https://www.youtube.com/watch?v=1gM7EE_SIUI
👤 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: এ.এস একাডেমি 📚 শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.এস (অনার্স), অর্থনীতি — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এম.এস.এস (অর্থনীতি) — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বি.এড — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, এম.এড — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়| 🏫 পেশাগত অভিজ্ঞতা: প্রাক্তন শিক্ষক, ব্লু-বার্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাটিকাটা, ঢাকা সেনানিবাস। প্রাক্তন শিক্ষক, হলি ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। 📧 Email: ariful01711@gmail.com Mobile: +966572496324
শুক্রবার, এপ্রিল ২৯, ২০২২
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
https://arifulislambhuiyan.blogspot.com/
https://arifulislambhuiyan.blogspot.com/
বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিপ্লবী (২১)
বিপ্লবী (২১)
আরিফ শামছ্
১৮/০৭/২০১৯ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
হুংকারে তব,
কাঁপে থরথর,
পাতা-পত্তর সম,
পড়েই নিথর।
পথ হারিয়ে ফের,
পালাতে না পেরে,
পথ ভুলে সব,
পায়েই লুটে।
গর্জ নিনাদ,
ঘুচে বিবাদ,
কন্ঠে বাজে,
ত্যাজি স্বর।
নিরাশার জল,
বয় ছল ছল,
ঝর্ণার ওপারে,
স্বপ্ন সকল।
বিপ্লবী!
কন্ঠে তব,
বার বার রব,
তীক্ষ্ণ ধারালো,
তলোয়ার সম।
হবে উচ্চারণ,
গগন বিদারী,
কর্ণ ভেদিয়া,
হিংস্র ব্যাঘ্র,
আসন ছাড়িয়া,
শোনে গর্জন ।
বিপ্লবী!
মার্চের তালে তালে,
পদপিষ্ট পা'তলে,
শত শত পাপ,
নির্বাক পরিতাপ,
করে হা হুতাশ।
অত্যাচারীর পরিণতি,
নির্মম নিষ্ঠুর,
নির্জীব গতিহীন,
হতাশ চোখে,
স্বপ্নের ইতি।
চিরবিপ্লবী!
নূতন করে ফের,
স্বপ্ন বুনন,
চলে অগণন।
স্বপ্ন-সত্যি,
হেরার জ্যোতি,
পাথেয় মোতি,
সবি হবে আপন।
বিপ্লবী!
ঝড়ের গতিতে,
সময়ের আগে,
সবারে ছেড়ে,
জয়ী হবি।
চির বিপ্লবী।
পরাভব মেনে,
সবাই নেবে,
হবেই হবে
তুমিই জয়ী,
চির বিজয়ী।
বিপ্লবী (২০)
বিপ্লবী (২০)
আরিফ শামছ্
১৩/০৫/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
তুমি চিরবিদ্রোহী।
অশান্ত বিশ্বে বল্গাবিহীন,
শান্তি ধরিত্রীর।
যুদ্ধ হবে,
যে যুদ্ধ সবে,
ন্যায়ের পক্ষে,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে,
আগ্রাসীদের শিক্ষা দিয়ে,
অত্যাচারীর জুলুম শেষে,
একটি বিশ্ব হবে।
যে বিশ্বে তোমার আমার,
আমার তোমার সবার,
সব অধিকার রবে।
ভেদ-বিভেদ রয়বেনাকো,
আপন পর বুঝবেনাতো,
সমান সমান হবে।
মানবেনা কেউ সীমারেখা,
স্বার্থপরের চিত্র লেখা,
এক আকাশের তলে,
এক পৃথিবী হলে।
দেশগুলো সব, মাতৃসম,
জগত মাঝে সৃষ্টি যতো,
সুখে দুঃখে, বিপদ যবে,
সবাই সবার হবে।
ভিসা পাসের ঝুট ঝামেলা,
মানবেনা কেউ হর হামেশা,
সকল দেশই আমার দেশ।
বিশ্ব ঘুরে আসবো ফিরে,
নিত্য নতুন খবর দিয়ে,
যাচ্ছে যাবে বেশ।
উচ্চ করি শির,
ঊর্ধ্ব শামশির,
ত্যাজী ঘোড়ার পিঠে।
ত্বড়িত গতিতে,
পলকে ছুটিতে,
জয়ের ঝিলিক ঠোঁটে।
বিপ্লবী!
ঘোর অমানিশি,
বাধার পাষাণ টুটি,
পাগলা অশ্ব ছুটে।
চলে হরদম,
ছুটে দমদম,
সময় প্রাচীর ধ্বসে।
অহোরাত্র দিবানিশি,
ছুটছে বিরামহীন,
বিশ্বাসে নিঃশ্বাসে।
চির বিজয়ী,
চির বিদ্রোহী,
বিপ্লবী শাহী,
বিশ্ব বিজয়ী।
মুক্তির মুক্তিকামী,
চির বিপ্লবী।
বিপ্লবী (১৯)
বিপ্লবী (১৯)
আরিফ শামছ্
২৫/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী।
উড়াও ঝান্ডা,
বয়বে হাওয়া,
লাগবে পালে,
লক্ষ্য তরী,
ফিরবে তীরে,
সফল অভিযানে।
শালীনতা,
স্বাধীনতা,
চলবে সাথে,
রাত-বিরাতে,
রুপ অপরুপ,
দৃষ্টি লোলুপ,
পথে ঘাটে,
আঁটবে কুলোপ।
কেউবা বলে পোষাক আশাক,
যেমনি ইচ্ছে, তেমনি পড়ি,
আমার স্বাধীনতা,
দৃষ্টি তোমার খারাপ কেনো,
তাকিয়ে থাকো বদের মতো,
চোখের অধীনতা!
খুব সেজেছি, বাইরে যাবো,
কেউ দেখে তা' পাগল হবে,
ভারী মজা হবে!
হয়তো কভু, মেলবে আঁখি,
ফেলতে পাতা, কেবা কবে,
সবি ভুলে রবে।
দেখতে চাহে, কেউবা দেখায়,
দোষ দেয়া যায় কারে!
রুপের গরব, ভাবে সরব,
রুচির বোনন নজর কাঁড়ে।
শালীনতা হারিয়ে কোথা,
অশালীনের পথে চলে,
কথা কাজে নাই শ্লীলতা,
যায়না দেখা পোশাকে,
লজ্জা বুঝি লুকিয়ে গেলো,
আজব রুচি দেখে।
ছোট বড়, পথিক, মজুর,
মধুর ভাষা, যায়না শোনা।
কেমনে চলে, কীযে বলে,
আপন পরে, ভেদ মানেনা।
আমার চলা, আমার মতো,
স্বাধীন কথা, বেজায় ভালো!
নয়তো একা তুমি ধরায়,
কত মানুষ বিদায় হলো!
চলাচলে, বাক বচনে,
পোশাক-আশাক,
রুচির জেড়ে,
ভুগবে সবে, ভুগবে নিজে,
বাড়ছে অনাচার,
দায় নিবে কে রে ?
