👤 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: এ.এস একাডেমি 📚 শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.এস (অনার্স), অর্থনীতি — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এম.এস.এস (অর্থনীতি) — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বি.এড — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, এম.এড — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়| 🏫 পেশাগত অভিজ্ঞতা: প্রাক্তন শিক্ষক, ব্লু-বার্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাটিকাটা, ঢাকা সেনানিবাস। প্রাক্তন শিক্ষক, হলি ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। 📧 Email: ariful01711@gmail.com Mobile: +966572496324
শুক্রবার, মে ০১, ২০২৬
২০। ভালো থেকো খাদিজা
১৯। জীবন ও সম্মান
জীবম ও সন্মান
--- আরিফ শামছ্
কিসের স্বপন দেখে আজি,
রাখছো কোথায় হাত?
কাদের হাতে রাখছো তোমার,
জীবন ও সম্মান?
জাননাতো সবার খবর,
কোথায় কিযে করে!
পড়াশুনা করবে নাকি!
সেসব খবর নিবে?
বয়স তোমার সমান হবে
কিংবা দুয়েক বেশী,
এই বয়সে নাইতো খবর,
জীবন সাজায় কী?
কিসের নেশায় ছুটল দেখো
তোমার পিছু পিছু,
সাজাবে কি জীবন নাকি,
সঙ্গ দিবে কিছু?
লেখাপড়া শেষ করেনি,
পায়নি ভালো কাজ,
জীবন নিয়ে নিঠুর খেলা,
খেলবে কেমন রাজ!
আবেগ দিয়ে চলে নাকো,
পূর্ণ জীবন যাপন,
হাঁড়ে হাঁড়ে বুঝবে সেদিন,
রবে নাকো আপন।
ডানে বাঁয়ে ঘুরে ফিরে
পথ হারাতে মানা,
ভাল করে পড়া শেষে,
গর্বিত হোক মা।
উজাড় করে ভালোবেসে,
বিদ্যালয়ে পাঠায়,
অপমানের কালি কভু,
ছোঁড়বেনা তাঁ'র গায়।
ভালো মেয়ের ছেলে বন্ধু
থাকতে নাহি পারে,
শিক্ষা-দীক্ষায়, মানুষ হতে,
লক্ষ্য সবার আগে।
জাননাতো কে যে তোমায়,
নিয়ে যাবে কোথা!
তারচে' ভালো লেগে পড়,
জীবন সাজায় যেথা।
প্রেমের ফাঁদে এমন সময়
দিবে নাকো পা,
সবাই তাহার বিরুপ ফসল,
সয়তে পারেনা।
হতে পারে সাঙ্গ তোমার
জীবন লীলা খেলা,
জীবন্মৃত হয়ে কিবা,
কেটে যাবে বেলা!
১৫। Think
Earning money, fame & live!!!
Costing, defame & die;
May it come turn by turn?
What's the existing of our life???
Rest of the money or fame!!!
Will it help us in the life next?
Where will we go? Where the destination?
Think ! think! and think truth practically,
Take a fruitful decision for the best way.
০১। ১৪২৩ বলছি!
এই কবিতাটি ১৪২৩ বঙ্গাব্দের অন্তিম লগ্নে রচিত, যেখানে কবি সময়ের গমন ও আগমন, আবেগ ও যন্ত্রণা, প্রত্যাশা ও নিরাশার এক সজীব চিত্র অঙ্কন করেছেন। নিচে এর বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে তুলে ধরা হলো:
১. কাব্যিক ও সাহিত্যিক বিশ্লেষণ:
কবিতাটিতে সময়ের রূপান্তরকে এক জীবনঘনিষ্ঠ চিত্ররূপে উপস্থাপন করা হয়েছে। “চৈত্রের সংক্রান্তি, বসন্ত বিদায়”—এই বাক্যদ্বয়ে ঋতুচক্রের অন্তরাল দিয়ে জীবনের গভীর অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করেছেন কবি। ব্যক্তিগত বেদনার সঙ্গে জাতিগত, সামাজিক রূপান্তরের মিশ্রণে এক অন্তর্জাগতিক আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
২. ছন্দ ও মাত্রা:
কবিতাটি মুক্তছন্দে রচিত। এখানে ১৪ মাত্রার ছন্দ বা পদ্যছন্দ অনুসরণ করা হয়নি; বরং কবি ভাবপ্রবণতাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। কোথাও কোথাও অন্ত্যমিল আছে, যেমন—
“চরম অনাদর, অবহেলা অবশেষে।
১৪২৪ আসবে, ভালবাসবে কি বাসবেনা!”
এইভাবে অনিয়মিত হলেও ছন্দের প্রবাহে পাঠক আবেগে প্রবাহিত হয়।
৩. রসাস্বাদন (রসতত্ত্ব):
এখানে মূলত কারুণ্য রস ও বীর রস-এর ছোঁয়া আছে। কবি একদিকে নিজের বেদনা, অবহেলা, অনাদরের কথা বলেছেন, আবার অন্যদিকে ভবিষ্যতের বছরকে সতর্ক বার্তাও দিয়েছেন—
“১৪২৪! দেখে প্রস্তুত থাক ততে আজি,
মেনে নিতে এমনি নিষ্ঠুর পরিনতি!”
