প্রেম আশীর্বাদ না অভিশাপ
--------আরিফ শামছ্
প্রেম কারো জীবনে আশীর্বাদ ,
কারো জীবনে অভিশাপ ।
যে প্রেমের হয়গো মিলন ,
তারা স্বার্থক ও সফল।
আর যা বিরহ বিচ্ছেদ,
ভুলে যেতে পারলে,
স্মৃতি হয়ে রয়।
না ভুলতে পারলে,
সারা জীবন কষ্ট হয়।
প্রকাশিত কিংবা অপ্রকাশিত।
পাওয়ার জন্য কেউ বিয়ে ভেঙ্গে দেয়,
কেউ বিয়ের আসর থেকে উঠিয়ে আনে,
যদি ভালোবাসে দুজন, দুজনে।
ভালোবাসে ঠিক, বিচ্ছেদে পরিনতি,
মেয়েরা ভুলে যেতে পারে সহজে,
আবার কেউবা নাও পারে।
কেউ বলে, দেহের সাথে সাথে,
মন ও চলে যায় একসাথে,
এক সময়, কেউ দেহ পায়, মন নয়।
সেই নির্ভুল ভালোবাসা ভুলে,
সময়ের সাথে কেউ মানিয়ে চলে ।
প্রেম নির্বাসিত হয়,স্মৃতির উদ্যানে,
অযত্ন অবহেলার কাক ডাকা ভোর,
কিংবা কাশবনে, উন্মোচিত স্মৃতির দোর।
বিরহ বিচ্ছেদ যন্ত্রণা,বয়ে বেড়ায় সারা জীবন,
প্যারালাইজড, অর্ধাঙ্গ বিহীন, নির্বোধ জীবন।
সয়তে পারেনা কেউ,
মৃত্যুর সাথে করে আলিঙ্গন,
বেছে নেয় আত্নহত্যার মতো ঘৃন্য পণ,
কেউ মাদকাসক্ত হয়ে প্রেম ভুলে যেতে,
নিজের মূল্যবান জীবনকেই যায় ভুলে।
কেউ বিনষ্ট করে অনাগত নিষ্পাপ জীবনের প্রাপ্য যতন,
কেউ হেলা অবহেলা করে তার বৈধ স্ত্রীর অধিকার,
প্রশান্তি লাভে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বন বাঁদাড়।
উদাসী মন, থাকে আনমন, যন্রনা সীমাহীন ,
শান্তি সুখের দোহায় দিয়ে,
উন্নত জীবনের লোভে,
স্বার্থপরের দৃষ্টি নিয়ে,
বাধ্য অবাধ্যতার সীমানা টানে,
স্বর্গীয় প্রেম, ভালোবাসায় ধ্বংস আনে।
দায়ী কে? অপরাধী কিংবা কে দোষী ,
দু'দুটি জীবন নষ্ট করে, চলে হাসি খুশী,
অনাগত জীবনে অসীম যন্রনা বয়ে,
কারা হলো সুখী! নির্দয়, নিষ্ঠুর ক্ষয়ে ! !
০২/০৫/২০২৬
প্রেমিক আর স্বামী
---আরিফ শামছ্
একদা রাতের গভীর ভাগে, ঝগড়া বাধে দুজনায়,
"স্ত্রী আমার বৈধ জানো,তবু কেনো লিখার দায়?"
মানছি জনাব, সে ও তোমার, মা ও তোমার সন্তানের,
পাপীর মতো অকুল পাথার চিন্তা নাইরে এই মনের!
আফসুস শুধু কেনো তখনি ভাঙ্গিনি সব বাঁধার দেয়াল,
হৃদয় চিঁড়ে,জীবন ধ্বসে রাস্তা করে দিলাম হায়!
পুরো জীবন ধ্বংস করে, পাগল হলাম কী বাচাঁতে!
মান সম্মান নয়তো বড়ো, জীবন বাচাঁও, প্রাণের সাথে।
আহ্! প্রিয় হায়! ঝুঁকি তুমি নাওনি বলে, সব হারানোর দেশে!
জানিনাকো কী পেয়েছো? ভাবছি আজো শেষে।
হয়তো সবি মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়নি কোন,
পারিনাযে কোন মতে, ভুলতে সেসব কেনো?
বস্তা পঁচা হাহাকারের, বিষাদ ভরা জীবন মাঝে,
বিরহের সে নৃত্যলীলা,কেউ দেখেছে সকাল-সাঁঝে!
আনমনা সব, হারিয়ে ফেলে জীবন চলার ছন্দরে,
হরহামেশায় যায় ভুলে যায়, ভালো আর মন্দরে!
শান্তি সবার চেয়েছি বলেই, সব ছেড়ে আজ পথহারা,
হীরে-মানিক হারিয়ে দেখো, শান্ত কেমন পাগলপারা।
সুপ্ত গিরি উদগীরনে, নিয়ম নীতি রয়বে কী আর,
ভিসুভিয়াস জাগলে কভু,দায় নেবোনা কোন তার।
"কী হলো ভাই"? প্রশ্ন শোনে পিলে চমকে যায়,
"ভূল তোমাদের, হউক তোমারি,আমার কীসের দায়?
সাচ্ছা দিলে, আচ্ছা বলো, আপন পথে ধায়,
রহম, করম, শান্তি সবি বিভুর কাছে চায়"।
১৭/০৫/২০২৬
রিয়াদ,
সউদী আরব।
অমর প্রেম
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
আমার আমাকে খুঁজে পাবে প্রিয়,
যখন যেখানে মনে চায় তব,
আমার আমাকে খুঁজে ফিরি হিয়,
হতাশার ভ্রোমর ঘিরে ধরে সব।
কতযে খুঁজি, কতো কীযে বলি,
বুঝতে পারো কি তুমি?
শোনতে কভু পারো কিগো,
বিরহ জ্বালার শব্দ চুমি।
এ জ্বালা কতো বড় জ্বালা,
কেমনে বুঝায় তোরে,
অন্তরে দাবানল,নরক জ্বালা,
আগুন খেলে,নয়ন জুড়ে।
সে বুঝিবে ভালোবেসে,
হারালো যার অন্তরে,
হৃদয় চিতায়, হৃদয় পুঁড়ে,
নিঃশেষে সব মন্ত্ররে।
নেই অবকাশ, নেই সীমানা,
নাইরে বাঁধন, নাইরে মানা,
পাগলপারা, বাঁধনহারা,
ছুটছে কোথা কেউ জানেনা!
কে জানে কী মরার পরে,
দেহ রবে শুন্য প্রাণে!
ভালোবাসা রয়বে কোথা,
দেহে নাকি অমর প্রাণে?
জেনে রাখো অমর প্রেম ও,
জায়গা নেবে অপর পারে,
জান্নাতেরই নদীর তীরে,
খুঁজবে লোকের ভীঁড়ে।
১৮/০৫/২০২৬
রিয়াদ,
সউদী আরব।
বিরহের বিলাসী কবি
— আরিফ শামছ্
বিরহের বিলাসী কবি, মগ্ন গভীর ধ্যানে,
ভাবে আর লিখে চলে— কী হলো, কে জানে!
জীবনের পথ বন্ধুর, মসৃণ হলো না যে,
যাকে পাওয়ার ছিলো, তার হওয়া হলো না সে!
সান্ত্বনা, বিচ্ছেদ-যন্ত্রণা আর হাহাকার,
নিত্যসঙ্গী হলো নিঃশব্দের আর্ত চিৎকার।
গুমরে মরে আত্মা, ফের বাঁচে মরিবার,
বাঁচা-মরার লড়াই চলে, কভু হৃদয় নির্বিকার!
হাত করজোড়ে বলি— ভালোবাসা ফিরিয়ে দাও,
অস্ফুট যন্ত্রণার কাঁটাবন, বিরহী বাগ বুঝে নাও!
অশ্রুর পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, সাগর আরব,
কেমনে পাড়ি দেই বলো— ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত সব!
আমার আমিতে রেখো, এমন ভালোবাসা চাই না,
স্বার্থপর পাষাণী হৃদয়, মায়া কী— তা পায় না!
সব সুখ বুঝি তুমি নেবে একা, বিরহে ভাসাও মোরে,
এক ফোঁটা সুখ মিলবে কেমনে দুঃখের সাগর-ঘোরে!
২৬/০৪/২০২৬
আরিফ শামছ্
রিয়াদ, সৌদি আরব
স্বপ্নের আর্তনাদ
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
স্বপ্নে আজো স্বপ্নের ব্যবচ্ছেদ,
করে যাও অবিরাম,
টলেনা কী শোনে প্রাণ,
স্বপ্নের আর্তনাদ!
বিশ্বাস ও প্রেমের ফল্গুধারা,
অবিরত বয়তো নদী,
স্বপ্ন পেতো জীবন তাহার,
প্রাণ পিয়াসী হতে যদি।
আকাশ মাঝে খোঁজতে কভু,
চাইনি কভু চাইবোনা,
সুখেই আছো, সুখে থাকো,
বাঁধার দড়ি বাঁধবোনা।
আমায় কেনো স্বপ্ন মাঝে,
হুঁশ-বেহুঁশে ব্যস্ত রও,
লেনাদেনা রয়লে বাকী!
ষোলো আনাই বোঝে লও।
তবু তোমায় রাখতে খুশি,
দেখতে চাহে নয়ন দু'টি,
সুখ সাগরে ভেসে বেড়াও,
সাথে তোমার জুটি।
দূরে থাকো, কাছেই রাখো,
জানতে কভু চাইবোনা।
তোমার গড়া সুখ-ধরাতে,
আপদ কভু রাখবোনা।
জানি তুমি নয়তো দোষী,
আমার ও তা' নয়,
নিয়ন্ত্রনে দেহ তোমার,
মনটা মনের হয়।
প্রাণের সাথে প্রাণের মিলন,
কে ফেরাবে বলো!
দূর বহুদূর, রও যতদূর,
স্বাধীন প্রাণে চলো।
১৮/০৫/২০১৯ ঈসায়ী সাল।
সকাল ১১:৩০
মীরবাগ, ঢাকা।
ভালোবাসার রানী
---- আরিফ শামছ্
নিশ্চিত ভালোবাসা পেলে পাগল হয়ে যেতাম,
উন্মাদের মতো কতো ভালোবাসতাম!
কখনো সীমানা ছাড়িয়ে ফেলতাম,
অসীম ভালোবাসা-প্রেমে জড়িয়ে রাখতাম,
যেমনটা সুরভী আঁকড়ে থাকে ফুটন্ত গোলাপ।।
অপরূপ প্রেমময়ী দুনিয়া ভুলে,
ভালোবাসার ধরাতলে দলে দলে,
স্বপ্নের গাঙচিলেরা ভিঁড় জমানোর ছলে,
দুজনের স্বর্গীয় ভালোবাসা দেখে চলে।
হয়তো দুনিয়ার তাবৎ সবাইকেই ভুলে যেতাম,
ভাই, বোন, দেশ-খেশ,আত্নীয় স্বজন,নাম ধাম
এমনকি আমার আমিকে হারিয়ে ও বার বার,
তোমাতেই নতুন করে নিজেকে খুঁজে পেতাম।।
এমন গভীর ভালোবাসা,অন্তহীন মমতা,যতো
হৃদয়ে হৃদয় খুঁজে পেলে, কতো কী যে হতো,
তাই বুঝি তোরে পাওয়া হলো নারে ভালোবাসার রানী!
বিরহে তোমার দিন রাত কাটে যার, কেমনে এসব মানি?।।
০৭/০৫/২০২৬
রিয়াদ
সউদী আরব
আমার একটা তুমি
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
আমার একটা তুমি—
যে কাঁটার ভয়ে মাছ খেতে না,
সেই গল্প শুনেছি
বন্ধুর মুখে।।
তারপর থেকে কত যে স্বপ্ন
নিঃশব্দে বুনেছি—
মাছের কাঁটা বেছে বেছে
তোমার থালায় তুলে দেবো,
আর তুমি চোখ রাঙিয়ে বলবে,
“এত যত্ন কবে কে চেয়েছে?”।।
আমি হেসে বলবো—
“কেমন সুন্দরী তুমি!
মাছ খেতেও জানো না?”
তুমি অভিমানে মুখ ফেরাবে,
আমি দুষ্টুমিতে
আরও কাছে যাবো।।
মেহেদী মাখা হাত
ছুঁয়ে যাবে আঙুল হঠাৎ,
একটুখানি স্পর্শে
উৎসব হবে পৃথিবী।।
কাঁপা কাঁপা স্বর,
বেহুলার সুর,
অজস্র না-বলা কথা—
সব জমে রবে
চোখের গভীর জলে।।
তুমি আছো দূরে,
বহু দূরে—
তাই স্বপ্নগুলোও
স্মৃতিতেই ঘুরে ফিরে।।
এত স্বপ্ন,
এত ভালোবাসা,
এত যত্নে গড়া ভবিষ্যৎ—
তবু ছোট্ট কপালে
লেখা হলো না
প্রেমের কোনো স্বর্গ।।
শুধু বিরহ-বেদনা
নিঃশব্দে এসে
সব স্বপ্নের পাশে
একাকী বসে রইলো।।
আমার একটা তুমি । । ।
সাধনার মানবী
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার,
তোমার তরে লিখে এ কবিমন
খুঁজে পাই শান্তি অপার।
ক্লান্ত আর বিরক্তিভরা ঢুলুঢুলু চোখে,
বিষাদে তিক্ত ভাঁজ পড়া কপালে,
পড় আর ভাব এ কেমন বিপদ ওরে! । ।
এ সবি হতাশ হৃদয়ের আঁকাবাঁকা আল্পনা,
যা সত্যের স্পর্শ নাও পেতে পারে,
তোমার ছাড়পত্র পেলেই হতাশার তুলি আঁকবেনা।
ভালো করেই জানো, উইল করা হলো কবে,
আমার হৃদয়-ভূমি তোমার করে,
সে কি দেখতে পাবেনা দৃষ্টি খুলে! । ।
সাধনার মানবী তুমি, জানো তাহা ভাল,
স্বপ্ন বিলাস আমার জীবন,
স্বপ্নের পুরোধা, প্রাণের স্পন্দন,
বিমূর্ত প্রতীক আমার বাস্তবতার,
সে কে জানো? শুধুই তুমি।
এ হৃদয় হাসি খুশি আজিকার,
তোমার শুধু তোমার । ।
সাধনার মানবী । । ।
ভালোলাগা ভালোবাসা
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
ইচ্ছা, সংকল্প,
শখ আর লক্ষ্য,
ভেবেছো কভু তার
কী পার্থক্য,
ভালোলাগা, ভালোবাসা,
জানতো এক নয়,
তবু তো কতো জীবন,
এলোমেলো, শেষ হয় । ।
ভালোলাগা ভিত হয়,
সব ভালবাসার,
ভালোলাগা ভালোবাসা,
দুজনে দুজনার । ।
ভালোলাগা চায় সদা,
শেষ পরিণতি,
প্রতারণা, স্বার্থ,
না থাকে যদি । ।
ভালোলাগে তাকে যার,
সবকিছু ভালো,
ভালোবাসি তারেই তো,
আঁধারের আলো । ।
ভালোলাগা, ভালোবাসা,
হৃদয়ের গভীরে,
প্রোথিত করে রাখো,
অজানা গহীনে । ।
সেই পাবে দূর্লভ,
স্বার্থক লভিতে,
সব সুখ তোমাতে,
জীবনের আদতে।
হারানোর ভয় নেই,
হারাবেনা কিছুতে,
সাধনার বিনিময়ে,
পাবে তা' হাতেনাতে।
ভুল কভু হবেনা,
জেনে রাখো ভুলে ও,
কারো তরে বিরহে,
হারাবেনা কোন কিছু।
ভালোলাগা, ভালোবাসা,
হৃদয়ের গভীরে,
প্রোথিত করে রাখো,
অজানা গহীনে । । ।
ভালোবাসার দাফন
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
একটি কিডনী নিয়ে বাঁচা যায় কয়দিন,
ধীর ধীরে নানা রোগে কাটে নিশিদিন।
সমস্ত শরীরে রক্ত সঞ্চালন নেই আগের মতো,
বড়ই ক্লাম্ত একাকি বয়ে নেয়া কাজ শতো শতো । ।
আচ্ছা বলতে পারো, হৃৎপিন্ডের এক ভাগ হারালে,
অন্যভাগে সুখ তো বহু দূরে, বাঁচে কি, কোন কালে?
একচোখে বেঁচে থাকা, জীবন্মৃতের মতো, উদাসী জীবন,
অব্যক্ত যন্ত্রণার আর্তনাদ আর বিরহের চিৎকারের মিলন । ।
চিন্তার জগৎ, দুনিয়ার তাবৎ অর্ধেক কাহার দখলে,
বুঝায় কেমনে, কবে তারে, কি করে জীবন চলে!
আমি ঠগ, প্রতারক, আপন জনে বঞ্চিত করি,
আপনার হয়ে হয়নি যিনি, দিবানিশি তারে স্মরি । ।
ওদিকের পথ চিররুদ্ধ, নিষিদ্ধ আজীবন, গম্ভীর ঐশীবানী,
খানিক বাদেই ধ্যান ধারণায়,বসে থাকে হেরেম রানী।
ভালোবাসার মরন হলো, জানাজা হলো শেষে,
কাফন দাফন, কবে হবে, জানেনা কোন দেশে! । ।
একটি কিডনী নিয়ে বাঁচা যায় কয়দিন,
ধীর ধীরে নানা রোগে কাটে নিশিদিন।
সমস্ত শরীরে রক্ত সঞ্চালন নেই আগের মতো,
বড়ই ক্লাম্ত একাকি বয়ে নেয়া কাজ শতো শতো । ।
আচ্ছা বলতে পারো, হৃৎপিন্ডের এক ভাগ হারালে,
অন্যভাগে সুখ তো বহু দূরে, বাঁচে কি, কোন কালে?
