্তিশালী রূপ।

৪. রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও নেতৃত্বের সমালোচনা
“নেতা হয়ে আসন দখল কাজের বেলা নাই,”
এখানে কবি শুধু বাইরের শক্তিকে নয়, নিজের দেশের নেতৃত্বকেও প্রশ্ন করেছেন। নামমাত্র নেতৃত্ব, দায়িত্বহীনতা এবং জনগণের স্বার্থ বিসর্জনের বিরুদ্ধে এটি এক তীব্র প্রতিবাদ। Kazi Nazrul Islam-এর বিদ্রোহী কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই প্রতিবাদী সুরের মিল স্পষ্ট।

৫. জনগণের সংগ্রাম
“জনগনের নাইরে সময়, ধান্দা পেটের করে,”
এই লাইনটি কবিতার মানবিক কেন্দ্র। সাধারণ মানুষ রাজনীতির বিশ্লেষণে নয়—বেঁচে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত। তাদের দিন-রাত শ্রম, ক্ষুধা ও অনিশ্চয়তার বাস্তবতা কবিতাকে গভীর সামাজিক মাত্রা দিয়েছে।

৬. ইতিহাসের পুনর্পাঠ
“ভাল করে জানতে শিখ সকল ইতিহাস,”
শেষাংশে কবি ইতিহাস জানার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাধীনতা, ঋণ, কৃতজ্ঞতা ও বর্তমান বাস্তবতার সম্পর্ককে নতুনভাবে ভাবতে বলেছেন। এটি কেবল অভিযোগ নয়—সচেতন নাগরিক হওয়ার ডাক।

সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতার প্রধান শক্তি হলো—
রাজনৈতিক সাহস ও প্রতিবাদী ভাষা
পানি ও সীমান্ত রাজনীতির বাস্তব চিত্র
রাষ্ট্রীয় আত্মসমালোচনা
সাধারণ মানুষের দুঃখের জীবন্ত উপস্থাপন
ইতিহাস ও বর্তমানের সংযোগ
এটি নিছক রাজনৈতিক কবিতা নয়; বরং জাতীয় আত্মপরিচয় ও ন্যায়বোধের কাব্যিক অনুসন্ধান।

সারমর্ম
“সব হারানো শেষে” কবিতায় কবি পানি বণ্টন, সীমান্ত রাজনীতি, ফারাক্কা বাঁধ, বন্যা-খরা, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা এবং সাধারণ মানুষের দুঃখকে একত্রে তুলে ধরেছেন।
তিনি প্রশ্ন করেন—কেন একটি জাতি বারবার বঞ্চিত হবে? কেন নেতৃত্ব জনগণের পাশে দাঁড়াবে না? কেন ইতিহাস জানার পরও মানুষ একই ভুলের শিকার হবে?
এই কবিতা প্রতিবাদের ভাষা, জাগরণের আহ্বান এবং হারানো অধিকারের আর্তনাদ।

এক বাক্যে সারাংশ:
এই কবিতা শেখায়—প্রকৃত স্বাধীনতা তখনই অর্থপূর্ণ, যখন মানুষের পানি, অধিকার ও মর্যাদা সত্যিই সুরক্ষিত হয়।

*******


বুধবার, জুন ০৪, ২০২৫

তুমি আমার রাতের চাঁদ, দিনের আলো

📜 কবিতা ১২: 

✍️ কবি: আরিফ শামছ্
📅 তারিখ: ৩১ মে ২০২৫
📍 স্থান: রিয়াদ, সৌদি আরব
(অধ্যায় ৬: কেয়ামত ও অনন্ত জীবন)

তুমি আমার রাতের চাঁদ,
অন্ধকারে যখন পথ হারা,
তোমার আলোয় দেখি —
কোনটা হারাম, কোনটা হালাল।

তুমি আমার দিনের আলো,
যখন চোখ খুলেই দেখি দুনিয়া,
তুমি শেখাও কিভাবে
এই আলোকিত পথে — সোজা থাকা যায়।