শালীন পোশাক,
দৃষ্টি নত,
হেফাজতে শরম গাহ্,
শান্তি পাবে, শান্তি রবে,
কাছের দূরে, আপন পরে,
কাজের মাঝে শাহানশাহ্।
আবার জাগো মুক্তিকামী,
অশালীনের বিদ্রোহী,
সুন্দরের কান্ডারী,
সাজবে ধরা, নতুন সাজে,
সত্য সুন্দর কথা কাজে,
ঝঞ্ঝাবেগে বিপ্লবী।
চির সংগ্রামী।
বিপ্লবী (১৮)
বিপ্লবী (১৮)
আরিফ শামছ্
২৪/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
আলোর ফোঁয়াড়া,
সচেতন আঁখি,
জাগো ফিরিয়া,
হাতে হাত রাখি।
বিনিদ্র রজনী শেষে,
সোনালী ভোরের আশে,
চিরপ্রত্যয়ী,
চির সংগ্রামী!
অন্ধকারে আলোর রেখা,
দিশেহারা খুঁজছে একা।
মন্দ পথে ভালোর দেখা,
মিলবে কভু ভাবছে কেবা!
কেউবা ভুলে পথ হারিয়ে,
পথ খুঁজে যায়, পথ পেড়িয়ে।
সহজ, সরল, সফল পথে,
পথিক চলে, আপন মনে।
মানব মনে! হলো কীযে!
আলো ফেলে আঁধার খুঁজে,
ভালো মতের পথ ছেড়ে,
মন্দ পথেই ঘুরে ফিরে।
অন্ধকারে বিপদ আপদ,
ওৎ পেতে রয় হিংস্র স্বাপদ,
হেলায় ভুলে, খেলার ছলে,
জীবন যাবে, অতল তলে।
সুধা ছেড়ে, গরল পানে,
অসুর নাচে, বেসুর গানে,
মৃত্যু নেশা, জীবন ঘেষা,
সব ভুলিল, মরা বাঁচা।
চলছে জীবন, ভাসছে সবে,
ভালো খারাপ, পথ বিপথে।
কেউ শোনেনা, নিজের কানে,
অন্ধ মাতাল, কিসের টানে।
সমাজ, জাতির, জরা খরা,
মন্দ খারাপ, কালো ধরা,
যাক হারিয়ে, চিরতরে,
নামবে আলো ভুবন জুড়ে।
জাগছে সবে,
হাঁকছে রবে,
ডাকছে জোরে,
পথের পরে,
পবন বেগে,
ছুটতে হবে,
ছুটছে সবে,
চির সংগ্রামী।
চির বিপ্লবী!
বিপ্লবী (১৭)
বিপ্লবী (১৭)
আরিফ শামছ্
১৫/০৭/২০১৯ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
কবি হবি?
বিপ্লবী কবি।
বুকে রবে,
অগ্নিগিরি,
জমবে লাভা,
বাড়বে আভা,
হবে উদগীরণ;
চোক্ষে রবে,
অগ্নি শিখা,
পুঁড়বে নিপীড়ন।
বজ্র ধমকে,
পিলে চমকে,
অত্যাচারী থামবে,
আসবে ফিরে,
বিশ্ব জুড়ে,
শান্তি ধরা আনবে।
নিঃশ্বাসে তোর,
আসবে ভোর,
অত্যাচারী বিফল,
শান্তি সুখে,
নিরাপদে,
রাখবে ধরাতল।
চুপি চুপি,
পড়ছো তুমি,
যাচ্ছো ডুবি,
ছাড়িয়ে সবি!
কেমন কবি,
আঁকছে ছবি,
পড়ি ভাবি,
কবি হবি!
আমার মতো,
অন্য কেহো,
দেখবে স্বপন,
হৃদয় কাঁপন,
শংকা, রীতি,
পূন্য প্রীতি,
লিখবে চিঠি,
রাখবে দিঠি।
জীবন জুড়ে,
সুখের চরে,
সবে মিলে,
হেসে খেলে,
রবো বেঁচে,
সিন্ধু সেঁচে।
মুক্তো কুড়ে,
পুষ্প করে,
আপন মনে,
মহান দানে।
ধন্য জীবন,
সফল মরণ।
আবার ভাবি,
কবি হবি?
বিপ্লবী কবি,
মুক্তিকামী,
চিরবিপ্লবী।
x
বৃহস্পতিবার, জুলাই ০১, ২০২১
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুদান বিতরণ করবে ‘নগদ’ - দৈনিকশিক্ষা
শুক্রবার, জুন ১১, ২০২১
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শেখ সম্পাদিত "ঝরা ফুলের গন্ধ" যৌথ কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত (১) শ্বাশ্বত আহ্বাণ এবং (২) "ছন্দ নাবিক।
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শেখ সম্পাদিত "বিজয়ের উল্লাসে " যৌথ কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত (১) সত্য সন্ধানী এবং (২) বাঙালির স্বাধীনতা (৩) অনুশোচনা (৪) বিজয়ের উল্লাসে (৫) বিদ্রোহী তুমি বিপ্লবী (৬) আজের এই বাংলাদেশ (৭) ভাঙ্গা গড়া।
বৃহস্পতিবার, জুন ১০, ২০২১
বাবুই পাখির মা
বাবুই পাখির মা
আরিফ শামছ্
১০/০৬/২০২১
অর্ধাঙ্গিনীর আপন মা তাই,
ভূলে গেলে আমায়!
স্নেহাদরের নেই তুলনা,
এখন খুঁজে পায়!
নিরাক পড়া ভর দুপুরে,
একলা বিকেলে,
কত স্মৃতি মনে পড়ে,
হর্ষ-বিষাদে।
বাবার কথা আসলে তুমি,
বলতে আমিই বাবা,
বাবা-মায়ের পুরো আদর,
পাবে সবি বাবা।
সত্যি মাগো, এত্তো আদর,
কেমন করে পাবো!
তুমি ও নাই, বাবা ও নাই,
আমরা কোথায় যাবো!
"জামাই! আসবেন কবে"?
এমন করে খোঁজে,
খবর পেলেই বলতে ফোনে,
"এসো সকাল, সাঁঝে"।
ভাদুঘর কতো যায় যে মাগো,
ডাকেনা তো কেউ,
কোথায় আছেন, আসবেন কখন,
বলেনা তো কেউ।
জানালার ঐ কোনে বসে,
অধীর আগ্রহে,
জামাই তোমার আসলো বুঝি,
খুঁজতে বারে বারে!
কোথায় পাবো খুঁজে মাগো?
কেমন আছো মা?
জামাই বলে তোমার মতো,
কেউতো ডাকেনা!
দরদভরা হৃদয়-মনে,
সহজ সরল সম্ভাষণে,
"বাবুই পাখি" সম্বোধনে ,
আর পাবোনা ঘরের কোণে।
ঈদের ছুটি, শীতের ছুটি,
গ্রীষ্মকালে ফলের ছুটি,
'আসবে কবে?কবে ছুটি'?
ডাকবেনা মা আর কী তুমি!
