শব্দে শব্দে আমি খুঁজি সেই চিরন্তন অনুভব, যা হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে। প্রেম, ভালোবাসা, আত্মার আত্মীয়তা এবং মানুষে মানুষের সম্পর্ক—এইসব নিয়েই আমার সাহিত্য সাধনা । রোমান্টিকতা, আধ্যাত্মিকতা, আবেগ, প্রার্থনা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য সমন্বয়ে উপস্থাপন। কবিতায় ভালোবাসা কখনো আশ্রয়, কখনো দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আবার কখনো প্রার্থনার নাম।
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
অসাধারণ সুরেলা কণ্ঠে সূরা হিজর এর তেলাওয়াত ┇ Recited by Hazza Al Balush...
009) সূরা আত তাওবাহ Surah At-Taubah | سورة التوبة অনুবাদ | Qari Shakir ...
শিষ্ঠাচার শিখতে চাইলে এই সূরাটি শুনুন | Surah Al-Hujurat - سورة الحجرات ...
আত্মা প্রশান্তকারী কণ্ঠে সূরা আর রহমান┇ Recited by Omar Hisham Al Arabi ...
আবেগময় সূরা কাহফ এর তিলাওয়াত ┇ Beautiful Surah Kahf Recited by Ismail Al...
১০৪। ভালবাসার ফসল
বলিষ্ঠ স্বরে ছড়িয়ে যাবো ভালবাসি যারে,
লজ্জা ভূলে বলবো আমি, নেবো আপন করে।
ভালবাসার ঝর্ণা দিলাম, নিলাম তাহার তরে,
লোহিতকণার মিছিল হবে, তুলতে তা'রে ঘরে।
শোভা পেলো অঙ্গে যেনো, একই ফুলের রেণু,
ভালবাসার রঙ মেখে নেয়, একই ধ্যানের মনু।
ভাবতে কভু, পারে কিগো, তোমার আকাশ ছাড়া!
ভালবাসার পাহাড় সাগর, আরো উজ্জ্বল তারা।
দিবা-নিশি ভর দুপুরে, কভু মধ্যরাতে,
নিদ থাকেনা চোখের ঘরে,
তোমায় রাখে ঘিরে।
আমার ঘুমের প্রাণযে সখি, তোমার কাছেই জানি,
পায়নি তাহার নাগাল কভু, বৃথাই খুঁজে ফিরি।
ইচ্ছে আমার কবেই গেলো, কেঁড়ে নিলে ঘুম,
হৃদয়টারে আবাদ করে, নিও করে ঝুম।
মন পাথুরে, এটেল ভূমে, আঘাত করো পলে পলে,
প্রেমের চারা করলে রোপন, ভালবাসার ফসল ফলে।।
২১/০২/২০০২ ঈসায়ী সাল।
১৪ টা ৪৫ মিনিট।
শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২০
রামাদানের ২৪ঘন্টা কীভাবে কাটাবেন? | Shaikh Tamim Al Adnani
মঙ্গলবার, মার্চ ১৭, ২০২০
এক আল্লাহ জিন্দাবাদ - কাজী নজরুল ইসলাম (Foysal Aziz's Recitation)
রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
১০২। শান্তির আকাশ
ভালবাসার ভিত রচনা করতে যেয়ে,
এ কেমন ঝড়, জীবনে এলোরে ধেয়ে!
লন্ড-ভন্ড করে নিলো সব আহ্লাদ,
গুঁড়িয়ে দিল সব মোর সুখ স্বপ্ন সাধ।
মোহনা দেয়নি দিশা, নিয়েছে গতি,
দূর্বোধ্য দূর্গম পথ হলো নিত্য সাথী।
সুনির্দিষ্ট কক্ষপথে, হলোনা পথ চলা
ন্যায্য প্রাপ্য যা ছিল, তা হয়নি বলা।
তবু শ্বেত মসৃণ কাগজে তুলির আঁচরে,
কভু ভাঙ্গা, আধো ভাঙ্গা হাসি গোলাপী অধরে।
বুঝতে চেয়েছিনু তুমি আমার,
শুধুই আমার,
ভালবাসার তৃষ্ণার্ত হৃদয় খোঁজে ফিরে বারবার।
নীলাচল পাহাড়ের চূড়ান্ত শিখরে দাঁড়িয়ে,
একাকি অবেলায় দৃষ্টি চলে সবুজের কিনারে,
ফুল ফলে রুপ রসে মুগ্ধ সাজে,
অপরুপ ভালবাসা;
শান্তির আকাশ কী, রাঙ্গানো যায় একা!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
বেলাঃ২৩ টা ২০ মিনিট