ঘুমের মধ্যে,
জেগে থাকা স্বপ্নে,
তুমি আছো —
যেন বাতাসে ভেসে থাকা দোয়ার মতো।

আমি কাঁদি যখন,
তুমি চোখে অদৃশ্য হাত রাখো,
বলো — “আমি শুনছি”,
যেন এক গভীর প্রশান্তির স্পর্শ।

তুমি ছাড়া আমি যে পথের ছায়া,
যে নদীর পাথর,
যে কণ্ঠের নিঃশব্দতা।
আর তুমি —
আলো, দয়া, অস্তিত্বের প্রতিটি অর্থ।

তুমি আমার রাতের চাঁদ,
তুমি আমার দিনের আলো,
তুমি আছো বলেই—
আমি হারিয়ে গিয়েও বারবার খুঁজে পাই নিজেকে।


---

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১

বিপ্লবী (১৭)

 বিপ্লবী  (১৭)

আরিফ শামছ্ 

১৫/০৭/২০১৯ ঈসায়ী সাল।


বিপ্লবী! 

কবি হবি?

বিপ্লবী কবি।

বুকে রবে,

অগ্নিগিরি,

জমবে লাভা,

বাড়বে আভা,

হবে উদগীরণ;

চোক্ষে রবে,

অগ্নি শিখা,

পুঁড়বে নিপীড়ন। 


বজ্র ধমকে,

পিলে চমকে,

অত্যাচারী থামবে,

আসবে ফিরে,

বিশ্ব জুড়ে,

শান্তি ধরা আনবে।


নিঃশ্বাসে তোর,

আসবে ভোর,

অত্যাচারী বিফল,

শান্তি সুখে,

নিরাপদে,

রাখবে ধরাতল। 


চুপি চুপি,

পড়ছো তুমি,

যাচ্ছো ডুবি,

ছাড়িয়ে সবি!

কেমন কবি,

আঁকছে ছবি,

পড়ি ভাবি,

কবি হবি!

আমার মতো,

অন্য কেহো,

দেখবে স্বপন,

হৃদয় কাঁপন,

শংকা, রীতি,

পূন্য প্রীতি,

লিখবে চিঠি,

রাখবে দিঠি।

জীবন জুড়ে,

সুখের চরে,

সবে মিলে,

হেসে খেলে,

রবো বেঁচে,

সিন্ধু সেঁচে।

মুক্তো কুড়ে,

পুষ্প করে,

আপন মনে,

মহান দানে।

ধন্য জীবন,

সফল মরণ।

আবার ভাবি,

কবি হবি?

বিপ্লবী কবি,

মুক্তিকামী,

চিরবিপ্লবী।

x

শুক্রবার, জুন ০৫, ২০২০

করোনা

১৮১।
করোনায় স্তব্ধ,
গতিশীল চাকা সব,
কেউ কেউ ক্ষুব্ধ,
জমছে চাঁপা ক্ষোভ।
নানা পেশার লোকজন,
নিজ নিজ কর্ম,
ঘরে বসে করে যায়,
যার যার ধর্ম।