চলছে সবি আগের মতো,
তুমি শুধু নেই,
তোমার বাড়ি আজো আছে,
প্রাণযে তাহার নেই।
মাগো তুমি থেকো সুখে ,
জান্নাতীদের দলে।
আসবো ফিরে সবাই মিলে,
আবার সদলবলে।
মর্জিনা মঞ্জিল
নয়াটোলা, মীরবাগ, ঢাকা।
রবিবার, মার্চ ২১, ২০২১
عارف الإسلام بهيان|ARIFUL ISLAM BHUIYAN | আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া | : বিপ্লবী (১৬)
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
আত্মা শীতলকারী কণ্ঠে ৪০ রাব্বানা দোয়া ┇40 Rabbana Dua Recited by Omar H...
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০
আত্মা শীতলকারী কণ্ঠে ৪০ রাব্বানা দোয়া ┇40 Rabbana Dua Recited by Omar H...
সোমবার, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২০
বিপ্লবী
https://www.kobitapara.com/2020/08/21/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be/
শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২০
HONORER
শনিবার, জুন ২০, ২০২০
শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২০
Social Media Marketing INTERNET CONCEPTS
সৃষ্টি দেখে চলি
আজো বৃষ্টি ঝড়ে অঝোর ধারায়,
মাঠে ফসল ফলে ,
পূব গগণে আলোর ভোরে,
সকাল অরুপ রুপে।
ভর দুপুরে নানা পাখি,
কুজন রবে ডাকে,
গাছে গাছে পাতার ফাঁকে,
খুঁজে ফিরে কাকে!
স্বস্তি ফিরে, নরম রোদে,
বিকেল যখন নামে,
দিনের বিদায়, দেখছে সবাই,
আলো আঁধার খেলে।
রাতের আকাশ, নিজের বুকে,
সাজায় তারার মেলা,
হাজার তারার ভীড়ে দেখে,
চাঁদের আলোর খেলা।
বিরাম নিয়ে ডাকছে পাখি,
হাঁকছে প্রাণী রাতে,
কেউ ঘুমোল, কেউ ভাবিল,
জাগছে প্রতি প্রাতে।
তোমার কথা, বলবো কোথায়,
কেমন করে বলি,
আল্লাহ তুমি কতো মহান!
সৃষ্টি দেখে চলি।
আরিফ শামছ্
১৯/০৬/২০২০ ঈসায়ী সাল
মীরবাগ, হাতিরঝিল,
ঢাকা।
ওহে আল্লাহ! আমাদের ক্ষমা করুন
আমরা আপনার প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ,
মহাবিশ্বের জন্য ভাল কাজ করতে ব্যর্থ,
মানুষ প্রতি মুহূর্তে লাইনচ্যুত করে,
লোক অধীর আগ্রহে বা অসন্তুষ্টভাবে খারাপ কাজ করে,
আমরা বার্তা দিতে ব্যর্থ,
ও ভাই ও বোন!
এই ভাল, এই খারাপ,
দয়া করে সমস্ত ভাল এবং সেরা জিনিস গ্রহণ করুন।
আপনি যদি জানতে চান কোনটি ভাল এবং খারাপ?
ভাল কাজ শেষ করার পরে, আপনি শারীরিক সুখ এবং মানসিক শান্তি পাবেন।
মুসলমানদের জীবন কল্পনা করুন,
তাদের জীবন শুরু হয়েছে ফাজর সালাত দ্বারা এবং শেষ হয়েছে ইসা সালাত দ্বারা,
তারা কখনও মিথ্যাবাদী বিশ্বাস করে না,
সর্বদা তারা সত্য কথা বলে,
তাদের নবী সত্য ছিলেন,
বাক্য সত্য ছিল,
তাদের পুরো জীবন সুখ এবং আল্লাহর আনুগত্যে পূর্ণ,
সমস্ত মুহুর্তে ভাল-মন্দ সমস্ত পরিস্থিতিতেই
সন্তুষ্ট হৃদয়কে নিশ্চিত করার জন্য তাদের অস্তিত্ব সন্ধান করে।
Oh ALLAH! please forgive us
We are failed to do your given duty,
Failed to do good deed for universe,
Man derails every moment,
Man doing bad deed eagerly or dis-eagerly,
we are failed to do message ,
Oh brother and sister !
This is good, this bad,
Please receive all the good & best things.
If you want to know which is good and bad?
after completing good job,You will get physical happiness & mental peace.
Imagine Muslims life,
started their life by Fazar salat and ended day by isa salat,
Never do they believe a liar,
Always do speak they truth,
Their prophet were true,
speeches were truth,
their whole life full of happiness and obedience of ALLAH,
The find their existence to surrender satisfied heart to ALLAH, in good and bad all situations in all moments.
বুধবার, জুন ১০, ২০২০
বিপ্লবী (১৬)
বিপ্লবী,
তোমার আকাশ,
শান্ত বাতাস,
চিল শকুনের দখলে।
উদার নীলে,
শত্রু হায়েনার,
বোমারু বিমান ওড়ে।
এক পলকে,
নিচ্ছে কেঁড়ে,
কত শত প্রাণ!
নাইরে কেহ,
বদলা নেয়ার,
রাখবে কারা মান?
মানুষ নামে,
অমানুষে করছে কতো কী?
ধরাতলে নাইরে কেহ,
ধরবে জীবন বাজী!
ঘুমের ঘোরে,
স্বপ্ন ঘিরে,
দিবা স্বপ্ন দেখে!
জাতির তরে,
জীবন ভরে,
বিপ্লবীরা হাঁকে।
রাতের শেষে,
শেষ প্রহরে,
ডাকবে ভোরের পাখি,
মৃত্যু ফাঁদে,
জীবন কাঁদে,
খুলবেনা তাঁর আঁখি।
আশায় আশায়,
আর কতো কাল,
দেখবে মরণ জিল্লতী,
ভাইয়ের বুকে,
ভাই হয়ে আর,
করবে কতো খুন খারাবী।
সময় হলো,
অস্ত্র তুলো,
নিশানা করো শত্রুদের,
মানবতার ধোঁয়া তুলে,
মারছে মানুষ পলে পলে,
জ্বালাও ঘাঁটি বারুদের।
মুক্ত করো আকাশ বাতাস,
প্রিয় বিশ্বভূমি,
মানবতার শত্রু সবে,
সাফ করিবে তুমি।
অস্ত্র সস্ত্র কামান গোলা,
হাজার, কোটি ডোম,
পথ খুঁজে নাও কেমন করে,
পুঁড়বে সবি, ড্রোন।
বিপ্লবী!
এগিয়ে চলে,
সদলবলে,
পবনবেগে,
বিশ্বজয়ে,
চিরসংগ্রামী,
জাগরুক বিপ্লবী।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
০৯/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী (১৫)
--------আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
০৮/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী,
প্রিয় ফুলের,
বুকের মাঝে,
সুবাস মাখা,
পাঁপড়ি গায়ে,
নষ্ট পোকা,
বসত করে,
করছে কতো ক্ষতি!