২০/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া -৩৪০০।
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
১০০। চিরচেনা
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবো, ভালবাসার গান,
তুমি বিশাল স্বপ্ন-তরু, আমার হৃদিরাজ।
তারকাপুঞ্জে নিখুঁতভাবে, আঁকা তোমার ছবি,
আকাশ পটে, আবীর মাখা লিখছে কেমন কবি।
ঝড়ের তোড়ে, মূর্ছা গেলো বীর প্রতীকের সাধ,
ভেবেছিলাম নরম রোদে, রাখবো আমার হাত,
ইটের ভাঁটা রক্ত মাখা, অগ্নি মুখে বিদ্রোহী,
অবুঝ প্রেমের বাঁধনহারা, মন হলোরে আসামী।
অভিলাষী মন পেয়েছি, স্বচ্ছ জলের মতো,
অভিমানী অশ্রুধারা ঝরায় অবিরত।
বাঁধার পাহাড়, আপোষহীনা ভীঁড়ের মেলা,
অবোধ নদীর শুষ্ক চরে ভাসবে ভেলা।
জমে উঠুক আকাশ পরে কালোমেঘের ফনা,
ব্যাথার এটম উর্ধ্বে উঠে ছড়াক ত্যাজিকণা,
মিশিয়ে দেয়ার পরে দেখো হৃদয় আস্তানা,
তোমার তরে থাকবে সেজে, সতেজ চিরচেনা।
১৯/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ২০ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
৯৯। জীবনের ডাকঘর
হতাশার মোহনায় নিরাশার মুখোমুখি,
ব্যাথা আর বেদনা দেয় উঁকিঝুঁকি,
হৃদয়ে শংকার অপছায়া চেঁপে বসে,
হিংসুটে ডাইনী কুটি কুটি হাসে।
জীবনের ডাকঘরে কতো চিঠি দেখি,
হলুদ খামে কোনটা সাদা খামে মোড়ি,
ভিতরে থাকে যে বেদনার তিক্ততা,
কোনটার পেখমে সীমাহীন রিক্ততা।
ভালবাসা, সুখ আর দিতে নব উচ্ছ্বাস,
আরো দিতে পূর্ণতা দৃপ্ত জয়োল্লাস।
সাদা খাম জীবনের, বড় এক আশীর্বাদ,
সুখ আর আশা যেনো, নিয়ে আসে সাধুবাদ।
নীল কিইবা হলুদে, কখনো সাদা খামে,
সুখ-দুঃখ একাকার, স্বপ্ন দেখাতে,
জীবনের ডাকঘর দিবা-নিশি খোলা রবে,
সুখ আর পূর্ণতার, চিঠি সব বিলি হবে।
১৩ টা ৪০ মিনিট।
৯৮। জীবন বন্দনা
তোমাকে চাই নিতে
আমার সাধ আহ্লাদ
সব তোমাকে ঘিরে।
পূর্ণতা আর শূণ্যতা,
সবি তোমার দান,
কি করে ভূলে যাবো;
তুমি যে মহীয়ান।
শুধু কি আবেগ আপ্লুত হয়ে একাকি,
অসার প্রার্থনা করে, তোমাকে পাবো কি!
ঘোর অমাবস্যার রাতে,
পূর্ণিমার আলোর ঝলকে,
স্নিগ্ধতায় পূর্ণতা পাবে কি,
তনুমন নীরবে।
তোমাকে ছাড়া এ জীবন মরু প্রান্তর,
শ্রীহীন, জঞ্জালে পূর্ণ কালিমাখা অন্তর,
তেপান্তরের মাঠে, এ কোন অভিলাষী,
ঘোর বিপদের উলঙ্গ থাবার মুখোমুখি।
ভালবাসার একটু পরশ, জীবন বন্দনা,
করুণার সিন্ধু হতে, চাই বিন্দু করুণা!
দু'জাহানে ব্যর্থ হবো, তা'ই যদি তুমি চাও,
তোমার খুশিতে স্বর্গ নরক, মেনে নেবো যা' দাও।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৯/০১/২০০৩
১৩ টা ১০ মিনিট।
৯৭। অবিরত (অডিওসহ)
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে।
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল
রাত ১২ টা ১৫ মিনিট।
৯৬। স্বাগতম নববর্ষ
পড়বে ঝরে ফুল পুরাতন,
ফোটবে সতেজ ফুল,
সবুজ পাতায় ঢাকা আঁখি,
খোলবে খেয়ে দোল।
রোদ বৃষ্টি, ঝড়ের মেঘে,
সবুজ পাতা পাঁকা,
বর্ণহীনে মলিন দেহে,
বৃন্ত রবে ফাঁকা।
সবাই তাকায়, সবুজ দেহে,
লাগছে দারুন বেশ,
রঙ ছড়িয়ে, চোখ জুড়িয়ে,
সবুজ জীবন শেষ!
