👤 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: এ.এস একাডেমি 📚 শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.এস (অনার্স), অর্থনীতি — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এম.এস.এস (অর্থনীতি) — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বি.এড — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, এম.এড — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়| 🏫 পেশাগত অভিজ্ঞতা: প্রাক্তন শিক্ষক, ব্লু-বার্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাটিকাটা, ঢাকা সেনানিবাস। প্রাক্তন শিক্ষক, হলি ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। 📧 Email: ariful01711@gmail.com Mobile: +966572496324
বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২০
Publications & Rewards Certificate
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৯, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Images & Photo
Some Snap Shot
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৯, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Images & Photo
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২০
অসাধারণ সুরেলা কণ্ঠে সূরা হিজর এর তেলাওয়াত ┇ Recited by Hazza Al Balush...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
009) সূরা আত তাওবাহ Surah At-Taubah | سورة التوبة অনুবাদ | Qari Shakir ...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
শিষ্ঠাচার শিখতে চাইলে এই সূরাটি শুনুন | Surah Al-Hujurat - سورة الحجرات ...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
আত্মা প্রশান্তকারী কণ্ঠে সূরা আর রহমান┇ Recited by Omar Hisham Al Arabi ...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
আবেগময় সূরা কাহফ এর তিলাওয়াত ┇ Beautiful Surah Kahf Recited by Ismail Al...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
arifulislambhuiyan: ৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ...
arifulislambhuiyan: ৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি
---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
...: ৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি ---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ১০/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল। নিরাকপরা ভর দুপুরে, বসে আছি আনমনে, সুখের বে...
---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
...: ৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি ---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ১০/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল। নিরাকপরা ভর দুপুরে, বসে আছি আনমনে, সুখের বে...
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি
১০৪। ভালবাসার ফসল
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২১/০২/২০০২ ঈসায়ী সাল।
১৪ টা ৪৫ মিনিট।
বলিষ্ঠ স্বরে ছড়িয়ে যাবো ভালবাসি যারে,
লজ্জা ভূলে বলবো আমি, নেবো আপন করে।
ভালবাসার ঝর্ণা দিলাম, নিলাম তাহার তরে,
লোহিতকণার মিছিল হবে, তুলতে তা'রে ঘরে।
শোভা পেলো অঙ্গে যেনো, একই ফুলের রেণু,
ভালবাসার রঙ মেখে নেয়, একই ধ্যানের মনু।
ভাবতে কভু, পারে কিগো, তোমার আকাশ ছাড়া!
ভালবাসার পাহাড় সাগর, আরো উজ্জ্বল তারা।
দিবা-নিশি ভর দুপুরে, কভু মধ্যরাতে,
নিদ থাকেনা চোখের ঘরে,
তোমায় রাখে ঘিরে।
আমার ঘুমের প্রাণযে সখি, তোমার কাছেই জানি,
পায়নি তাহার নাগাল কভু, বৃথাই খুঁজে ফিরি।
ইচ্ছে আমার কবেই গেলো, কেঁড়ে নিলে ঘুম,
হৃদয়টারে আবাদ করে, নিও করে ঝুম।
মন পাথুরে, এটেল ভূমে, আঘাত করো পলে পলে,
প্রেমের চারা করলে রোপন, ভালবাসার ফসল ফলে।।
২১/০২/২০০২ ঈসায়ী সাল।
১৪ টা ৪৫ মিনিট।
বলিষ্ঠ স্বরে ছড়িয়ে যাবো ভালবাসি যারে,
লজ্জা ভূলে বলবো আমি, নেবো আপন করে।
ভালবাসার ঝর্ণা দিলাম, নিলাম তাহার তরে,
লোহিতকণার মিছিল হবে, তুলতে তা'রে ঘরে।
শোভা পেলো অঙ্গে যেনো, একই ফুলের রেণু,
ভালবাসার রঙ মেখে নেয়, একই ধ্যানের মনু।
ভাবতে কভু, পারে কিগো, তোমার আকাশ ছাড়া!