একচোখে বেঁচে থাকা, জীবন্মৃতের মতো, উদাসী জীবন,
অব্যক্ত যন্ত্রণার আর্তনাদ আর বিরহের চিৎকারের মিলন । ।
চিন্তার জগৎ, দুনিয়ার তাবৎ অর্ধেক কাহার দখলে,
বুঝায় কেমনে, কবে তারে, কি করে জীবন চলে!
আমি ঠগ, প্রতারক, আপন জনে বঞ্চিত করি,
আপনার হয়ে হয়নি যিনি, দিবানিশি তারে স্মরি । ।
ওদিকের পথ চিররুদ্ধ, নিষিদ্ধ আজীবন, গম্ভীর ঐশীবানী,
খানিক বাদেই ধ্যান ধারণায়,বসে থাকে হেরেম রানী।
ভালোবাসার মরন হলো, জানাজা হলো শেষে,
কাফন দাফন, কবে হবে, জানেনা কোন দেশে! । ।
স্মৃতিরা অমলিন
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
স্মৃতিগুলি পাখি হয়ে আকাশে উড়ে,
জানিনা আজ কোথা, আছো কতদূরে
বয়সের ভারে কেউ পড়েছে নুঁয়ে,
কেউ কভু, তার মতো যুদ্ধ করে । ।
অমলিন স্মৃতি সব সুখ দেয় আনি,
ফিরে কভু পাবনা, সব স্মৃতি জানি,
তবু সব থেমে থেমে, ভেবে দেখা হয়,
স্মৃতি সব স্মৃতিপটে, আজো অক্ষয় । ।
দেহ আর কারো মনে, বয়সের ছাপ পায়,
চুল পাকে, কারো রুপ, দিন দিন কমে যায়।
আজ আমি, কাল তুমি, কে যাবো না জানি,
চলে যেতে হবে তা, মনে প্রাণে তা মানি । ।
তবু সব সুখ স্মৃতি রেখে যাবো দিবানিশি,
আমাদের স্মৃতি সুখে, থাকো সবে হাসিখুশি।
জরাহীন, জীবন্ত স্মৃতিরা কড়া নাড়ে,
তুমি যাও, বলে দেবো, বলছো আজ যারে । ।
স্মৃতিগুলি পাখি হয়ে আকাশে উড়ে,
জানিনা আজ কোথা, আছো কতদূরে
বয়সের ভারে কেউ পড়েছে নুঁয়ে,
কেউ কভু, তার মতো যুদ্ধ করে । ।
অমলিন স্মৃতি সব সুখ দেয় আনি,
ফিরে কভু পাবনা, সব স্মৃতি জানি,
তবু সব থেমে থেমে, ভেবে দেখা হয়,
স্মৃতি সব স্মৃতিপটে, আজো অক্ষয় । ।
দেহ আর কারো মনে, বয়সের ছাপ পায়,
চুল পাকে, কারো রুপ, দিন দিন কমে যায়।
আজ আমি, কাল তুমি, কে যাবো না জানি,
চলে যেতে হবে তা, মনে প্রাণে তা মানি । ।
তবু সব সুখ স্মৃতি রেখে যাবো দিবানিশি,
আমাদের স্মৃতি সুখে, থাকো সবে হাসিখুশি।
জরাহীন, জীবন্ত স্মৃতিরা কড়া নাড়ে,
তুমি যাও, বলে দেবো, বলছো আজ যারে । ।
ভুলে যেতে চাই
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
আমি চাই, ভুলে যেতে—
তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে,
কিন্তু এই অবুঝ মন বারবার ফিরে যায়,
মোহময় নীরব আহ্বানে ডুবে যেতে।
ভুলো মন ভোলে না তোমারে,
যতই বলি—“সব শেষ, আর কিছু নাই,”
ততই তুমি নিঃশব্দে এসে বসো হৃদয়ে,
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে মিশে যাই।
ভুলি ভুলি করে, ভোলারই অভিনয়,
নিজেকেই দিই মিথ্যা সান্ত্বনা,
“আজ অন্য কারো”—এই কঠিন সত্য,
তবুও মেনে নিতে এ মন চায় না।
রাত জেগে দেখি চাঁদের নরম আলো,
মনে হয়—তুমি বুঝি কাছে আছো খুব,
তোমার সেই হাসি, সেই মায়াভরা চোখ,
আজও আমার স্বপ্নের একমাত্র রূপ।
ভুলিতে তোমারে—কত জীবন শেষ হবে?
কত অশ্রু ঝরলে মুছে যাবে এ ব্যথা?
যদি ভালোবাসা সত্যি মুছে যেতো একদিন,
তবে কেনো আজও জেগে ওঠে সেই পুরোনো ব্যথা?
তুমি কি জানো কখনো—
কতটা ভালোবাসি নিঃশব্দে?
কতটা কেঁদেছি নির্জনে,
অন্ধকার রাতের নীরব প্রহরে?
আমি চাই, ভুলে যেতে—
কিন্তু ভালোবাসা তো ভোলার নয়,
এ এক দহন, এক চিরন্তন জ্বালা,
যা হৃদয়ে থাকে—মৃত্যুর পরেও অক্ষয়,
তাই আজও বাঁচি তোমারই স্মৃতিতে,
ভুলে যাওয়ার ব্যর্থ সব চেষ্টার মাঝে,
তুমি আছো—অদৃশ্য হয়ে, অথচ সবচেয়ে সত্য,
আমার প্রতিটি কবিতায়, প্রতিটি শব্দের ভাঁজে।
ভুলে যেতে চাই। । ।
আমি চাই, ভুলে যেতে—
তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে,
কিন্তু এই অবুঝ মন বারবার ফিরে যায়,
মোহময় নীরব আহ্বানে ডুবে যেতে।
ভুলো মন ভোলে না তোমারে,
যতই বলি—“সব শেষ, আর কিছু নাই,”
ততই তুমি নিঃশব্দে এসে বসো হৃদয়ে,
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে মিশে যাই।
ভুলি ভুলি করে, ভোলারই অভিনয়,
নিজেকেই দিই মিথ্যা সান্ত্বনা,
“আজ অন্য কারো”—এই কঠিন সত্য,
তবুও মেনে নিতে এ মন চায় না।
রাত জেগে দেখি চাঁদের নরম আলো,
মনে হয়—তুমি বুঝি কাছে আছো খুব,
তোমার সেই হাসি, সেই মায়াভরা চোখ,
আজও আমার স্বপ্নের একমাত্র রূপ।
ভুলিতে তোমারে—কত জীবন শেষ হবে?
কত অশ্রু ঝরলে মুছে যাবে এ ব্যথা?
যদি ভালোবাসা সত্যি মুছে যেতো একদিন,
তবে কেনো আজও জেগে ওঠে সেই পুরোনো ব্যথা?
তুমি কি জানো কখনো—
কতটা ভালোবাসি নিঃশব্দে?
কতটা কেঁদেছি নির্জনে,
অন্ধকার রাতের নীরব প্রহরে?
আমি চাই, ভুলে যেতে—
কিন্তু ভালোবাসা তো ভোলার নয়,
এ এক দহন, এক চিরন্তন জ্বালা,
যা হৃদয়ে থাকে—মৃত্যুর পরেও অক্ষয়,
তাই আজও বাঁচি তোমারই স্মৃতিতে,
ভুলে যাওয়ার ব্যর্থ সব চেষ্টার মাঝে,
তুমি আছো—অদৃশ্য হয়ে, অথচ সবচেয়ে সত্য,
আমার প্রতিটি কবিতায়, প্রতিটি শব্দের ভাঁজে।
অবিরত
- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
প্রতিটি অঞ্চল আজ হৃদয়ের
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে।
অবিরত । । ।
প্রতিটি অঞ্চল আজ হৃদয়ের
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালোবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে । । ।
পথ হারিয়ে যাওয়া
মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি,
দিনদুপুরে সন্ধ্যারাতে দেখছি কেমন সবি।
নয়ন খুলে দেখে চলে, প্রেমের ঊষা রবি,
সেই ছবিটায় আটকে থাকে মগ্ন ধ্যানের কবি।
গাছের পাতা নড়ে নাতো খোদার বিধান ছাড়া,
ভাগ্য যাহার রয়না পাশে, ছিনিয়ে নিবে কারা!
পারিনাযে খোদার বিধান এমনি ছেড়ে দিতে,
হৃদয় মাঝে ঝড় বয়ে যায়, ভাগ্য মেনে নিতে।
বন্ধু সবে কত করে বুঝায় কত ভাবে,
সব ভুলে যা, খোদার দয়ায়, মুক্তি মিলে যাবে।
সবি ছিলো কপাল আমার, স্মৃতি বেসামাল,
কেমন করে বুঝায় সবে,অসীম ব্যথার জাল।
মুক্ত তুমি, মুক্তিকামী, যুক্ত সবার তরে,
হাসি খুশি দিবানিশি, সুখী জীবন ভরে।
তোমার খুঁজে পথ চলিতে ব্যাকুল মনপ্রাণ ,
তোমায় পেয়ে, তৃপ্ত চোখে, করতো সুধা পান।
হালাল জীবন, ভাগ্যলিপি, তোমার চাওয়া পাওয়া,
এক মোহনায় হয়নি দেখা,পথ হারিয়ে যাওয়া।
রক্ত ঝরে আখি পরে, ঝাপসা চোখে,মনের ভুলে,
চলছে পথিক, দিক বিদ্বিক, কোন পাথারে হেলেদুলে।
ফিরবেনাতো কোন দিনই, যায়না কেহ ফেরার তরে,
থাকার কথা রয়লে তবে, থেকে যেতে আপন করে।
পারলে তুমি, তোমার মতো, চলতে পথে নির্দ্বিধায়!
সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে, পথে পথে অনেক দায়।
পথ হারিয়ে যাওয়া
মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি,
দিনদুপুরে সন্ধ্যারাতে দেখছি কেমন সবি।
নয়ন খুলে দেখে চলে, প্রেমের ঊষা রবি,
সেই ছবিটায় আটকে থাকে মগ্ন ধ্যানের কবি।
গাছের পাতা নড়ে নাতো খোদার বিধান ছাড়া,
ভাগ্য যাহার রয়না পাশে, ছিনিয়ে নিবে কারা!
পারিনাযে খোদার বিধান এমনি ছেড়ে দিতে,
হৃদয় মাঝে ঝড় বয়ে যায়, ভাগ্য মেনে নিতে।
বন্ধু সবে কত করে বুঝায় কত ভাবে,
সব ভুলে যা, খোদার দয়ায়, মুক্তি মিলে যাবে।
সবি ছিলো কপাল আমার, স্মৃতি বেসামাল,
কেমন করে বুঝায় সবে,অসীম ব্যথার জাল।
মুক্ত তুমি, মুক্তিকামী, যুক্ত সবার তরে,
হাসি খুশি দিবানিশি, সুখী জীবন ভরে।
তোমার খুঁজে পথ চলিতে ব্যাকুল মনপ্রাণ ,
তোমায় পেয়ে, তৃপ্ত চোখে, করতো সুধা পান।
হালাল জীবন, ভাগ্যলিপি, তোমার চাওয়া পাওয়া,
এক মোহনায় হয়নি দেখা,পথ হারিয়ে যাওয়া।
রক্ত ঝরে আখি পরে, ঝাপসা চোখে,মনের ভুলে,
চলছে পথিক, দিক বিদ্বিক, কোন পাথারে হেলেদুলে।
ফিরবেনাতো কোন দিনই, যায়না কেহ ফেরার তরে,
থাকার কথা রয়লে তবে, থেকে যেতে আপন করে।
পারলে তুমি, তোমার মতো, চলতে পথে নির্দ্বিধায়!
সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে, পথে পথে অনেক দায়। ।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
অগোছালো কবিতা
ভালোবাসা---
নীরবে অশ্রু বিসর্জন,
সোনালী স্বপ্ন, আশাতরী ভগ্ন,
হারানোর অর্জন!
ভালোবাসা---
নীরবে অশ্রু বিসর্জন,
সোনালী স্বপ্ন, আশাতরী ভগ্ন,
হারানোর অর্জন!
আছো বেশ, থেকো সুখে,
শান্তির উপকূলে,
মিষ্টি দিনগুলো, স্মৃতি সুখে,
পুঁজি করে।
বেলা যায়, বেলা যাবে,
অবলার হৃদি চিঁড়ে,
চৈতালী রোদে ফাঁটা,
মন-মাঠ চৌঁচিড়ে।
হৃদি রয় হৃদয়ের
ঠিক তার চারিধারে,
আছে কার সাধ্যি,
ফিরিয়ে নেবে তারে!
কথা নাই কতোদিন,
কথা হয় প্রতিদিন!
বেলাগুলো আমাদের,
সুখকর রাতদিন।
কথা নাই কতোদিন,
কথা হয় প্রতিদিন!
বেলাগুলো আমাদের,
সুখকর রাতদিন।
দেহ রয় দেহ হতে,
দূর থেকে বহুদূরে,
দেখা নাই কতোদিন!
দেহ রয় দেহ হতে,
দূর থেকে বহুদূরে,
দেখা নাই কতোদিন!
দেখা হয় প্রতিদিন।
কারাগার দুইদেশে,
বাস করি আনমনে,
মন খুঁজে মনটারে,
আপনার প্রয়োজনে।
কারাগার দুইদেশে,
বাস করি আনমনে,
মন খুঁজে মনটারে,
আপনার প্রয়োজনে।
ভাবি ঠিক ক্ষণিকে,
বিজলীর গতিতে,
সুখরেখা আছে কী,
ঠোঁটদ্বয়ের প্রান্তে।
সুখী হও সুখে রও,
এই তো অভিশাপ!
শান্তির নীড়ে রও,
ভূলে সব পরিতাপ।
মাঝে মাঝে ব্যথা হয়,
হৃদয়ের গভীরে,
কী আছে, কী নেই,
বলি কা'রে কী করে!
হৃদয়ের শূন্যতা,
পাবেনা পূর্ণতা,
এই দেখো জীবনের,
অগোছালো কবিতা!
মাঝে মাঝে ব্যথা হয়,
হৃদয়ের গভীরে,
কী আছে, কী নেই,
বলি কা'রে কী করে!
হৃদয়ের শূন্যতা,
পাবেনা পূর্ণতা,
এই দেখো জীবনের,
অগোছালো কবিতা!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
প্রেমের ভালোবাসা
"প্রেমের" নিদহীন বেলা যায়রে কতো,
নেইকো হিসাব তার,
খাবার দাবার কখন, কেবা,
খাবে কোন কাল।
মন মুকুরে ধ্যানের ছবি,
কী যে পাগলকরা!
কথা বুঝি অমীয় সুধা,
নাইরে ক্ষুধা -তৃষা।
দূর জানালায়, পথে পথে,
খুঁজছে কী না কথার ছলে!
কাজের কথা বলে বলে,
কোন পাঁথারে খুঁজে চলে।
আকাশ বাতাস, চাঁদ সেতারা,
কোকিল বিজন বনে,
মনের কথা বলছে নিতুই,
নিতে প্রিয়জনে।
ফিরে ফিরে, বারে বারে,
পথ চলিছে শত,
ভালবাসার শুনবে কথা,
চাতক পাখির মত।
প্রথম যেদিন দৃষ্টি পড়ে,
মুক্তাখানার 'পরে;
সেদিন থেকে শপথ নিলাম,
দেহ-মনের জোড়ে।
ফিরে ফিরে, বারে বারে,
পথ চলিছে শত,
ভালবাসার শুনবে কথা,
চাতক পাখির মত।
প্রথম যেদিন দৃষ্টি পড়ে,
মুক্তাখানার 'পরে;
সেদিন থেকে শপথ নিলাম,
দেহ-মনের জোড়ে।
ভালবাসার স্বর্গ আমার,
জীবন-মরণ পণে,
রাখবো পুতঃপবিত্র তা'
নেবো হালাল করে।
ভালোবাসা! সস্তাদরে,
বস্তাভরা নোংড়ামি?
আবেগ যেনো লাগামহীন,
হীন, নীচের নষ্টামি?
কেমন করে আশা করো,
ভালবাসার সুফল!
শান্তিধারা আনবে বয়ে,
করবে জগত উজল।
দুজন হতেই বংশ নদী,
ছুটবে নিশিদিন,
চাও কী কভু, তারা সবাই,
করতে সবি মলিন!