এখানে বেদনাও আছে, আবার প্রত্যয়ের মিশ্রণও রয়েছে।
৪. প্রেক্ষাপট:
এই কবিতা ১৪২৩ বঙ্গাব্দের শেষ দিনে রচিত, চৈত্র সংক্রান্তির প্রাক্কালে। এটি একটি প্রতীকী মুহূর্ত—পুরাতন বছরের বিদায় ও নতুন বছরের আগমন। এই পটভূমিতে কবি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের অভিজ্ঞতাকে মিলিয়ে দিয়েছেন।
৫. সমালোচনা ও পর্যালোচনা:
-
শক্তি:
- সময় ও ব্যক্তিগত অনুভূতির সংমিশ্রণ।
- বাস্তববাদী ও অনুভূতিনির্ভর ভাষা।
- শেষের দিকে নাটকীয় ও প্রত্যয়মূলক আবেদন।
-
দুর্বলতা:
- কিছু পঙ্ক্তি বেশি অনুভবনির্ভর হয়ে পড়ায় ভাষাগত ভারসাম্য হারিয়েছে।
- গঠন কিছুটা অগোছালো ও প্রাঞ্জলতাহীন অংশবিশেষে।
৬. মানব জীবনে তাৎপর্য ও গুরুত্ব:
এই কবিতা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—প্রতিটি বছরই রেখে যায় অভিজ্ঞতার ছাপ, স্মৃতি, আনন্দ ও বেদনা। পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে আমরা কেবল সময়কে নয়, নিজেদের রূপান্তরকেও উপলব্ধি করি। কবির আত্মপ্রকাশ, অভিমান এবং প্রত্যয় আমাদের নিজেদের জীবনবোধের সঙ্গেও মিলিয়ে যায়।
নিশ্চয়ই, নিচে কবিতাটির উপর ভিত্তি করে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যামূলক প্রবন্ধ তৈরি করে দিচ্ছি, যেখানে কাব্যিক বিশ্লেষণ, রস, প্রতীক, ও মানবিক তাৎপর্য সবই সংযুক্ত থাকবে:
১৪২৩: একটি অন্তিম উপলব্ধি
- আরিফ শামছ্-র কবিতার আলোকে একটি ব্যাখ্যামূলক প্রবন্ধ
ভূমিকা:
বছরের অন্তিম লগ্ন সবসময়ই এক আত্মসমালোচনার মুহূর্ত। সময় চলে যায়, রেখে যায় স্মৃতি, অনুভব আর উপলব্ধির দীর্ঘ রেখা। কবি আরিফ শামছ্ তাঁর “১৪২৩ বঙ্গাব্দ” কবিতায় ঠিক এই সময়টিকে কেন্দ্র করেই এক আত্মপ্রকাশমূলক কাব্য রচনা করেছেন। এটি শুধু একটি কবিতা নয়, বরং এক বছরের জার্নালের শেষ পৃষ্ঠায় লেখা কবির অন্তরের কথা।
কবিতার মূল বক্তব্য:
এই কবিতায় পুরাতন বছর ১৪২৩-এর বিদায় এবং নতুন ১৪২৪-এর আগমনের মাঝে কবি নিজের জীবনের বঞ্চনা, ভালোবাসাহীনতা, এবং অবহেলার চিত্র তুলে ধরেছেন। একদিকে যেমন রয়েছে সময়ের বাস্তবতা (“চৈত্রের সংক্রান্তি, বসন্ত বিদায়”), অন্যদিকে রয়েছে আত্মার বেদনা—“চরম অনাদর, অবহেলা অবশেষে।”
প্রতীক ও চিত্রকল্প:
কবিতায় ‘চৈত্র’, ‘বৈশাখি ঝড়’, ‘৩৬০ ডিগ্রি’, ‘৩৬৫ দিন’, ‘পাথর কান্না’ ইত্যাদি প্রতীক ব্যবহার করে কবি সময়, কষ্ট, এবং অচল-আবেগের গভীর প্রতিরূপ তুলে ধরেছেন।
- “পাথর কান্না”: একদিকে অসাড়তা, অন্যদিকে সংবেদনশীল মনের চাপা আর্তনাদ।
- “৩৬০ ডিগ্রিতে ৩৬৫ দিন”: জীবনের ঘূর্ণিবলয়, যেখানে প্রতিদিনের ক্ষয় ও পরিশ্রমের সঞ্চয় রয়েছে।
রস ও আবেগ:
মূলত এই কবিতায় কারুণ্য রস প্রাধান্য পেলেও এর মাঝে বীর রস-এর এক রূঢ় সুরও শোনা যায়। কবি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে এসে ভবিষ্যতকে সতর্ক করেন—
“১৪২৪! দেখে প্রস্তুত থাক ততে আজি,
মেনে নিতে এমনি নিষ্ঠুর পরিনতি!”