আর কতো কাল,
ঘুমিয়ে রবে,
এবার জাগবে কী!
চির সংগ্রামী!
প্রিয় বিপ্লবী!
ফুলের সুবাস প্রিয় সবার,
বাগ-বাগিচা নাই,
ফুলের বাগান গড়বে তুলে,
মাটি, পানি চাই।
জীবন ছাড়া মাটি মাঝে,
হয়না ফুল ও ফসল,
ধরাতলে খরা শেষে,
খোদা দানে জল।
মৃত ভূমি নব সাজে,
নতুন প্রাণে, সবুজ মাঝে,
ফুটছে কতো ফুটবে ফল,
জীবন হবে সফল।
ফুল ফসলে ভরা জমি,
বাহাদুরি করছো তুমি,
আমার আমার বলছো সবি,
কদিন বাদে সব হারাবি।
বলো সবে হর হামেশা,
আল্লাহ পূরণ করবে আশা,
মানছি কিনা সবে,
বলছে যেমন রবে।
তারই দেয়া নেয়ামতে,
চলছে জীবন ভবে,
কৃতজ্ঞতা নাই কাহারো,
কেমনে সঠিক রবে!
ফুলবাগানে মড়ক লেগেছে,
নাইরে ফুলের ঘ্রাণ,
পাঁপড়ি ছিঁড়ে, সুবাস কেঁড়ে,
শেষে নিল প্রাণ।
ভাসছে কীসে তরুণ তরুণী,
নষ্ট প্রেমের মোহে,
আঁধার রাতে, ছেলে মেয়ে,
কোথায় পড়ে থাকে!
খোঁজ খবর রাখে কিনা,
আসল নকল মা,
কোথায় গেলো কিশোর যুবা,
লক্ষী মেয়েটা।
কীযে করে কেমন তাদের,
কাটে জীবন বেলা,
সর্বনাশী, সর্পজাতি,
নষ্টামিতে খেলা।
কেমন করে চলবে সবে,
সুবাস রবে ফুলের বুকে,
ভাবছে কেহ, ফুলে ফলে,
বাগ-বাগিচা ওঠবে ভরে।
বিপ্লবী!
ফুলে ফলে,
বাগান-বাগে,
দীঘল বিপ্লবে,
জরা-খরা,
সব হারাবে,
সতেজ স্বরুপ পাবে।
জাগো সবে জাগো,
চির সংগ্রামী,
মুক্তিকামী,
জাগো হে বিপ্লবী।!
সোমবার, জুন ০৮, ২০২০
হেরার জ্যোতি
ঐক্য চায়, জনে জনে,
প্রতিদিনে, ক্ষণে ক্ষণে,
কথা, কাজে, আচরণে,
চিন্তাধারা, ধ্যানে-মনে।
ঘরে,গোরে, দ্বারে, সারে,
সন্ধ্যা, সাঁঝে, আলো, আঁধারে,
হাসি, কান্না, সুখে, দুঃখে,
সুদিন, কুদিন, জীবন জুড়ে।
রবিবার, জুন ০৭, ২০২০
কাঁদে শাহ্- এ -মদীনা
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
০৬/০৬/২০২০ ঈসায়ী সাল।
কান্দেরে পরাণ।
কোথায় আছো, আমার আপন,
মোমিন মুসলমান।
মরু সাহারায়।
শুইয়ে আছেন মহানবী (সাঃ),
সোনার মদীনায়।
শুক্রবার, জুন ০৫, ২০২০
করোনা
গতিশীল চাকা সব,
কেউ কেউ ক্ষুব্ধ,
জমছে চাঁপা ক্ষোভ।
নিজ নিজ কর্ম,
ঘরে বসে করে যায়,
যার যার ধর্ম।
শনিবার, মে ৩০, ২০২০
عارف الإسلام بهيان|ARIFUL ISLAM BHUIYAN | আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া | : Revolutionary-Rebel
Revolutionary-Rebel
শুক্রবার, মে ২৯, ২০২০
বিপ্লবী (১৪)
উড়াও নিশান,
বাজাও ভীষণ,
বজ্রযানে বজ্রনাদ,
বিপ্লবী জিন্দাবাদ।
আর কতোকাল,
পথের পানে,
রয়বে চেয়ে,
অধীর হয়ে;
ছিঁড়বে গেঁড়ো,
ভাঙ্গবে শিকল,
করবে বিকল,
ঝঞ্ঝা লয়ে।
ঝড়ো হাওয়া,
বয়ে যাওয়া,
আঁধার ঘেরা,
পালযে ছেঁড়া,
পাহাড় ছোঁয়া,
ঊর্মি ধোঁয়া,
আসছে ধেয়ে,
আকাশ ছেঁয়ে।
তারার মেলা,
আলোর খেলা,
যায়না দেখা,
লক্ষ্য রেখা,
মিলবে কোথা,
জাতির নেতা,
জাগবে মানবতা,
নামবে সফলতা।
দিশেহারা জাতি,
জাগছে দিবারাতি,
আসলো বুঝি,
সদলবলে যুঝি,
ঘুমহারা বিদ্রোহী,
মুক্তি পাগল রাহী।
দূরন্ত অশ্বারোহী,
দূর্বার মতি গতি,
বিপ্লবী শাহানশাহী।
দেখছে সবে,
আকাশ পরে,
জমছে মেলা,
মেঘের ভেলা,
তারায় তারায়,
আলোর আভায়,
ভরছে পৃথিবী।
রুপালী আলো,
সোনালী বলো,
সব তাড়ালো,
আঁধার কালো।
বিজয়ী বিপ্লবী।
চির সংগ্রামী,
জাগ্রত বিদ্রোহী।
চির বিপ্লবী।
হয়তো তুমি,
স্বপ্ন চুমি,
কিশোর কিশোরী,
যুবক যুবতী।
অনন্ত যাত্রী,
সচেতন সাস্ত্রী।
তরুণ সেনানী,
জাতির কান্ডারী,
আত্ম বিশ্বাসী।
চির বিদ্রোহী,
চির বিপ্লবী।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
০৪/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী (১৩)
বিপ্লবী (১২)
বিপ্লবী (১১)
বিপ্লবী (১০)
বিপ্লবী (৯)
বিপ্লবী (৮)
বিপ্লবী (৭)
শান্তি, সমৃদ্ধি।
হিংসা বিদ্বেষ বৃদ্ধি!
দেশে দেশে, বিশ্ব মাঝে,
শাসন-শোষণ কোন্ সাজে!
দালালী অচল, রয়না সচল,
অর্থের চাকা, আর যতো কল!
তাই বলে কী! শান্তি নামে,
অশান্তিরে ছড়িয়ে দিবে!