তাই বলে যাই, চলো সবাই,
সত্যিই ভালবাসি,
খোদার দেয়া বিধান মানি,
ধূলায় স্বর্গ রচি।
ঠগ -প্রতারক, মিথ্যা প্রেমিক,
কুলাংগারদের পেলে,
আঁগাছাদের করবে উচ্ছেদ,
সবাই মিশে-মিলে । । ।
ভালবাসার স্বর্গ আমার,
জীবন-মরণ পণে,
রাখবো পুতঃপবিত্র তা'
নেবো হালাল করে।
প্রেমের ভালোবাসা ।
প্রেমের ভালোবাসা ।
প্রেমের ভালোবাসা ।
ভালোবাসা আর ভালো থাকা
ধরাতলে ভালোবেসে নেইরে ভালো,
ভালো আছে দূরে থেকে অনেক দেখো,
ভালোবেসে ভালো থাকা হয়না কোনো,
সারা জনম বিষাদিত জীবন যেনো।
ভালোবাসার মানুষ যদি থাকে সদা পাশে,
মনে প্রাণে হার হালতে ভীষণ ভালোবাসে,
ভালো থাকা নয়রে শুধু সুখের আশে,
ধূলীর ধরায় স্বর্গ যেনো নেমে আসে।
ভালোথাকা বেছে নিয়ে ভালোবাসা ছাড়ে,
স্বার্থের কাছে কেনো ভালোবাসা হারে?
ভালোবেসে ভালোথাকা সদা তার সনে,
ভালো থাকা যায় কভু ভালোবাসা বিনে?
যদি কভু পেয়ে যাও জীবনে দু'দুটো,
ভালোবাসে,ভালোবাসো,ভালো থাকা সবটুকু,
জীবনের সব পাওয়া ধরা দিবে জেনে রাখো,
পৃথিবীতে সুখী হয়ে, শান্তির নীড়ে থাকো।
ভালো থাকা হয়নি ভালোবেসে যারা,
তিলে তিলে জীবনে সবকিছু সারা,
প্রানহীন দেহ নিয়ে চলে কোন ভাবে!
জানেনা বাকী দিন যাবে কীভাবে!!
ভালোবাসা নিয়ে সাথে ভালো আছো যারা,
দোয়া করো ভালো থাকে, ভালোবাসা হারা।
ভালো যেনো থাকে সবে, সব ভালোদের ভবে,
সব হারিয়ে, নিঃস্ব হয়ে, ভালো রবে কবে?
ভালোবাসা আর ভালো থাকা
ভালোবাসা আর ভালো থাকা
ধরাতলে ভালোবেসে নেইরে ভালো,
ভালো আছে দূরে থেকে অনেক দেখো,
ভালোবেসে ভালো থাকা হয়না কোনো,
সারা জনম বিষাদিত জীবন যেনো।
ভালোবাসার মানুষ যদি থাকে সদা পাশে,
মনে প্রাণে হার হালতে ভীষণ ভালোবাসে,
ভালো থাকা নয়রে শুধু সুখের আশে,
ধূলীর ধরায় স্বর্গ যেনো নেমে আসে।
ভালোথাকা বেছে নিয়ে ভালোবাসা ছাড়ে,
স্বার্থের কাছে কেনো ভালোবাসা হারে?
ভালোবেসে ভালোথাকা সদা তার সনে,
ভালো থাকা যায় কভু ভালোবাসা বিনে?
যদি কভু পেয়ে যাও জীবনে দু'দুটো,
ভালোবাসে,ভালোবাসো,ভালো থাকা সবটুকু,
জীবনের সব পাওয়া ধরা দিবে জেনে রাখো,
পৃথিবীতে সুখী হয়ে, শান্তির নীড়ে থাকো।
ভালো থাকা হয়নি ভালোবেসে যারা,
তিলে তিলে জীবনে সবকিছু সারা,
প্রানহীন দেহ নিয়ে চলে কোন ভাবে!
জানেনা বাকী দিন যাবে কীভাবে!!
ভালোবাসা নিয়ে সাথে ভালো আছো যারা,
দোয়া করো ভালো থাকে, ভালোবাসা হারা।
ভালো যেনো থাকে সবে, সব ভালোদের ভবে,
সব হারিয়ে, নিঃস্ব হয়ে, ভালো রবে কবে?
ভালোবাসা আর ভালো থাকা।
ভালোবাসা আর ভালো থাকা।
ভালোবাসা আর ভালো থাকা।
--------আরিফ শামছ্
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম
স্মৃতির আকাশ পাতাল, এপার ওপার,
সব দখলে তোমার,
কোথাও সূর্য হাসে, পুঞ্জ মেঘ ভাসে,
স্মৃতির বাঁশরি বাজে বারবার।
কখনো কালো মেঘের ঘনঘটা, বিদ্যুৎ চমকায়,
মনপ্রাণ ভরে কান্না করে, আকাশ বৃষ্টি ঝরায়।
কি সুখ কি দুঃখ কে খুঁজে কার কবে?
এইতো জীবন চলে,স্মৃতির মোহে ডুবে।
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম চলে, সময়ের ছুড়ি
আর বিরহের কাচি দিয়ে,
রিপোর্টে আসে জীবন্ত হত্যাকারী,
তুমি শুধু তুমি প্রিয়ে।
কাছে কিবা দূরে রও, কথা কও বা না কও,
স্মৃতির পিঞ্জিরায় বন্দী করেছো,
ভালোবেসে কাছে এসে, একসাথে বসবাসে,
স্বপ্নের নির্বাসন দিয়েছো!
আমা হতে বহুদূরে, বাস্তবের খেয়া চরে,
ভিন গ্রহে আছো বেঁচে,
পরম সান্ত্বনা তবু তুমি আছো জানি,
সুখ শান্তি পায় খোঁজে।
জানিনা তোমার মনের খবর কি আসে কি যায়,
স্মৃতির বিরহ ব্যথায় মনে পড়ে কি কথায় কথায়?
আনমনে তনুমন, বারবার স্মৃতিতে হারায়,
নিষ্পাপ স্মৃতিতে কি খুঁজে আর কী পায়!
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম।
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম।
স্মৃতির আকাশ পাতাল, এপার ওপার,
সব দখলে তোমার,
কোথাও সূর্য হাসে, পুঞ্জ মেঘ ভাসে,
স্মৃতির বাঁশরি বাজে বারবার।
কখনো কালো মেঘের ঘনঘটা, বিদ্যুৎ চমকায়,
মনপ্রাণ ভরে কান্না করে, আকাশ বৃষ্টি ঝরায়।
কি সুখ কি দুঃখ কে খুঁজে কার কবে?
এইতো জীবন চলে,স্মৃতির মোহে ডুবে।
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম চলে, সময়ের ছুড়ি
আর বিরহের কাচি দিয়ে,
রিপোর্টে আসে জীবন্ত হত্যাকারী,
তুমি শুধু তুমি প্রিয়ে।
কাছে কিবা দূরে রও, কথা কও বা না কও,
স্মৃতির পিঞ্জিরায় বন্দী করেছো,
ভালোবেসে কাছে এসে, একসাথে বসবাসে,
স্বপ্নের নির্বাসন দিয়েছো!
আমা হতে বহুদূরে, বাস্তবের খেয়া চরে,
ভিন গ্রহে আছো বেঁচে,
পরম সান্ত্বনা তবু তুমি আছো জানি,
সুখ শান্তি পায় খোঁজে।
জানিনা তোমার মনের খবর কি আসে কি যায়,
স্মৃতির বিরহ ব্যথায় মনে পড়ে কি কথায় কথায়?
আনমনে তনুমন, বারবার স্মৃতিতে হারায়,
নিষ্পাপ স্মৃতিতে কি খুঁজে আর কী পায়!
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম।
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম।
স্মৃতির পোস্ট-মর্টেম।
আরিফ শামছ্
ফুলেল হাসি
কালোবৈশাখি ঝড়,পাতা আর কাঠির ঘর,
ঘোর আধাঁরে জুঝিয়া চলে, সারা রাত ভর,
ভীষণ জুড়ে ধমকা হাওয়া, আঘাত করে ঘরে,
ভেঙ্গে পড়েনা, ঝড়ের সাথে যুদ্ধ যায় যে করে।
কালোবৈশাখি ঝড়,পাতা আর কাঠির ঘর,
ঘোর আধাঁরে জুঝিয়া চলে, সারা রাত ভর,
ভীষণ জুড়ে ধমকা হাওয়া, আঘাত করে ঘরে,
ভেঙ্গে পড়েনা, ঝড়ের সাথে যুদ্ধ যায় যে করে।
সোনালী প্রভাত সামনেই আছে আঁধার রাতের শেষে,
ঝড় ঝঞ্ঝা, বজ্রনাদ , সব ফেলে ঘর বীরের বেশে।
কী শান্তি!
দুঃস্বপ্নের রাত্রি শেষে সুন্দর সকাল, মোহময় সূর্যোদয়,
বাধ সাধা সব, ঝড়ের প্রতাপ,স্থায়ী হলো কোন সময়?
সোনালী প্রভাত সামনেই আছে আঁধার রাতের শেষে,
ঝড় ঝঞ্ঝা, বজ্রনাদ , সব ফেলে ঘর বীরের বেশে।
কী শান্তি!
দুঃস্বপ্নের রাত্রি শেষে সুন্দর সকাল, মোহময় সূর্যোদয়,
বাধ সাধা সব, ঝড়ের প্রতাপ,স্থায়ী হলো কোন সময়?
না পেয়ে পাগল হলো কোন্ সে পাগল! এমন করে,
কীইবা খুঁজে পেলো সবি এমনকিছু তোমার তরে।
কোন যাদুতে পাগল ছিলো ভাবের স্রোতে কিসের মোহে,
পাওয়া পর ও হয়তো পাগল, কে থামাতো, পাগলা সুখে?
না পেয়ে পাগল হলো কোন্ সে পাগল! এমন করে,
কীইবা খুঁজে পেলো সবি এমনকিছু তোমার তরে।
কোন যাদুতে পাগল ছিলো ভাবের স্রোতে কিসের মোহে,
পাওয়া পর ও হয়তো পাগল, কে থামাতো, পাগলা সুখে?
দেখছি আজো আগের মতোই হাসছো প্রিয় ফুলেল হাসি,
ভুলতে পারে কভু তারে, চাঁদের মায়ায় আঁধার নিশি।
দ্বন্দ্ধ-বিষাদ, ভয় হারানোর, মুখটি মনে ভাসে কভু?
পাওয়া না পাওয়ার ঝড় তুফানে, কেমন ছিলো কাবু !
দেখছি আজো আগের মতোই হাসছো প্রিয় ফুলেল হাসি,
ভুলতে পারে কভু তারে, চাঁদের মায়ায় আঁধার নিশি।
দ্বন্দ্ধ-বিষাদ, ভয় হারানোর, মুখটি মনে ভাসে কভু?
পাওয়া না পাওয়ার ঝড় তুফানে, কেমন ছিলো কাবু !
চলন বলন বচন ছিলো অপরূপ যা পদ্মময়,
ভালোবাসার হৃদ-মাঝারে কভু পরম গদ্যময়।
প্রভাতফেরী ,সন্ধাবাতি, তিমির আধাঁর ছন্দময়,
ভোর বিহানের আলো আঁধারে খুঁজে ফিরে বিশ্বময়।
চলন বলন বচন ছিলো অপরূপ যা পদ্মময়,
ভালোবাসার হৃদ-মাঝারে কভু পরম গদ্যময়।
প্রভাতফেরী ,সন্ধাবাতি, তিমির আধাঁর ছন্দময়,
ভোর বিহানের আলো আঁধারে খুঁজে ফিরে বিশ্বময়।
কালোবৈশাখি ঝড়,পাতা আর কাঠির ঘর,
ঘোর আধাঁরে জুঝিয়া চলে, সারা রাত ভর,
ভীষণ জুড়ে ধমকা হাওয়া, আঘাত করে ঘরে,
ভেঙ্গে পড়েনা, ঝড়ের সাথে যুদ্ধ যায় যে করে।
ফুলেল হাসি।
স্মরণীয়া রাশি রাশি।
ফুলেল হাসি।
ফুলেল হাসি।
এক অসমাপ্ত প্রেম,
এক দীর্ঘ আত্মযুদ্ধ । ।
১৯৯৭ সাল।
সময়ের ক্যালেন্ডারে এটি শুধু একটি বছর,
কিন্তু আমার জীবনে—
এটি এক অনন্ত শুরু,
এক নীরব পতনের প্রথম দিন।
আমি তখন স্বপ্নে ভরা এক কিশোর,
বই ছিল সঙ্গী,
কলম ছিল অস্ত্র,
আর ভবিষ্যৎ ছিল আলো ঝলমলে এক প্রতিশ্রুতি।
ক্লাস ওয়ান থেকে টেন—
সবার মুখে এক নাম,
“ফার্স্ট বয়”।
পরিবারের আশা,
এলাকার গর্ব,
শিক্ষকদের বিশ্বাস—
সব মিলিয়ে আমি ছিলাম
এক সম্ভাবনার নির্মাণাধীন মিনার।
তারপর তুমি এলে।
তারপর তুমি এলে।
না, ঝড়ের মতো নয়—
বরং ফজরের আজানের মতো নীরবে,
যা হৃদয়ে ঢুকে যায়
কিন্তু শব্দ করে না।
তোমার নাম—কবিতা।
হয়তো নামটি বাস্তব নয়,
কিন্তু অনুভূতিটা ছিল
সবচেয়ে বাস্তব।
তুমি জাননি,
একটি সাধারণ হাসি
কীভাবে একজন মানুষের
বহু বছরের মনোযোগ ভেঙে দিতে পারে।
তুমি জাননি,
একটি না বলা ভালোবাসা
কীভাবে একটি জীবনকে
দুই ভাগে ভাগ করে দেয়—
তোমার আগে,
এবং তোমার পরে।
মেট্রিক ভালো হলো,
ইন্টারও।
অনার্সে ভর্তি হলাম
স্বপ্নের পতাকা হাতে নিয়ে।
সবাই ভাবল—
এই ছেলেটা অনেক দূর যাবে।
কিন্তু কেউ জানত না,
আমি ভিতরে ভিতরে
অন্য এক পরীক্ষায় ফেল করছি।
বই খুলতাম—
তোমার মুখ ভেসে উঠত।
নোট লিখতাম—
শব্দের ভেতর তোমার নাম শুনতাম।
রাত জাগতাম—
পড়ার জন্য নয়,
ভুলে থাকার ব্যর্থ চেষ্টায়।
একবার থার্ড ক্লাস।
তারপর আবার চেষ্টা—
কষ্টে সেকেন্ড ক্লাস।
ডিগ্রি হাতে ছিল,
কিন্তু আত্মবিশ্বাস
অনেক আগেই ভেঙে গিয়েছিল।
মানুষ বলল—
“সময় সব ঠিক করে দেয়।”
মিথ্যে।
সময় সব ঠিক করে না,
সময় শুধু মানুষকে
ব্যথার সঙ্গে বাঁচতে শিখিয়ে দেয়।
আজ তুমি সুখে আছো—
স্বামী, সন্তান, সংসার,
পূর্ণ এক পৃথিবী নিয়ে।
আমি দূর থেকে দেখি,
এবং নিজের ভিতরে প্রশ্ন করি—
“তাহলে আমি কেন এখনো আটকে আছি?”
আমি বহুবার প্রতিজ্ঞা করেছি—
আর না।
আজ থেকে শেষ।
আজ থেকে মুক্তি।
কিন্তু অদ্ভুতভাবে
সেই দিনগুলোতেই
তুমি আরও বেশি ফিরে আসো।
যেদিন ভুলতে চাই,
সেদিনই স্মৃতি দরজায় কড়া নাড়ে।
যেদিন নিজেকে বাঁচাতে চাই,
সেদিনই অতীত আমাকে ডুবিয়ে দেয়।
এই কি প্রেম?
নাকি এটি
নিজের হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনার শোক?
হয়তো আমি তোমাকে নয়,
হারিয়ে যাওয়া আমাকেই খুঁজি।
যে আমি একদিন
অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম।
যে আমি
একটি নাম নয়,
একটি ভবিষ্যৎ ছিলাম।
নামাজে দাঁড়াই—
মন ছুটে যায় তোমার দিকে।
কুরআন খুলে বসি—
চোখ পড়ে, মন পড়ে না।
দুনিয়া ডাকে—
আমি সাড়া দিতে পারি না।
আখিরাত ডাকে—
আমি লজ্জায় মাথা তুলতে পারি না।
মনে হয়
সবকিছু বরবাদ হয়ে যাচ্ছে
নিয়ন্ত্রণহীনভাবে।
তবু আমি জানি—
আল্লাহ মানুষকে
ভাঙার জন্য নয়,
ফিরে আসার জন্য পরীক্ষা করেন।
হয়তো আমার সবচেয়ে বড় জিহাদ
এই হৃদয়ের ভিতরেই।
যেখানে অন্য কেউ নয়,
একটি পুরোনো নাম
আমাকে বন্দী করে রেখেছে।
আমি আজও দোয়া করি—
হে আল্লাহ,
যাকে আমার জন্য লিখেননি,
তাকে আমার হৃদয় থেকেও মুছে দিন।
যে স্মৃতি আমাকে আপনার থেকে দূরে নেয়,
সেটিকে ইবাদতে বদলে দিন।
যে ভালোবাসা আমাকে ভেঙে দিয়েছে,
সেটিকে আপনার ভালোবাসায় পূর্ণ করে দিন।
আমি তাকে চাই না আর—
আমি নিজেকে ফিরে পেতে চাই।
কারণ বুঝেছি—
সব প্রেম মিলনের জন্য নয়,
কিছু প্রেম শুধু মানুষকে
আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আসে।
আর যদি এ কষ্টই
আমার হেদায়াতের দরজা হয়,
তবে এ ব্যথাকেও আমি
সিজদায় রেখে দেব।
তুমি ভালো থেকো, কবিতা।
আমি আর তোমাকে খুঁজি না—
আমি এখন
নিজের হারিয়ে যাওয়া আলোকে খুঁজি।
আজ তুমি সুখে আছো—
স্বামী, সন্তান, সংসার,
পূর্ণ এক পৃথিবী নিয়ে।
আমি দূর থেকে দেখি,
এবং নিজের ভিতরে প্রশ্ন করি—
“তাহলে আমি কেন এখনো আটকে আছি?”
