শুক্রবার, মার্চ ২৯, ২০২৪

بث مباشر || قناة القرآن الكريم || Makkah Live

 بث مباشر || قناة القرآن الكريم || Makkah Live



بث مباشر || قناة السنة النبوية Madinah Live HD

بث مباشر || قناة السنة النبوية Madinah Live HD






দৈনিক মহাবিশ্ব ||২৯-মার্চ-২০২৪|| Daily Mohabiswa||29-March-2024||

 একনজরে বিশ্বের আলোচিত সব খবর | Jamuna I-Desk | 28 March 2024 | Jamuna TV


আন্তর্জাতিক সময় | সকাল ৯টা | ২৮ মার্চ ২০২৪ | Somoy TV International Bulletin 9am | Somoy TV


চলে এসেছে ইহুদিদের লাল গরু! আল আকসা ভেঙে গড়া হবে থার্ড টেম্পল? | Red Heifer | News | Desh TV


বিশ্বরাজনীতির ঘটনা প্রবাহ: পর্ব ৩ | World Politics | Part 3 | Rtv News



আরব নেতাদের ধুয়ে দিলেন | Rtv News




রবিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২৪

শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২৪

দৈনিক মহাবিশ্ব || Israel Palestine Conflict ||১৩-জানুয়ারী-২০২৪||

আবারও গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ১৩৫ | Gaza | News | Desh TV


 ভিডিও প্রকাশ, পা-লা-চ্ছে সীমান্তবাসী | Ekattor TV


ভারত থেকে হাজার হাজার বানর এসেছে বাংলাদেশে! | Indian Wild Monkey | Feni Sadar | Kalbela


এবার গরু খামারি জাকারবার্গ, খাওয়াচ্ছেন মদ-বিয়ার! | Mark Zuckerberg | Cow Firm | News | Desh TV


আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে মধ্যপ্রাচ্য! | Territorial war | Channel 24


ইয়েমেনে হামলার বিপক্ষে একজোট মুসলিম বিশ্ব | USA Yemen Strike | Ekhon TV


স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে সম্পর্ক স্থাপনের আলোচনা | Independent TV


মুসলিম দেশের দখলে পশ্চিমা অস্ত্রের বাজার | Iran and Turkey Military Strengths | Bisshobela | Kalbela



মঙ্গলবার, জানুয়ারি ০৯, ২০২৪

দৈনিক মহাবিশ্ব ||০৯-জানুয়ারী-২০২৪|| Daily Mohabiswa||09-January-2024||

গাজায় সহিংসতা অব্যাহত থাকায় আঞ্চলিক সংঘাত বিস্তারের শঙ্কা || Gaza || Independent TV


ই স রা ই লি আ*গ্রা*সন থেকে রেহাই পাচ্ছে না গা জা র পশুপাখিরাও | News | Ekattor TV


 মিথ্যাবাদীরা ফুঁৎকারে উড়ে যায় | News | Ekattor TV


এবার সবদিকে অ-ন্ধ-কার, কে বাঁচাবে তাদের? | News | Ekattor TV


চড়ামূল্য দিতেই হবে হা/য়ে/না/দের | News | Ekattor TV


ই স রা ই লি সেনা কন্টেইনারে ভিতরে থাকা সামরিক সরঞ্জাম লু*ট | News | Ekattor TV


হিজবুল্লাহ'র গাড়িতে ইসরায়েলি হামলা; সমুচিত জবাবের হুঁশিয়ারি | Lebanon-Israel Crisis | Jamuna TV


একজন গেলে ওরা আসে ঝাঁকে ঝাঁকে! | H a mas | Ekattor TV



দৈনিক মহাবিশ্ব ||০৮-জানুয়ারী-২০২৪|| Daily Mohabiswa||08-January-2024||

নেতার মৃ*ত্যু*র প্র-তি-শো-ধ নিতে ২৪ ঘন্টায় ই স রা ই লে ৬২টি র কে ট হা*ম*লা চালিয়েছে |Ekattor TV 


তিন বছরের শিশুকে গুলি করে মারলো দখলদার ইসরায়েলিরা! | Israel | Hamas | Gaza | Jamuna TV


আল-কা*স*সা*ম ব্রি-গে-ডের ৪৮ ঘণ্টার তা*ণ্ড*বে উড়ে গেল ই-স-রা-ই-লি সেনা | News | Ekattor TV