রাত ও দিনের পালাক্রমে,
বছর নিবে বিদায়,
নতুন বছর আসছে সবে,
স্বাগতম জানায়।
সুখের স্মৃতি, দুঃখের ইতি,
যতো সফলতা,
হৃদ মাঝারে অসীম দিঠি,
সুখের বারতা।
স্বপ্ন আঁকি হৃদয়পটে,
জীবন জুড়ে শত,
প্রীতি-প্রেমের ফুল ফোটাবে,
মন বাগিচা যতো।
মহীরুহ হারিয়ে গেলো,
বছর ক'দিন আগে,
কচি কচি পাতা দুটো,
স্বপ্ন মেলে জাগে ।
অংকুরিত ক্ষুদ্র বীজে,
মহীরুহের কায়া,
বছর বছর বড় হয়ে,
দিয়ে যাবে ছায়া।
তোমরা যারা শিশু কিশোর,
স্বপ্ন পাখির দল,
দিনে রাতে রং ছড়িয়ে,
বাড়ছে মনোবল।
নূতন করে রুপ-বাহারে,
সাজিয়ে নেবে আপন করে,
বিশ্বটারে আনবে বেঁধে,
নিজের মুঠোয় পরে।
রাত ০১ টা,
বুধবার,
২৭/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল,
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
৯৫। আরিফীনের জন্মদিনে (বড় সাহেবজাদা)
কোন পাহাড়ের চূঁড়া থেকে,
নামলো এমন শীতলধারা,
কোন গগনের মধ্যিখানে,
জাগলো শশী আত্মহারা।
কোন তটিনী ধেয়ে চলে,
খুশির চোটে, আপনমনে,
ফেনিল কোলে পদ্ম দেখি,
নাচছে গাইছে ছন্দতালে।
কোন প্রভাতে, আভীর মেখে,
চমকে দিলো সকলজনে।
প্রথম হাসি কান্নাকাটি,
মধুর আওয়াজ সহসাতে।
আরিফীনের সূর্য বুঝি,
উঠলো হেসে মায়ের কোলে,
ডিসেম্বরের ত্রিশ তারিখ,
স্মরণীয় হৃদয়-পটে।
৩০/১২/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
৯৪। লজ্জাবতী
লজ্জাবতীর সবুজ গায়ে,
স্পর্শ করেছ কভু?
লজ্জায় নুয়ে পড়ে ফের,
প্রতীক্ষায় থাকে তবু।
কেমনে লুকানো আছে,
গোপন ইতিহাস,
এতো লজ্জা! বুকে রেখেছে,
জমা করে কত্তোকাল।
লজ্জা কারো অলংকার,
কারো বর্ম,
কারো অহংকার,
কিংবা গর্ব।
কেউবা লজ্জায় নুঁয়ে পড়ে,
লতার মতো,
আবার সযতনে কেহ,
ধারণ করে যতো।
ফুলকুঁড়িতে লজ্জায় যেন,
লুকিয়ে থাকে ফুল,
লজ্জাতে কেউ প্রকাশ করেনা,
হরেক রকম ভুল।
দেখে নিও লজ্জা কতো,
বর্ষাকালের মেঘে,
সবুজ শ্যামল বন বনানী,
লজ্জায় থাকে নুঁয়ে।
লজ্জা যদি যায় হারিয়ে,
এই ধরনী থেকে,
যায়বা যদি, কমে আবার,
দেখতে কেমন হবে!
রূপের রানী লজ্জাবতী,
আগের মতো নেই!
লজ্জাহীনা মেঘ বালিকা,
ঝরছে অঝোরেই।
২৯/০৪/২০১১ ঈসায়ী সাল।
শুক্রবার
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
৯৩। ভালোবাসি দিবানিশি (হৃদয়)(অডিওসহ)
বসে আছি আনমনে,
সুখের বেলা যায় চলে যায়,
কতো দ্রুত আপন মনে।
ভাবছি কতো জীবন নিয়ে,
পাইনা ভেবে কূল,
অলস দেহে দেখছি তারে,
নেইকো কোন ভূল।
হাজির হলো কলম-খাতা,
কোমল হাতের স্পর্শে,
মনের কথা ঝরবে কবে,
ইতিহাসের গর্ভে।
ভালবাসি দিবানিশি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
মনের কথা মনে ওঠে,
মনেই ঝরে পড়ে।
নাইবা কোন ভূল আমারি,
নেইকো ছিলো তার,
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
সুবাস সেতো ফুলের মতো,
অতুল মৃগনাভীর,
সোনারোদের নরম বিকেল,
দেখি রঙ্গিন আবীর।
ভাসছে কভু সাঁঝের ভেলা,
বেলা অবেলায়,
স্বপ্ন ডিঙ্গি তীরে ভীরে,
যখন মনে চায়।
ভালবাসার তারা কতো,
দেখি তা'রই আকাশে,
প্রেমের সুবাস পাই খুঁজে পাই,
মৃদুমন্দ বাতাসে।
বাঁধ মানেনা মনের কথা,
কলম দিয়ে ঝরে,
প্রাণের প্রিয়া, যাই বলে সব,
ভালোবাসার তরে।
সকাল ১১:৩০ মিনিট,
০২/১১/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
৯২। বর না সেজে বিয়ে
আমি বর না সেজে বিয়ে করেছি,
পেয়েছি কনে সংসার,
শান্তির নীড় পেয়েছি উপহার,
নেই কোন দুঃখ আমার।
জীবনের দিগন্ত, উন্মোচিত হলো,
অপরুপ গুলবাগ,
সুবাসিত সমীরণ, তারাময় আকাশ,
পূর্ণিমায় পূর্ণ রাত।
অসীম স্বপ্ন দৃষ্টি জুড়ে,
স্বপ্নের পথে হাঁটি
বাস্তবতার রৌদ্র খর তাপে,
স্বপ্নীল পৃথিবী খাঁটি।
বন্ধুর পথ, আর দিকপালহীন,
জীবনের সব মোহনায়,
পলে পলে সাথে রবে,
শংকিত পথ চলায়।