আমি বহুবার প্রতিজ্ঞা করেছি—
আর না।
আজ থেকে শেষ।
আজ থেকে মুক্তি।
কিন্তু অদ্ভুতভাবে
সেই দিনগুলোতেই
তুমি আরও বেশি ফিরে আসো।
যেদিন ভুলতে চাই,
সেদিনই স্মৃতি দরজায় কড়া নাড়ে।
যেদিন নিজেকে বাঁচাতে চাই,
সেদিনই অতীত আমাকে ডুবিয়ে দেয়।
তুমি ভালো থেকো, কবিতা।
আমি আর তোমাকে খুঁজি না—
আমি এখন
নিজের হারিয়ে যাওয়া আলোকে খুঁজি।
তুমি ভালো থেকো, কবিতা।
তুমি ভালো থেকো, কবিতা।
সফেন পদ্ম
মুখোমুখি আজ জটিল ধারায় কোন সে পথে;
ধেয়ে যাবো; একাকী কূজন রবের লেশ ধরে,
থাকবেনা তো মাথার 'পরে, মহীরুহের ছায়া কোন,
ডাকবে ডাহুক ঝিঁঝিঁ পোঁকা, চলতে হবে ধীর।
কোথাও হবে নিকচ আঁধার, ভয়াবহ সন্ধ্যাবেলা,
থাকবে আবার সৈকতে, বিজন ভূমির প্রেমের মেলা,
নাহি পাবে শান্তি কিছু, হেথায়-হোথায় বৃথাই ঘুরে,
অমাবস্যার আঁধার রবে, হৃদয় ভরে, পূর্ণিমাতে!
হয়তো কভু পড়বে মনে; প্রিয়তমার কথার বাঁকে,
দেখেছিলে প্রিয় বদন, উঠতো হেসে খিলখিলিয়ে।
পাবে কি সেই প্রেমের পদ্ম, থাকতো যাহা সদা পাশে!
দেখলে তোমায় পদ্মখানি, সফেন রঙে ওঠতো হেসে।
হয়তো কভু পড়বে মনে; প্রিয়তমার কথার বাঁকে,
দেখেছিলে প্রিয় বদন, উঠতো হেসে খিলখিলিয়ে।
পাবে কি সেই প্রেমের পদ্ম, থাকতো যাহা সদা পাশে!
দেখলে তোমায় পদ্মখানি, সফেন রঙে ওঠতো হেসে।
আকাশ ভরা জমতো আভীর; তোমার এমন বসন দেখে,
হৃদয় কেঁড়ে ছুটতো পাখি, মাথার পরে গগণ জুড়ে,
কালো মেঘের আনাগোনা তোমার মুখে হতো যবে,
তন্ত্রী গুলো পড়তো তখন ভীষণ ঝড়ের ঘূর্ণিপাকে।
আকাশ ভরা জমতো আভীর; তোমার এমন বসন দেখে,
হৃদয় কেঁড়ে ছুটতো পাখি, মাথার পরে গগণ জুড়ে,
কালো মেঘের আনাগোনা তোমার মুখে হতো যবে,
তন্ত্রী গুলো পড়তো তখন ভীষণ ঝড়ের ঘূর্ণিপাকে।
তোমার দেখা ধুমকেতু কি? জাগবে রাতের হৃদয়াকাশে,
জমবে আবার প্রেমের মেলা! সে কি রবে কল্পনাতে?
জানলেনা তো মনের খবর! বুঝলেনা যে ঋতুবদল!
আসছে ধেয়ে জীবন জুড়ে, কাল-বৈশাখী ভেঙ্গে আগল।
তোমার দেখা ধুমকেতু কি? জাগবে রাতের হৃদয়াকাশে,
জমবে আবার প্রেমের মেলা! সে কি রবে কল্পনাতে?
জানলেনা তো মনের খবর! বুঝলেনা যে ঋতুবদল!
আসছে ধেয়ে জীবন জুড়ে, কাল-বৈশাখী ভেঙ্গে আগল।
প্রিয় কবিতা বেগম!
আমার হৃদয়ের নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস আর গভীর অনুভবগুলোই কবিতায় পরিণত হয়েছে। এই কাব্যসংকলনের প্রতিটি পঙক্তি আমার আত্মার শব্দ। “ভালোবাসি দিবানিশি” — এই নামেই আমার ভালোবাসার গভীরতা এবং একনিষ্ঠতা ধরা আছে।
আমি কৃতজ্ঞ পাঠক ও শ্রোতাদের প্রতি, যারা ভালোবাসেন কবিতা, এবং আবেগ দিয়ে অনুভব করেন শব্দের স্পর্শ।
প্রিয় সওগাত!
শব্দে শব্দে আমি খুঁজি সেই চিরন্তন অনুভব, যা হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে। প্রেম, ভালোবাসা, আত্মার আত্মীয়তা এবং মানুষে মানুষের সম্পর্ক—এইসব নিয়েই আমার "কবিতা"। দীর্ঘ সময় ধরে লেখা কবিতাগুলো এখন একত্রে একটি অডিও অ্যালবামে রূপ নিচ্ছে— "ভালোবাসি দিবানিশি"।
প্রিয়তমা কবিতা!
কবিতা আমার আত্মার আত্মকথা। জীবনের প্রেম,মান, অভিমান, ধৈর্য্য, সম্মান, মর্যাদা, নিরীহ ভদ্রতা, আশা ও নির্জনতা নিয়েই গেঁথেছি এক একটি পঙক্তি। এই সংকলনে প্রকাশ পেয়েছে আমার হৃদয়ের গভীর অনুভব—ভালোবাসা দিবানিশির মতো…
এখানে প্রেম যেমন রোমান্টিক, তেমনি আধ্যাত্মিক। এখানে ভালোবাসা যেমন মানবিক, তেমনি চিরন্তন।
হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি !
প্রতিটি কবিতা একটি সময়ের চিত্র, একটি অনুভবের দলিল।
প্রেম ও ভালোবাসা মানবজীবনের চিরন্তন অনুপ্রেরণা। হৃদয়ের গহীন গভীরে যে আলো জ্বলে, তার নাম ভালোবাসা। কারো একটুখানি হাসি, কারো ছুঁয়ে যাওয়া স্পর্শ, কিংবা নিঃশব্দে অনুভব করা কারো প্রার্থনা—এসবই হয়ে ওঠে কবিতার প্রাণ। এ বইয়ের প্রতিটি কবিতা সেই অনুভবেরই রঙতুলিতে আঁকা।
"ভালোবাসি দিবানিশি" শুধু প্রেমের কবিতা নয়, এটি এক অবিরাম হৃদয় কথন। কখনো প্রতীক্ষার দীর্ঘশ্বাস।
ভালোবাসা ।
হায়রে ভালোবাসা।
ভালোবাসার আকাশ পেলাম, রঙধনুটা কৈ?
ফুলে ভরা বাগান পেলাম, গোলাপখানা কৈ?
তারা ভরা আকাশ দেখি,শুকতারাটা খুঁজি;
নিশাচরের ডাক শুনি আর, ভালবাসা খুঁজি।
ভালোবাসার আকাশ পেলাম, রঙধনুটা কৈ?
ফুলে ভরা বাগান পেলাম, গোলাপখানা কৈ?
তারা ভরা আকাশ দেখি,শুকতারাটা খুঁজি;
নিশাচরের ডাক শুনি আর, ভালবাসা খুঁজি।
ভালবাসার স্বপ্ন দেখি, মন-মুকুরের মাঝারে;
ভালবাসার পিদিম জ্বালায়, বাসনার আঁধারে।
ভালবাসি হৃদয় ভরে, রাখি সদা অন্তরে;
নিঝুম রাতে পাই খুঁজে পাই, ভালবাসার প্রান্তরে ।
ভালবাসার স্বপ্ন দেখি, মন-মুকুরের মাঝারে;
ভালবাসার পিদিম জ্বালায়, বাসনার আঁধারে।
ভালবাসি হৃদয় ভরে, রাখি সদা অন্তরে;
নিঝুম রাতে পাই খুঁজে পাই, ভালবাসার প্রান্তরে ।
বালিয়াড়ি বলে বেড়ায়, প্রাণ যে নিল পাষাণী!
প্রাণ পেলে তো বাগান হবে;গাইবে গানের পাখি ।
ভালবাসার জলধারা, আনবে বয়ে কে’বা!
ভালবাসার ঝরণাধারা লুকিয়ে আছে কোথা?
বালিয়াড়ি বলে বেড়ায়, প্রাণ যে নিল পাষাণী!
প্রাণ পেলে তো বাগান হবে;গাইবে গানের পাখি ।
ভালবাসার জলধারা, আনবে বয়ে কে’বা!
ভালবাসার ঝরণাধারা লুকিয়ে আছে কোথা?
ভালবাসার মানুষ পেলাম, ভালবাসা কৈ?
ভালবাসার কথা শুনি, স্বাদ যে তাহার কৈ!
ভালবাসার রশ্মি পেলাম, সুরুজটারে খুঁজি;
ভালবাসার চাঁদ ও আমার! তাইতো এখন বুঝি।
ভালবাসার মানুষ পেলাম, ভালবাসা কৈ?
ভালবাসার কথা শুনি, স্বাদ যে তাহার কৈ!
ভালবাসার রশ্মি পেলাম, সুরুজটারে খুঁজি;
ভালবাসার চাঁদ ও আমার! তাইতো এখন বুঝি।
ভালোবাসা ।
হায়রে ভালোবাসা!
ভালোবাসা ।
হায়রে ভালোবাসা!
ভালোবাসার হিসাব-নিকাশ
ভালোলাগা না ভালোবাসা, নাকি চির-শাশ্বত প্রেম,
নিজের পথ দেখা; না দেখার তাগিদে অ-প্রেম।
লক্ষ-কোটি অগণিত তারাদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া,
ব্যর্থ নাকি অব্যর্থ প্রেম, ফলাফল যেরূপ চির-চেনা।
ভালোলাগা না ভালোবাসা, নাকি চির-শাশ্বত প্রেম,
নিজের পথ দেখা; না দেখার তাগিদে অ-প্রেম।
লক্ষ-কোটি অগণিত তারাদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া,
ব্যর্থ নাকি অব্যর্থ প্রেম, ফলাফল যেরূপ চির-চেনা।
কত দল-উপদল আজো লড়ে; স্বার্থকতা প্রেমের কিসে?
পাওয়া না পাওয়ার দু’দল; অবিরাম সান্ত্বনা খুঁজে,
প্রাপ্তিতে সুখ বলে কেউ, অ-প্রাপ্তিতেই মিলে স্বার্থকতা;
যারে ভালো বাসি তা’রে নিয়ে; লেখা হয় কত কথা!!
কত দল-উপদল আজো লড়ে; স্বার্থকতা প্রেমের কিসে?
পাওয়া না পাওয়ার দু’দল; অবিরাম সান্ত্বনা খুঁজে,
প্রাপ্তিতে সুখ বলে কেউ, অ-প্রাপ্তিতেই মিলে স্বার্থকতা;
যারে ভালো বাসি তা’রে নিয়ে; লেখা হয় কত কথা!!
নাইবা যদি পারো তুমি, হৃদয় হতে মুছে দিতে,
ফিরিয়ে দিবে কিন্তু কেনো? কাঁপা কাঁপা নিঠুর হাতে।
চোখের ‘পরে চোখ রেখে তাও; বলতে পার নাকো!!
গুমরে জাগে সুপ্ত-গিরি, নীরব কেনো থাকো?
নাইবা যদি পারো তুমি, হৃদয় হতে মুছে দিতে,
ফিরিয়ে দিবে কিন্তু কেনো? কাঁপা কাঁপা নিঠুর হাতে।
চোখের ‘পরে চোখ রেখে তাও; বলতে পার নাকো!!
গুমরে জাগে সুপ্ত-গিরি, নীরব কেনো থাকো?
হিসাব-নিকাশ, লাভ-ক্ষতি কি তোমার কষা হলো,
অভিমানে হারিয়ে যাওয়া, জীবন খানি কতো ???
তারপরও কি বেশী দামী, তোমার চাওয়া-পাওয়া?
নীলাকাশে মাখিয়ে দিলে, আমার ভালবাসা !!!
হিসাব-নিকাশ, লাভ-ক্ষতি কি তোমার কষা হলো,
অভিমানে হারিয়ে যাওয়া, জীবন খানি কতো ???
তারপরও কি বেশী দামী, তোমার চাওয়া-পাওয়া?
নীলাকাশে মাখিয়ে দিলে, আমার ভালবাসা !!!
তারপরও কি বেশী দামী, তোমার চাওয়া-পাওয়া?
নীলাকাশে মাখিয়ে দিলে, আমার ভালবাসা !!!
ভালোবাসার হিসাব-নিকাশ ।
ভালোবাসার হিসাব-নিকাশ ।
ভালোবাসার হিসাব-নিকাশ ।
জীবন যেখানে যেমন
প্রেম ও প্রীতি আসল দিঠি,
প্রেমিক হৃদয় কোথায় খুঁজি?
কোথায় পাবগো প্রেমের হিয়া?
কহিব কথা পরাণ ভরিয়া!!
প্রেম ও প্রীতি আসল দিঠি,
প্রেমিক হৃদয় কোথায় খুঁজি?
কোথায় পাবগো প্রেমের হিয়া?
কহিব কথা পরাণ ভরিয়া!!
এমন গোধূলী, কাঁচা সোনা রোদ,
এঁদো ডোবাজল, একলা ডাহুক,
রিমঝিম টিপটপ বিষটি কোথা,
কথাকলি সব রবে কি হেথা???
এমন গোধূলী, কাঁচা সোনা রোদ,
এঁদো ডোবাজল, একলা ডাহুক,
রিমঝিম টিপটপ বিষটি কোথা,
কথাকলি সব রবে কি হেথা???
বিনিদ্র রজনী সাতকাহন কি হবে?
নিশির নিশা পেড়িয়ে ভোর যে কবে?
দখিনা মলয় তপ্তদেহে বারিসিঞ্চনে;
আসবে কবে বারিরাশি সঙ্গে করে।
বিনিদ্র রজনী সাতকাহন কি হবে?
নিশির নিশা পেড়িয়ে ভোর যে কবে?
দখিনা মলয় তপ্তদেহে বারিসিঞ্চনে;
আসবে কবে বারিরাশি সঙ্গে করে।
চায়লে কি গো ফুল ফুটিবে অরুণ প্রাতে,
গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হবে, খুশির ঝিলিক তাতে।
ডাকবে কোকিল বিজন বনে, একলা পথে,
ভাবের পথে হাঁটবে তুমি, উদাস মনে।
চায়লে কি গো ফুল ফুটিবে অরুণ প্রাতে,
গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হবে, খুশির ঝিলিক তাতে।
ডাকবে কোকিল বিজন বনে, একলা পথে,
ভাবের পথে হাঁটবে তুমি, উদাস মনে।
জীবন যেখানে যেমন ।
জীবন যেখানে যেমন ।
জীবন যেখানে যেমন ।
দিবানিশি ভালোবাসি
ঝিনুকে সুরক্ষিত মুক্তার মুক্তি দেখেছো?
সেই মুক্তির স্বাদ আমার নেইনি পিছু,
গতানুগতিক বালিকার অবলা কিছু,
সক্রিয়, সক্ষম হয়নি হৃদয়ে কভু।
'ভালোবাসি' কাউকে বলিনি,
রেখেছি শুধু গোপন করে,
লাল পলাশ, নীল ফুল,
এক রাশ গোলাপের, থোরা ধরে,
অচেনা মানুষের ভীঁড় ছিলো,
চলার পথে, পলকহীন চাহনী,
সংগোপনে আপনারে লয়ে, নিষ্পাপ মনে,
আকাশের দিনমণি।
মানুষতো; তৃষ্ণার অসহ্য যন্ত্রণা,
না বলা সব অব্যক্ত বেদনা,
স্বপ্নের সীমাহীন নীলিমা,
আশার তারা ভরা উপমা।
সঙ্গী আমার স্বপ্ন আর বিপরীত বাস্তব,
দুঃখের ফিরিস্তি কীভাবে কা'রে কবো!
পথ হলো পথিকের, পথিক ও পথের,
সফলতা , বিফলতা হিসাব পরের!!!
উপরের সামিয়ানা নীল আসমান,
বুঝে হৃদয়ের অস্ফুট আনচান,
ইথারে ইথারে ভাসমান দীর্ঘশ্বাস,
বয়ে চলে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিমের বাতাস।
নিশ্চয়ই কানের পাশে
ফিসফিস করে বাতাস,
বুঝে নিও অসহায়,
বন্দী হৃদয়ের নাভিশ্বাস।
কতো বাধা, ব্যবধান,
বহু দূর পথ,
কেমনে আসি প্রিয়!
আকন্ঠ তৃষিত বেদুইন মন,
ক্লান্ত ভেজা দু'নয়ন,
ফিরে এসো হিয়।
কতো বাধা, ব্যবধান,
বহু দূর পথ,
কেমনে আসি প্রিয়!