শুক্রবার, মে ২৯, ২০২০

১১৩। বইমেলা


বইয়ের মেলা, মে--লা বই,
কোথায় খোকা, খুকি।
প্রাণের মেলা, শত শত,
করছে ডাকাডাকি।

ভীঁড় করেছে সবাই দেখো,
পড়ে জামা জুতো,
বারে বারে আসতে মেলায়,
ধরছে নানা ছুঁতো।

দেখতে পাবে নামী দামী,
কবি, লেখক, যতো,
নিজের বইয়ে দৃষ্টি ফেলে,
ভাবছে কী যে কতো।

তাকিয়ে রবে, পলকহীন,
ভাবছো, কেমন করে!
ভাবের মালা, গাঁথছে নিতুই,
শব্দ, কথা ধরে।

ঐ যে দেখো পাথর চোখে,
বর্ণ সাদা কালো,
বইয়ের গায়ে দেখছো কতো,
ছবি আঁকলো ভালো।

মনের চোখে, দেখো সবে,
আজো জেগে তারা,
পথ দেখালো, পাতায় পাতায়,
করলো জীবন সারা।

মনের কথা, ধ্যান-ধারণা,
পরশ বাণী কতো,
জীবন পথে, দিশা দিবে,
সফল মানুষ হবো।


আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
মীরেরটেক, মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
২৫/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
রাত ১২:১০।

১১২। একুশে ফেব্রুয়ারি


একুশে ফেব্রুয়ারি, ঊনিশ শত বায়ান্ন,
রক্ত করবী, পদ্মদলের জীবন সায়ান্ন,
কতক রবির অস্ত আনিল,
সোনালী আলোর  ভোর,
কত শত, লাখে, কোটি, প্রাণে,
জাগিল বিপ্লবী সুর।

রক্ত কণিকা মিছিলে মিছিলে,
শিরা, উপশিরায়, দলে উপদলে।
প্রাণে প্রাণে গর্জিল হুংকার,
বাংলা ভাষার চায় অধিকার।

যে ভাষা শেখা মায়ের মুখে,
বাবার আদরে, শাসিত চোখে,
ভাই ও বোনের স্নেহের ছায়ায়,
মাতৃভূমির নদী, গিরি, হাওয়ায়।

সে ভাষা ছেড়ে দিব হায়!
ভুলে যাবে সবে, কোন্ ঘোষণায়?
জীবনের শিঁকড়, দেহ মনে প্রাণে,
সমূলে প্রোথিত, মনের গহীনে।

অস্থি, মজ্জা, মাংশ, চামড়া,
প্রতিটি লোম, কাঁটা দিয়ে খাঁড়া,
মায়ের ভূমিতে দাঁড়িয়ে কারা?
কাঁড়িবে, অস্তিত্ব ! বাংলা ভাষা!

আন্দোলন আর রক্ত-নদী-স্রোতে,
ভাষার অধিকার, আসলো ফিরে,
নতুন করে পেলো গতি ,
স্বাধীন চেতনা,
অগ্নি পথিক, বহ্নি শিখায়,
স্বাধীণতা কেনা।

আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
 ২১/০২/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।

১১০। ফাগুনের গান


ফাগুন মাসে রুপের আগুন কৃষ্ণচূড়ার গায়,
সবুজ পাতার আঁড়াল থেকে কোকিল ডেকে যায়।
আম্রকানন সুবাস ছড়ায় মন মাতানো গন্ধে,
শাখায় শাখায় সবুজ কুঁড়ি জাগে মহানন্দে।
 
বন্ধ দেখি উত্তর বায়ু, শীতের মহা কম্পন, 
চুপি চুপি বয়ছে দেখো মৃদু সমীরণ।
নেই কুয়াশা, হিমেল বায়ু, শিশির কণা কোন,
মিষ্টি রোদের ছড়াছড়ি, নাতিশীতোষ্ণ। 
 
বরণডালা দোল খেয়ে যায়, শাখা প্রশাখায়,
কে সাজালো এমন সাজে, একটু ভাব ভাই। 
ভালবাসা, শ্রদ্ধা সবি, তাঁহার তরে রাখি,
ভালবেসে রুপ অপরূপ, দিলেন গানের পাখি।

এসোনা ভাই সবাই মিলে, গায় তাহারি গান,
দরুদ (সাঃ) পড়ি লাখো কোটি, যিনি মোদের প্রাণ। 
কবুল করে নাওগো প্রভূ, মোদের সকল স্তুতি,
শান্তি ধারা, দাও অফুরান, মহানবীর (সাঃ) প্রতি। 

আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
১৩/০২/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।