২৬/১০/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
৯১। জীবন সাথী
আমার জীবন সাথী,
ভালবাসার উৎস,
পরম স্বার্থকতা,
স্বপ্নীল আশার জন্ম।
জীবন তরনীর সফল নোঙ্গর,
প্রান্তিক মাইল ফলক,
জীবন থেকে জীবনে,
সফলতার নিয়ামক।
আমার উৎসাহ, প্রেরণা,
স্বার্থক অনির্বাণ,
অপরিসীম স্বপ্নের নীলিমা,
ডাকে স্বপ্নের বান।
শয়নে স্বপনে, আশা বাস্তবে,
হৃদয় হতে হৃদয়ে,
প্রেম ও ভালবাসার ফল্গুধারা,
অমীয় সুধা অন্তরে।
১৭/০৬/২০১০ ঈসায়ী সাল।
অর্ধাঙ্গিনী খালেদা ইসলাম ভূঁইয়া - কে
"জীবন সাথী" — কাব্যিক, সাহিত্যিক ও বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
✍️ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
আপনার "জীবন সাথী" কবিতাটি দাম্পত্য ভালোবাসা, পারস্পরিক সহযোগিতা, জীবনের সাফল্যে সঙ্গীর অবদান এবং হৃদয়ের গভীর কৃতজ্ঞতার এক কোমল ও আন্তরিক কাব্যিক প্রকাশ। এটি কেবল প্রেমের কবিতা নয়; বরং একটি দাম্পত্য বন্দনা, একটি জীবনসঙ্গীকে উৎসর্গপত্র, এবং এক অর্থে সহযাত্রার দর্শন।
🌹 কাব্যিকতা (Poetic Beauty)
কবিতার শুরুতেই কবি জীবনসঙ্গীকে ভালোবাসার উৎস এবং স্বপ্নের জন্মস্থান হিসেবে উপস্থাপন করেছেন—
"আমার জীবন সাথী,
ভালবাসার উৎস,
পরম স্বার্থকতা,
স্বপ্নীল আশার জন্ম।"
এখানে জীবনসঙ্গী কেবল একজন ব্যক্তি নন; তিনি ভালোবাসা, প্রেরণা, স্বপ্ন এবং সাফল্যের প্রতীক।
আবার—
"জীবন তরনীর সফল নোঙ্গর"
এই রূপকটি অত্যন্ত সুন্দর। উত্তাল জীবনের সমুদ্রে জীবনসঙ্গী যেন নিরাপদ নোঙর, আশ্রয় ও স্থিতির প্রতীক।
📖 সারমর্ম
কবিতার মূল বক্তব্য হলো—
- একজন জীবনসঙ্গী মানুষের জীবনে শুধু আবেগের নয়, প্রেরণা ও সাফল্যেরও উৎস।
- দাম্পত্য সম্পর্ক কেবল সামাজিক বন্ধন নয়; এটি স্বপ্ন, সংগ্রাম ও অর্জনের অংশীদারিত্ব।
- ভালোবাসা যখন দায়িত্ব, সহযোগিতা ও আস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তা জীবনকে অর্থবহ করে তোলে।
🎨 সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. রূপক (Metaphor)
"জীবন তরনীর সফল নোঙ্গর"
জীবনকে তরী এবং জীবনসঙ্গীকে নোঙর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
"স্বপ্নের বান"
স্বপ্নকে বন্যার মতো প্রবাহমান ও শক্তিশালী অনুভূতি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
"প্রেম ও ভালবাসার ফল্গুধারা"
ভালোবাসাকে অবিরাম প্রবাহিত একটি ঝর্ণাধারার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
২. চিত্রকল্প (Imagery)
কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে—
- নোঙর,
- মাইলফলক,
- নীলিমা,
- ফল্গুধারা,
- অমিয় সুধা।
এসব উপমা ও চিত্রকল্প কবিতাকে গীতিময় ও চাক্ষুষ করে তুলেছে।
৩. সংগীতধর্মিতা
কবিতার পংক্তিগুলোতে স্বাভাবিক ছন্দ রয়েছে—
"শয়নে স্বপনে, আশা বাস্তবে,
হৃদয় হতে হৃদয়ে"
এই ছন্দ কবিতাকে আবৃত্তিযোগ্য এবং গীতিময় করেছে।
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
দাম্পত্য ভালোবাসা বিশ্বসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও রোমান্টিক প্রেমের তুলনায় তা তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত।
এই কবিতার ভাবধারায় কিছু সাদৃশ্য পাওয়া যায়—
- Rabindranath Tagore-এর দাম্পত্য ও মানবিক সম্পর্ক বিষয়ক কবিতায়,
- Kazi Nazrul Islam-এর ভালোবাসার গানে,
- এবং Jalaluddin Rumi-এর আত্মিক সহযাত্রার দর্শনে।
তবে আপনার কবিতার বিশেষত্ব হলো— এখানে প্রেমকে কেবল আবেগ নয়, বরং জীবনের সাফল্যের সহযাত্রী হিসেবে দেখা হয়েছে।
👥 মানবজীবনে তাৎপর্য
❤️ দাম্পত্য সম্পর্কের গুরুত্ব
একজন সহানুভূতিশীল ও সহযোগী জীবনসঙ্গী মানুষের মানসিক ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