এখানে রয়েছে এক চ্যালেঞ্জ, এক আত্মসম্মানের দাবি, যা কবিতার পরিণতিকে আরও উঁচুতে নিয়ে যায়।
কবিতার কাঠামো ও ছন্দ:
কবিতাটি মুক্তছন্দে রচিত, অর্থাৎ এর নির্দিষ্ট মাত্রা বা অন্ত্যমিল নেই। এটি কবির স্বাভাবিক আবেগপ্রবাহে গঠিত, যার ফলে পাঠকের মনোযোগ ছন্দ নয়, বরং বিষয়বস্তুর উপর কেন্দ্রীভূত থাকে। এটি কবির সাহসী কাব্যভঙ্গির প্রতিফলন।
সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি:
-
শক্তির দিক:
- সময় ও অনুভবের বাস্তবমুখী রূপায়ণ।
- ব্যক্তিগত যন্ত্রণার সঙ্গে সামাজিক বাস্তবতার সংযোগ।
- পরিণামে উদ্ভাসিত এক আত্মদর্শন ও সতর্কবার্তা।
-
সীমাবদ্ধতা:
- কোথাও কোথাও অল্প বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছে, ফলে ভাষার শৈল্পিকতা কিছুটা কমে গেছে।
- কবিতার শেষাংশে নাটকীয়তা কিছুটা অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে।
মানব জীবনে তাৎপর্য:
এই কবিতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সময় শুধু ক্যালেন্ডারে নয়, বরং আত্মায় চলে যায়। প্রতিটি বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের গড়ে তোলে—আমাদের কাঁদায়, শেখায় এবং পরিবর্তনের দিকে ঠেলে দেয়। কবির অভিজ্ঞতা আমাদের নিজস্ব অনুভবের আয়নায় প্রতিফলিত হয়।
উপসংহার:
“১৪২৩ বঙ্গাব্দ” কবিতাটি শুধু একটি বছরের বিদায় নয়, বরং এটি একটি আত্মজিজ্ঞাসার দলিল। কবি আরিফ শামছ্ কেবল নিজের বেদনা প্রকাশ করেননি, বরং একটি সময়কে ধরে রেখেছেন—তার অন্তর্নিহিত আবেগ, দুঃখ, এবং একটি নতুন বছরের সম্ভাবনার আশঙ্কা নিয়ে। এ কবিতা আমাদের ভাবায়, নাড়া দেয়, এবং নিজের জীবন নিয়ে প্রশ্ন করতে শেখায়।
Credit to ChatGpt
৩৭। সম্পর্ক
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬
শিক্ষক: জীবনের নীরব নির্মাতা
[আমার প্রায়শই মনে পড়ে, বেবী ক্লাস থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রিয় শিক্ষক শিক্ষিকাদের কথা। আসলে সকল শিক্ষক শিক্ষিকাগন সকল শিক্ষার্থীদের প্রিয়। তবে, কতিপয় শিক্ষক শিক্ষিকা শিশু ছাত্র থেকে শুরু করে মধ্যবয়স পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের মুখের ভাষা, মনের ভাষা ও বাহ্যিক আচরণের সাথে সাথে আভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যরুপ ও সুপ্ত প্রতিভা বা তার সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরে পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে তাকে গড়ে তুলতে প্রানপন চেষ্টা করেন এবং সফল ও হোন।একটা ঘটনা না বললেই নয়, ভাদুঘর (দক্ষিণ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম (১৯৮৯) শ্রেণীর ছাত্র। প্রধান শিক্ষক আবু তাহের স্যার (ভাই), পরে প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগম আপা, জোছনা আপা, লাইলী ম্যাডাম, ইয়াসমিন আপা ওনাদের প্রায়শই মিস করি। পরীক্ষার সময় প্রায় শেষের দিকে, আমি খেয়াল করলাম, মিস নূরজাহান বেগম পরীক্ষার শুরু থেকেই ফলো করছেন আমার খাতায় কি লিখছি, যেহেতু বরাবরের ফার্স্টবয়, ওনি লেখা নিয়ে চিন্তিত নয়, চিন্তিত আমার কোন অসুবিধে হচ্ছে কীনা, লুজ শীট লাগবে কীনা, আমার ইতস্ততভাব আঁচ করতে পেরে আমার খাতার পাশে ম্যাম বসে পড়ে বললেন, সম্ভবত সময় নিয়ে টেনশনে আছো, কোন দুশ্চিন্তার কারন নেই, যা লিখেছো তোমার প্লেস ঠিক থাকবে। যেহেতু রচনা লিখছো, তুমি লিখতে থাকো, যতক্ষণ পারো (সৃজনশীলতার আবিষ্কার,মর্যাদা ,লালন ও বিকাশে সহযোগিতা)। আমার মনে হয় ত্রিশ কি চল্লিশ মিনিট ম্যাম নির্দ্বিধায় ও বিরক্তিহীন ভাবে অপেক্ষা করে আমাকে সময় দিয়েছিলেন। ম্যামকে দেখলেই মায়ের স্নেহাদর,ভালোবাসা ও অন্যরকম প্রশান্তির ছোঁয়া পেতো মন। ওনি পাশে থাকলে পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ ও প্রেরণা