আকন্ঠ তৃষিত বেদুইন মন,
ক্লান্ত ভেজা দু'নয়ন,
ফিরে এসো হিয় । ।
✍️ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
তুমি আসবে বলে
আমার আকাশে নেই মেঘের আনাগোনা,
নেই বিদ্যুৎ চমকানোর ঘনঘটা,
সুস্পষ্ট নীল আসমান নির্বাক হয়ে,
দিবা-নিশি তব প্রতীক্ষায় প্রহর গুনে।
আমার আকাশে নেই মেঘের আনাগোনা,
নেই বিদ্যুৎ চমকানোর ঘনঘটা,
সুস্পষ্ট নীল আসমান নির্বাক হয়ে,
দিবা-নিশি তব প্রতীক্ষায় প্রহর গুনে।
তুমি সাজাবে তারে,
মনের মাধুরী ঢেলে,
অপ্সরীরা দলে দলে,
তোমার আঙ্গিনায় রবে।
তুমি সাজাবে তারে,
মনের মাধুরী ঢেলে,
অপ্সরীরা দলে দলে,
তোমার আঙ্গিনায় রবে।
দেখ কেমন সাজহীন বাগান,
হারিয়ে ফেলেছে ভ্রমর,
তার নিত্যদিনের গান,
সবুজ দূর্বাঘাস সব অনাদরে রয় পড়ে,
ফ্যাঁকাসে হলেও টিকে রয়,
তুমি আসবে বলে।
দেখ কেমন সাজহীন বাগান,
হারিয়ে ফেলেছে ভ্রমর,
তার নিত্যদিনের গান,
সবুজ দূর্বাঘাস সব অনাদরে রয় পড়ে,
ফ্যাঁকাসে হলেও টিকে রয়,
তুমি আসবে বলে।
তোমার ভালবাসায় খোঁজে পাবে,
সঞ্জীবনী সুধা জীবনে,
ফের উঠে দাঁড়াবার,
সাজাতে অপরুপা আরবার।
তোমার ভালবাসায় খোঁজে পাবে,
সঞ্জীবনী সুধা জীবনে,
ফের উঠে দাঁড়াবার,
সাজাতে অপরুপা আরবার।
তোমার ভালবাসায় খোঁজে পাবে,
সঞ্জীবনী সুধা জীবনে।
তোমার ভালবাসায় খোঁজে পাবে,
সঞ্জীবনী সুধা জীবনে।
তুমি আসবে বলে-
তুমি আসবে বলে-
তুমি আসবে বলে।
মধুর যন্ত্রণা
ভুলতে পারি না, তাঁকে ভোলা যায় না,
কেন এমন করি, তাও বুঝি না!
স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি সবসময়—
এই কেমন মধুর যন্ত্রণা!!!
ভুলতে পারি না, তাঁকে ভোলা যায় না,
কেন এমন করি, তাও বুঝি না!
স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি সবসময়—
এই কেমন মধুর যন্ত্রণা!!!
নামটি উচ্চারিত হলেই থেমে যায় নিঃশ্বাস,
চোখের সামনে ভেসে উঠে সাদা ওড়নায় ঢাকা মুখ।
হাতে কলম, ঠোঁটে নীরবতা,
তবু হৃদয়ে ছিল কাব্যের পূর্ণ বিকাশ।
নামটি উচ্চারিত হলেই থেমে যায় নিঃশ্বাস,
চোখের সামনে ভেসে উঠে সাদা ওড়নায় ঢাকা মুখ।
হাতে কলম, ঠোঁটে নীরবতা,
তবু হৃদয়ে ছিল কাব্যের পূর্ণ বিকাশ।
চোখে তার ছায়া, কণ্ঠে মায়াবী ধ্বনি,
বলে যেত অজস্র না বলা কথা এক দৃষ্টিতে।
আমি শুনতাম, বুঝতাম, অনুভব করতাম—
কিন্তু বলিনি কিছু, ছিল এক প্রহেলিকা জগতে।
চোখে তার ছায়া, কণ্ঠে মায়াবী ধ্বনি,
বলে যেত অজস্র না বলা কথা এক দৃষ্টিতে।
আমি শুনতাম, বুঝতাম, অনুভব করতাম—
কিন্তু বলিনি কিছু, ছিল এক প্রহেলিকা জগতে।
মোছাম্মত কবিতা বেগম—তুমি কি জানো?
তোমার অনুপস্থিতি আমার প্রতিটি উপস্থিতিতে বসবাস,
তুমি না থেকেও আছো প্রতিটি নিঃশ্বাসে,
তুমি চলে গিয়েও রয়ে গেছো গোপন ইতিহাসে।
মোছাম্মত কবিতা বেগম—তুমি কি জানো?
তোমার অনুপস্থিতি আমার প্রতিটি উপস্থিতিতে বসবাস,
তুমি না থেকেও আছো প্রতিটি নিঃশ্বাসে,
তুমি চলে গিয়েও রয়ে গেছো গোপন ইতিহাসে।
দিন যায়, রাত আসে, যুগ পেরোয় ধীরে,
তবু ভুলতে পারি না সেই ঈদের সন্ধ্যা,
যেদিন বলেছিলে, “আমাকে ভুলে যেও”—
শুধু হেসেছিলাম… কাঁদি নাই তখন, এখন কাঁদাও প্রতিনিয়ত।
দিন যায়, রাত আসে, যুগ পেরোয় ধীরে,
তবু ভুলতে পারি না সেই ঈদের সন্ধ্যা,
যেদিন বলেছিলে, “আমাকে ভুলে যেও”—
শুধু হেসেছিলাম… কাঁদি নাই তখন, এখন কাঁদাও প্রতিনিয়ত।
আজো তুমি আছো আমার নামাজের দোয়ায়,
আছো কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি শব্দে,
আছো শহীদের শেষ চিঠির অক্ষরে—
আছো, কিন্তু নেই!
ভুলতে পারি না, জানি না ভুলবো কি না,
কেন এমন ভালোবাসা, বুঝতে পারি না।
তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার—
এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার।
ভুলতে পারি না, জানি না ভুলবো কি না,
কেন এমন ভালোবাসা, বুঝতে পারি না।
তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার—
এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার।
তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার—
এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার।
তবু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে ধরি বারবার—
এই ভালোবাসা, এই বেদনা…একান্তই আমার---
মহাকালের মহাকাব্য--
অমর ভালোবাসা
ভুল করে, ভুলে—ভোলাও যায় না,
ভুলে গিয়েও তাকে ভোলা যায় না।
চপলা, চঞ্চলা মনোহর হরিণীর ছুটে চলা,
অবগুণ্ঠিত চাঁদমুখ, মুক্তো-ঝরা হাসির ফালি,
রক্তিমাভ লাজুক বচন, ধীরলয়ে নেয়া আসনখানি—
ঘন কালো কেশ, নিষ্পাপ সেই বদন,
গভীর অবলোকন, নিশ্চুপ চাহনির রেশ।
রমজানের নীরব সন্ধ্যায়, ইফতারের পূর্বক্ষণে,
বিদায় নেওয়া—অসহনীয় এক বিচ্ছেদে।
বিজন দুপুরের নির্জনতায়,
স্নিগ্ধ আলোর বিকেলে, নিঝুম রাতে—
তৃষিত হৃদয় ঝর্ণা পেল বটে,
তবু তার মালিক হতে পারিনি—হায়!
সময়ে অসময়ে, শত ছুতো নিয়ে,
সলাজ ভঙ্গিতে, নির্লিপ্ত মনে, খুব কাছে গিয়ে—
প্রাণাধিক প্রিয়তমা!
একটিবার দেখার লোভে,
তৃপ্তি-অতৃপ্তির চিরন্তন দ্বন্দ্ব রবে।
প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অংক কষি নিঃশেষে,
কতদিন, কতরাত নির্ঘুম শেষে।
সব কিছুর পরেও মনে ছিল দৃঢ় বিশ্বাস—
“আজ না হোক, একদিন হবেই আমাদের আকাশ।”
কিন্তু কোন্ ঝড়ে ভেঙে গেল সেই স্বপ্নঘর?
কে কবে কেড়ে নিল প্রাণভোমর মধুর অধিকার?
নির্দয়, নিষ্ঠুর, পাষাণ এই পৃথিবী,
ভালোবাসার ভাষা বোঝে না—বোঝে শুধু স্বার্থের হিসাবই।
ষোল আনা স্বার্থে গড়া নিয়মের বেড়াজাল,
দুটি সতেজ প্রাণ আজ বন্দী অদৃশ্য শিকলজাল।
একটি নয়—দুটি আত্মা, দুটি মন,
সাদৃশ্য খুঁজে ফেরে, তবু নেই মিলন।
অস্ফুট ব্যথা, নীরব দহন—
আমৃত্যু বহন, এক অন্তহীন ক্রন্দন।
অসহনীয় ভার বয়ে চলে জীবন,
মৃত্যুর উপত্যকায় খোঁজে অবসান।
অপরাধ কী—ভালোবেসেছি বলে?
ভালো তো বাসিনি—আমি তাকে ভালোবাসি,
পাগলের মতো, নিঃশেষে, নিরন্তর উদাসী।
আগে নয়, পরে নয়—নয় সসীম কোনো কালে,
কালের গণ্ডি পেরিয়ে এই প্রেম সবকালে।
ভাবী জীবনের সাধ, আহ্লাদ, স্বপ্ন, আশা—
সবকিছুর ঊর্ধ্বে এক অমর ভালোবাসা।
মহাকালের বুকে লেখা এক মহাকাব্য,
চিরন্তন প্রেম—নিঃশব্দ তার অভিসার।
এই প্রেম সঞ্জীবনী সুধা, আবার বিষের ক্ষয়,
এই প্রেমেই বাঁচি আমি, আবার এই প্রেমেই ক্ষয়।
স্মৃতির সবুজ, হলদে আর শুভ্র পত্রপল্লবী,
আমার সহযাত্রী, বিরহ-বেদনার পূরবী।
যখন তখন অজান্তেই হারিয়ে যাওয়া,
বারবার নিজেকেই খুঁজে ফিরে পাওয়া—
এ এক অতুল মধুর মায়াজাল।
বের হতে চাই—তবুও পারি না কোনো কাল।
মোহিনীর মোহনায় ডুবে থাকা এই ভালোবাসা—
অকৃত্রিম, অনন্ত, এক অলৌকিক ভাষা।
সাধনার অসাধারণ এক ইন্দ্রজাল—
কে-ই বা চায় হারাতে এমন অমৃত-ব্যথার জাল?
চপলা, চঞ্চলা মনোহর হরিণীর ছুটে চলা,
অবগুণ্ঠিত চাঁদমুখ, মুক্তো-ঝরা হাসির ফালি,
রক্তিমাভ লাজুক বচন, ধীরলয়ে নেয়া আসনখানি—
ঘন কালো কেশ, নিষ্পাপ সেই বদন,
গভীর অবলোকন, নিশ্চুপ চাহনির রেশ।
ভাবী জীবনের সাধ, আহ্লাদ, স্বপ্ন, আশা—
সবকিছুর ঊর্ধ্বে এক অমর ভালোবাসা।
মহাকালের বুকে লেখা এক মহাকাব্য,
চিরন্তন প্রেম—নিঃশব্দ তার অভিসার।
ভাবী জীবনের সাধ, আহ্লাদ, স্বপ্ন, আশা—
সবকিছুর ঊর্ধ্বে এক অমর ভালোবাসা।
মহাকালের বুকে লেখা এক মহাকাব্য,
চিরন্তন প্রেম—নিঃশব্দ তার অভিসার।
মহাকালের মহাকাব্য--
অমর ভালোবাসা
মহাকালের মহাকাব্য--
অমর ভালোবাসা । ।
কবিতার জ্বালামুখ
নয়নের কথা শুনেছিলে-
অশ্রুর পূর্বাভাস দেখেছিলে;
হারানোর শঙ্কা সদলবলে আক্রমণে—
তোমাতেই সান্ত্বনা পেয়েছিল দেহ-মনে।
নয়নের কথা শুনেছিলে-
অশ্রুর পূর্বাভাস দেখেছিলে;
হারানোর শঙ্কা সদলবলে আক্রমণে—
তোমাতেই সান্ত্বনা পেয়েছিল দেহ-মনে।
অর্ধমৃত জীবন, তবু ভালোবাসি দিবানিশি,
প্রতিনিয়ত নিজেকে নিয়ে আসি
বিচারের কাঠগড়ায়—অভিযোগ রাশি রাশি;
সত্য-মিথ্যা, অলীক কল্পনা—রায় হয় ফাঁসি।
অর্ধমৃত জীবন, তবু ভালোবাসি দিবানিশি,
প্রতিনিয়ত নিজেকে নিয়ে আসি
বিচারের কাঠগড়ায়—অভিযোগ রাশি রাশি;
সত্য-মিথ্যা, অলীক কল্পনা—রায় হয় ফাঁসি।
ভাঙা-গড়া চলে নিরবধি, আগুনে পোড়ায় প্রাণ,
জ্বলন্ত হৃদপিণ্ডে নির্দয় আঘাত—থেঁতলে যায় সম্মান।
স্বেচ্ছায় কারাবাস, কখনো অন্তরীণ অন্ধকূপে,
কষ্টের লাভা উদগীরণ হয়—কবিতার জ্বালামুখে।
ভাঙা-গড়া চলে নিরবধি, আগুনে পোড়ায় প্রাণ,
জ্বলন্ত হৃদপিণ্ডে নির্দয় আঘাত—থেঁতলে যায় সম্মান।
স্বেচ্ছায় কারাবাস, কখনো অন্তরীণ অন্ধকূপে,
কষ্টের লাভা উদগীরণ হয়—কবিতার জ্বালামুখে।
শঙ্কার দিনে ছিলে তুমি ছায়া, অতুল সান্ত্বনা,
নিঃশেষে নিঃস্ব আমি—পেলাম অপার সাধনা।
সব সুখ-শান্তি তোমার হোক—এই অন্তিম বাসনা,
শান্তি-স্বর্গের রাণী রও—নির্মোহ আমার কামনা।
শঙ্কার দিনে ছিলে তুমি ছায়া, অতুল সান্ত্বনা,
নিঃশেষে নিঃস্ব আমি—পেলাম অপার সাধনা।
সব সুখ-শান্তি তোমার হোক—এই অন্তিম বাসনা,
শান্তি-স্বর্গের রাণী রও—নির্মোহ আমার কামনা।
সব সুখ-শান্তি তোমার হোক—এই অন্তিম বাসনা,
শান্তি-স্বর্গের রাণী রও—নির্মোহ আমার কামনা।
স্বেচ্ছায় কারাবাস, কখনো অন্তরীণ অন্ধকূপ,
কষ্টের লাভা উদগীরণ হয়—কবিতার জ্বালামুখ।
—কবিতার জ্বালামুখ-
—কবিতার জ্বালামুখ । ।
ভালোবাসার শ্বেতপত্র
বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার,
তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই,
স্রষ্টার সম্মতি ছিলোনা পক্ষে আমার।
বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার,
তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই,
স্রষ্টার সম্মতি ছিলোনা পক্ষে আমার।
নির্দোষ তুমি, মুক্ত, স্বচ্ছ মুক্তার মতো,
ভাগ্যের ওপর দিয়েছিলে ভার,প্রতিকার,
সবিশেষ কল্যাণ এলো বয়ে, সুখ তোমার।
নির্দোষ তুমি, মুক্ত, স্বচ্ছ মুক্তার মতো,
ভাগ্যের ওপর দিয়েছিলে ভার,প্রতিকার,
সবিশেষ কল্যাণ এলো বয়ে, সুখ তোমার।
তোমার কী অপরাধ বলো?
কেউ কাঁদে, পাগল প্রলাপ, অলীক অসার,
জীবনতো তোমার ও আছে, অশেষ কর্মভার।
তোমার কী অপরাধ বলো?
কেউ কাঁদে, পাগল প্রলাপ, অলীক অসার,
জীবনতো তোমার ও আছে, অশেষ কর্মভার।
কভু অপরাধী নয়, কলুষিত নাহি লয়,
আমৃত্যু সুরভী এই সরল হৃদয়,
তৃপ্তির ঊপকূলে 'তুমি' সবার নিলয়।
কভু অপরাধী নয়, কলুষিত নাহি লয়,
আমৃত্যু সুরভী এই সরল হৃদয়,
তৃপ্তির ঊপকূলে 'তুমি' সবার নিলয়।
বিশ্বাস! মরু লু হাওয়া উবে যাওয়া,
রুক্ষ, তিরিক্ষি, বিস্বাদ সব অমৃতভাড়,
ধূলীর ধরাতলে,অপরূপ পসরা হীরামুক্তার।
বিশ্বাস!মরু লু হাওয়া উবে যাওয়া,
রুক্ষ, তিরিক্ষি, বিস্বাদ সব অমৃতভাড়,
ধূলীর ধরাতলে,অপরূপ পসরা হীরামুক্তার।
স্পর্শে তোমার হাসবে বাগে, সকল ফুলের কলি,
সুবাস দিবে দেশ জাতিকে আপন ত্যাজে জ্বলি,
ঘরে ঘরে আসুক নেমে, শান্তি সুখের আধার।
স্পর্শে তোমার হাসবে বাগে, সকল ফুলের কলি,
সুবাস দিবে দেশ জাতিকে আপন ত্যাজে জ্বলি,
ঘরে ঘরে আসুক নেমে, শান্তি সুখের আধার।
মরুময় মরিচীকায় তৃষিত বেদুইন যায়,
তার কী অপরাধ বলো, ধূ ধূ বালুকায়?