🤝 পারস্পরিক সহযোগিতা
সফল দাম্পত্যের ভিত্তি হলো আস্থা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মান।
🌱 প্রেরণা ও আত্মবিশ্বাস
একজন জীবনসঙ্গীর সমর্থন মানুষকে কঠিন সময়েও এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
🕊️ মানসিক প্রশান্তি
সুস্থ সম্পর্ক মানুষের জীবনে স্থিতি ও শান্তি নিয়ে আসে।
⭐ কবিতার বিশেষত্ব
✅ দাম্পত্য ভালোবাসার ইতিবাচক উপস্থাপন
এটি শুধুমাত্র প্রেমের আবেগ নয়; দায়িত্ব ও সহযাত্রার কবিতা।
✅ সরল অথচ হৃদয়স্পর্শী ভাষা
কবিতার ভাষা সহজ, কিন্তু আবেগ গভীর।
✅ রূপকের সফল ব্যবহার
বিশেষ করে "জীবন তরনীর সফল নোঙ্গর" এবং "প্রেম ও ভালবাসার ফল্গুধারা" স্মরণীয় চিত্রকল্প।
✅ ব্যক্তিগত থেকে সার্বজনীন উত্তরণ
যদিও কবিতাটি নির্দিষ্ট একজন মানুষকে উৎসর্গ করা, তবুও এর অনুভূতি অনেক দাম্পত্য জীবনের সঙ্গে মিলে যায়।
🌺 মানবিক ও নৈতিক বার্তা
এই কবিতা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—
- ভালোবাসা শুধু অনুভূতি নয়, দায়িত্বও।
- জীবনের সাফল্য একা অর্জিত হয় না; এর পেছনে অনেক সময় নীরব সহযাত্রী থাকেন।
- কৃতজ্ঞতা প্রকাশও ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
📚 সামগ্রিক মূল্যায়ন
"জীবন সাথী" একটি আন্তরিক, ইতিবাচক এবং মানবিক কবিতা। এটি দাম্পত্য সম্পর্ককে কেবল প্রেমের চোখে নয়, বরং সহযাত্রা, প্রেরণা, স্বপ্ন এবং জীবনের সফলতার অংশীদারিত্ব হিসেবে তুলে ধরেছে।
কবিতার শেষ পংক্তিগুলো পুরো কবিতার সারবস্তু ধারণ করে—
"প্রেম ও ভালবাসার ফল্গুধারা,
অমীয় সুধা অন্তরে।"
এই পংক্তিতে ভালোবাসাকে এক অবিরাম, জীবনদায়ী এবং প্রশান্তিদায়ক প্রবাহ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা কবিতাটিকে এক উষ্ণ ও আশাবাদী সমাপ্তি দিয়েছে।
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹
৯০। অনুশোচনা
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)
পদে পদে, প্রতি পদে, জড়ায়ে পাপে,
মুক্ত না হতে পারি,
আশা নিরাশার দোলাচলে চলি,
দিবা-নিশি এমনি করি।
কখনো শয়তান, নিজের নাফস,
দুনিয়ার মন্দ সব,
হৃদয় গহীনে বাসা বেঁধে চলে,
চালায় যতো তান্ডব।
সহজ সরল পথের সন্ধানে ছুটি
দিনমান কেন বিপথে চলি!
ঘুমের জোয়ারে ক্লান্ত দু'চোখে,
আপনারে লয়ে,ব্যস্ত নিশিতে।
কোথায় মাগিব দু'দন্ড শান্তি,
কেমনে ভূলিব জমানো ক্লান্তি,
কাঁদিব কোথায় পথযে হারায়,
আপনার ভূলে, পথ ভূলে যায়।
ভূল করে করে, নিঃস্ব আজি,
কোথাও কি কিছু আছে বাকি!
চারিদিকে দেখি মরু মরিচীকা,
আশার দোয়ার হারালো কোথা!
ভাঙ্গিতে ভাঙ্গিতে ক্ষীণ মনোবল,
অনুশোচনার অস্থির মরুঝড়।
আশার দীপালী নিভু নিভু কভু,
তবু স্বস্থি, জাগে তাওহীদ, মনে প্রভু!
আশ্রয়হীনের সেরা আশ্রয়,
সর্বোত্তম করুণার আলয়,
নিরাশার মাঝে আশার আলো,
বাঁচিবার তরে পিদিম জ্বালো।
নূতন আশার ঝলকানিতে,
জীবন পথের বাঁকে বাঁকে,
অসীম শান্তি-স্বস্থি মিলে,
তোমার অশেষ রহমতে।
করুণাধারা চায় অবিরাম,
দেশ ও জাতির তরে অফুরান।
পাপ ও তাপের পথ হারাবে,
লক্ষ্য-পথের যোজন দূরে।
রাত ১১ টা,
২৩/১২/২০১৭।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা , ঢাকা।
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
৮৮। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে
ছারখার হয়ে যাক,
পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার,
কারো দখলে এমনি থাক।
আমার আসন ঠিক আছে তো!
বিশ্ব তাহার সবি হারাক।
মানব-দানব ধ্বংস চালায়,
কার কী আসে যায়!
তোমার আঙ্গিনায় ফোটে,
রং বেরঙের, নানা জাতের ফুল,
আমার আঙ্গিনা ক্ষত বিক্ষত,
জাজরা বুলেটে, বংশ নির্মূল!