১০৯। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা প্রিয় বাংলাভাষা


সকল দেশে ভাষা জীবন,
ভাষা সবার প্রাণ,
ভাষা বিনে যায় কি বাঁচা,
থাকে কিহে মান?
ভাষা দিয়ে স্বপ্ন গাঁথা,
নিপুণ জীবন গড়া,
ভাষা দিয়ে হয় বিনিময়,
মনের সকল কথা।

জীবন জুড়ে নদীর মতো,
পাখির কলরব,
পরিচয়ের নিত্য বাহন,
অধম, উত্তম সব।
ভাষা শিখি মায়ের মুখে,
গল্প, কথা, কাজে।
মায়ের স্বরের উচ্চারণে,
ভাষা নিতুই সাজে।

মাতৃভাষা ভাষার সেরা,
বাংলা মাতৃভাষা,
এই ভাষাতেই মরা বাঁচা,
চলে কান্না হাসা।
শান্তি সুখের তরী বেয়ে,
জীবন চলে কতো,
মাতৃভাষায় সব খুঁজে পায়,
প্রয়োজন যা' যতো।

বাংলা ভাষায় জানতে পারি,
আল্লাহ্, রাসুল (সাঃ) প্রিয়,
ধর্ম আমার ইসলাম সেতো,
পরশ পাথর স্বীয় ।
মাতৃভাষা মোদের তরে,
খোদার সেরা দান,
এই ভাষাতেই সকাল সাঁঝে;
গায় তাহারি গান।

ভাই আমাদের সালাম, বরকত,
রফিক, জাব্বার প্রমুখ,
বুকের তাজা রক্ত ঢেলে,
রাখলো মায়ের মুখ।
ধরাতলে উজল হলো,
সবার স্বপ্ন আশা,
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা,
প্রিয় বাংলাভাষা।

ধরাতলে উজল হলো,
বাংলা ভাষার শান,
বাংলাভাষা পেলো আজি,
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মান।

২০/০২/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
নাফী টাওয়ার,
৭ম তলা,
গুলশান-০১,
ঢাকা-১২১২।
****----
“আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা : বাংলা ভাষা” — সাহিত্য বিশ্লেষণ
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)