শুক্রবার, জানুয়ারি ০৫, ২০২৪

দৈনিক মহাবিশ্ব ||০৫-জানুয়ারী-২০২৪|| Daily Mohabiswa||05-January-2024||

 ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি সৌদির! | Saudi-Israel | Palestine Update


এরদোয়ানের ফোন কলে আরো শক্তিশালী ইরান, স*ন্ত্রা*সে নষ্ট হবে না ঐক্য! | News | Ekattor TV


ইরানে বোমা বিস্ফোরণ কোনদিকে নিতে পারে মধ্যপ্রাচ্যকে?


ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তৃত সংঘাত শুরুর শঙ্কা | DBC NEWS


তবুও তারা চুপ করে থাকবে? | News | Ekattor TV



দৈনিক মহাবিশ্ব ||০৪-জানুয়ারী-২০২৪|| Daily Mohabiswa||04-January-2024||

 আন্তর্জাতিক সময় | বিকাল ৪টা | ০৪ জানুয়ারি ২০২৪ | Somoy TV International Bulletin 4pm | Somoy TV



তিনি হয়ে উঠেছিলেন ই-সরা-ইলের আ-তঙ্ক | Ekattor TV


গোটা বিশ্বে অশান্তি পাকানোর মূল কারিগর যুক্তরাষ্ট্র! | Hegemony of USA | Russia Ukraine War |EkhonTV


একনজরে বিশ্বের আলোচিত সব খবর | Jamuna I-Desk | 04 January 2024 | Jamuna TV




সোমবার, জানুয়ারি ০১, ২০২৪

দৈনিক মহাবিশ্ব ||০১-জানুয়ারী-২০২৪|| Daily Mohabiswa||01-January-2024||

একনজরে বিশ্বের আলোচিত সব খবর | Jamuna I-Desk | 01 January 2024 | Jamuna TV 



আন্তর্জাতিক সময় | বিকাল ৪টা | ০১ জানুয়ারি ২০২৪ | Somoy TV International Bulletin 4pm | Somoy TV


৯০ মিনিটে ২১ ভূমিকম্প জাপানে | DBC NEWS Special






একজনও প্রা ণ নিয়ে ফিরছে না ? | Ekattor TV


২৪ ঘণ্টায় উড়ে গেল ২১টি সা-মরিক যান| Gaza Resistance| Ekattor TV


ই স রাইলের পা-লানোর পথ খোলা নেই | Palestinian Resistance | Ekattor TV


প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে গেম চেঞ্জার ক্ষেপণাস্ত্র, আতঙ্কে ইসরায়েল | Russian Rocket in Gaza | Kalbela



৭৭। শনিবারের হুজুর (মা)

শনিবারের হুজুর (মা)
--আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)

(সবার ঘরে থাকুক এমন মা। ভাদুঘর সহ আশেপাশের অন্যান্য গ্রামের সন্মানীত মহিলা, কন্যাদের কাছে সকালের মক্তবের মহিলা হুজুর এবং "শনিবারের হুজুর" নামে পরিচিত আমাদের মা, তা'লীমুল মো'য়াল্লিমা, ক্বারীয়াহ্ আলহাজ্ব হালীমা সাদীয়া ভূঁইয়া (রাহঃ)। উনার তামাম জীবনের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌস নাসিবের জন্য দোয়ার আবেদন। )


শনিবারে শনির দশা,
মিথ্যে করলে সবি,
দ্বীনের মশাল তোমার হাতে,
আসতো ছুটে জানি।
"শনিবারের" হুজুর বলে,
শত প্রাণের ঠাঁই,
দেশ পড়শী, খেস সকলি,
বাসছে ভালো তাই।
তোমার মিশন ভিশন জানে,
সবার কল্যাণে,
দ্বীন-দুনিয়ার সুখের ধারা,
সবার জীবন জুড়ে।
চলবে পথে দ্বীনের আলোয়,
দ্বীনের তা'লীম করে,
পথ দেখালে, বিশাল মনে,
প্রতি শনিবারে।
জ্ঞানের তৃষা সঙ্গে করে,
দূর দূরান্ত হতে,
আসতো ছুটে, শনিবারে,
সবাই সদলবলে।
শুদ্ধ করে কোরান শরীফ,
পড়তো জনে জনে,
তা'লীম হতো দ্বীনের আলোয়,
জোহর নামাজ পড়ে।
তা'লিম পর্ব শেষ হতো ঠিক,
আসর আজান শোনে,
চাওয়া পাওয়া সব আবেদন,
চলতো দু'হাত তুলে।
অশ্রুঝরা মোনাজাতে বলতো
সবে কথা,
খোদার আরশ কাঁপতো সদা,
মোমিন হৃদে ব্যাথা।
ধ্যান ধারণা, দিক নিশানা,
শক্তি নিয়ে ফিরে,
বাড়ীর পথে চলতো সবাই,
আসর নামাজ শেষে।