নিয়তি! নিরন্তর ক্লান্তিহীন পথ চলার।
মরুময় মরিচীকায় তৃষিত বেদুইন যায়,
তার কী অপরাধ বলো, ধূ ধূ বালুকায়?
তার কী অপরাধ বলো, ধূ ধূ বালুকায়?
নিয়তি! নিরন্তর ক্লান্তিহীন পথ চলার । ।
ভালোবাসার শ্বেতপত্র -
এই হলো ভালোবাসার শ্বেতপত্র -
ভালোবাসার শ্বেতপত্র । ।
অবাধ্য স্মৃতি
নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিলে,
নাগালের বাইরে,
নিজের মতো করে শান্তি শাস্তির
আবাস পছন্দ করে,
দেশ হতে বিদেশে। দূর হতে সুদূরে।
বড্ড জানতে ইচ্ছে করে, কেমন আছো?
যদিও আমার নেই সে অধিকার,
এ অবুঝ, নির্লজ্জ মন,বারবার,
ভাঙ্গে গড়ে নিয়মের দেয়াল বেশুমার।
বড্ড জানতে ইচ্ছে করে, কেমন আছো?
যদিও আমার নেই সে অধিকার,
এ অবুঝ, নির্লজ্জ মন,বারবার,
ভাঙ্গে গড়ে নিয়মের দেয়াল বেশুমার।
ইজ্জত, মান সম্মান ও মর্যাদার তরে,
ঝামেলা করেনিকো, শুভ আসরে,
সুখে থেকো, শান্তিতে রও রবে
যে পথে সপেঁ দিয়েছে সবে।
তবে, কখনো যদি মনে হয়,
প্রয়োজন এক প্রাণ বিনিময়,
তোমার শান্তি ও মর্যাদা রক্ষায়,
একটি প্রাণ জেনো প্রস্তুত সদায়।
তবে, কখনো যদি মনে হয়,
প্রয়োজন এক প্রাণ বিনিময়,
তোমার শান্তি ও মর্যাদা রক্ষায়,
একটি প্রাণ জেনো প্রস্তুত সদায়।
কেউ যদি করে মানহানি,
গলে দেয় গোলামীর জিঞ্জির,
ক্রীত দাস সুলভ আচরণ,
কিংবা কোন অবমূল্যায়ন!
কেউ যদি করে মানহানি,
গলে দেয় গোলামীর জিঞ্জির,
ক্রীত দাস সুলভ আচরণ,
কিংবা কোন অবমূল্যায়ন!
জেনে রেখো, এ ব্যথা সহিবার নয়,
এ হবে মোর ভালোবাসার পরাজয়।
নিঃশর্ত ভালোবাসার শ্বেতপত্র ক্ষয়!
কভু হবেনা, বাজি রবে প্রাণ, অক্ষয়।
জেনে রেখো, এ ব্যথা সহিবার নয়,
এ হবে মোর ভালোবাসার পরাজয়।
নিঃশর্ত ভালোবাসার শ্বেতপত্র ক্ষয়!
কভু হবেনা, বাজি রবে প্রাণ, অক্ষয়।
নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিলে,
নাগালের বাইরে,
নিজের মতো করে শান্তি শাস্তির
আবাস পছন্দ করে,
দেশ হতে বিদেশে। দূর হতে সুদূরে।
দেশ হতে বিদেশে। দূর হতে সুদূরে।
অবাধ্য স্মৃতি, খুঁজে ফিরে তোমারে,
খুঁজে ফিরে তোমারে,
খুঁজে ফিরে তোমারে-
অবাধ্য স্মৃতি-
অবাধ্য স্মৃতি।
প্রেম আর ভালোবাসা
দৃষ্টির সীমানায়, হৃদয়ের মোহনায়,
কে এলো? কে যায়?
জান্নাতী সমীরণে, বাসনার ঢেউ ধায়,
চঞ্চলা দোল খায়।
আঁখি দ্বয় তৃপ্ত,অশ্রুতে সিক্ত,
চঞ্চল প্রাণ-মন,
কোন কিছু স্থির নেই,
অস্থির, আনমন।
নাওয়া খাওয়া ভূলে যায়,
চিন্তার শেষ নাই,
সব কিছু এলোমেলো,
নিজেদের ভুলে হায়!
প্রণয়ী চারিপাশে
বারবার দেখা পায়,
কম্পিত মন খুঁজে,
সবকিছু বলি তারে,
কথা লিখে কবিতায়,
ইংগিতে আকারে।
সায় পেলে হবে প্রেম,
না হয় ভালোবাসা।
দু'জনে দু'জনার,
মিলে মিশে একাকার,
সবকিছু হরষে,
ফিরে পায় বারবার।
সুখে সুখ অবিরাম,
জান্নাতী প্রেমে পায়,
মিলেমিশে দুজনের,
জীবনের অভিপ্রায়।
প্রেম রয় কখনো
ইতিহাসের ভাঁগাড়ে,
একপেশে ভালোবাসা,
আজীবন আহারে!
ভালোবেসে ভোলা যায়?
বলিবো কাহারে!!!
মেনে যায় কতোবার,
ভাগ্যের সীমানা,
তুমি কারো হতে পারো,
মন কভু মানেনা।
জানিনা মন তব,
করে কীনা আনচান,
তৃষ্ণায় ছটফটে,
নীরবে আহ্বান।
দগদগে ক্ষতদিয়ে,
হৃদয়ের গভীরে,
ঝরে কতো রক্ত,
দেখাবো কী করে!!!
দু-জনে নির্জনে,
দুঃখে যাতনায়,
আকাশের পানে চাও,
নিবেদন প্রার্থনায়।
দু-জনে নির্জনে,
দুঃখে যাতনায়,
আকাশের পানে চাও,
নিবেদন প্রার্থনায়।
উদাসীন নীরবে,
দগ্ধ বারবার,
ভালোবাসা দুজনেই,
চায় শুধু একবার।
দৃষ্টির সীমানায়, হৃদয়ের মোহনায়,
কে এলো? কে যায়?
জান্নাতী সমীরণে, বাসনার ঢেউ ধায়,
চঞ্চলা দোল খায়।
প্রেম আর ভালোবাসা,
আশা কভু নিরাশা।
প্রেম আর ভালোবাসা-
প্রেম আর ভালোবাসা । ।
ভালোবাসি দিবানিশি
নিরাকপরা ভর দুপুরে,
বসে আছি আনমনে,
সুখের বেলা যায় চলে যায়,
কতো দ্রুত আপন মনে।
ভাবছি কতো জীবন নিয়ে,
পাইনা ভেবে কূল,
অলস দেহে দেখছি তারে,
নেইকো কোন ভূল।
হাজির হলো কলম-খাতা,
কোমল হাতের স্পর্শে,
মনের কথা ঝরবে কবে,
ইতিহাসের গর্ভে।
ভালবাসি দিবানিশি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
মনের কথা মনে ওঠে,
মনেই ঝরে পড়ে।
ভালবাসি দিবানিশি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
মনের কথা মনে ওঠে,
মনেই ঝরে পড়ে।
নাইবা কোন ভূল আমারি,
নেইকো ছিলো তার,
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
নাইবা কোন ভূল আমারি,
নেইকো ছিলো তার,
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
সুবাস সেতো ফুলের মতো,
অতুল মৃগনাভীর,
সোনারোদের নরম বিকেল,
দেখি রঙ্গিন আবীর।
সুবাস সেতো ফুলের মতো,
অতুল মৃগনাভীর,
সোনারোদের নরম বিকেল,
দেখি রঙ্গিন আবীর।
ভাসছে কভু সাঁঝের ভেলা,
বেলা অবেলায়,
স্বপ্ন ডিঙ্গি তীরে ভীরে,
যখন মনে চায়।
ভালবাসার তারা কতো,
দেখি তা'রই আকাশে,
প্রেমের সুবাস পাই খুঁজে পাই,
মৃদুমন্দ বাতাসে।
বাঁধ মানেনা মনের কথা,
কলম দিয়ে ঝরে,
প্রাণের প্রিয়া, যাই বলে সব,
ভালোবাসার তরে।
ভালবাসার তারা কতো,
দেখি তা'রই আকাশে,
প্রেমের সুবাস পাই খুঁজে পাই,
মৃদুমন্দ বাতাসে।
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
ভালবাসি দিবানিশি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
ভালবাসি দিবানিশি, কতো তারে-
ভালবাসি দিবানিশি-
ভালবাসি দিবানিশি । ।
স্বপ্নের অপমৃত্যু
প্রতি রাতে আকাশের গায়,
অসংখ্য তারার মেলা দেখা যায়।
বাগানের ফুলে ফুলে জোনাক জ্বলে ,
ভ্রমরেরা গুনগুন করে গান গায়।
ঝর্ণা চলে কত কথা বলে বলে,
ছন্দে ছন্দে সুর তুলে তুলে।
পাখিরা গান গায় নানান সুরে,
রাখালের বাঁশিতে সুর খেলা করে।
নদীর বুক চিড়ে তরী চলে,
তীরের সব পিছনে ফেলে,
চলছে মানুষ সময়ের সাথে,
সবাই সবার প্রয়োজনে।
এখন থমকে কেনো আমার সব প্রয়োজন,
নেই কেনো সময়ের সাথে কোন আয়োজন!
দেহ মনে জোড় উচ্ছ্বাস কোথায় হারালো কিসে,
নিঃস্তেজ আর গতিহীন জীবন কিসের বিষে!
এখন থমকে কেনো আমার সব প্রয়োজন,
নেই কেনো সময়ের সাথে কোন আয়োজন!
দেহ মনে জোড় উচ্ছ্বাস কোথায় হারালো কিসে,
নিঃস্তেজ আর গতিহীন জীবন কিসের বিষে!
ক্লান্তিহীন পথ চলা আর উচ্ছ্বল, গতিময়,
দিবানিশি লক্ষ্য পথে এগিয়ে যাওয়া নিরন্তর,
ছুটে চলাই যার শিল্প ছিলো, ব্যস্ত সব সময়,
আজ কেনো অসহায়? হতবুদ্ধি, নিশ্চল রয়!
ক্লান্তিহীন পথ চলা আর উচ্ছ্বল, গতিময়,
দিবানিশি লক্ষ্য পথে এগিয়ে যাওয়া নিরন্তর,
ছুটে চলাই যার শিল্প ছিলো, ব্যস্ত সব সময়,
আজ কেনো অসহায়? হতবুদ্ধি, নিশ্চল রয়!
তুমি নেই তাই নিষ্প্রাণ আজ, অসহায় পৃথিবী,
সমস্যার অন্তহীন বেড়াজালে, নির্বাক বন্দি,
অচলতায় বিচলিত, স্বপ্নের অপমৃত্যু আর বলি,
আত্নরক্ষার ক্ষমতা নেই, চলে নিঃশব্দে আত্নাহুতি!
প্রতি রাতে আকাশের গায়,
অসংখ্য তারার মেলা দেখা যায়।
বাগানের ফুলে ফুলে জোনাক জ্বলে ,
ভ্রমরেরা গুনগুন করে গান গায়।
তুমি নেই তাই নিষ্প্রাণ আজ, অসহায় পৃথিবী,
সমস্যার অন্তহীন বেড়াজালে, নির্বাক বন্দি,
অচলতায় বিচলিত, স্বপ্নের অপমৃত্যু আর বলি,
আত্নরক্ষার ক্ষমতা নেই, চলে নিঃশব্দে আত্নাহুতি!
অচলতায় বিচলিত, স্বপ্নের অপমৃত্যু আর বলি,
আত্নরক্ষার ক্ষমতা নেই, চলে নিঃশব্দে আত্নাহুতি!
স্বপ্নের অপমৃত্যু---
স্বপ্নের অপমৃত্যু । ।
স্বপ্নের অপমৃত্যু । । ।
সুখের দিঠি
নীলাকাশে শুভ্র মেঘ,
স্নিগ্ধ আলোয় বিশ্ব বেশ,
সুখের তরী, চাতক খোঁজে,
চাতকী দূরে মান অভিমানে।
নীলাকাশে শুভ্র মেঘ,
স্নিগ্ধ আলোয় বিশ্ব বেশ,
সুখের তরী, চাতক খোঁজে,
চাতকী দূরে মান অভিমানে।
ঝরা পাতার পতন দেখে,
কচি পাতা রয় কী থেমে!
সবুজ কী বা হলদে হয়ে,
শুষ্ক, সবুজ পাতা ঝরে।
ঝরা পাতার পতন দেখে,
কচি পাতা রয় কী থেমে!
সবুজ কী বা হলদে হয়ে,
শুষ্ক, সবুজ পাতা ঝরে।
ভালোবাসার গান কবে কা'র,
প্রেমের সুরে, মাতাল অপার,
হৃদয় তারে নৃত্য করে,
সুর ও ছন্দ, শব্দ ঘিরে।
ভালোবাসার গান কবে কা'র,
প্রেমের সুরে, মাতাল অপার,
হৃদয় তারে নৃত্য করে,
সুর ও ছন্দ, শব্দ ঘিরে।
বিরহের সব বর্ণমালা,
করুণ রাগে বাজে।
নির্বাক যন্ত্র তালে বেতালে,
আর্তনাদে কাঁদে।
বিরহের সব বর্ণমালা,
করুণ রাগে বাজে।
নির্বাক যন্ত্র তালে বেতালে,
আর্তনাদে কাঁদে।
প্রতারনার অগ্নিশিখা,
জ্বালায় দিবানিশি,
স্বার্থপরের সুখের মাঝে,
সুখের দিঠি খুঁজি।
প্রতারনার অগ্নিশিখা,
জ্বালায় দিবানিশি,
স্বার্থপরের সুখের মাঝে,
সুখের দিঠি খুঁজি।
স্বার্থপরের সুখের মাঝে,
সুখের দিঠি খুঁজি-
স্বার্থপরের সুখের মাঝে,
সুখের দিঠি খুঁজি-
স্বার্থপরের সুখের মাঝে,
সুখের দিঠি খুঁজি---
ভালোবাসার পরোয়ানা
ভালোবাসা ভরে থাক,
প্রতিটি অন্তর;
ভালোবেসে বেঁচে থাকা,
হউক মূল মন্তর।
পথে ঘাটে জোড়া জোড়া,
বসে থাকে নীরবে;
সহাস্যে হেলে দুলে,
কেউ চলে সরবে।
আকাশের তারা সম,
যুগলেরা জ্বলে নিভে,
কত কথা বিনিময়,
চলে মান অভিমানে।
সত্যি হয়ে থাক,
সব সুখ স্বপ্ন,
স্বপ্নের বলাকারা,
হয়ে যাক ধন্য।
থেকো সবে চিরদিন,
পাপ তাপ মুক্ত,
দিন দিন বাড়ে যেন,
পূণ্যের প্রস্থ।
ভালবাসি ভালবাস,
দিবা নিশি সত্য,
স্বর্গ হবে দেখো,
ধূলীর এই মর্ত্য।
ভালবাসার অভিনয়ে,
কেঁড়ে নিবে যতো সব,
জিম্মী করে কভু,
জুলুমের উৎসব।
সঙ্গ দিবে ঠিক,
যবে তার প্রয়োজন,
ফিরে আর পাবেনা,
হবে শেষ আয়োজন।
ভালবাসার অভিনয়ে,
কেঁড়ে নিবে যতো সব,
জিম্মী করে কভু,
জুলুমের উৎসব।
সঙ্গ দিবে ঠিক,
যবে তার প্রয়োজন,
ফিরে আর পাবেনা,
হবে শেষ আয়োজন।
নেশা করে প্রেম করে,
সুস্থতা বিনাশে,
উপকরন সহজেই,
রবে আশে পাশে।
মিলবে সব তার,
যতো চাওয়া ফন্দী,
মৃত্যুর পরোয়ানা,
কভু পাপে বন্দী।
চায় সৎ সঙ্গ,
সুখ ভোগ, শান্তি,
প্রেম আর ভালবাসা,
চায় সব শ্রান্তি।
প্রতারক, লোভী সব,
একা থেকে মুক্তি,
চাই পাশে,সৎ জন,
এই হোক চুক্তি।
ভালোবাসা ভরে থাক,
প্রতিটি অন্তর;
ভালোবেসে বেঁচে থাকা,
হউক মূল মন্তর।
পথে ঘাটে জোড়া জোড়া,
বসে থাকে নীরবে;
সহাস্যে হেলে দুলে,
কেউ চলে সরবে।
ভালোবাসা ভরে থাক,
প্রতিটি অন্তর--
ভালোবাসা ভরে থাক,
প্রতিটি অন্তর । ।
জানলেনা আজো!
হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?
হাজারোবার যে দ্বারে, টোকেছে বাসনার ইঙ্গিত!
সে দ্বার খোলেনি, গেয়ে গেল শব্দহীন সংগীত।
হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?
হাজারোবার যে দ্বারে, টোকেছে বাসনার ইঙ্গিত!
সে দ্বার খোলেনি, গেয়ে গেল শব্দহীন সংগীত।
অব্যবহিত পূর্বে কিংবা পরে, কেঁউ ডাকল কি?
সুমধুর স্বরভঙ্গিতে সব সম্বোধণে!ওগো সম্রাজ্ঞী!