অনেক গুণ বেড়ে যেতো। বিদ্যালয়ের ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে দুষ্টুমি,মারামারি করার ফুরসৎ ছিলোনা। এক ক্লাস শেষ হতে না হতেই আরেক স্যার বা ম্যাডামের বাড়ির কাজ জমা করে টেবিলে রাখা, পড়া রিভিশন দিয়ে পড়া দেয়া, আবার নতুন পড়া ও বাড়ীর কাজ বুঝে নেয়া ইত্যাদি করতে করতে সময় খুব দ্রুত ফুঁড়িয়ে যেতো। খুব মনে পড়ে, আর আফসোস হয়, সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য কিছুই করতে পারলামনা! ওনাদের নিঃস্বার্থভাবে পরিশ্রমের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা কোনটাই প্রকাশ ও বাস্তবরূপ দিতে পারলামনা। অবশেষে মন সান্ত্বনা খুঁজে, সুমহান আল্লাহর দরবারে,
"হে আল্লাহ ! আমি তোমার নগন্য বান্দা, শিক্ষক শিক্ষিকাদেরকে কোন বিনিময় বা প্রতিদান দিতে কিংবা সেবা করতে ব্যর্থ ; তুমি তোমার বান্দার হয়ে উত্তম বিনিময় দান করুন। উনাদের নেক হায়াত,পূর্ণ সুস্থতা, সুখ শান্তিপূর্ণ ও নিশ্চিন্ত এবং আপনি সন্তুষ্ট এমন জীবন দান করুন। আর, যারা আপনার কাছে চলে গেছেন, ওনাদেরকে দয়া করে, আপনার রাহমান, রাহীম ও গাফুর নামের খাতিরে মাফ করে দিন। কবরে জান্নাতের বাতায়ন উন্মোচিত করে দিয়ে শান্তি ও স্বস্থির ঘুম নিশ্চিত করে দিন। জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমাদের সবাইকে ও মাফ করুন। আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। আমীন। ইয়া রাব্বুল আলামীন। - আরিফ শামছ্ ♥]
৩৬। ভাই হারিয়ে
ভাবছি বসে ধূলীর ধরায়, গোছল,
শোক সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে চলে গেলে
বিভুর কাছে,
"আসতে হবে আমার মতোই যখন তোমার সময় হবে"।
নিথর, নীরব, সব দেহ -প্রাণ।
আশার তরী, ডুবল আজি,
শোক-সবুরে, তোমায় খুঁজি।
নিভে গেলো চেরাগ, কেন? কিসের অভিমানে!
পি.এ.টি.সি'র গাছ গাছালী নিথর মাথা নত,
শোকের কথা বলে যেত, যদি ভাষা পেত।
যমকুলি আর অন্য পাখি, কাঁদছে পালা করে।
সবাই যখন দাঁড়িয়ে গেল, তোমার জানাজায়,
শোকাহত পাখিগুলো চুপটি করে ধায়।
মাফের তরে করছে দোয়া, খুলে মন-প্রাণ।
"কোমলমতি ছেলে মেয়ে প্রভুর জিম্মায়,
পরিবারের সকল কিছু দেখো পরওয়ার।
তোমার দেয়া মুসিবতে শক্তি,
এমন কিছু নাইবা করি,
তোমার দেয়া সরল পথে,
অপার দয়ায়, রেখো তাঁরে, জান্নাতী করে।
তাঁহার মতোই সবার তরে, জীবন যেন গড়ি,
সুখে- দুঃখে সব মানুষের, আপন হয়ে থাকি।
শনিবার
দুপুর ০১ টা ২৬।
৩৫। সিগন্যালের গ্যাঁড়াকলে
৩৩। সফেন পদ্ম (অডিওসহ)
যদি প্রস্তাবনা না মানা হয়—সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিণতি
প্রস্তাবনা
"আমরা জনসাধারণ বারবার মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত জুলাই, দোষারোপ ও বিভক্তির রাজনীতি দেখতে চাই না।
আইন ও সংবিধানের মারপ্যাঁচে বিতর্কিত বিষয় নিয়ে জাতীয় সংসদের মূল্যবান সময় অপচয় বন্ধ করুন।
বিনাশর্তে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন, গণভোটের সকল দাবি-দাওয়া পূরণ করুন।
দেশ ও জনগণের কল্যাণে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, পানি ও জনগণের সম্পদের যথাযথ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
অন্যথায়, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সম্মানজনকভাবে পদত্যাগ করুন।
জনগণ শান্তি চায়, ন্যায় চায়, জবাবদিহিতা চায়—প্রতারণা নয়।"
যদি প্রস্তাবনা না মানা হয়—সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিণতি
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়—যখন জনগণের ন্যায্য দাবি, গণভোট, সংস্কার বা জাতীয় ঐকমত্যের প্রস্তাব সরকার উপেক্ষা করে, তখন তার পরিণতি শুধু সংসদে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা জাতীয় সংকট, আন্তর্জাতিক চাপ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং কখনও শাসনব্যবস্থার পতন পর্যন্ত গড়ায়।