ভালবাসার পাহাড় সাগর, আরো উজ্জ্বল তারা।
দিবা-নিশি ভর দুপুরে, কভু মধ্যরাতে,
নিদ থাকেনা চোখের ঘরে,
তোমায় রাখে ঘিরে।
আমার ঘুমের প্রাণযে সখি, তোমার কাছেই জানি,
পায়নি তাহার নাগাল কভু, বৃথাই খুঁজে ফিরি।
ইচ্ছে আমার কবেই গেলো, কেঁড়ে নিলে ঘুম,
হৃদয়টারে আবাদ করে, নিও করে ঝুম।
মন পাথুরে, এটেল ভূমে, আঘাত করো পলে পলে,
প্রেমের চারা করলে রোপন, ভালবাসার ফসল ফলে।।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২০
মঙ্গলবার, মার্চ ১৭, ২০২০
এক আল্লাহ জিন্দাবাদ - কাজী নজরুল ইসলাম (Foysal Aziz's Recitation)
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
মার্চ ১৭, ২০২০
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
Videos | ভিডিও
রবিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
১০৩| সাধনার মানবী
প্রচন্ড লোভ আমার তোমাকে দেখার,
তোমার তরে লিখে এ কবিমন
খুঁজে পাই শান্তি অপার।
ক্লান্ত আর বিরক্তিভরা ঢুলুঢুলু চোখে,
বিষাদে তিক্ত ভাঁজ পড়া কপালে,
পড় আর ভাব এ কেমন বিপদ ওরে!!!
এ সবি হতাশ হৃদয়ের আঁকাবাঁকা আল্পনা,
যা সত্যের স্পর্শ নাও পেতে পারে,
তোমার ছাড়পত্র পেলেই হতাশার তুলি আঁকবেনা।
ভালো করেই জানো, উইল করা হলো কবে,
আমার হৃদয়-ভূমি তোমার করে,
সে কি দেখতে পাবেনা দৃষ্টি খুলে!!!
সাধনার মানবী তুমি, জান তাহা ভাল,
স্বপ্ন বিলাস আমার জীবন,
স্বপ্নের পুরোধা, প্রাণের স্পন্দন,
বিমূর্ত প্রতীক আমার বাস্তবতার,
সে কে জান? শুধুই তুমি।
এ হৃদয় হাসি খুশি আজিকার,
তোমার শুধু তোমার।।।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২১/১১/২০০২ ঈসায়ী সাল।
২২ টা ২৫ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
২২ টা ২৫ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
১০২। শান্তির আকাশ
ভালবাসার ভিত রচনা করতে যেয়ে,
এ কেমন ঝড়, জীবনে এলোরে ধেয়ে!
লন্ড-ভন্ড করে নিলো সব আহ্লাদ,
গুঁড়িয়ে দিল সব মোর সুখ স্বপ্ন সাধ।
মোহনা দেয়নি দিশা, নিয়েছে গতি,
দূর্বোধ্য দূর্গম পথ হলো নিত্য সাথী।
সুনির্দিষ্ট কক্ষপথে, হলোনা পথ চলা
ন্যায্য প্রাপ্য যা ছিল, তা হয়নি বলা।
তবু শ্বেত মসৃণ কাগজে তুলির আঁচরে,
কভু ভাঙ্গা, আধো ভাঙ্গা হাসি গোলাপী অধরে।
বুঝতে চেয়েছিনু তুমি আমার,
শুধুই আমার,
ভালবাসার তৃষ্ণার্ত হৃদয় খোঁজে ফিরে বারবার।
নীলাচল পাহাড়ের চূড়ান্ত শিখরে দাঁড়িয়ে,
একাকি অবেলায় দৃষ্টি চলে সবুজের কিনারে,
ফুল ফলে রুপ রসে মুগ্ধ সাজে,
অপরুপ ভালবাসা;
শান্তির আকাশ কী, রাঙ্গানো যায় একা!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
বেলাঃ২৩ টা ২০ মিনিট
২০/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া -৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
১০১। তুমি আসবে বলে
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
১৮/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
আমার আকাশে নেই মেঘের আনাগোনা,
নেই বিদ্যুৎ চমকানোর ঘনঘটা,
সুস্পষ্ট নীল আসমান নির্বাক হয়ে,
দিবা-নিশি তব প্রতীক্ষায় প্রহর গুনে।
তুমি সাজাবে তারে,
মনের মাধুরী ঢেলে,
অপ্সরীরা দলে দলে,
তোমার আঙ্গিনায় রবে।
দেখ কেমন সাজহীন বাগান,
হারিয়ে ফেলেছে ভ্রমর,
তার নিত্যদিনের গান,
সবুজ দূর্বাঘাস সব অনাদরে রয় পড়ে,