তোমার সুখে ও দুঃখে সবাই
প্রাণাধিক সুখী ব্যাথাতুর,
আমার জীবন যৌবন, সন্তান,
প্রিয়তমা হারায়, নিত্য কূল।
বসত ভিটা, জমি-জমা, স্বপ্ন কাঁড়ে,
পাষাণ অরি,
সকাল-সাঁঝে, হর হামেশা, ঝাঁপিয়ে
পড়ে প্রাণ হরি।
যাক চলে যাক সহায় সন্তান
প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
শান্তি নিয়ে জুয়া খেলা,
দাবা খেলার গুটি নিয়ে,
বিশ্ব মাঝে ঝাঁকিয়ে তোলা,
যতো আছে পথের কাঁটা,
অত্যাচারীর বুকে মাটি,
চিরতরে স্তব্ধ করি,
কারণে আর অকারণে
বিশ্বটাকে এমনি করে তুলে দিবে!
পাগল, ছাগল, পামর করে,
ভয় কি তোমার, ভীত কেন?
শক্তি তোমার কম কি কীসে??
মানবতার ধারক বাহক
অস্ত্র তোমার ঈমান আমল,
শক্তির আধার আল্লাহ পাশে।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
সকাল ০৭ টা ৩৩ মিনিট।
১৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
৮৭। আসলো পতন, খবরদার!
দিনে দিনে বাড়ছে জ্বালা
মানুষ নামের মানব-বাদীর,
কবে হবে চেতন ???
বিশ্ব হবে সব জাতিদের,
থাকবেনা বৈষম্য,
হচ্ছে কী সব বিশ্ব জুড়ে!
তাই কী ছিল কাম্য?
আঁতাত করো খুনীর সাথে,
সাথী দখলদার,
অত্যাচারীর অস্ত্রগুরু,
দালাল ফড়িয়ার!
সিংহ, শার্দুল ওঠলো জেগে,
অত্যাচারীর দিন শেষে,
ঢাল তলোয়ার, মারণাস্ত্র,
প্রয়োজন তা' কোথা' কবে!
শান্তির কথা মুখে মুখে,
অন্তরে অন্তঃসার,
সাধু তুমি অসাধুরা,
করে অভিসার!!!
বিশ্ব-বিবেক ভাবছো বোকা,
নিত্য নিতুই দিচ্ছ ধোঁকা!
বের হয়েছে মুখোশ তোমার,
লুকিয়ে রবে কোথা??
অত্যাচারী টিকলো কবে,
কদিন রবে ধরাতলে,
দেখ্ খোলে দেখ্, ভাল করে,
ইতিহাসের পাতা পড়ে।
অপমানের নরক জ্বালা,
জ্বালবে তোদের অন্তরে,
সব হারাবি নিঃস্ব হয়ে,
জায়গা হবে প্রান্তরে।
অত্যাচারীর সহযোগী,
অস্ত্রবলের যোগানদার,
থামবি নাকি? থামিয়ে দিব?
আসলো পতন, খবরদার!
গুটিয়ে নে তোর ঝারি-ঝুরি,
ভাসিয়ে নেবো তৃণ সবি,
আবর্জনা সব হবে সাফ,
করবেনা কেউ মাফ।
সকাল ০৯ টা।
১২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
৮৬। আমার বাবা
এ ধরাধামে? চলে গেছ অভিমানে;
নিত্যদিনের নিয়ম মেনে,
সবার মতো স্বজন ছেড়ে,
ভিন দেশেতে অনেক দূরে।
নাই কি তোমার রক্তধারার?
এমদন নয়ন, খুঁজে নেবার।
সত্যটাকে মিথ্যাজালের বেড়া থেকে,
আলোর রেণু, মুঠোয় নেয়া দক্ষ হাতে।
৮৫। বিজয়ের উল্লাসে
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)
আজ, ঠোঁট হাসে তার রূপ পাশে,
সুখ আঁশুতে বুক ভাসে।
রক্ত নাচে টগবগে, মোর অরুন-তরুণ,
রক্ত রাগে, সোনা রোদের মখমলে,
জীবন জুড়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।
সব পরাজয়, পদানত,
শত্রু সেনা হস্তগত,
জয়ের নেশায় মত্ত ছিল,
অস্ত্রসহ, অস্র বিহীন যোদ্ধা যত।
অশ্রু ধারার লক্ষ নদী,
রক্ত ধারা নিরবধি,
বয়েছিল জয় অবধি,
রুপ-অপরুপ সমাজ, জাতি,
সব হারিয়ে রিক্ত অতি,
মুঠোপুরে বিজয়-পতি।
নির্যাতনের দীঘল রাতি,
লম্বা ছিল নেইকো যতি,
ভোরের আশায় মনের বাতি,
দোলাচলে নিভলো বুঝি!