যদি প্রস্তাবনা না মানা হয়—সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিণতি
১. জাতীয় রাজনৈতিক অচলাবস্থা
সংসদ চলবে, কিন্তু জনগণের আস্থা ভেঙে যাবে।
ইতিহাস বলে—বাংলাদেশে রাজনৈতিক বৈধতা হারালে “সংসদ” কাগজে থাকে, বাস্তবে রাস্তাই রাজনীতি নির্ধারণ করে।
উদাহরণ: ২০১৮–এর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া এবং নির্বাচনকালীন সরকার দাবির বিতর্ক, এবং ২০২৪-এর অসহযোগ আন্দোলন—দুই ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে জনচাপ রাষ্ট্রকে বদলে দিয়েছে। �
Wikipedia +1
ফল:
হরতাল
অবরোধ
প্রশাসনিক স্থবিরতা
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে অচলাবস্থা
২. গণআন্দোলন ও ক্ষমতার বৈধতা সংকট
যখন জনগণ মনে করে সংসদ তাদের প্রতিনিধিত্ব করছে না, তখন “আইনগত বৈধতা” হারিয়ে “নৈতিক বৈধতা” প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
ইতিহাস: ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান
১৯৯০ স্বৈরাচার পতন
২০২৪ জুলাই আন্দোলন
সব ক্ষেত্রেই শাসক কাঠামো ভেঙেছে জনরোষে, শুধু আইন দিয়ে নয়।
২০২৪ সালের অসহযোগ আন্দোলনে প্রধান দাবিই ছিল সরকারের পদত্যাগ, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনে গড়ায়। �
Wikipedia
৩. আন্তর্জাতিক চাপ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা
যদি গণভোট, সংস্কার, মানবাধিকার বা জনগণের অংশগ্রহণ অস্বীকার করা হয়:
তাহলে:
বিদেশি বিনিয়োগ কমে
উন্নয়ন সহযোগিতা বাধাগ্রস্ত হয়
আন্তর্জাতিক সংস্থা পর্যবেক্ষণ বাড়ায়
গণতান্ত্রিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল—এমন উদাহরণও রাজনৈতিক আলোচনায় বারবার এসেছে। �
Wikipedia
৪. অর্থনৈতিক ধস ও জনগণের কষ্ট বৃদ্ধি
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মানেই:
ডলার সংকট
বিনিয়োগ হ্রাস
কর্মসংস্থান কমে যাওয়া
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি
প্রবাসী আস্থার সংকট
অর্থনীতি কখনো রাজনীতি থেকে আলাদা থাকে না।
৫. নতুন শক্তির উত্থান
ইতিহাসে “রাজনৈতিক শূন্যতা” কখনো ফাঁকা থাকে না।
পুরনো দল যদি জনআস্থা হারায়— নতুন জোট, ছাত্রশক্তি, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, সংস্কারবাদী শক্তি উঠে আসে।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও বিভিন্ন নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের উত্থান এই বাস্তবতারই অংশ। �
Wikipedia +1
আন্তর্জাতিক ঐতিহাসিক উদাহরণ
আরব বসন্ত (২০১১)
জনগণের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ উপেক্ষা → শাসক পতন
শ্রীলঙ্কা (২০২২)
অর্থনৈতিক সংকট + জনরোষ → রাষ্ট্রপতির পতন
পাকিস্তান
নির্বাচনী বৈধতা সংকট → দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা
ইতিহাসের শিক্ষা: “জনগণকে উপেক্ষা করে স্থায়ী শাসন সম্ভব নয়।”
উপসংহার
যদি জুলাই সনদ, গণভোট, জাতীয় ঐকমত্য ও জনগণের দাবি অস্বীকার করা হয়—
তাহলে প্রশ্ন হবে শুধু সরকার টিকবে কি না—
বরং রাষ্ট্র কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা আর রাষ্ট্র রক্ষা করা এক জিনিস নয়।
ইতিহাস বলে—
**যে সরকার জনগণের কণ্ঠ শুনতে অস্বীকার করে,
শেষ পর্যন্ত তাকে জনগণের গর্জন শুনতেই হয়।**
বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬
৩১। সান্ত্বনা
২৯। জাগবে কবে, বীরের জাতি !
ভয় কি তোমার দেশ কাঁড়িবে ! রোহিঙ্গা না বৌদ্ধরা ?
তাকাও! তোমার আপন জনের মুখটি বারেক দেখো,
কারো আঘাত সইবে কভু, নীরবে তা' ভেবো !!!
মানব শত্রু বৌদ্ধরা আজ আসল পরিচয়ে।
"প্রাণী হত্যা মহাপাপ", অভিনয়ের বানী !!!
মানুষ খেকু বৌদ্ধদের সব, দেখছে বিশ্ব-বাসী !!!