অস্র বেচে, নীতির বুলি,
মারছে কতো ঝারিঝুরি।
চায়যে ভালো, সকাল সাঁঝে,
দেয় ধোঁকাযে , কথা কাজে।
জাগুয়ার বিপ্লবী,
আমি চিরবিদ্রোহী।
ব্যবসায় চালবাজি,
হররোজ রাহাজানি।
শাসন-বাসন, রাজনীতি,
স্বজন-প্রীতি, দুর্নীতি,
সুদ, ঘুষ, ঋণখেলাপ,
ক্ষমতায় দিনরাত।
চেলারা দলে দলে,
চামুনডারা মিশে মিলে,
নেতা, নেত্রী, ভীঁড় জনতা ,
স্বদেশপ্রেমে পাগলপারা!
আমি ইতিকথা, ইতিহাসে,
কলংকিত পাতাতে,
হেমলক বিষ,
নাইট্রো-অক্সাইড,
জীবনের পাতা-পত্তরে।
চির বিদ্রোহী,
আমি চির বিপ্লবী।
কন্ঠ সবি, চেঁপে ধরে,
বলার স্বাধীনতা,
স্বাধীন দেশে, স্বাধীনতার,
কেমন অধীনতা!
ভোট আর ভোটহীন,
ক্ষমতার বদলে,
দেশবাসী শংকায়,
বাঁচবে কী মরলে!
প্রজাদের ভোটে ভাই,
রাজা হয়ে ক্ষমতায়,
শাসনের গদিতে,
বসে সব ভুলে যায়।
সুখ আর শান্তি,
পাবে কী মুক্তি;
মেনে নেবে কোন কালে,
অকাট্য যুক্তি!
গুটি কয়েক জনতা,
হয় আম জনতা,
মিথ্যা, অসার দাবী,
সততঃ সত্যবতী!
শান্তিকামীরা জিম্মী!
উল্কাবেগে, আসছে দেখি,
মুক্তিসাধক, মুক্তিকামী।
আজন্ম চিরবিদ্রোহী,
আমি জাগরূক বিপ্লবী।।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
২৬/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী (৬)
যুগে যুগে, পথে প্রান্তরে,
শান্তির সওদা ঢের,
অশান্তি, অশান্ত, শান্তির ফেরি,
শান্তি আসবে ফের!
সব জুলমাত, যতো কুলাংগার,
জালিম, জুলুম, অস্ত্রাগার,
ধুলায় মিশিয়ে, করি শান্তিদান।
আমি বিদ্রোহী,
চির বিপ্লবী।
সততঃ দ্রোহের গান গাহি,
বাজায় বিদ্রোহের বাঁশরী।
ধর্ম!
বিশ্বের সকল ধর্ম।
চির সন্মার্হ।
নীতিতে বেঁধে,
পূণ্য বোধে,
গড়িব শান্ত
নতুন বিশ্ব।
জীবনে জীবনে ছন্দ দানিবে,
পূর্ণতা রবে, সকল জীবে।
শান্তি-বানী অভ্রভেদী,
ধুয়ে মুছে যাবে গ্লানি।
তোমার ধর্মের সেরাটুকু দাও,
আমার ধর্মের সেরাটুকু নাও।
তবে ভিন্নতা কেনো?
সুখ শান্তির রুপ জানো?
তোমার আমার, কাছে সবার,
একই জানো, নিত্যকার।
যে ধর্মে তোমার কথা,
আমার কথা, সবার ব্যথা,
জীবন পথের সকল দাবী,
সহজ করে মেটায় সবি।
চলো সে ধর্মটারে,
বর্ম করে, জীবন ভরে,
রাখবো সবার তরে।
ধর্মের নামে হতাহত না করে,
বাঁচায় জীবন, সাজায় ঘরে ঘরে।
যে ধর্ম সত্য হবে,
প্রাণে প্রাণে শক্তি পাবে,
আঁধার ঘুচে, আলোক দিবে।
অধর্মের অপ-প্রচারে,
নিত্য চরাচরে,
থামাবো বজ্রনাদে,
সমূলে উৎপাটনে।
আমি বিপ্লবী ,
চির বিদ্রোহী ।
সত্য ধর্মের বাণী প্রচারে,
মানুষের তরে,
মানুষ মানুষের,
পরিবর্তন মানসের।
শান্তির পথ ও মতের,
সুদূর কাল, মহাকালে,
চির নিশানা, শান্তিধামে।
যে ধর্ম, অধর্মের সম্মিলন,
সে ধর্ম, ধর্ম নামে কেমন ছল?
মিলে মিশে সবে,
সুখানন্দে রয় রবে,
মত ও পথ ভিন্ন হবে,
লড়াই কেনো তবে?
ধর্মগুলো জানি।
জিজ্ঞাসু বিদ্রোহী।
আমি চির বিপ্লবী।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
২৫/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী (৫)
বিপ্লবী (৪)
বিপ্লবী (৩)
আমি সৌরগতি, সৌরাজ্য, সৌরঝড়,
নাস্তানাবুদ করি জালিমের পৃথ্বিতল।
আকাশ পাতাল, মেরু-অমেরু,
গ্রহ-উপগ্রহ, উল্কা ধুমকেতু, আমি।
থামিতে জানিনা, চরম, পরম,
চির-ক্রুদ্ধ, জালিমের শেষ যতি।
চিরতরে শেষ, করিব দালাল,
সুযোগ সন্ধাণী,
হাতে পায়ে সব পড়াব শিকল,
চির-ধ্বংস আনি।
আমি ক্ষুধার্ত জাহান্নাম,
ভয়ংকর পুলসিরাত, সূর্যদল।
একে একে সব করিব উঁধাও,
খোদা-দ্রোহী, জালিম-পুঁঞ্জ।
আমি গোগ্রাসী।
বর্জ্রনিনাদী।
যুগে যুগে, যুগ-নকীব।
জালিমের সাথে শত্রু-পথে,
হেঁটে-গেঁটে মুনাফিক,
যুদ্ধের ময়দানে, নাম জানা অজানা,
মীর জাফর, ঘসেটির;
প্রচন্ড রুদ্রঝড়ে, তীব্রগম্ভীর
আক্রোশে, টানি জীবনের ইতি,
সামাল-বেসামাল ঔদ্বত চূর্ণ বিচূর্ণে,
গড়ি শান্তির পৃথ্বী।
আমি, ভয়ানক কম্পণ, শত্রু মনে,
জ্বালায় নরক, নরকেই ছুঁড়ে মারি,
পাষাণ, পাষন্ড, নির্মম, নিষ্ঠুর,
মানব- দানব সংহারি।
আকাশ পাতাল, ভূতল ফাঁড়ি, আল্লাহর আরশ,
জানা-অজানায়, ঘুরিফিরি,
যেখানেই পায় শত্রু অরি,
মৃত্যু দুয়ার, চির অশান্তি;
সলীল সমাধি করি,
কভু জীবন্ত পুঁতে ফেলি।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
২২/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী (২)
আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল,
বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ,
আমার খুনের সাত সাগরে খেলছে,
সত্য-ন্যায়ের টাইফুন,
করিব নাশ-বিনাশ,
কুচক্রীর কুচকাওয়াজ,
স্তব্ধ করিব তাদের প্রান।
প্রাণে প্রাণে জ্বালিব
নতুনের জয়গান।
ভাঙ্গিয়া রচিব পাষাণের বক্ষে
কোমলের উদ্যাণ।
আমি তরতর,দরদর, দূর্বার,
দূর্ণিবার, গতিবেগে,
খরস্রোতা, পদ্মা, মেঘনা,
যমুনার ভাঙ্গনে,
পাষন্ড, বর্বর, অত্যাচারীর
সলীল সমাধি রচিতে।
যবনিকাপতন।
রক্ত -বর্ণিল, লোহিত নাফের
শোক-সন্তপ্ত, জলধারায়,
পরাধীনতার অবকাশ।
স্বাধীন শৌর্যবীর্যে, বলীয়ান,
আগ্নেয় গিরি,লাভা নিয়ে উন্মত্ত, জয়োল্লাস।