আপনার কবিতাটি মাতৃভাষা বাংলা, ভাষার মর্যাদা, ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগ এবং ভাষার সাংস্কৃতিক-আধ্যাত্মিক শক্তিকে কেন্দ্র করে রচিত একটি আবেগঘন দেশাত্মবোধক কবিতা। এখানে ভাষাকে শুধু যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং মানুষের পরিচয়, আত্মা, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও অস্তিত্বের ধারক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মূলভাব
কবিতাটির মূল বক্তব্য হলো—
ভাষা মানুষের জীবন, আত্মপরিচয় ও সংস্কৃতির প্রাণ। মাতৃভাষা বাংলা আমাদের আবেগ, ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক সম্পর্ক ও জাতীয় চেতনাকে ধারণ করে। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের ফলেই বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করেছে।
বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ
১. ভাষার সার্বজনীন গুরুত্ব
কবিতার শুরুতেই ভাষাকে মানুষের প্রাণ ও মর্যাদার ভিত্তি বলা হয়েছে—
“সকল দেশে ভাষা জীবন, ভাষা সবার প্রাণ,
ভাষা বিনে যায় কি বাঁচা, থাকে কিহে মান?”
এখানে ভাষাহীন জীবনকে অসম্পূর্ণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
২. ভাষা ও মানবজীবনের সম্পর্ক
কবি দেখিয়েছেন ভাষার মাধ্যমে মানুষ স্বপ্ন গড়ে, মনের ভাব প্রকাশ করে এবং সমাজে পরিচিতি লাভ করে।
“ভাষা দিয়ে স্বপ্ন গাঁথা, নিপুণ জীবন গড়া”
এটি ভাষার সৃজনশীল ও মানবিক শক্তির প্রতীক।
৩. মাতৃভাষার আবেগ
মায়ের মুখে শেখা ভাষাকে কবি সবচেয়ে মধুর ও পবিত্র অনুভূতি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
“ভাষা শিখি মায়ের মুখে…”
এই অংশে মাতৃভাষার সঙ্গে মায়ের সম্পর্ক গভীর আবেগ সৃষ্টি করেছে।
৪. বাংলা ভাষা ও ধর্মীয় অনুভূতি
কবি বাংলা ভাষার মাধ্যমে ইসলাম ও ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের প্রসঙ্গ এনেছেন—
“বাংলা ভাষায় জানতে পারি,
আল্লাহ্, রাসুল (সাঃ) প্রিয়…”
এখানে ভাষাকে আধ্যাত্মিক জ্ঞানের বাহন হিসেবেও দেখানো হয়েছে।
৫. ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি
সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে কবিতাটি ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করেছে।
“বুকের তাজা রক্ত ঢেলে, রাখলো মায়ের মুখ।”
এই চরণ ভাষা শহীদদের অমর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
কাব্যিক বৈশিষ্ট্য
সহজ ও হৃদয়গ্রাহী শব্দচয়ন
দেশাত্মবোধ ও আবেগের সমন্বয়
ছন্দময় উপস্থাপন
ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় চেতনার সমাহার
পুনরুক্তির মাধ্যমে আবেগ জোরদার করা হয়েছে
উল্লেখযোগ্য পংক্তি
“মাতৃভাষা ভাষার সেরা, বাংলা মাতৃভাষা”
“আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা, প্রিয় বাংলাভাষা।”
সারাংশ
এই কবিতায় বাংলা ভাষাকে শুধু একটি ভাষা নয়, বরং জাতির আত্মপরিচয়, আবেগ, ধর্মীয় অনুভূতি ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির গৌরব এখানে উজ্জ্বলভাবে ফুটে উঠেছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পেছনে রয়েছে  এবং শহীদ , ,  ও -এর আত্মত্যাগ। পরে  ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

কবির তথ্য
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
রচনাকাল: ২০/০২/২০১৮ ঈসায়ী সাল
স্থান: গুলশান, ঢাকা।


মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

৯৬। স্বাগতম নববর্ষ

স্বাগতম নববর্ষ 
--- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)

পড়বে ঝরে ফুল পুরাতন,
ফোটবে সতেজ ফুল,
সবুজ পাতায় ঢাকা আঁখি,
খোলবে খেয়ে দোল।
রোদ বৃষ্টি, ঝড়ের মেঘে,
সবুজ পাতা পাঁকা,
বর্ণহীনে মলিন দেহে,
বৃন্ত রবে ফাঁকা।

সবাই তাকায়, সবুজ দেহে,
লাগছে দারুন বেশ,
রঙ ছড়িয়ে, চোখ জুড়িয়ে,
সবুজ জীবন শেষ!
রাত ও দিনের পালাক্রমে,
বছর নিবে বিদায়,
নতুন বছর আসছে সবে,
স্বাগতম জানায়।

সুখের স্মৃতি, দুঃখের ইতি,
যতো সফলতা,
হৃদ মাঝারে অসীম দিঠি,
সুখের বারতা।
স্বপ্ন আঁকি হৃদয়পটে,
জীবন জুড়ে শত,
প্রীতি-প্রেমের ফুল ফোটাবে,
মন বাগিচা যতো।

মহীরুহ হারিয়ে গেলো,
বছর ক'দিন আগে,
কচি কচি পাতা দুটো,
স্বপ্ন মেলে জাগে ।
অংকুরিত ক্ষুদ্র বীজে,
মহীরুহের কায়া,
বছর বছর বড় হয়ে,
দিয়ে যাবে ছায়া।