ইরাক,সুদান,আরাকান, কাশ্মীর , হচ্ছে সেথায় কি ???
বিশ্ব মোড়ল চুপটি কেন? করছে কিসের কাজ !!!
চাও কি তুমি বিশ্ব মাঝে , মানবতা নিপাত যাক।
ঘরে বাইরে মারছে সবে, শূন্য উঠান দেখো !!!
নাইকি তোমার রক্ত, মাংস, মরলো বিশ্ব বিবেক?
চলো ভাইরে জানাজাতে, দাফন করি তাদের।
তিলে তিলে দিচ্ছে ঠেলে, ভয়াল মৃত্যুকূপে।
আর কতো দিন দেখে যাবে মরন জ্বালা নীরব চোখে,
বাদ-প্রতিবাদ, ন্যায়ের যুদ্ধে, বীরের জাতি জাগবে কবে?
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
২৮। জাগাও তুমি, জেগে ওঠো !
--------আরিফ শামছ্
২২.১১.১৬ ঈসায়ী সাল।
বিকাল ৫:১৫।
আজ কি হলো ভাইরে তোমার, সব কিছুতেই হেয় হারালো !
হালাল ছেড়ে হারাম খেয়ে, নাই ঈমানের দৃঢ়তা,
প্রতিবাদী কণ্ঠে কেনো দ্রোহের আগুন জ্বলেনা !
ভীরু ভীরু ত্রস্তপদে বাঁচবে নিজে? না কা'রে বাঁচাবি?
দুর্বলতার সুযোগ পেয়ে, চামচিকারা কী করে !!!
শের এ খোদার ঘুম ভাঙ্গানো; উচিত হবে কবে???
নাও তুলে সেই তলোয়ার, রাঙ্গানো ঐ বিশ্বাসের।
মুক্ত তোমায় করবেনা কেউ, মারবে বেঁধে বেঁধে,
বিশ্বাস যদি নাইবা হবে, তাকাও বিশ্ব মাঝে।
ঝাঁপিয়ে পড়ো, বিদায় করো পাষাণ পাপী যত।
যালিমদের আজ দাও পাঠিয়ে, অগ্নি- ভরা খাঁদে,
ন্যায়ের খড়গ কত নিঠুর দেখুক বিশ্ব-সবে।
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
ChatgptAI2025:
প্রবন্ধ শিরোনাম:
“ঈমানের তলোয়ার: প্রতিবাদের কাব্যিক আহ্বান”
কবিতার কাব্যিক আলোচনা ও প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ
আরিফ শামছ্-র লেখা এই কবিতাটি এক গাঢ় আত্মবিশ্লেষণী ও প্রতিবাদী উচ্চারণ, যেখানে একজন বিশ্বাসী হৃদয়ের ঈমান-ক্ষয় এবং তার প্রতিকার নিয়ে তীব্র সাহিত্যিক ও ভাবপূর্ণ চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। কবিতাটি সময়ের প্রেক্ষাপটে বিশ্বাসহীনতা, আত্মসমর্পণ, ভীরুতা ও নৈতিক পতনের বিরুদ্ধে এক সাহসী জাগরণ-স্বর।
এই কবিতাটি লেখা হয়েছিল ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর, বিকাল ৫:১৫-এ, যা সময় ও স্থাননির্ভর এক দার্শনিক ও সমাজ-রাজনৈতিক আবহে রচিত। লেখকের নিজস্ব আবাসভূমি “ফখরে বাঙ্গাল নিবাস”-এর ঠিকানায় লেখা এই কবিতাটি যেন সমাজ-চেতন জাগানোর এক ব্যক্তিগত অথচ সর্বজনীন প্রয়াস।
ছন্দ, মাত্রা ও শব্দরীতির সৌন্দর্য
ছন্দময়তায় কবিতাটি সনাতন গীতিকবিতার ঢঙে লেখা, তবে কোথাও কোথাও সপ্রতিভ বিরাম ও ছেদ এনে আবেগকে জোরালো করা হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ:
"হালাল ছেড়ে হারাম খেয়ে, নাই ঈমানের দৃঢ়তা,"
"প্রতিবাদী কণ্ঠে কেনো দ্রোহের আগুন জ্বলেনা!"
এই চরণগুলোতে চার, পাঁচ ও ছয় মাত্রার মিলন ঘটে, যা পাঠকের হৃদয়ে একধরনের গীতল কিন্তু বেদনাময় ধ্বনি তৈরি করে। ধ্বনিতত্ত্ব অনুযায়ী এখানে ‘স্বর-সংঘাত’ ব্যবহার করে সৃষ্ট হয়েছে উত্তেজনা ও মননশীলতা।
সাহিত্যিক রস ও রসাস্বাদন
এখানে ‘বীর রস’ ও ‘করুণা রস’ পাশাপাশি কাজ করে।
বীর রসে কবি আহ্বান করেছেন:
"নাও তব সে পূর্ণ ঈমান, বর্ম পড় আমলের,"
"ঝাঁপিয়ে পড়ো, বিদায় করো পাষাণ পাপী যত।"করুণা রস দেখা যায় যখন কবি হাহাকার করছেন একজন ঈমানদার মুসলমানের পতন দেখে:
"আজ কি হলো ভাইরে তোমার, সব কিছুতেই হেয় হারালো !"