জয়ী, বীর সেনাদল,
ঝড়-ঝঞ্ঝাবেগে, ছুটে চল্ চল্,
নুতন জীবনের উচ্ছ্বাস।
জীবনে জীবনে গতিবেগ এনে,
শত্রুদের নাশি চিরতরে,
পাহাড়ে পাহাড়ে গড়ি
মৃত্যু-ফাঁদ।
০৮/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
দুপুর ০২ টা ৩০ মিনিট।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া বাড়ী, বাড়ী# ১২৩৪,
ওয়ার্ড# ১২, গ্রাম: ভাদুঘর,
পোষ্ট: ভাদুঘর-৩৪০০।
থানা:সদর, জিলা: বি.বাড়ীয়া।
৫৪। বিপ্লবী (১)
বিপ্লবী (১)
---- আরিফ শামছ্
আমি যোদ্ধা, আমি বুদ্ধা, নহে বৃদ্ধা,
আগুনের কুন্ডলী, পুঁড়ে ছারখার করি,
জালিমের ভূত-ভবিষ্যত।
আমি সৈনিক, সেনাপতি,
মহাসেনাপতি, সিপাহসালার।
খলীফা আবু বকর (রাঃ), ওমর (রাঃ),
উসমান (রাঃ), আলী (রাঃ),
আল্লাহর সিংহ, ইমাম হাসান (রাঃ);
হোসাইন (রাঃ), ফিরিয়া আবার।
আমি, আমীর হামজা (রাঃ), খালিদ
বিন ওয়ালিদ (রাঃ),সালমান,
তারিক,মুসা, ইখতিয়ারের
জয়োন্মত্ত অশ্বারোহী ।
সালাহউদ্দীন, বীর মহাবীর,
কুতুবুদ্দীন, ঈশা খাঁন, মানসিংহ ।
করিনাক ভয়, মানিনা ভেদ-বিভেদ,
করিনা সময় অলস ক্ষেপণ।
আমি ক্ষেপা সিংহ, রাজাদের রাজা,
ক্ষীপ্র-তীব্র বেগে, নির্বাসনে,
নির্যাতীতের শেষ অবলম্বন।
আমি ঘাতক, খাদক, অমানব,
নির্যাতকের, বাকরুদ্ধ, অবরোদ্ধ।
আমি অস্থির, আমি চঞ্চল,
কলকলে মহাকাল,
আমি দুর্গত,দুর্গম, দুর্মদ, দুর্মর।
বিশ্ব জালিমের মৃত্যুর শেষবাণ,
বাতিলের খন্ডিত গর্দান।
জালিমের টুটি চেঁপে ধরি ভাই,
এক লহমাই,শূণ্যে উড়ায়।
পবনবেগে হর্ষমনে, মৃত্যুকূপে,
সহাস্যে দাঁড়িয়ে, অবিরাম বিদ্রোহী,
বিপ্লবী গান গায়।
আমি ত্রাস, সন্ত্রাস, ভয়াল সন্ত্রাসী,
আমি মানব, মানবতা, ধর্ম, সদাচার,
আমার বর্ম, দৃঢ় প্রত্যয়ী।
মরুভাস্কর, আমি বেদুঈন, চেঙ্গিস,
খালাকু খাঁন, বাংলার তিতুমীর।
আমি কুখ্যাত, সুখ্যাত, বিখ্যাত,
জালিমের বক্ষ করি চির-বিদীর্ণ।
ধর্মের নামে অধর্মের খেলা
খেলে যে বদজ্জন,
ত্যাগিব শমশের তার ধর 'পর নিদারুণ, মর্মদ!
আমি ঘূর্ণন, সাইক্লোন, ভয়াল টর্ণেডো,
সিডর, বিহ্বল,
আয়লা,নার্গিস,নামে বেনামে
আগমন,তিরোধান,উত্তরণ।
তালে বেতালে, কালে অকালে,
ইতিহাসের নির্মম স্বাক্ষর।
অধর্ম,অকর্ম, কুকর্ম, জুলুম, আর
জালিম, এক ফুৎকারী করি নিশ্চিহ্ন।
আর্তনাদ, হাহাকার, সিংহনাদ,
তর্জনগর্জন, তসনস করি
জালিমের মসনদ।
আমি দশ দিক, করি দিক বিদিক,
আমি দশানন, জুলমাত ছোঁড়ে,
আনিব আলোর প্লাবন, মহাপ্লাবণ।
লয়, ধ্বংস, মহাপ্রলয়ের বীণ হাতে
সকল অত্যাচার, করি পদপিষ্ট ।
আমি হিমালয়, মানবতা, ধর্ম,
চরিত্রকে তুলিয়া ধরিব ঊর্ধ।
পাশবিক জরাজীর্ণ,
যারা আকন্ঠ নিমজ্জন,
সমূলে করিব উৎপাটন।
২০/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া বাড়ী, বাড়ী# ১২৩৪,
ওয়ার্ড# ১২, গ্রাম: ভাদুঘর,
পোষ্ট: ভাদুঘর-৩৪০০।
থানা:সদর, জিলা: বি.বাড়ীয়া।
********
তোমার “বিপ্লবী (১)” কবিতাটা মূলত এক ধরনের আগ্নেয় রেটোরিক্যাল (rhetorical) বিদ্রোহী ঘোষণাপত্র—যেখানে ইতিহাস, ধর্মীয় বীরত্ব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং ব্যক্তিসত্তা একসাথে মিশে গেছে।
এটার শক্তি ও বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করলে এমন দাঁড়ায়:
🔥 ১. ভাব ও থিম
কবিতার কেন্দ্রীয় থিম: জুলুমের বিরুদ্ধে চরম বিদ্রোহ
তুমি নিজেকে “যোদ্ধা–সেনাপতি–প্রাকৃতিক বিপর্যয়” হিসেবে রূপকভাবে দাঁড় করিয়েছো
ইতিহাসের বীরদের (খালিদ, সালাহউদ্দীন, তিতুমীর ইত্যাদি) এক লাইনে এনে “আদর্শিক ধারাবাহিকতা” তৈরি করা হয়েছে
👉 এটা একটা Heroic identity construction poem
⚔️ ২. শক্তিশালী দিক
🔹 ইমেজারি খুব শক্তিশালী: আগুন, সাইক্লোন, টর্নেডো, হিমালয়
🔹 ইতিহাস ও ধর্মীয় বীরত্বের রেফারেন্স কবিতাকে মহাকাব্যিক করেছে
🔹 ভাষার গতি দ্রুত, আক্রমণাত্মক, বিদ্রোহী টোন বজায় আছে
🔹 “আমি” পুনরাবৃত্তি কবিতাকে মনোলোগ/ঘোষণাপত্র বানিয়েছে
⚠️ ৩. যেটা দুর্বল বা উন্নত করা যায়
অনেক জায়গায় overloaded imagery (একসাথে অনেক শক্তিশালী প্রতীক → পাঠক ক্লান্ত হতে পারে)
কিছু শব্দ জোড়া (“ঘাতক, খাদক, অমানব”)—এখানে ভাবের পুনরাবৃত্তি আছে
ইতিহাস + ঝড় + ধর্মীয় বীর—সব একসাথে আসায় ফোকাস একটু ছড়িয়ে গেছে
কিছু লাইন খুব দীর্ঘ, rhythm ভেঙে যায়
✍️ ৪. সাহিত্যিক চরিত্র
এই কবিতাকে বলা যায়:
“Neo-epic revolutionary poem with mytho-historical identity fusion”
সহজভাবে: 👉 আধুনিক ভাষায় লেখা এক ধরনের মহাকাব্যিক বিদ্রোহী স্বীকারোক্তি
🌿 ৫. পরামর্শ (যদি বইয়ে নিতে চাও)
তুমি চাইলে এটাকে ৩ ভাগে ভাগ করলে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে:
আমি যোদ্ধা (Identity section)
আমি ইতিহাস (Historical lineage section)
আমি প্রকৃতি/ধ্বংস (Cosmic force section)
এতে কবিতার flow আরও cinematic হবে।
+---------------------------------------+++++
১১৭। এই পৃথিবীর আর্তনাদ!