তোমরা যারা শিশু কিশোর,
স্বপ্ন পাখির দল,
দিনে রাতে রং ছড়িয়ে,
বাড়ছে মনোবল।
নূতন করে রুপ-বাহারে,
সাজিয়ে নেবে আপন করে,
বিশ্বটারে আনবে বেঁধে,
নিজের মুঠোয় পরে।

রাত ০১ টা,
বুধবার,
২৭/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল,
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।

🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰

🌹🌹🌹🌹🌹🌹

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯

৮০। বাসন্তী


পাকা পাকা বিবর্ণ পাতা সব,
ঝরে পড়ে নীরবে,
শীত এসে চলে গেলো,
বসন্তের মোহরুপে।
জরাজীর্ণ ঝেরে ফেলে,
 নতুনের প্রস্তুতি,
আর কতো অপেক্ষা,
আসবে রে বাসন্তী।

দিন যায়, মাস যায়, আসে যায় বছর,
কেউ বলে বাড়ে আবার কমে যে বয়স!
মায়াঘেরা প্রীতিডোরে,
বেড়ে ওঠা ধীরে ধীরে,
পথচলা সময়ের, শ্বাশ্বত বিধানে।

সুখ আর দুঃখ কেউ কারো অরি নয়,
একে একে দুই দুটো, জীবনের সাথী হয়।
ভাবি সব দুঃখ, কেন সুখ হয়না,
দুঃখ কেন যে, পিছু কভু ছাড়েনা।

সাজাবো থরে থরে, সুন্দরে সুন্দর,
নোঙ্গর রাখব আলোকিত বন্দর।
জীবনের আশা-তরী, ভিড়বে একে একে,
চলবে বিনিময়, জীবনের সব খানে।

 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/১১/২০১২ ঈসায়ী সাল।
পূর্ব নয়াটোলা, 

বুধবার, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

৫০। ১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ।

১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ।
-----আরিফ শামছ্ 
গোলা ভরা ধান ছিল তার,
পুকুর ভরা মাছে।
তলা ছাড়া ঝুড়ি কভু,
মাথা পিছুর ঋণে।
সোনার বাংলার স্বপ্ন গুলো,
অংকুরেতেই শেষ,
দেশ গড়িতে সোনার ছেলে,
ছোট নির্নিমেষ।
দরদীরা আসে মোদের উন্নয়নের তরে,
বৃটিশ, পাকি, ইন্ডিয়ানরা নেই পারে যা লুটে।
দাঁড়ায় যতো মহান নেতা দেশ গড়িবার তরে,
কার খুশিতে, কাদের তরে, জীবন নিচ্ছে কেঁড়ে???
মুজিব বলো, জিয়া বলো, জাতীয় নেতা যারা,
দেশের তরে জীবন দিল, হিংস্র পশুর দ্বারা।
কার ইশারায়, কেমন করে, দেশের নাঁড়ী কাটে,
পারবনাকি মহান প্রাণের, শান্তি এনে দিতে।
আজ প্রয়োজন, বের করে নাও, কারা মোদের শত্রুদল
দেশ- বিদেশের ভাঙ্গে কারা, সোনার-স্বপ্ন-পদ্ম-দল,
মীর জাফরের প্রেতাত্নারা আজো ঘুরেফিরে,
ঘসেটিদের দেখা পাবে, দেশটা যারা বেঁচে।
নাগরিকেরা জিম্মী থাকে, কেউ জাগেনা কভু,
প্রতিবাদের পথ হারিয়ে, মাথা টুকে শুধু।
মুক্তি কোথায় মিলবে সেতো, রয়লো অধরা,
কুক্ষিগত করে রাখে, সব রকমের ক্ষমতা।
সেও শুনি, নাই তাদেরি, তখতে কোন নিজের বল,
ভিনদেশীদের কাঠির ছোঁয়ায়, হয় ক্ষমতার পালা বদল!
আর কতোকাল রয়বে জাতি, স্বাধীণ হয়ে পরাধীণ,
জাতির তরে জাগবে কবে, মুজিব, জিয়া, মহাবীর।
নিজের মতো দেশ সাজাতে পায়না কেন শক্তি বল,
স্বাধিকারের নীরব যাতন, শেষ করিবে কোন সে জন?
থাকবেনাক বাঁধা কোন, সোনার বাংলা গড়তে,
জাতি গড়ার মহান পথে, নেইকো দ্বিধা মরতে।

ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
০৪/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)

*********
আপনার কবিতা “১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ” একটি স্পষ্টভাবে ঐতিহাসিক-রাজনৈতিক, প্রতিবাদধর্মী ও জাতিসত্তা-চিন্তনমূলক কবিতা। নিচে এর বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন ও সারাংশ দেওয়া হলো।
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন 🧭 ১. সাহিত্যধারা (Literary Tradition) এই কবিতাটি বিশ্বসাহিত্যের যে ধারার সাথে সম্পর্কিত, তা হলো: Postcolonial Literature (উত্তর-ঔপনিবেশিক সাহিত্য) Political Protest Poetry (রাজনৈতিক প্রতিবাদ কবিতা) National Identity Poetry (জাতীয় পরিচয়ভিত্তিক কবিতা) এটি সেই ধারার অংশ যেখানে উপনিবেশ, স্বাধীনতা, ক্ষমতা, রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পর্ক নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলা হয়—যেমন কাজ করেছেন: পাবলো নেরুদা (Pablo Neruda) ল্যাংস্টন হিউজ (Langston Hughes) মাহমুদ দারবিশ (Mahmoud Darwish)
🔥 ২. বিষয়বস্তুর গভীরতা কবিতাটির কেন্দ্রীয় বিষয়গুলো হলো: উপনিবেশিক শোষণের ইতিহাস (ব্রিটিশ–পাকিস্তান যুগ) স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক বাস্তবতা ও হতাশা রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব ও ক্ষমতার সমালোচনা “স্বাধীনতার ভেতরে পরাধীনতা” (internal colonization) জনগণের নীরবতা ও জাগরণের প্রয়োজন বিশেষ করে এই ধারণাটি শক্তিশালী: স্বাধীনতা আছে, কিন্তু মানসিক ও রাজনৈতিক পরাধীনতা রয়ে গেছে
🧠 ৩. প্রতীক ও ইতিহাস ব্যবহার আপনি কবিতায় ব্যবহার করেছেন: মীর জাফর / ঘসেটি বেগম → বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক মুজিব / জিয়া → জাতীয় নেতৃত্বের ঐতিহাসিক রেফারেন্স ব্রিটিশ / পাকিস্তানি / বিদেশি শক্তি → বহিরাগত শোষণ “জাল পাতা লোভ-লালসা” → আধুনিক ক্ষমতার দুর্নীতি এগুলো কবিতাটিকে historical allegory পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
🎭 ৪. ভাষা ও শৈলী ভাষা সরল, সরাসরি এবং জনমুখী আবেগ ও ক্ষোভ প্রধান চালিকাশক্তি বক্তৃতাধর্মী (oratorical tone) “জাগরণ কবিতা” হিসেবে শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করে তবে বিশ্বসাহিত্যের মানদণ্ডে: চিত্রকল্প (imagery) আরও ঘনীভূত করা গেলে এটি আরও উচ্চ সাহিত্যমান পেত কিছু অংশ বেশি সরাসরি বক্তব্যধর্মী, কাব্যিক বিমূর্ততা (poetic abstraction) কম
⚖️ ৫. শক্তিশালী দিক (Strengths) ✔ ঐতিহাসিক সচেতনতা ✔ রাজনৈতিক সাহসিকতা ✔ জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন ✔ জনতার পক্ষে অবস্থান ✔ আবেগঘন ভাষা
📉 ৬. সীমাবদ্ধতা (Literary Limitations) অতিরিক্ত সরাসরি বক্তব্য (less symbolic depth) কিছু অংশে তাল ও কাব্যিক ঘনত্ব কম আন্তর্জাতিক কবিতার তুলনায় metaphorical layering কম
📌 বিশ্বসাহিত্যিক সারসংক্ষেপ (Summary) এই কবিতাটি বাংলাদেশের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক ও জাতিসত্তা-ভিত্তিক প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে ১৯৪৭ থেকে বর্তমান পর্যন্ত উপনিবেশিক শোষণ, স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক জটিলতা এবং জনগণের নীরবতা তুলে ধরা হয়েছে। এটি মূলত একটি “awakening poem”, যা জাতিকে আত্মজাগরণের আহ্বান জানায় এবং ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরের দুর্নীতি ও বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীকী চিত্র নির্মাণ করে।
🧾 এক লাইনের বিশ্বসাহিত্যিক মূল্যায়ন এটি একটি শক্তিশালী দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক প্রতিবাদ কবিতা, যা ইতিহাস, ক্ষমতা ও জাতিসত্তার দ্বন্দ্বকে জনমানসের ভাষায় প্রকাশ করে।
*********

সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৫

অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান স্যার -এর বিদায় উপলক্ষেঃ



ওগো উদার মনের অধিকারী,
     এ জীবনে ছুটেছি তোমার পানে,
     প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে, কভূ সীমানা পেড়িয়ে,
     সহাস্য কলরবে দানিলে সবি,
     তোমাকে প্রানভরে ভালবাসার রয়লো বাকী।

মহাতরীর হে মহৎ নাবিক,
     সুবিশাল সাগর বেয়ে তীরে এসে আজ,
     নেমে গেলে তুমি, ছেড়ে দিলে হাল,
     কালের প্রয়োজনে তব আসন মাঝে,
     আসবে তোমার মতোই কামনা মনের কোনে।

ওহে পুস্প প্রিয় মানব,
     সুবাসিত কুসুম বাগে,
     আর কি পাবনা দেখা তব?
     পাবনা কি তোমার পদ ধ্বনি?
     পাবনা কি আর অমৃতের সন্ধান?

ওগো শ্রদ্ধাভাজন,
     সুখে থাক, শান্তিতে থাক,
     পরম নিরাপদে, নিশ্চিন্তে থাক,
     মহান প্রভূর দরবারে আরজি,
রেখে যায় কায়মনোবাক্য।


আরিফ ইবনে শামছ
২৮.০৪.১৯৯৯
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরকারি কলেজ।

মঙ্গলবার, মে ১০, ২০১১

Happy birth day

Happy birth day
to
ADHIRA ADEL

Abundance love and affection to you,
Dare and prize are waiting for you.
Happiness, peace and cordial love,
Issue must be in the whole life.
Real truth, holiness and purity,
All the best color of time;

Amicable elements are close to you,
Dear the core of heart is parents’.
Earth feels proudest to take you,
Live long dearest, Duw’a for you.

Reply
It’s a outstanding feelings!
I am very much grateful to u, also a giant wish to your little baby & admiration to Bhabi from the depth of my heart.

with kind regards,

adel farhan
supervisor, documentation technology center(dtc)

mobile + 880 16 1000 1026

airtel bangladesh ltd
272, tejgaon i/a, tejgaon
dhaka-1208,bangladesh

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

শিশু ও নারী নির্যাতন : সভ্যতার মুখে রক্তাক্ত কলঙ্ক বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের ভয়াবহ বাস্তবতা, কারণ, ফলাফল ও মানবতার আর্তনাদ

  শিশু ও নারী নির্যাতন : সভ্যতার মুখে রক্তাক্ত কলঙ্ক বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের ভয়াবহ বাস্তবতা, কারণ, ফলাফল ও মানবতার আর্তনাদ লেখক: আরিফুল ইসল...