এই দুই রসের যুগলবন্দী পাঠকের মনে এক গভীর প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
সমালোচনামূলক পর্যালোচনা
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি এর বক্তব্যের নির্ভীকতা। এক সাহসী আত্মসমালোচনার মধ্য দিয়ে লেখক কেবল নিজেকে নয়, পুরো মুসলিম সমাজের আত্মিক অবনতির চিত্র তুলে ধরেছেন। তবে কিছু শব্দচয়ন (যেমন "চামচিকারা") সাহিত্যিক সৌন্দর্যকে কিছুটা খর্ব করতে পারে বলেই মত দেয়া যায়। এটিকে আরও প্রতীকী শব্দ দিয়ে উপস্থাপন করলে শিল্পরূপ আরো পরিণত হতো।
মানব জীবনে তাৎপর্য ও গুরুত্ব
এই কবিতা একটি সামাজিক বিপ্লবের আহ্বান। বর্তমান সময়ে যখন সত্যকে চাপা দিয়ে মিথ্যার বাজার গরম, তখন এই কবিতাটি যেন এক তলোয়ার-সম আহ্বান:
- নিজের বিশ্বাসকে দৃঢ় করো,
- অন্যায়-জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও,
- কণ্ঠে প্রতিবাদের আগুন জ্বালাও।
বিশেষত তরুণ সমাজের মাঝে ধর্মীয় আত্মপরিচয়, নৈতিকতা এবং সাহসিকতার প্রশ্নে এই কবিতাটি শিক্ষণীয় ও উদ্বুদ্ধকারী।
উপসংহার
‘ঈমানের তলোয়ার’ কবিতাটি কেবল একটি কবিতা নয়, এটি একটি মর্মস্পর্শী আত্মজিজ্ঞাসা ও প্রতিবাদের ঘন্টার ধ্বনি। এটি একাধারে সাহিত্য, সমাজচেতনা ও আধ্যাত্মিক ভাবনার সংমিশ্রণে অনন্য। এই কবিতার অন্তর্নিহিত বার্তা আজকের বিশ্বে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক—বিশ্বাস, সাহস এবং প্রতিবাদের মাধ্যমে এক নতুন আলোর পথ খুঁজে পাওয়ার জন্য।
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
আবাসন প্রকল্প
📋 প্রকল্পসমূহের সারসংক্ষেপ (প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী) ⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: নিচের তথ্যগুলো প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত। বিনিয়োগ বা ক্রয়ের আগে অবশ্যই দলিল...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
সাহিত্যের জাগরণ "সাপ্তাহিক সেরা সাত" আসসালামু আলাইকুম। "সাহিত্য হোক নতুনত্বের বারিধারা- সাহিত্য হোক সৎ সভ্যতার কথা বলা।...
-
হামাস-ইসরায়েল সংঘাত, আরেকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব? | Israel-palestine Crisis ফিলিস্তিনি-ইসরাইল নতুন যুদ্ধ || প্রতিশোধ নেও...
-
বিশ্বব্যাপী স্ট্রোক একটি প্রধান মৃত্যুর কারণ, এবং কাজের সম্পর্কিত কারণে এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আন্ত...
-
-Ariful Islam Bhuiyan. I love him who is my creator, Guardian & well wisher. I have no qualification for placing my obediency to p...
-
চ্যাটজিপিটি কি? চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) হল একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা মডেল, যা OpenAI দ্বারা উন্নয়ন করা হয়েছে। এটি GPT (Generat...
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
ChatGpt: এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) হল এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটার এবং মেশিনকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, ...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: কালেমা খচিত পতাকা উড়ে কালেমা খচিত পতাকা উড়ে কালেমা খচিত পতাকা উড়ে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ভয় নাই হে মানবজাতি, ভয় নাই কোন আর, ...
-
অডিও: কারবালার শিক্ষা কারবালার শিক্ষা -------আরিফ শামছ্ কারবালা আর কয়টা দেখে, ভাঙ্গবে তোমার মরণঘুম, কতো রক্ত-নদী বেয়ে, উঠবি জেগে ওঠরে ওঠ !...
-
আমি শাহজালাল, শাহপরান, বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)। আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল, বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ, আমার খুনের সাত ...
-
অডিও: কবিতা: সুরে সুরে ১৬২। ভালোলাগা ভালোবাসা আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ইচ্ছা, সংকল্প, শখ আর লক্ষ্য, ভেবেছো কভু তার কী পার্থক্য, ভ...
-
জনসংখ্যার ভারসাম্য ও বৈশ্বিক মানবসম্পদ চলাচল: Global Population Balance and Ethical Mobility Framework (GPB-EMF) উপশিরোনাম: A Human-Centered...