পৃথিবীর আলো বাতাস,
প্রকৃতির অকৃপণ দানে,
হয়েছো বড়ো অনেক,
শাসক, রাজা, সম্রাট মানে।
দুঃখ ধরাধামের,
পারোনি ভালোবাসতে,
বিশ্ব আর বিশ্বজনে!
সুবিশাল উদার মনেতে!
সংকীর্ণ চিন্তা, বড়ই হীনমন্য,
শুধু দল, স্বদেশ, স্বজাতিকেই ভালোবাসো!
সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি করতে নিশ্চিত,
ভিনদেশ, ভিনজাতির সব অনিশ্চিত!
তোমার বুকে তোমার সন্তান,
খেলছে পুলক মনে,
পৃথিবীর শিশু খেলছে কেনো?
তাজা বোমার সনে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন,
শিজিংপিং, প্রেসিডেন্ট, কিং!
তোমরা শুধু, দল ও দেশের,
বিশ্ব-বাসীর নও,
থামাও সবি রক্তচোষা,
ফেরার চাবি লও।
কোন্ কারণে শান্ত মানুষ,
দ্রোহানলের বিদ্রোহী,
বাঁধছে বুকে মারনাস্ত্র,
লড়ছে মরনবধি।
ফোকলা দাঁতে, অন্ধ স্বার্থ,
হিংস্র কতো সবাই দেখো,
বুঝবি কবে, ভালোবাসা,
সবার সমান, হোকনা ছোট-বড়ো।
শুনতে কি আর পাবি তোরা,
এই পৃথিবীর আর্তনাদ!
আসবে ঠিকই বিশ্ব নেতা,
গর্জিয়া নাদ-মহানাদ।
১২/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
১১৫। সিরিয়া থেকে বলছি
কলম হল বিকল,
অস্র অজস্র অস্রেই জবাব,
লাগাও তাদের শিকল।
মুখে মুখে শান্তি বাণী,
কথাই তাদের সার,
অস্র বেচা, হীন স্বার্থ,
নাইরে কিছু আর!
বন্ধ্যা হলো বিশ্ব কবে?
মহান নেতা কোথা'?
রক্ত সাগর, মৃত্যুলোক,
নাইরে মানবতা।
বিশ্বটারে স্বর্গ করে,
তুলবে গড়ে কারা?
মানুষ হয়ে মানুষ মারে,
নেইযে জড়তা।
জাতি হচ্ছে ছিন্ন ভিন্ন,
জাতিসংঘ নির্বিকার,
নগ্নভাবে জালিম পক্ষে,
সকল ভেটো পাওয়ার।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১০/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
১১৪। আসল সন্ত্রাসী
এবার আসল সন্ত্রাসী খুঁজে বের করার সময়,
তারা কারা এবং কেন এই বলপ্রয়োগ করে?
তারা কি খেলার পুতুল?
এগুলো কি কেউ ব্যবহার করেছে ... ... ...?
তুমি কেবল মুসলিম নও;
আল্লাহর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিও;
তুমি একজন মানুষ।
তুমি সর্বদা অন্য সকল প্রাণীর জন্য ইতিবাচক;
যদি কোন মানুষ, জ্বীন এবং অন্যান্য সৃষ্টি,
যেকোনো জীবনের জন্য ক্ষতিকর এবং সন্ত্রাসী,
দয়া করে দৃঢ়ভাবে আওয়াজ তুলো,
শান্তির প্রয়োজন হলে তোমার হাত খুলে দাও।
যেন; জীবন সবাইকে শান্তিতে পরিচালিত করে,
সমস্ত ব্যবস্থা ও প্রযুক্তি নিশ্চিত করো;
অন্ধ ফাঁদ ও স্বার্থপর সম্প্রদায় থেকে তাদের রক্ষা করো,
শুরু থেকেই স্বার্থপর, অন্ধ, সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে।
১৫/০২/২০১৮ খ্রি.
মগবাজার, রমনা,
ঢাকা।
Now this time for finding the real terrorist,
Who are they & why do this force?
Are they the doll of Game?
Have they used by any … … … ?
You are not a Muslim only;
But also the best creation of ALLAH;
You are a human being.
You always positives for all other beings;
If any human, Jeen & other creations,
Harmful and Terror for any lives,
Please raise your voice strongly,
Open your arm if need for peace.
As if; Life leads everybody in peace,
Ensure all the system & Technologies;
Secure them from blind trap & Selfish community,
War runs against selfish, blind, terrorist from the beginning.
15/02/2018 A.D.
Mogbazar, Ramna,
Dhaka.
১১৩। বইমেলা
কোথায় খোকা, খুকি।
প্রাণের মেলা, শত শত,
করছে ডাকাডাকি।
ভীঁড় করেছে সবাই দেখো,
পড়ে জামা জুতো,
বারে বারে আসতে মেলায়,
ধরছে নানা ছুঁতো।
দেখতে পাবে নামী দামী,
কবি, লেখক, যতো,
নিজের বইয়ে দৃষ্টি ফেলে,
ভাবছে কী যে কতো।
তাকিয়ে রবে, পলকহীন,
ভাবছো, কেমন করে!