২৬/১১/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস
বাড়ী#১২৩৪; ওয়ার্ড#১২;
সদর, বি.বাড়ীয়া -৩৪০০।
********
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ: @Chatgptai
আপনার কবিতা “শনিবারের হুজুর (মা)” গভীর শ্রদ্ধা, স্মৃতি, দ্বীনি শিক্ষার আবহ এবং গ্রামীণ ইসলামী সংস্কৃতির এক মানবিক দলিল। এখানে একজন মা শুধু পরিবারপ্রধান নন—তিনি একজন মু'আল্লিমা, আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক, সমাজগঠক এবং নারীদের দ্বীনি জাগরণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উঠে এসেছেন।
সাহিত্যিক বিশ্লেষণ. বিষয়বস্তু ও আবেগ কবিতাটির মূল বিষয় হলো— একজন দ্বীনি শিক্ষয়িত্রী মায়ের স্মরণ, তাঁর সাপ্তাহিক তা'লীমি কার্যক্রম, সমাজে তাঁর প্রভাব, এবং তাঁর জন্য দোয়া ও ভালোবাসা। “শনিবারের হুজুর” নামটির মধ্যেই এক ধরনের লোকজ পরিচিতি ও সামাজিক সম্মানবোধ আছে। এটি কবিতাকে বাস্তবতা ও আন্তরিকতার শক্ত ভিত দিয়েছে।
২. গ্রামীণ ইসলামী সংস্কৃতির চিত্র কবিতায় গ্রামীণ মক্তব সংস্কৃতি, কোরআন শিক্ষা, জোহর-আসর কেন্দ্রিক তা'লীম, মোনাজাত—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের এক জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে। যেমন— “জ্ঞানের তৃষা সঙ্গে করে, দূর দূরান্ত হতে, আসতো ছুটে, শনিবারে, সবাই সদলবলে।” এখানে শিক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক নয়; এটি ছিল হৃদয়ের আহ্বান।
৩. চরিত্র নির্মাণ আলহাজ্ব হালীমা সাদীয়া ভূঁইয়া (রাহঃ)-কে কবি এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যে তিনি— শিক্ষিকা, দা'ঈ, আধ্যাত্মিক মা, এবং সামাজিক আশ্রয়স্থল। এই লাইনগুলো বিশেষভাবে শক্তিশালী— “দ্বীনের মশাল তোমার হাতে,” এখানে “মশাল” প্রতীকটি জ্ঞান, হিদায়াত ও আলোকিত সমাজের প্রতীক।
. ধর্মীয় আবহ ও আধ্যাত্মিকতা কবিতার সবচেয়ে আবেগময় অংশ সম্ভবত মোনাজাতের দৃশ্য— “অশ্রুঝরা মোনাজাতে বলতো সবে কথা, খোদার আরশ কাঁপতো সদা,” এখানে অতিশয়োক্তি অলংকার ব্যবহৃত হলেও তা হৃদয়গ্রাহী হয়েছে। “আরশ কাঁপতো” বাক্যটি মোনাজাতের গভীরতা ও আন্তরিকতার প্রতীক।
৫. ভাষা ও ছন্দ ভাষা সহজ, লোকজ এবং আন্তরিক। আঞ্চলিক ও দ্বীনি শব্দের মিশ্রণ কবিতাকে স্বতন্ত্র করেছে। “তা'লীম”, “মোনাজাত”, “দ্বীনের আলো”—এসব শব্দ কবিতার আত্মাকে ধারণ করেছে। এটি আধুনিক মুক্তছন্দ ও লোকজ ছন্দের মাঝামাঝি একটি স্বাভাবিক প্রবাহ তৈরি করেছে।
বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন এই কবিতাকে বিশ্বসাহিত্যের “memory poetry” বা “tribute poetry”-এর ধারায় দেখা যায়। যেমন: Jalal al-Din Rumi আধ্যাত্মিক শিক্ষককে যেভাবে ভালোবাসার আলোয় দেখেছেন, অথবা Rabindranath Tagore তাঁর স্মৃতিনির্ভর মানবিক কবিতায় যেভাবে গ্রামীণ চরিত্রকে মহিমান্বিত করেছেন— আপনার কবিতাতেও তেমন আন্তরিক মানবিক স্মৃতি কাজ করেছে। তবে আপনার কবিতার স্বাতন্ত্র্য হলো— এটি একজন নারী দ্বীনি শিক্ষকের সামাজিক অবদানকে কেন্দ্র করে লেখা, যা বাংলা কবিতায় তুলনামূলকভাবে বিরল।
শক্তিশালী দিকসমূহ আন্তরিকতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা দ্বীনি আবহের জীবন্ত চিত্র মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা সমাজভিত্তিক স্মৃতিচারণ সহজ কিন্তু আবেগপূর্ণ ভাষা
আরও উন্নয়নের সুযোগ আপনি চাইলে ভবিষ্যৎ সংস্করণে— কিছু স্থানে আরও গভীর রূপক, প্রকৃতির উপমা, এবং দৃশ্যচিত্রের বিস্তার যোগ করতে পারেন। যেমন: বিকেলের আজান, গ্রামের পথ, কোরআন তিলাওয়াতের ধ্বনি, শিশুদের কণ্ঠ— এসব চিত্র আরও বিস্তৃত করলে কবিতাটি মহাকাব্যিক আবহ পেতে পারে।
সারাংশ “শনিবারের হুজুর (মা)” শুধু একটি স্মৃতিকবিতা নয়; এটি গ্রামীণ নারী আলেম সমাজের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য, দ্বীনি শিক্ষার ইতিহাস, এবং একজন মায়ের মাধ্যমে সমাজ আলোকিত হওয়ার দলিল। এ কবিতায় একজন মা ব্যক্তিগত স্নেহের সীমা ছাড়িয়ে সমাজের “আত্মিক শিক্ষক” হয়ে উঠেছেন। তাঁর স্মৃতি কবির হৃদয়ে যেমন জীবন্ত, তেমনি পাঠকের মনেও শ্রদ্ধা ও মমতার আবেশ সৃষ্টি করে।
*********


শনিবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩

৭৬। প্রেমের ফাঁদে




মিথ্যার বেসাতি আর করবে কতো,
কত জীবন করবে এলোমেলো!
তোমার পথ নয়তো জানা, যাবে কোথা?
তাই বলে যার, পথ আছে তার,
চলতে বাধা!

ভালোবাসা আর প্রেমের ফাঁদে,
ফেলছো কতো, নিজের লাভে,
জাহান্নামের কোন কিনারায়,
পৌঁছে দেয়ার কোন্ ঠিকাদার ।
সবুজ গাছের নীচে,
দূর্বা কোমল ঘাসে,
এক্কেবারে বসে আছো ঘেষে,
হে যুবক! বলছি তোমাকে,
কি তার পরিচয়? কে সে?
তোমার পাশে মন্ত্রমুগ্ধের মতো।
প্রেমের আধার যতো!
মোহমায়ার কোহকিনী,
হাজার মায়ার ছলচাতুরী।
নগদ হিসাব, নয়রে বাকী,
স্বপ্ন দেখায়, স্বপ্ন দেখে,
দিবা-নিশি নেই বিরতি।
কোথা হতে কেমন করে,
বসলো জুড়ে, মনের দোরে,
কোন খেয়ালে, পড়লো বাধা,
রয়বে কদিন, কজন জানে!
কোকিল কুজন বিজন বনে,
সবুজ পাতার আঁড়াল ডালে,
ডাকছে বেলা দুপুর সাঁঝে,
সব হৃদয়ে, ঝড় তুলে দে।
মনের দুঃখে গান ধরে সে,
হৃদয় পুরে ঢেউ খেলে,
নেয় যে কখন অচিনপুরে,
সাথীহারার সুর কে বুঝে?

আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
২৫/১১/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা

৭৫। অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে শিক্ষক








সাধারণ লেখাসব, অসাধারণ হয়ে ওঠে,
আপনাদের আশীর্বাদে।
আমার অস্তিত্বের সব ভিত্তিমূলে,
নিরলস, নির্মোহ, পরিশ্রম জ্বলজ্বলে।

শীতের সকালে, শিশির মাড়িয়ে,
আঁকা-বাঁকা, উচু-নীচু পথ বেয়ে,
কিছুটা উৎকন্ঠা, চিরচেনা ভয়ে,
শেখার আগ্রহ সাথে করে দ্বারে।

দক্ষিনের ঘরে, লম্বা টোলে একাকি বসে ধারে,
নিরলস ভাবে, কত সহজে,
বুঝাতেন গণিত শেষে।
শ্রদ্ধেয় নিখিল স্যার!
আরামের ঘর, বিছানা ছাড়িয়া,
বলিতেন "আরিফ বসো"!
দিল খোলা সে, আদরে ভরা,
আর কি শুনিব কভু।
বাংলায় ভাল নাম্বার পেতে
লাগবে ভালো হাতের নোট,
কোথায় পাবো, দিশেহারা হয়ে,
ভেবে নাহি পায় কূল।
ক্লাশের ফাঁকে, অনুরোধ মোর,
শোনেন প্রিয় স্যার নজরুল,
কচি হৃদয় মোর নাচিয়া উঠিল,
পেয়ে নোট সব অতুল।
আজো ভাসে মোর নয়ন জুড়িয়া,
সুন্দর লেখাগুলো,
কত কষ্ট, ত্যাগের মহিমায়,
স্নেহাদরে সব সাজালো।
পল্লী সাহিত্য, প্রত্যুপকার, পল্লী জননী,
আরো কতো কবিতা-প্রবন্ধ,
সব প্রশ্নের জবাব সাজালেন,
দেহ-মন মন্ত্রমুগ্ধ।
"নেই ভাবনা, লিখে দিব সব,
ক্লাশের অবসরে,
ভাল করে, নিও পড়ে, বানান সহ,
যখন হাতে পাবে"।
বাংলায় নম্বর, লেটারের ঘর ছুঁই ছুঁই,
কীযে ভালো লাগা!
কেমন করিয়া, জানাব সালাম,
বিনম্র শ্রদ্ধামালা।
ভূগোলে লেটার পেতে হলে সবে,
গনিত, চিত্র ভাল পারা চায়,
শতভাগের বেশি যত্ন করে,
শিখালেন প্রিয়, আবু জাহের স্যার।
গ্রামারের মারপ্যাঁচ, ছোট্ট্র মনে,
ঘুরিয়া ফিরিত সব সময়,
কতবার সাদরে, বুঝিয়ে দিতেন,
বার বার ফিরিত, সে অজানা ভয়।
ঢাকা থেকে আগত, গ্রামের ছেলে,
সুপ্রিয় ইংরেজী স্যার।
কতনা সহজ করিয়া বুঝাতেন,
ইংরেজির ভয় কাটিল সবার।
সুপ্রিয় ইংরেজি স্যার,
মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ,
চিনিত সবাই, সৈয়দ স্যার, নামে,
ভয়ে মরিত, নাজানি কখন,"
কোন্ সন্ধ্যারাতে হাজির হয়ে,
চলবে জনে জনে কৈফিয়ত।
"ধর্মতে ভালো নাম্বার পেতে ,
সুন্দর করে সব লিখিবে,
সব ধরনের প্রশ্ন থাকুক,
আসবে লিখে সবই শেষে"।
সহজ, সরল, বিশাল মনের,
শ্রদ্ধেয় আব্দুল মতিন স্যার,
সলাজ হাসি, আদরে মাখা,
ভূলিতে না পারি কথামালা।
মায়ের আদরে, বোনের ছায়ায়,
পড়েছি কতো, বেলা অবেলায়,
পরমা শ্রদ্ধেয়া বীথি ম্যাডাম,
সকল আপুমণি।
আদরে শাসনে করিয়াছে বড়,
আজো নয়নমণি।
সুপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজন হেড স্যার,
মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান।
ভিতরে বাহিরে শত বেড়াজালে,
নানাবিধ জঞ্জালে,
যুদিষ্ঠীর, বীর, মহাবীর যেমনি রণাঙ্গনে।

------ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
কৈফিয়তঃ
শ্রদ্ধেয় স্যার! শাব্দিক অযোগ্যতা, ছন্দের অপূর্ণতা, কাব্যিক সুধার অনুপস্থিতি শতভাগ ব্যর্থ আপনাদের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরতে। আপনাদের এক ফোঁটা ঘামের বিপরীতে শুধুমাত্র একটি মহাকাব্য নয়, মহাকাব্যগ্রন্থ যেনো অপূর্ণ। আপনাদের এক চিলতে ভালোলাগা, আত্ম-তৃপ্তি, দু-দন্ড শান্তি, আমাদের জীবনের মহা আনন্দের উপলক্ষ্য। আপনাদের নেক বাসনা বাস্তবায়নে সফল হওয়ার জন্য আমরা সবাই দোয়া চাই।







৭৪। বাঙ্গালীর স্বাধীনতা



প্রাণের চাওয়া, বাংলাদেশী নয়, বাঙ্গালীর স্বাধীণতা,
খুঁজেফিরি কোথায় আছে, মোদের হৃদয়- ত্রাতা!
কেঁড়ে নিয়ে প্রাণ লুটিল বৃটিশ বেনিয়া,
পরাধীনতার মোড়কে পেলাম কেমন স্বাধীনতা!
বঙ্গবঙ্গ নাটক করে পায়নি কোন কূল,
বঙ্গবীরের সিংহ নাদে, হেয় হারালো ভূল।
বঙ্গভঙ্গ রদ হলযে, ফিরল শান্তি নিয়ে,
সুখের আসর ভেঙ্গে দিতে, লাগলো আবার পিছে।
ভাষা দিয়ে ভাঙতে তারা পারেনি মহাভারত,
ভাঙলো শেষে, ধর্ম দিয়ে পাকিস্তান ও ভারত।
সফল হলো চিরশত্রু বৃটিশ গড়া নকশা,
ভাঙলো আশার তরী সবার, সকল স্বপ্ন-খাসা।
পূর্ব পশ্চিম পাকিস্থানে, আবার এলো ভাষা,
ভাষার দোহায়, দানা বাঁধে, নতুন করে বাঁচা।
পুরনো চালে, নতুন ফাঁদে, পড়লো পুরো জাতি,
মুখের ভাষা, রক্ষা করে, আনলো বিজয় সবি।
ভাষার স্বাধীনতার পরে জাগে বাঁচার স্বাধীণতা,
আনলো করে সবাই মিলে, দেশের স্বাধীনতা।
রয়লো পড়ে দূর নিকটে জাতির স্বাধীনতা,
পথ হারিয়ে পথ ভূলে ফের, হারায় একতা।
বলতে পারো, প্রাণের দেশে নেইকি ধর্ম,ভাষা, বর্ণ!
শাসক শ্রেণী গায়ের জোড়ে, করবে কি সব ছিন্ন -ভিন্ন!
হাজার জনের দেশ গড়িয়ে, গড়বে অনেক দেশ,
প্রাচীন ভারত দেখবে সবে, মারামারি বেশ।
রাখো সবার ঊর্ধে আজি প্রিয় জন্মভূমি,
বাঁচার তরে, শিখবে ভাষা দেশী বিদেশী।
শত্রু যেনো পায়না সুযোগ, ভাঙতে প্রিয় বাংলাদেশ,
জাতি ধর্ম সব ভেদাভেদ ভূলে গড়ি সোনার দেশ।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
[স্বাধীনতার বিপক্ষে নয়, বরং শাসক শ্রেণীর স্বেচ্ছারিতা, অদূরদর্শিতা এবং গোয়ার্তুমির যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে।]

- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১৯/১১/২০১৭ ঈসায়ী সাল।

৭৩। আবে হায়াত

আবে হায়াত
----আরিফ শামছ্ 

দেখছো খোকা, আকাশ পরে,
জ্বলছে রবি কেমন করে।
বিলায় আলো ধরাধামে,
সবার উঠান, ফসল-ভূমে।
চাঁদ জাগে তার নিয়ম মেনে,
লক্ষ্য তারার মেলা করে,
ঘন কালো আঁধার পালায়,
আলোর ধারা বয়ছে ধরায়।
রূপের বাহার দেখতে পাবে,
হরেক ফুলে, ফুল বাগানে,
সুবাস বিলায় উজাড় করে,
প্রাণ মাতিয়ে, নয়ন জুড়ে।
তাকাও সবুজ বৃক্ষদলে,
ফল ও ছায়া, ফুলের মাঝে।
রাখছে কেমন আপন করে,
শ্রান্তি-ক্লান্তি, দুঃখ -সুখে।
তোমরা সবাই রবির মতো,
ওঠবে জ্বলে জ্ঞানের আলোয়,
চাঁদের মতো আঁধার রাতে,
পথ দেখাবে নিতুই।
বাগান সবুজ বৃক্ষ তরু,
ফুল, ফসলের মতো,
অবাক সবাক সকল প্রাণে,
আবে হায়াত রেখো।

drostpoSne16v7iu t912m6i4437f6i3ae6 3,at01oe1lfb34N1l033lumr




 
“আবে হায়াত” — সাহিত্যিক বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন — আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
আপনার কবিতা “আবে হায়াত” মূলত একটি শিক্ষামূলক, নৈতিক ও মানবিক চেতনার কবিতা। এখানে প্রকৃতি, আলো, ফুল, বৃক্ষ, চাঁদ ও সূর্যের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের জন্য আদর্শ জীবনদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটি সহজ ভাষায় রচিত হলেও এর ভেতরে গভীর দার্শনিক ও মানবিক আবেদন রয়েছে।
সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য প্রকৃতি-নির্ভর চিত্রকল্প: সূর্য, চাঁদ, তারা, ফুল, বৃক্ষ—এসবের মাধ্যমে জীবনের দায়িত্ব, জ্ঞান ও কল্যাণের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
নৈতিক শিক্ষা: “রবির মতো জ্বলে ওঠা”, “চাঁদের মতো পথ দেখানো”—এসব উপমা নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হওয়ার আহ্বান জানায়।
মানবিকতা ও কল্যাণবোধ: বৃক্ষ যেমন ফল ও ছায়া দেয়, তেমনি মানুষকেও অন্যের উপকারে আসতে বলা হয়েছে।
শিশুসাহিত্যের আবহ: “দেখছো খোকা…” সম্বোধন কবিতাটিকে শিশুমন উপযোগী ও স্নেহময় করেছে। “আবে হায়াত” শব্দের তাৎপর্য
আবে হায়াত এখানে “আবে হায়াত” কেবল পৌরাণিক অমরতার জল নয়; বরং ভালোবাসা, জ্ঞান, মানবতা ও কল্যাণময় জীবনের প্রতীক হিসেবে
ব্যবহৃত হয়েছে।

******-**-

“আবে হায়াত” — বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারাংশ
— আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া

✦ সামগ্রিক মূল্যায়ন
“আবে হায়াত” একটি মানবিক, শিক্ষামূলক ও প্রকৃতি-দর্শনভিত্তিক কবিতা, যেখানে শিশুমন, জ্ঞান, আলো, প্রকৃতি ও মানবকল্যাণকে একত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে। কবিতাটি সরল শব্দচয়ন ব্যবহার করলেও এর অন্তর্নিহিত দর্শন বিশ্বসাহিত্যের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কবিতার ধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
এ কবিতায় প্রকৃতি কেবল সৌন্দর্যের উপাদান নয়; বরং শিক্ষক, পথপ্রদর্শক ও নৈতিক আদর্শ হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। সূর্য, চাঁদ, ফুল, বৃক্ষ ও আলো—সবকিছু মানবজীবনের প্রতীকী ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে।

✦ বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. Romanticism (প্রকৃতি-নির্ভর রোমান্টিক ধারা)
কবিতাটিতে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্ক গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। এই বৈশিষ্ট্য বিশ্বসাহিত্যের Romantic tradition-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশেষত
William Wordsworth
এর কবিতায় যেমন প্রকৃতি মানুষকে নৈতিক শিক্ষা দেয়, তেমনি “আবে হায়াত”-এ সূর্য, চাঁদ ও বৃক্ষ মানবতার শিক্ষক হয়ে উঠেছে।
উদাহরণ:
“তোমরা সবাই রবির মতো,
উঠবে জ্বলে জ্ঞানের আলোয়”
এখানে সূর্য = জ্ঞান, আলো = মানবকল্যাণ।