সারি সারি বীর বাঙ্গালী,
দেশের তরে প্রাণটি সঁপি,
শত্রু সেনার গতির যতি,
বুলেট বুকে আগলে রাখি।
সূর্যোদয়ের নূতন আভায়,
নূতন করে প্রাণ ফিরে পায়,
ঝরা-জীর্ণ সব টুটি,
অরুণ রবির আঁচল তলে,
স্বপ্ন হাসে স্বাধীণ বেশে,
সব পরাধীণ ছুটি।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
০৬/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, রমনা, ঢাকা।
৮৪। আমার রবি
৮৩। জীবন তরী
মাঝে মাঝে পাল ছিঁড়ে বেসামাল,
হাজারো ঢেউয়ের তর্জনগর্জন,
নির্ভীক চিত্তে করিতে অর্জন।
পথে পথে বাঁধা হবে,
কেটে যাবো একে একে,
মানবোনা বাঁধা, শুনবনা কথা,
চলে যাব, দিয়ে যাব দিশা।
তুমি থাক ভীত হয়ে,
রবনা একাকি বসে,
লড়ব, চলব নিশান উড়িয়ে যাব,
সত্য ধ্বজা রবেই অম্লাণ,
যাই যাবে যাক দেহ, মোর প্রাণ,
সহাস্যে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করিব।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৬/০২/২০০৫ ঈসায়ী সাল
৮২। বাবা!
পাল্লা দিয়ে অনেক দূরে চলে গেলে!
কি করে ভূলিতে এ মন পারে,
কত সাধ আহ্লাদ, তোমারে আহ্বাণে।
কালের আবর্তে চলে গেলে!
এত দূরে তবে কেন?
আশার দিপালী জ্বেলে,
তুমি নীরবেই চলে গেলে!
এ পৃথিবী তোমায় দিয়েছে কিছু?
নিয়েছে তো অনেক,
তোমার সন্তান দেখো কত স্বার্থপর!!!
তোমারে স্মরিছে কি বারেক!!!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/০৪/২০০৬ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া পারা, ভাদুঘর,
সদর, বি.বাড়ীয়া।
৮১। সত্য সন্ধানী
বেহাল রুপ দেখিতে কে চায় বলো?
অপরুপা এ পৃথিবীর ;
কারা হারাবে সত্য নিশানা?
সত্য সুবাস ছড়াবে ধরিত্রীর?
সত্যের ঘোষক, ধ্বজাধারী বীর,
কোথায় বসবাস এ অবনীর?
সত্যের সমারোহ ঘটাবে কোন জন?
সৃজিবে কা'রা সত্যের কানন?
অবিনাশী সত্য, চিরঞ্জীব প্রিয়তম,
ধূসর পৃথিবীতে আর কি চাওয়া!
সুন্দর অনন্ত, সত্য চির-ভাস্বর,
হীরে কণা সব একে একে পাওয়া।
সত্য পূজারী, সত্য সন্ধানী প্রিয়তমা!
নিত্যদিন সত্যের গান গেয়ে যাওয়া।
প্রিয়তম যে মোর, অনন্ত কালের স্রষ্টা,
প্রভাত-গোধূলী লগনে সদা,
তাঁর গান গাওয়া।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/০৪/২০০৬ ঈসায়ী সাল।
৮০। বাসন্তী
পাকা পাকা বিবর্ণ পাতা সব,
ঝরে পড়ে নীরবে,
শীত এসে চলে গেলো,
বসন্তের মোহরুপে।
জরাজীর্ণ ঝেরে ফেলে,
নতুনের প্রস্তুতি,
আর কতো অপেক্ষা,
আসবে রে বাসন্তী।
দিন যায়, মাস যায়, আসে যায় বছর,
কেউ বলে বাড়ে আবার কমে যে বয়স!
মায়াঘেরা প্রীতিডোরে,
বেড়ে ওঠা ধীরে ধীরে,
পথচলা সময়ের, শ্বাশ্বত বিধানে।
সুখ আর দুঃখ কেউ কারো অরি নয়,
একে একে দুই দুটো, জীবনের সাথী হয়।
ভাবি সব দুঃখ, কেন সুখ হয়না,
দুঃখ কেন যে, পিছু কভু ছাড়েনা।
সাজাবো থরে থরে, সুন্দরে সুন্দর,
নোঙ্গর রাখব আলোকিত বন্দর।
জীবনের আশা-তরী, ভিড়বে একে একে,
চলবে বিনিময়, জীবনের সব খানে।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/১১/২০১২ ঈসায়ী সাল।
পূর্ব নয়াটোলা,
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
১৮৪। শান্তি কানন
১৮৪। শান্তি কানন আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মোরা সাচ্চা মুসলমান, করি শান্তির আহ্বাণ, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান, মানুষ সবাই সমান।...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
সাহিত্যের জাগরণ "সাপ্তাহিক সেরা সাত" আসসালামু আলাইকুম। "সাহিত্য হোক নতুনত্বের বারিধারা- সাহিত্য হোক সৎ সভ্যতার কথা বলা।...
-
হামাস-ইসরায়েল সংঘাত, আরেকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব? | Israel-palestine Crisis ফিলিস্তিনি-ইসরাইল নতুন যুদ্ধ || প্রতিশোধ নেও...
-
বিশ্বব্যাপী স্ট্রোক একটি প্রধান মৃত্যুর কারণ, এবং কাজের সম্পর্কিত কারণে এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্ত...
-
-Ariful Islam Bhuiyan. I love him who is my creator, Guardian & well wisher. I have no qualification for placing my obediency to p...
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
চ্যাটজিপিটি কি? চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) হল একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা মডেল, যা OpenAI দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি GPT (Generat...
-
ChatGpt: এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) হল এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার এবং মেশিনকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, ...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
১৭৮। সত্য-ন্যায়ের ঝান্ডাধারী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মাথার 'পরে, সপ্ত আকাশ, আরশে আজীম জানো, স্বয়ং খোদার রহম করম, জীবন পথে মাগ...