ভাবের মালা, গাঁথছে নিতুই,
শব্দ, কথা ধরে।
ঐ যে দেখো পাথর চোখে,
বর্ণ সাদা কালো,
বইয়ের গায়ে দেখছো কতো,
ছবি আঁকলো ভালো।
মনের চোখে, দেখো সবে,
আজো জেগে তারা,
পথ দেখালো, পাতায় পাতায়,
করলো জীবন সারা।
মনের কথা, ধ্যান-ধারণা,
পরশ বাণী কতো,
জীবন পথে, দিশা দিবে,
সফল মানুষ হবো।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
মীরেরটেক, মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
২৫/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
রাত ১২:১০।
১১২। একুশে ফেব্রুয়ারি
রক্ত করবী, পদ্মদলের জীবন সায়ান্ন,
কতক রবির অস্ত আনিল,
সোনালী আলোর ভোর,
কত শত, লাখে, কোটি, প্রাণে,
জাগিল বিপ্লবী সুর।
রক্ত কণিকা মিছিলে মিছিলে,
শিরা, উপশিরায়, দলে উপদলে।
প্রাণে প্রাণে গর্জিল হুংকার,
বাংলা ভাষার চায় অধিকার।
যে ভাষা শেখা মায়ের মুখে,
বাবার আদরে, শাসিত চোখে,
ভাই ও বোনের স্নেহের ছায়ায়,
মাতৃভূমির নদী, গিরি, হাওয়ায়।
সে ভাষা ছেড়ে দিব হায়!
ভুলে যাবে সবে, কোন্ ঘোষণায়?
জীবনের শিঁকড়, দেহ মনে প্রাণে,
সমূলে প্রোথিত, মনের গহীনে।
অস্থি, মজ্জা, মাংশ, চামড়া,
প্রতিটি লোম, কাঁটা দিয়ে খাঁড়া,
মায়ের ভূমিতে দাঁড়িয়ে কারা?
কাঁড়িবে, অস্তিত্ব ! বাংলা ভাষা!
আন্দোলন আর রক্ত-নদী-স্রোতে,
ভাষার অধিকার, আসলো ফিরে,
নতুন করে পেলো গতি ,
স্বাধীন চেতনা,
অগ্নি পথিক, বহ্নি শিখায়,
স্বাধীণতা কেনা।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
২১/০২/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
১১০। ফাগুনের গান
১০৯। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা প্রিয় বাংলাভাষা
সকল দেশে ভাষা জীবন,
ভাষা সবার প্রাণ,
ভাষা বিনে যায় কি বাঁচা,
থাকে কিহে মান?
ভাষা দিয়ে স্বপ্ন গাঁথা,
নিপুণ জীবন গড়া,
ভাষা দিয়ে হয় বিনিময়,
মনের সকল কথা।
জীবন জুড়ে নদীর মতো,
পাখির কলরব,
পরিচয়ের নিত্য বাহন,
অধম, উত্তম সব।
ভাষা শিখি মায়ের মুখে,
গল্প, কথা, কাজে।
মায়ের স্বরের উচ্চারণে,
ভাষা নিতুই সাজে।
মাতৃভাষা ভাষার সেরা,
বাংলা মাতৃভাষা,
এই ভাষাতেই মরা বাঁচা,
চলে কান্না হাসা।
শান্তি সুখের তরী বেয়ে,
জীবন চলে কতো,
মাতৃভাষায় সব খুঁজে পায়,
প্রয়োজন যা' যতো।
বাংলা ভাষায় জানতে পারি,
আল্লাহ্, রাসুল (সাঃ) প্রিয়,
ধর্ম আমার ইসলাম সেতো,
পরশ পাথর স্বীয় ।
মাতৃভাষা মোদের তরে,
খোদার সেরা দান,
এই ভাষাতেই সকাল সাঁঝে;
গায় তাহারি গান।
ভাই আমাদের সালাম, বরকত,
রফিক, জাব্বার প্রমুখ,
বুকের তাজা রক্ত ঢেলে,
রাখলো মায়ের মুখ।
ধরাতলে উজল হলো,
সবার স্বপ্ন আশা,
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা,
প্রিয় বাংলাভাষা।
ধরাতলে উজল হলো,
বাংলা ভাষার শান,
বাংলাভাষা পেলো আজি,
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মান।
২০/০২/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
নাফী টাওয়ার,
৭ম তলা,
গুলশান-০১,
ঢাকা-১২১২।
১০৮। কালো বোরখা
বং আবৃত্তিযোগ্য।
১০৭। হাসিমুখে ফের দেখা
দেখা হলো বুঝি শেষে,
লাজুক ভঙ্গিতে, স্মীত হেসে,
আর কী কভু, কথা হবে!
শৈশবে কৈশোরে খেলেছি সবে,
মাঠে ময়দানে, খালে বিলে ঝিলে,
চৈত্র্যের খর রৌদ্রে, বর্ষার জলে মিলে,
শীত, গ্রীস্মের ভরদুপুরে, সন্ধ্যাকালে।
আজ কোথা' ভাই,কার ইশারায়,
সবা'কে ছেড়ে চলে গেলে হায়!
কোন সুদূরে, কোন অভিমানে!
শোকাহত আজ দেখো সবজনে।
সান্ত্বনা পাবো কোথায় বলো,
আজ দিবে কে কা'রে!
মা হারালো নয়ন মণি,
সন্তান খোঁজে ফিরে।
ভাই বোন খোঁজে, ভাই পাবে ফিরে,
ফের খোঁজে আর ভাবে,
এই বুঝি এসে বলবে হেসে,
ভাবছো কেনো মিছে!
"যতোদিন মোর হায়াত ছিলো,
ছিলাম সবার সাথে,
সুখে দুঃখে সব বেলাতেই,
সকল জনের পাশে।
দোয়া চাই, দোয়া ক্ষমার তরে,
ক্ষমা করো সবে শেষে,
হাসিমুখে ফের দেখা হয় যেনো,
জান্নাতুল ফেরদাউসে।
কচি কাঁচা মোর আদরের মণি,
রাখিলাম আজ আমানত সবি,
মানুষের মতো মানুষ হবে,
সবার পাশে রবে।"
২০/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, বি.বাড়ীয়া।
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
শিশু ও নারী নির্যাতন : সভ্যতার মুখে রক্তাক্ত কলঙ্ক বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের ভয়াবহ বাস্তবতা, কারণ, ফলাফল ও মানবতার আর্তনাদ
শিশু ও নারী নির্যাতন : সভ্যতার মুখে রক্তাক্ত কলঙ্ক বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের ভয়াবহ বাস্তবতা, কারণ, ফলাফল ও মানবতার আর্তনাদ লেখক: আরিফুল ইসল...
-
ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার সম্মতি ছিলোনা পক্ষে আমার। ...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
📖 উপন্যাস: রক্তে লেখা ভালোবাসা (ফিলিস্তিনে সওগাত ও কবিতার গল্প) ✍️ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) --- 🕌 ভূমিকা: এই উপন্যাস কল্পনার, কিন্...



