তিলোত্তমা উপহার, সব শূভ্র ফুলের মালা,
সম্রাটের শাহী অশ্বের খুঁড়ের ছন্দে পড়লো বাঁধা!
অব্যবহিত পূর্বে কিংবা পরে, কেঁউ ডাকল কি?
সুমধুর স্বরভঙ্গিতে সব সম্বোধণে!ওগো সম্রাজ্ঞী!
তিলোত্তমা উপহার, সব শূভ্র ফুলের মালা,
সম্রাটের শাহী অশ্বের খুঁড়ের ছন্দে পড়লো বাঁধা!
নাই রাজ অশ্ব, নেই শাহী ফরমান,
প্রতিটি রক্তকণিকা বলে, তুমি নীল আসমান,
কখনো সুনীল রঙে, স্বপ্নিল সাজ নাও,
কভু তারকার স্নীগ্ধ আলোর আঁচল দাও।
নাই রাজ অশ্ব, নেই শাহী ফরমান,
প্রতিটি রক্তকণিকা বলে, তুমি নীল আসমান,
কখনো সুনীল রঙে, স্বপ্নিল সাজ নাও,
কভু তারকার স্নীগ্ধ আলোর আঁচল দাও।
দিবানিশি পাষাণের মতো, নীরব যে থাকনা,
আমার সুখের তরে, তোমার সকল বন্দনা।
তোমার রূপের মহাসমুদ্রে, আমি যে বিভোর,
মহাইন্দ্রজালের প্রেমময় ভূষণে, দেখি প্রতিটি ভোর।
দিবানিশি পাষাণের মতো, নীরব যে থাকনা,
আমার সুখের তরে, তোমার সকল বন্দনা।
তোমার রূপের মহাসমুদ্রে, আমি যে বিভোর,
মহাইন্দ্রজালের প্রেমময় ভূষণে, দেখি প্রতিটি ভোর।
হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?
হাজারোবার যে দ্বারে, টোকেছে বাসনার ইঙ্গিত!
সে দ্বার খোলেনি, গেয়ে গেল শব্দহীন সংগীত।
হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?
হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে--
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?
শিশির মেলা
বিলিয়ে দিতে তোমার তরে, চাই তনু আর প্রাণ,
ভালবাসা হউকনা জমা, কোমল হৃদের ত্রাণ।
দুরু দুরু বুক চেয়ে যায়, করুণার সে বৃষ্টিধারা,
তোমার প্রেমে মন হারিয়ে, কে হলো আর পাগলপারা?
বিলিয়ে দিতে তোমার তরে, চাই তনু আর প্রাণ,
ভালবাসা হউকনা জমা, কোমল হৃদের ত্রাণ।
দুরু দুরু বুক চেয়ে যায়, করুণার সে বৃষ্টিধারা,
তোমার প্রেমে মন হারিয়ে, কে হলো আর পাগলপারা?
হলুদ ফুলের মেলা কভু, বসছে কি আর তোমার বাগে?
মনোলোভা অচিন ফুলে, সাজিয়ে দিতে কেউ এসেছে?
হৃদয় সঁপে দরদ ঢেলে, কেউ গেল কি গান গেয়ে,
তোমার মনে স্থায়ী আসন, কে নিল আজ তা' কেড়ে?
হলুদ ফুলের মেলা কভু, বসছে কি আর তোমার বাগে?
মনোলোভা অচিন ফুলে, সাজিয়ে দিতে কেউ এসেছে?
হৃদয় সঁপে দরদ ঢেলে, কেউ গেল কি গান গেয়ে,
তোমার মনে স্থায়ী আসন, কে নিল আজ তা' কেড়ে?
শিশির মেলা জমছে মাথায়, কবে তাহা কেবা জানে;
জানলেনাতো কোন্ মনে সে, বসে থাকে কোন্ সে ধ্যানে?
সব হারাতে চাই কেনো সে, তোমার হৃদয় জয়ে;
সময় কত যায় বয়ে যায়, জীবন নদীর তটে।
শিশির মেলা জমছে মাথায়, কবে তাহা কেবা জানে;
জানলেনাতো কোন্ মনে সে, বসে থাকে কোন্ সে ধ্যানে?
সব হারাতে চাই কেনো সে, তোমার হৃদয় জয়ে;
সময় কত যায় বয়ে যায়, জীবন নদীর তটে।
থামবে কভু জীবন যাত্রা এমনি করে কোন কালে?
বিভোর কেন তোমার প্রেমে, যাই খুঁজে তা মুগ্ধ মনে।
জীবন জুড়ে সবার আছে, ভালবাসার শরৎ সকাল;
কেউবা দেখে বুঝতে পারে, যায় যে তাহার সান্ধ্যকাল।
থামবে কভু জীবন যাত্রা এমনি করে কোন কালে?
বিভোর কেন তোমার প্রেমে, যাই খুঁজে তা মুগ্ধ মনে।
জীবন জুড়ে সবার আছে, ভালবাসার শরৎ সকাল;
কেউবা দেখে বুঝতে পারে, যায় যে তাহার সান্ধ্যকাল।
লাগলনা যে সফল হাওয়া, এই হৃদয়ের খোলা দোরে!
চলেনা যে প্রেমের তরী, চলবে কি তা' হাওয়া বিনে?
ভালোবাসার জল কি সেঁচে, যাবে তাদের তরে?
ভালোবাসে তোমায় যারা, নিজের প্রাণের চেয়ে?
লাগলনা যে সফল হাওয়া, এই হৃদয়ের খোলা দোরে!
চলেনা যে প্রেমের তরী, চলবে কি তা' হাওয়া বিনে?
ভালোবাসার জল কি সেঁচে, যাবে তাদের তরে?
ভালোবাসে তোমায় যারা, নিজের প্রাণের চেয়ে?
শিশির মেলা জমছে মাথায়, কবে তাহা কেবা জানে;
জানলেনাতো কোন্ মনে সে, বসে থাকে কোন্ সে ধ্যানে?
সব হারাতে চাই কেনো সে, তোমার হৃদয় জয়ে;
সময় কত যায় বয়ে যায়, জীবন নদীর তটে।
শিশির মেলা জমছে মাথায়, কবে তাহা কেবা জানে;
জানলেনাতো কোন্ মনে সে, বসে থাকে কোন্ সে ধ্যানে?
শিশির মেলা জমছে মাথায়, কবে তাহা কেবা জানে--
শিশির মেলা জমছে মাথায়--
শিশির মেলা ---
হৃদয় কন্দরে
কবিতা তোমার আশ্রয়স্থল হয়তো হারিয়ে যাবে!
মিশিয়ে দেবে দুঃখের উদ্ভট গন্ধ মেশানো মদে।
হারানোর বেদনা সে যে তিক্ত পেয়ধারার মতো,
আশা করা হয়না কভু যা'দিয়ে যাবে যতো।
কবিতা তোমার আশ্রয়স্থল হয়তো হারিয়ে যাবে!
মিশিয়ে দেবে দুঃখের উদ্ভট গন্ধ মেশানো মদে।
হারানোর বেদনা সে যে তিক্ত পেয়ধারার মতো,
আশা করা হয়না কভু যা'দিয়ে যাবে যতো।
মসৃণ হৃদয়ভূমে জাগাবে ধূ ধূ মরুময় বালুকারাশি,
জাগবে হৃদয় নদীতে বেদনার বালুচর রাশি রাশি।
যে নদী বয়ে চলে, প্রিয় জনের ভালবাসার সন্ধানে;
সে যে কী মরুতৃষা নিয়ে চলে, জানেতো কেবল সে।
মসৃণ হৃদয়ভূমে জাগাবে ধূ ধূ মরুময় বালুকারাশি,
জাগবে হৃদয় নদীতে বেদনার বালুচর রাশি রাশি।
যে নদী বয়ে চলে, প্রিয় জনের ভালবাসার সন্ধানে;
সে যে কী মরুতৃষা নিয়ে চলে, জানেতো কেবল সে।
জানবে সেদিন ভাল করে,ভালবাসা হৃদয়পটে,
সুন্দর সেতো অনন্যা,বলছি মধুর লগন মাঝে।
ভাল করে নিও দেখে, কবিতার সব অঙ্গ জুড়ে,
বিষাদমাখা অশ্রুসজল, কান্নাতে যার বুক ভাসে।
সন্দেহের বোমারু বিমান, মনাকাশে যায় উড়ে যায়,
মরণবীণায় প্রাণ কে দেবে , নির্লিপ্ত সব আঁখি তাই।
ভাগ্য কারো তৈরি করা, কারো আবার গড়তে হয়,
জীবন মাঝে যুদ্ধ করে, প্রাণকে আপন করতে হয়।
প্রতিভার স্বাক্ষর নাকি, বিরহের মহাঔষধ!
জীবনের প্রাণসঞ্চালনে, মৃত দেহে সঞ্জীবন।
অসভ্য প্রবৃত্তিকে খুঁজে বের করে, বধ্যভূমিতে কর বধ,
দাও প্রেরণা, মহান সে প্রভুর আভাসে, তুমি দিনভর।
প্রতিভার স্বাক্ষর নাকি, বিরহের মহাঔষধ!
জীবনের প্রাণসঞ্চালনে, মৃত দেহে সঞ্জীবন।
অসভ্য প্রবৃত্তিকে খুঁজে বের করে, বধ্যভূমিতে কর বধ,
দাও প্রেরণা, মহান সে প্রভুর আভাসে, তুমি দিনভর।
স্বপ্ন দেখাও, পথের দেখা, জীবন পথের কত মেলা!
লাভের দেখা মিলবে কবে, সেই হিসেবে জ্ঞান হারা।
কবিতার সৃষ্টি তব, প্রেম নিবেদন, নিজের তরে!
সৃষ্টির উল্লাসে আজ সব কাঁপে তাই হৃদয় কন্দরে।
স্বপ্ন দেখাও, পথের দেখা, জীবন পথের কত মেলা!
লাভের দেখা মিলবে কবে, সেই হিসেবে জ্ঞান হারা।
কবিতার সৃষ্টি তব, প্রেম নিবেদন, নিজের তরে!
সৃষ্টির উল্লাসে আজ সব কাঁপে তাই হৃদয় কন্দরে।
কবিতার সৃষ্টি তব, প্রেম নিবেদন, নিজের তরে!
সৃষ্টির উল্লাসে আজ সব কাঁপে তাই হৃদয় কন্দরে।
সৃষ্টির উল্লাসে আজ সব কাঁপে তাই হৃদয় কন্দরে--
কবিতার সৃষ্টি তব, প্রেম নিবেদন, নিজের তরে!
সৃষ্টির উল্লাসে আজ সব কাঁপে তাই হৃদয় কন্দরে । ।
বিশ্বাসের হারজিত
ভালোবাসা অভিনয়, ভালোবাসা ভাল নয়,
ভালোবাসা জীবনে ক্ষত হয়ে গেঁথে রয়।
নেই কোন দন্ড, মেপে নিব অন্ত,
ভালোবাসে ভালোবাসি, তন্ত্র-মন্ত্র।
ভালোবাসা অভিনয়, ভালোবাসা ভাল নয়,
ভালোবাসা জীবনে ক্ষত হয়ে গেঁথে রয়।
নেই কোন দন্ড, মেপে নিব অন্ত,
ভালোবাসে ভালোবাসি, তন্ত্র-মন্ত্র।
ভালো লাগে রুপ সুধা, করি পান অফুরান,
স্নিগ্ধতা চাহনীর, খুন করে কাঁড়ে প্রাণ।
ভাষাহারা নির্বাক, নিশ্চুপ চুপ চুপ,
গোলাপী গন্ড, পাঁপড়ি ছোপ ছোপ।
ভালো লাগে রুপ সুধা, করি পান অফুরান,
স্নিগ্ধতা চাহনীর, খুন করে কাঁড়ে প্রাণ।
ভাষাহারা নির্বাক, নিশ্চুপ চুপ চুপ,
গোলাপী গন্ড, পাঁপড়ি ছোপ ছোপ।
ভালো লাগে রুপ সুধা, করি পান অফুরান,
স্নিগ্ধতা চাহনীর, খুন করে কাঁড়ে প্রাণ।
ভাষাহারা নির্বাক, নিশ্চুপ চুপ চুপ,
গোলাপী গন্ড, পাঁপড়ি ছোপ ছোপ।
কাল কেশ, লাগে বেশ, উড়ছে তো উড়ছে,
চাঁদমুখে বাতাসে, দোল খেয়ে খেলছে।
সচেতন আঙ্গুল সযতনে সরিয়ে,
মুগ্ধতা বাড়িয়ে, কাছে টানে সহজে।
কাল কেশ, লাগে বেশ, উড়ছে তো উড়ছে,
চাঁদমুখে বাতাসে, দোল খেয়ে খেলছে।
সচেতন আঙ্গুল সযতনে সরিয়ে,
মুগ্ধতা বাড়িয়ে, কাছে টানে সহজে।
শিশিরে স্নাত হওয়া, ফোটা ফুল সদ্য,
সোনালী কিরণে, অপরূপ পদ্ম,
নিষ্পাপ নিশ্চিত, পাপ নেই কিঞ্চিৎ,
ভালবাসে-ভালবাসি, বিশ্বাসের-হারজিত।
শিশিরে স্নাত হওয়া, ফোটা ফুল সদ্য,
সোনালী কিরণে, অপরূপ পদ্ম,
নিষ্পাপ নিশ্চিত, পাপ নেই কিঞ্চিৎ,
ভালবাসে-ভালবাসি, বিশ্বাসের-হারজিত।
ভালোবাসা অভিনয়, ভালবাসা ভাল নয়,
ভালোবাসা জীবনে ক্ষত হয়ে গেঁথে রয়।
নেই কোন দন্ড, মেপে নিব অন্ত,
ভালোবাসে ভালোবাসি, তন্ত্র-মন্ত্র।
নিষ্পাপ নিশ্চিত, পাপ নেই কিঞ্চিৎ,
ভালবাসে-ভালোবাসি, বিশ্বাসের-হারজিত।
ভালবাসে-ভালোবাসি, বিশ্বাসের-হারজিত।
বিশ্বাসের হারজিত ----
বিশ্বাসের হারজিত । ।
ভালোবাসার সিংহদ্বার
ভালোবাসো কি?
ভালোবাসো কি?
প্রশ্নের জবাব বড্ড দেরী!
তাতে কার কী আসে যায়!!!
তা জানার অধিকার, আজ নাই,
কোন দিন ভালোবাসার দাবী নিয়ে,
আসবোনা, প্রিয়তমা!
অনুগ্রহ করতে পারো,
দয়া দেখাতে পারো,
ভালোবাসার কাঙ্গালরে আরো।
জেনে রেখো, স্মরণে রেখো,
এসেছিলাম ভালোবাসার দাবী নিয়ে,
ফিরে গেলাম তোমার সুখ শান্তির বিনিময়ে।
মনের গহীনে, অজানা কোন অঞ্চলে,
বিন্দু বিন্দু স্মৃতি রয় যদি,
অসহায় তিলগুলো রেখো যতন করে।
অভিশপ্ত জীবনের আশীর্বাদ জীবনে তোমার,
লাভ না ক্ষতি হবে তা বুঝিনা, তাই নির্বিকার।
তবু মনে প্রাণে চাইবো সখা,
সুখ-মালিকের তরে,
"সুখ,শান্তি ও নিরাপত্তায় রেখো তারে চিরকাল"।
নির্দোষ, নিষ্পাপ সে তো, সকল দোষ আমার।
প্রেম ভালোবাসার ধরণী তলে,
তুমি উজ্জ্বল চন্দ্রাবতী!
শিখবে সবাই, কেমন করে,
দিতে হয় ভালোবাসার সম্মান।
আত্নরক্ষার সুতীক্ষ্ণ কৌশল,
সময়ের প্রয়োজনে বাঁচবে দুটি জীবন!
ভালোবেসে কাছে পেলে হয়তো, পূর্ন হতো জীবন,
না পেয়ে হলো তাহা, শান্তি, নিরাপদের আবেদন।
ভালোবাসি কি না?
সুস্পষ্ট দিবালোকের মতো,
স্বচ্ছ কাঁচের দেয়ালে দেখো,
বেদনার নীলে, নীল আসমান,
আলোর প্রতিসরনে কবি ও কবিতায়।
ভালোবাসি কি না?
সুস্পষ্ট দিবালোকের মতো,
স্বচ্ছ কাঁচের দেয়ালে দেখো,
বেদনার নীলে, নীল আসমান,
আলোর প্রতিসরনে কবি ও কবিতায়।
আমি ছোট হয়, হবো বারে বারে,
বড় হও, রবে, জীবনের পারে পারে।
চিররুদ্ধ নয়, অবমুক্ত চিরকাল,
ভালোবাসার সিংহদ্বার,
প্রেম মহলের রাজ তোরণ,
প্রতীক্ষ্যমাণ জানাতে শুভেচ্ছা তোমায়!
চিররুদ্ধ নয়, অবমুক্ত চিরকাল,
ভালোবাসার সিংহদ্বার,
প্রেম মহলের রাজ তোরণ,
প্রতীক্ষ্যমাণ জানাতে শুভেচ্ছা তোমায়!