-
অডিও : ভালোবাসার সিংহদ্বার ভালোবাসার সিংহদ্বার আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ভালোবাসো কি? প্রশ্নের জবাব বড্ড দেরী! তাতে ...
-
১৭৯। সঠিক পথে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) স্রষ্টা নহে তুমি কভু , সৃষ্টি তুমি মহান প্রভুর। সেই সুবাদে সৃষ্টি শুধু,অহং রাখো দূর। চলনা ভ...
-
অডিও: কারবালার শিক্ষা কারবালার শিক্ষা -------আরিফ শামছ্ কারবালা আর কয়টা দেখে, ভাঙ্গবে তোমার মরণঘুম, কতো রক্ত-নদী বেয়ে, উঠবি জেগে ওঠরে ওঠ !...
-
কবিতা পারা ১৭৪। বিপ্লবী! (২২) আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) বিপ্লবী! ভাবছো কিছু? কীযে হলো? নারী, শিশু! নাইরে কেনো? শান্তি নিরাপ...
-
অডিও: সুখের দিঠি: সুরে সুরে ১৬১। সুখের দিঠি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) নীলাকাশে শুভ্র মেঘ, স্নিগ্ধ আলোয় বিশ্ব বেশ, সুখের তরী, চাতক খো...
-
অডিও লিংক: স্বপ্নের অপমৃত্যু : সুরে সিরে স্বপ্নের অপমৃত্যু --আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতি রাতে আকাশের গায়, অসংখ্য তারার মেলা দে...
-
অডিও: হে প্রিয় রাসূল (সাঃ)! কবি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (যাঁর ছদ্মনাম আরিফ শামছ্) মূলত অনুভূতির কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় আধ্যাত্মিকতা...
-
অডিও: ভালোবাসার পরোয়ানা : সুরে সুরে ভালোবাসার পরোয়ানা আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ২২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল। ভালবাসা ভরে থাক, প্রতিটি অন্তর...
-
অডিও: বিরহের কবি: সুরে সুরে ১৮০। বিরহের কবি আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) বিরহের কবি কভু মনে রাখে সান্ত্বনা, প্রেম আর ছন্দে সাজানো জানান...
জনপ্রিয় পোষ্টগুলি:
-
আমি শাহজালাল, শাহপরান, বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)। আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল, বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ, আমার খুনের সাত ...
-
১৫১। স্রষ্টার অবদান আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) সরবে নীরবে,করজোড়ে, ভালোবাসি তোমারে, পরম পুলকে, শ্রদ্ধাভরে, ভাবি নীরালায়, ভীষণ করে, ব...
-
হলুদের উপকারিতা, খাওয়ার বিভিন্ন উপায় এবং ভালো হলুদ চেনার কৌশল হলুদের প্রধান উপকারিতা হলুদের প্রধান কার্যকর উপাদান হলো কারকিউমিন (Curcumin)...
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
অডিও: কালেমা খচিত পতাকা উড়ে কালেমা খচিত পতাকা উড়ে কালেমা খচিত পতাকা উড়ে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ভয় নাই হে মানবজাতি, ভয় নাই কোন আর, ...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
-
অডিও: ভালোবাসার দাফন: করুন সুরে ভালোবাসার দাফন আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) একটি কিডনী নিয়ে বাঁচা যায় কয়দিন, ধীর ধীরে নানা রোগে কাটে নিশ...
-
১৭৮। সত্য-ন্যায়ের ঝান্ডাধারী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মাথার 'পরে, সপ্ত আকাশ, আরশে আজীম জানো, স্বয়ং খোদার রহম করম, জীবন পথে মাগ...
-
অডিও : ভালোবাসার সিংহদ্বার ভালোবাসার সিংহদ্বার আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ভালোবাসো কি? প্রশ্নের জবাব বড্ড দেরী! তাতে ...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
-
অডিও: ভালোবাসার শ্বেতপত্র ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার ...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
আমি শাহজালাল, শাহপরান, বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)। আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল, বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ, আমার খুনের সাত ...
-
ঈদযাত্রা: মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, বৃষ্টিতে ভোগান্তি “শৃঙ্খলা মানে নিরাপত্তা, নিয়ম মানে স্বস্তি” ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, শহর, বাজ...
-
উপন্যাস: ভালোবাসি দিবানিশি অধ্যায় ১: প্রথম দেখা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি অনার্স কলেজের ভর্তি কার্যক্রমের দিন। কলেজ চত্বরে উৎসবের আমেজ। ছেল...
-
অডিও: তুমি আসবে বলে তুমি আসবে বলে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া। (আরিফ শামছ্) আমার আকাশে নেই মেঘের আনাগোনা, নেই বিদ্যুৎ চমকানোর ঘনঘটা, সুস্পষ্ট নীল...
-
কবিতাটির সারাংশ বা সারমর্ম চাই প্রেম আর ভালোবাসা ___আরিফ শামছ্ দৃষ্টির সীমানায়, হৃদয়ের মোহনায়, কে এলো? কে যায়? জান্নাতী সমীরণে, বাসনার ঢেউ ধ...