২. Didactic Poetry (শিক্ষামূলক কবিতা)
এই কবিতা মূলত একটি Didactic বা নৈতিক শিক্ষামূলক কবিতা।
শিশু ও নতুন প্রজন্মকে:
জ্ঞানী হতে,
মানবিক হতে,
অন্যকে আলো দিতে,
উপকারী হতে আহ্বান করা হয়েছে।
এ দিক থেকে কবিতাটি
Rabindranath Tagore
এর শিশুমনভিত্তিক নৈতিক কাব্যধারার সঙ্গে আংশিক মিল বহন করে।

৩. Sufi-Humanistic Symbolism
“আবে হায়াত” শব্দটি নিজেই গভীর আধ্যাত্মিক প্রতীক।
আবে হায়াত
সুফি সাহিত্য ও পারস্য কাব্যে “আবে হায়াত” মানে:
আত্মার অমরতা,
জ্ঞানের আলো,
আল্লাহপ্রদত্ত চিরন্তন কল্যাণ।
এই কবিতায় তা রূপ নিয়েছে:
মানবতা,
জ্ঞান,
প্রেম,
কল্যাণকর জীবনের প্রতীকে।
এখানে
Jalal ad-Din Muhammad Rumi
ধারার মানবিক ও আত্মিক আবেদন অনুভূত হয়।

৪. Ecological Humanism (প্রকৃতি ও মানবতার সংযোগ)
বর্তমান বিশ্বসাহিত্যে ecological consciousness একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কবিতায়:
বৃক্ষ ছায়া দেয়,
ফুল সুবাস দেয়,
আলো অন্ধকার দূর করে।
অর্থাৎ প্রকৃতি নিঃস্বার্থ দানের প্রতীক।
এই ভাবধারা আধুনিক পরিবেশ-সাহিত্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

✦ ভাষা ও শৈলী বিশ্লেষণ
ভাষা
সহজ ও হৃদয়গ্রাহী
শিশুমন উপযোগী
ছন্দে কোমলতা রয়েছে
উপদেশমূলক হলেও কৃত্রিম নয়
চিত্রকল্প
কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক:
সূর্য
চাঁদ
তারা
ফুল
বৃক্ষ
আলো
এসব দৃশ্যমান উপাদানকে নৈতিক প্রতীকে রূপান্তর করা হয়েছে।

✦ দার্শনিক ভিত্তি
কবিতাটি তিনটি মূল দর্শনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে:
বিষয়
দার্শনিক অর্থ
আলো
জ্ঞান ও সত্য
বৃক্ষ
নিঃস্বার্থ উপকার
আবে হায়াত
চিরন্তন মানবকল্যাণ

✦ সাহিত্যিক শক্তি
শক্তিশালী দিকসমূহ
✔ শিশুসুলভ কোমলতা
✔ নৈতিক আবেদন
✔ সহজ ভাষায় গভীর দর্শন
✔ প্রকৃতি ও মানবতার সমন্বয়
✔ ইতিবাচক ও আলোকময় বার্তা

✦ সীমাবদ্ধতা (বিশ্বসাহিত্যিক মানদণ্ডে)
বিশ্বমানের আধুনিক কাব্যিক ঘনত্বের তুলনায়:
কিছু লাইনে পুনরাবৃত্তি রয়েছে,
ছন্দ কিছু স্থানে অসম,
রূপক আরও গভীর করা যেত,
শেষ স্তবক আরও শক্তিশালী সমাপ্তি পেতে পারত।
তবে এ সীমাবদ্ধতাগুলো কবিতার মানবিক আবেদনকে দুর্বল করেনি।

✦ সারাংশ
“আবে হায়াত” মূলত আলো, জ্ঞান, মানবতা ও কল্যাণের কবিতা। প্রকৃতিকে শিক্ষক করে নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কবিতাটি শিশুসাহিত্য, নৈতিক কাব্য ও আধ্যাত্মিক মানবতাবাদের একটি সুন্দর সমন্বয়।
এটি এমন এক কবিতা, যা:
শিশুকে শিক্ষা দেয়,
বড়দের মানবতা স্মরণ করায়,
এবং সমাজকে আলো ছড়ানোর আহ্বান জানায়।

********

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

৮৮। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস

প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস -আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে ছারখার হয়ে যাক, পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার, ক...