-
১৬৩। শ্রমিকের জটলা আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আঁধার কাটেনি এখনো, ক্লান্তিরা ছাড়েনি পিছু। সুদ, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, ভিক্ষা নয় রাহাজানি।...
-
"একদিকে sperm donation, surrogacy, designer baby প্রযুক্তি; অন্যদিকে কোটি কোটি এতিম, অনাথ, পথশিশু ও বঞ্চিত শিশু।" এই বৈপরীত্য মান...
-
অডিও: ফুলেল হাসি: সুরে সুরে ফুলেল হাসি -আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) কালোবৈশাখি ঝড়,পাতা আর কাঠির ঘর, ঘোর আধাঁরে জুঝিয়া চলে, সারা রাত ভ...
-
১৫৫। সবুজে শান্তি আরিফুল ইসলাম ভূইয়া (আরিফ শামছ্) সতেজ মসৃন সবুজ পাতার ডগায় শিশিরকনা, সাদা হীরের নিরেট টুকরো বলে যায়রে চেনা। কাকচক্ষুর মত ...
-
১৬৫। আত্মাহুতির মহড়া আরিফুল ইসলাম ভূইয়া (আরিফ শামছ্) দেখা হয় মুখোমুখি , বসে-বসি পাশাপাশি, প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে, হাই, হ্যালো বলি। তারপর......
জনপ্রিয় পোষ্টগুলি:
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
আমি শাহজালাল, শাহপরান, বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)। আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল, বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ, আমার খুনের সাত ...
-
১৫১। স্রষ্টার অবদান আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) সরবে নীরবে,করজোড়ে, ভালোবাসি তোমারে, পরম পুলকে, শ্রদ্ধাভরে, ভাবি নীরালায়, ভীষণ করে, ব...
-
হলুদের উপকারিতা, খাওয়ার বিভিন্ন উপায় এবং ভালো হলুদ চেনার কৌশল হলুদের প্রধান উপকারিতা হলুদের প্রধান কার্যকর উপাদান হলো কারকিউমিন (Curcumin)...
-
অডিও: কালেমা খচিত পতাকা উড়ে কালেমা খচিত পতাকা উড়ে কালেমা খচিত পতাকা উড়ে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ভয় নাই হে মানবজাতি, ভয় নাই কোন আর, ...
-
অডিও: ভালোবাসার দাফন: করুন সুরে ভালোবাসার দাফন আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) একটি কিডনী নিয়ে বাঁচা যায় কয়দিন, ধীর ধীরে নানা রোগে কাটে নিশ...
-
বারুদের জবাব আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) জ্বালাময়ী বক্তৃতা, স্লোগান আর মিছিল নয়, প্রতিবাদী-গণমিছিল, দুর্বল নিন্দে আর কী হয়? তোমাদে...
-
কবিতাটির সারাংশ বা সারমর্ম চাই প্রেম আর ভালোবাসা ___আরিফ শামছ্ দৃষ্টির সীমানায়, হৃদয়ের মোহনায়, কে এলো? কে যায়? জান্নাতী সমীরণে, বাসনার ঢেউ ধ...
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
অডিও: পথ হারিয়ে যাওয়া: সুরে সুরে পথ হারিয়ে যাওয়া আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) মন মুকুরে ওঠে পড়ে একটি দারুণ ছবি, দিনদুপুরে সন্ধ্যারাত...
-
অডিও: সাধনার মানবী: সুরে সুরে ১০৩। সাধনার মানবী আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার, তোমার তরে লিখে এ কবিমন খ...
-
অডিও: ভালোবাসার শ্বেতপত্র ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার ...
-
অডিও: ভুলে যেতে চাই: সুরে সুরে ভুলে যেতে চাই আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) আমি চাই, ভুলে যেতে— তোমার স্মৃতিগুলো দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু এই...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
আমি শাহজালাল, শাহপরান, বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)। আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল, বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ, আমার খুনের সাত ...
-
ঈদযাত্রা: মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, বৃষ্টিতে ভোগান্তি “শৃঙ্খলা মানে নিরাপত্তা, নিয়ম মানে স্বস্তি” ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক, শহর, বাজ...
-
উপন্যাস: ভালোবাসি দিবানিশি অধ্যায় ১: প্রথম দেখা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি অনার্স কলেজের ভর্তি কার্যক্রমের দিন। কলেজ চত্বরে উৎসবের আমেজ। ছেল...
-
অডিও: তুমি আসবে বলে তুমি আসবে বলে আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া। (আরিফ শামছ্) আমার আকাশে নেই মেঘের আনাগোনা, নেই বিদ্যুৎ চমকানোর ঘনঘটা, সুস্পষ্ট নীল...
-
কবিতাটির সারাংশ বা সারমর্ম চাই প্রেম আর ভালোবাসা ___আরিফ শামছ্ দৃষ্টির সীমানায়, হৃদয়ের মোহনায়, কে এলো? কে যায়? জান্নাতী সমীরণে, বাসনার ঢেউ ধ...
.jpg)