চিররুদ্ধ নয়, অবমুক্ত চিরকাল,
ভালোবাসার সিংহদ্বার।
চিররুদ্ধ নয়, অবমুক্ত চিরকাল,
ভালোবাসার সিংহদ্বার----
ভালোবাসার সিংহদ্বার । ।
ভালোবাসার সিংহদ্বার । ।
বিরহের কবি
বিরহের কবি কভু মনে রাখে সান্ত্বনা,
প্রেম আর ছন্দে সাজানো জানানা,
প্রকৃতির উঁকিঝুঁকি, কবিতা ও ছন্দে,
পাঠকে নেচে যায় সুখ আর আনন্দে।
বিরহের কবি কভু মনে রাখে সান্ত্বনা,
প্রেম আর ছন্দে সাজানো জানানা,
প্রকৃতির উঁকিঝুঁকি, কবিতা ও ছন্দে,
পাঠকে নেচে যায় সুখ আর আনন্দে।
তৃপ্ত কবিমন, লেখালেখি স্বভাবে,
স্বর্গীয় সব সুখ দু'হাতে বিলাবে।
কবিতার পুষ্প ফোটবে নিশিদিন,
ভ্রমরের গুঞ্জনে বাজবে সুখ-বীন।
তৃপ্ত কবিমন, লেখালেখি স্বভাবে,
স্বর্গীয় সব সুখ দু'হাতে বিলাবে।
কবিতার পুষ্প ফোটবে নিশিদিন,
ভ্রমরের গুঞ্জনে বাজবে সুখ-বীন।
সেরাদের সেরা হও ভাবে ও ছন্দে,
অপরুপ পুষ্প, ভরে রাখো গন্ধে।
জীবনের আয়োজন, প্রয়োজন যতটুকু,
রেখে দাও সকলে, হৃদয়ের সবটুকু।
সেরাদের সেরা হও ভাবে ও ছন্দে,
অপরুপ পুষ্প, ভরে রাখো গন্ধে।
জীবনের আয়োজন, প্রয়োজন যতটুকু,
রেখে দাও সকলে, হৃদয়ের সবটুকু।
বিরহের কবি কভু মনে রাখে সান্ত্বনা,
প্রেম আর ছন্দে সাজানো জানানা,
প্রকৃতির উঁকিঝুঁকি, কবিতা ও ছন্দে,
পাঠকে নেচে যায় সুখ আর আনন্দে।
বিরহের কবি কভু মনে রাখে সান্ত্বনা,
প্রেম আর ছন্দে সাজানো জানানা,
বিরহের কবি কভু----
বিরহের কবি ।
অনন্তকালের অন্তিম রেখায়
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
কবিতা বেগম: প্রিয়তম!
তোমাকে ভুলতে যেয়ে তাবৎ দুনিয়াকে ছেড়ে দিয়েছি,
যতটুকুনা করলেই নয়, সেইটুকুই করি,
দায়িত্ব ও কর্তব্যের খাতিরে যা করার তাই করে চলি,
এই ধরো স্বামী, সন্তান, সংসার আর আখিরাত নিয়ে ভাবি।
মধ্যবয়সের মাইলেজ খুব দ্রুতগতিতে ছুটছে,
তাই চূড়ান্ত লক্ষ্যে, এগিয়ে চলছি, খোদার দীদার লাভে।
কবিতা বেগম: প্রিয়তম!
তোমাকে ভুলতে যেয়ে তাবৎ দুনিয়াকে ছেড়ে দিয়েছি,
যতটুকুনা করলেই নয়, সেইটুকুই করি,
দায়িত্ব ও কর্তব্যের খাতিরে যা করার তাই করে চলি,
এই ধরো স্বামী, সন্তান, সংসার আর আখিরাত নিয়ে ভাবি।
মধ্যবয়সের মাইলেজ খুব দ্রুতগতিতে ছুটছে,
তাই চূড়ান্ত লক্ষ্যে, এগিয়ে চলছি, খোদার দীদার লাভে।
কবি: প্রিয়তমা!
জানো! তোমাকে এক নজর দেখার জন্য সাত আসমান,
সাত জমিন, এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের সকল পরতে পরতে
খু্ঁজতে খুঁজতে থমকে দাঁড়াই।
তুমি তো এখন অন্য কারো, এই ভাবনায়।
তুমি কেমন আছো, আছো কোথায়?
সৌভাগ্য হবে কি দুদন্ড কথা বলার!
কবিতা বেগম: প্রিয়তম!
অনেক কষ্ট পেয়েছো, তোমার ভিতর বাহির সব আমার জানা সুস্পষ্টরূপে,
আর পাগলামি করোনা, দয়া করে।
অশান্তি ডেকোনা, তোমার সুখের সংসারে।
দোয়া করি, ভালো থেকো সব সময়।
আর জান্নাতী হয়ে যেনো দেখা হয়।
কবিতা বেগম: বন্ধু আমার!
অনন্তকালের অন্তিম রেখায়,
দু'জনেই দাঁড়িয়ে নির্বিকার।
নিশ্চিন্ত মনে ছেড়ে দাও,
তাকদীর আর খোদার উপর,
আমার সব সুখ, শান্তি, জীবনের চাওয়া পাওয়া,
গুনে গুনে পূরণ করবেন, আল্লাহ তা'য়ালা।
কবিতা বেগম: ছুটো দীদার লাভে খোদার,
দুঃখ রবেনা কোন আর।
সবার চেয়ে আপন হয়ে,
সদা পাশে রয়বে তোমার।
কবিতা বেগম: প্রিয়তম!
অনেক কষ্ট পেয়েছো, তোমার ভিতর বাহির সব আমার জানা সুস্পষ্টরূপে,
আর পাগলামি করোনা, দয়া করে।
অশান্তি ডেকোনা, তোমার সুখের সংসারে।
দোয়া করি, ভালো থেকো সব সময়।
আর জান্নাতী হয়ে যেনো দেখা হয়।
কবিতা বেগম: বন্ধু আমার!
অনন্তকালের অন্তিম রেখায়,
দু'জনেই দাঁড়িয়ে নির্বিকার।
নিশ্চিন্ত মনে ছেড়ে দাও,
তাকদীর আর খোদার উপর,
আমার সব সুখ, শান্তি, জীবনের চাওয়া পাওয়া,
গুনে গুনে পূরণ করবেন, আল্লাহ তা'য়ালা।
কবিতা বেগম: ছুটো দীদার লাভে খোদার,
দুঃখ রবেনা কোন আর।
সবার চেয়ে আপন হয়ে,
সদা পাশে রয়বে তোমার।
কবিতা বেগম: বন্ধু আমার!
অনন্তকালের অন্তিম রেখায়,
দু'জনেই দাঁড়িয়ে নির্বিকার।
কবিতা বেগম: বন্ধু আমার!
অনন্তকালের অন্তিম রেখায় ---
অনন্তকালের অন্তিম রেখায় -----
অনন্তকালের অন্তিম রেখায় । ।
[Verse 1]
রাত্রি যতো গভীর, বাড়ে অন্ধকার,
নিকচ কালো, নিরাশার সীমানা পায়না খুঁজে,
হতাশ সবে হলো।
আশার আলো খুঁজে বেড়ায় হেথায় হোথায়,
সকল জনে, ভাবছে কতো,
আকাশ পাতাল,
হতাশ হয়ে,
নিরাশ মনে।
[Chorus]
আপন মানুষ খুঁজে
আপন মানুষ খুঁজে
ধূলীর ধরায়, খুঁজে খুঁজে,
আপন মানুষ পায়নি কা'রে!
[Verse 2]
সবাই ভুলে, আপন মনে,
নিজের কাজে ব্যস্ত সবে,
আমি ভাবি,
বেকার মনে,
অলস দেহে,
কখন কি হবে?
ভোর হলে, দোর খোলে,
রবির আলো গায়ে মেখে,
পথে পথে কতো পথে,
পদ মাড়ায়,
আপন মানুষ খুঁজে।
[Chorus]
আপন মানুষ খুঁজে
আপন মানুষ খুঁজে
ভূবন মাঝে, গগন তলে,
আসলোনারে উপকারে।
[Bridge]
সকাল দুপুর, সন্ধ্যা রাতে,
কথা বলার,
কেউবা শোনার,
কেউ নেই,
তবু মন ফেরে,
ঘুরে ঘুরে,
নিরাশ হয়ে,
দোরে।
[Chorus]
আপন মানুষ খুঁজে
আপন মানুষ খুঁজে
বেলা বেলা, জনে জনে,
ঘুরে ঘুরে নিরাশ হয়ে, দোরে।
জানিনাতো কোন দিন কোকিলের সুরে,
চলে যাবে কিনা তুমি, দূরে বহুদূরে।
ভালোবাসার সব কথা মিশে গেছে ওরে,
কোকিলের কুহু তানে সুমধুর সুরে।
যদি কোন দুপুরে জানালার পাশে,
আমারি গানগুলি সুর হয়ে ভাসে,
কুহুকহুরবে, কোকিলের সুরে,
বুঝে নিও সব ব্যথা রপ যত দূরে।
জানিনাতো কোনদিন আসবে কিনা,
সাগরের বালুতীরে হাঁটবে কীনা!
বেদনার বালুচর জমে আছে কতোদিন,
তোমারি ছোঁয়া পেয়ে শোধিবে সব ঋণ।
২০/০৯/২০২৬
জেদ্দা, সউদীআরব।
ভালোবাসার ভাষা আর উচ্চতা
ভালোবাসার ভাষা আর উচ্চতা জানতে,
চলে যেও পাহাড়ের মৌন কোলেতে।
আসমান ছুঁয়ে যাওয়া উঁচু উঁচু পাহাড়ে,
ভালোবাসার উচ্চতা দেখো বলে কাহারে।
ভাষা আর ভালোবাসা পাহাড়ের মৌনতা,
ঠিক ঠিক বুঝে নিবে জমে থাকা বারতা।
বেদনার সব রং নীল আকাশে,
জড়িয়ে সামিয়ান ছড়িয়ে আছে।
সাগরের উপকূলে এসো যদি এলোকেশে,
ঢেউ ছুটে উপকূলে দেখো কত ভালোবেসে।
সাগরের গর্জনে মিশে আছে শোনে নিও,
ভালোবাসার অর্জন লাভ ক্ষতি দেখে নিও।
নদীতীরে এসো যদি বিকেলের রোদ মেখে,
বেলা যাবে নীরবে পাখিদের ফেরা দেখে।
ভালোবাসার গান শোনে, কলকল কলতানে,
বুক ভরা শান্তি দেহ মনে স্বস্তি সব রবে সমানে।
ভালোবাসার ভাষা আর উচ্চতা ||
ভালোবাসার ভাষা আর উচ্চতা জানতে,
চলে যেও পাহাড়ের মৌন কোলেতে।
আসমান ছুঁয়ে যাওয়া উঁচু উঁচু পাহাড়ে,
ভালোবাসার উচ্চতা দেখো বলে কাহারে।
ভাষা আর ভালোবাসা পাহাড়ের মৌনতা,
ঠিক ঠিক বুঝে নিবে জমে থাকা বারতা।
বেদনার সব রং নীল আকাশে,
জড়িয়ে সামিয়ান ছড়িয়ে আছে।
সাগরের উপকূলে এসো যদি এলোকেশে,
ঢেউ ছুটে উপকূলে দেখো কত ভালোবেসে।
সাগরের গর্জনে মিশে আছে শোনে নিও,
ভালোবাসার অর্জন লাভ ক্ষতি দেখে নিও।
নদীতীরে এসো যদি বিকেলের রোদ মেখে,
বেলা যাবে নীরবে পাখিদের ফেরা দেখে।
ভালোবাসার গান শোনে, কলকল কলতানে,
বুক ভরা শান্তি দেহ মনে স্বস্তি সব রবে সমানে।
প্রেমের স্বীকৃতি
রক্ষণশীল পরিবারে প্রেমের স্বীকৃতি নাই,
কেনো?
আমৃত্যু চিতার অনলে জ্বলে, হৃদয় দু'দুটো।
কিইবা হতো? যদি প্রেমময় মন দুটো জুড়ে যেতো,
আজীবন সুখ সাগরে সাতার কাটতো অবিরত।
এমন নিষ্ঠুর নির্মম কেনো রক্ষণশীল পরিবার?
কত প্রেমের অপমৃত্যু জীবন্ত লাশ বেশুমার।
মেয়ে হলে "ভালো ছেলে" সুখের সংসার প্রলোভন,
ছেলে হলে "উচ্চ বংশ, মেয়ে ভালো" সুমিষ্ট ভাষণ।
বিয়ে হলো ঠিক মন দিক বিদিক দেহ বিনে,
মন শুধু খুঁজে ফিরে প্রিয়মন আনমনে।
মন চলে মনের মতন যখন যা চায় বল,
কে বাধা দিবে, কার সাধ্যি, সবার ক্ষমতা অচল।
রক্ষণশীল পরিবারে প্রেমের স্বীকৃতি নাই,
কেনো?
আমৃত্যু চিতার অনলে জ্বলে, হৃদয় দু'দুটো।
কিইবা হতো? যদি প্রেমময় মন দুটো জুড়ে যেতো,
আজীবন সুখ সাগরে সাতার কাটতো অবিরত।
এমন নিষ্ঠুর নির্মম কেনো রক্ষণশীল পরিবার?
কত প্রেমের অপমৃত্যু জীবন্ত লাশ বেশুমার।
মেয়ে হলে "ভালো ছেলে" সুখের সংসার প্রলোভন,
ছেলে হলে "উচ্চ বংশ, মেয়ে ভালো" সুমিষ্ট ভাষণ।
আত্মপ্রবঞ্চনা
ভালোবাসিনি! তাকে, সে ভীষণ ভালোবাসে,
স্বপ্ন সাধনা, জীবনের স্পন্দন অনায়াসে।
দুই যুগ হলো, আশায় বাঁধে বুক আজো নীরবে,
মনে হলে, হৃদ-মহলে ব্যাথার করুন সুুর সরবে।
ভালোবাসিনি! তাকে, ভীষণ ভালোবাসে,
স্বপ্ন সাধনা, জীবনের স্পন্দন অনায়াসে।
দুই যুগ হলো, আশায় বাঁধে বুক আজো নীরবে,
মনে হলে, হৃদ-মহলে ব্যাথার করুন সুুর সরবে।
দুজনের আত্ম প্রবঞ্চার কথা ভাসে ইথারে ইথারে,
অন্ধকূপে আর্তনাদ চিৎকার হাহাজারি হাজারে হাজারে।
রঙ্গীন স্বপ্ন, সুখের হাতছানিতে ভালোবাসা ছেড়ে।
স্বার্থপরের মতো ঠেলে দিলাম তারে বিরহীদের ভীঁড়ে।
এ কেমন আত্ম প্রবঞ্চনা বলো, দু' যুগ ধরে অনুশোচনা চলে,
কোমল হৃদয় দুটি অগ্নিগিরির জ্বালামুখে পোঁড়ে আর জ্বলে।
দুজনের আত্ম প্রবঞ্চনার কথা ভাসে ইথারে ইথারে,
অন্ধকূপে আর্তনাদ চিৎকার হাহাজারি হাজারে হাজারে।
রঙ্গীন স্বপ্ন, সুখের হাতছানিতে ভালোবাসা ছেড়ে।
স্বার্থপরের মতো ঠেলে দিলাম তারে বিরহীদের ভীঁড়ে।
এ কেমন আত্ম প্রবঞ্চনা বলো, দু' যুগ ধরে অনুশোচনা চলে,
কোমল হৃদয় দুটি অগ্নিগিরির জ্বালামুখে পোঁড়ে আর জ্বলে।
বিয়ে হলো ঠিক মন দিক বিদিক দেহ বিনে,
মন শুধু খুঁজে ফিরে প্রিয়মন আনমনে।
মন চলে মনের মতন যখন যা চায় বল,
কে বাধা দিবে, কার সাধ্যি, সবার ক্ষমতা অচল।
হৃদয়ের রাণী
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
ভুলতে কী পেরেছো তুমি? হৃদয়ের রাণী,
বলেছিলে ভুলে যেতে, সেতো আজো পারিনি!
কী পেয়েছিলাম তোমার মাঝে প্রশ্ন রেখে,
শূণ্যের মাঝে অসীমের বিস্তার দেখে দেখে।
আজো প্রায় পাগল, হত-বিহ্বল মনে পড়ে, তোমার!
হৃদয়ের কত গভীরে বসবাস বুঝিবে কবে আর।
ভুলিতে সবাই বলে, যেমনি তুমি বলেছিলে,
ভুলিতে পারিনা কোনমতে, ভুলা যায়না ভুলে।
কী করি বলো!
আজ নিরুপায় সর্বহারা বড়ই অসহায়,
যুগ যুগ স্মৃতিমাঝে হাতড়ে বেড়ায়।
রয়ে গেলে অধরায়।
তোমাকে হারানোর সাথে সাথে,
সময় হারালো তার গতি,
ক্যালেন্ডার অর্থহীন হয়ে দেয়ালে ঝুলে,
বার বার ফিরে আসে স্মৃতি।
বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব কাল,
দখলে সদা অতীতকাল,
কালের বিস্তৃতি সংকীর্ণ, থমকে দাঁড়ায়,
যখন তোমায় হারায়।
হৃদয়ের রাণী!
তোমার আকাশে কি স্মৃতির বিজলীরা চমকায়!
হৃদয় ফাটার আর্তস্বর, বজ্রনাদ কি শোনা যায়!
স্মৃতির দেয়ালে দৃষ্টি পড়ে কি কভু তোমার,
হৃদয়ে আদৌ স্মৃতি নিঃশেষে কিছু আমার!
২৯/০৯/২০২৬
জেদ্দা, সউদীআরব।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Heartfelt Thanks for your valuable comments.