ফ্যাঁকাসে হলেও টিকে রয়,
তুমি আসবে বলে।
তোমার ভালবাসায় খোঁজে পাবে,
সঞ্জীবনী সুধা জীবনে,
ফের উঠে দাঁড়াবার,
সাজাতে অপরুপা আরবার।
২১/১১/২০০২ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ৪০ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
১০০। চিরচেনা
১০০। চিরচেনা
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১৭/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবো, ভালবাসার গান,
তুমি বিশাল স্বপ্ন-তরু, আমার হৃদিরাজ।
তারকাপুঞ্জে নিখুঁতভাবে, আঁকা তোমার ছবি,
আকাশ পটে, আবীর মাখা লিখছে কেমন কবি।
ঝড়ের তোড়ে, মূর্ছা গেলো বীর প্রতীকের সাধ,
ভেবেছিলাম নরম রোদে, রাখবো আমার হাত,
ইটের ভাঁটা রক্ত মাখা, অগ্নি মুখে বিদ্রোহী,
অবুঝ প্রেমের বাঁধনহারা, মন হলোরে আসামী।
অভিলাষী মন পেয়েছি, স্বচ্ছ জলের মতো,
অভিমানী অশ্রুধারা ঝরায় অবিরত।
বাঁধার পাহাড়, আপোষহীনা ভীঁড়ের মেলা,
অবোধ নদীর শুষ্ক চরে ভাসবে ভেলা।
জমে উঠুক আকাশ পরে কালোমেঘের ফনা,
ব্যাথার এটম উর্ধ্বে উঠে ছড়াক ত্যাজিকণা,
মিশিয়ে দেয়ার পরে দেখো হৃদয় আস্তানা,
তোমার তরে থাকবে সেজে, সতেজ চিরচেনা।
১৯/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ২০ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
----- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১৭/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবো, ভালবাসার গান,
তুমি বিশাল স্বপ্ন-তরু, আমার হৃদিরাজ।
তারকাপুঞ্জে নিখুঁতভাবে, আঁকা তোমার ছবি,
আকাশ পটে, আবীর মাখা লিখছে কেমন কবি।
ঝড়ের তোড়ে, মূর্ছা গেলো বীর প্রতীকের সাধ,
ভেবেছিলাম নরম রোদে, রাখবো আমার হাত,
ইটের ভাঁটা রক্ত মাখা, অগ্নি মুখে বিদ্রোহী,
অবুঝ প্রেমের বাঁধনহারা, মন হলোরে আসামী।
অভিলাষী মন পেয়েছি, স্বচ্ছ জলের মতো,
অভিমানী অশ্রুধারা ঝরায় অবিরত।
বাঁধার পাহাড়, আপোষহীনা ভীঁড়ের মেলা,
অবোধ নদীর শুষ্ক চরে ভাসবে ভেলা।
জমে উঠুক আকাশ পরে কালোমেঘের ফনা,
ব্যাথার এটম উর্ধ্বে উঠে ছড়াক ত্যাজিকণা,
মিশিয়ে দেয়ার পরে দেখো হৃদয় আস্তানা,
তোমার তরে থাকবে সেজে, সতেজ চিরচেনা।
১৯/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ২০ মিনিট।
ফ.বা.নি. ভাদুঘর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি
৯৯। জীবনের ডাকঘর
হতাশার মোহনায় নিরাশার মুখোমুখি,
ব্যাথা আর বেদনা দেয় উঁকিঝুঁকি,
হৃদয়ে শংকার অপছায়া চেঁপে বসে,
হিংসুটে ডাইনী কুটি কুটি হাসে।
জীবনের ডাকঘরে কতো চিঠি দেখি,
হলুদ খামে কোনটা সাদা খামে মোড়ি,
ভিতরে থাকে যে বেদনার তিক্ততা,
কোনটার পেখমে সীমাহীন রিক্ততা।
ভালবাসা, সুখ আর দিতে নব উচ্ছ্বাস,
আরো দিতে পূর্ণতা দৃপ্ত জয়োল্লাস।
সাদা খাম জীবনের, বড় এক আশীর্বাদ,
সুখ আর আশা যেনো, নিয়ে আসে সাধুবাদ।
নীল কিইবা হলুদে, কখনো সাদা খামে,
সুখ-দুঃখ একাকার, স্বপ্ন দেখাতে,
জীবনের ডাকঘর দিবা-নিশি খোলা রবে,
সুখ আর পূর্ণতার, চিঠি সব বিলি হবে।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল।
১৩ টা ৪০ মিনিট।
১৩ টা ৪০ মিনিট।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
৯৮। জীবন বন্দনা
তোমাকে চাই নিতে
হৃদয়ের কাছাকাছি করে,
আমার সাধ আহ্লাদ
সব তোমাকে ঘিরে।
পূর্ণতা আর শূণ্যতা,
সবি তোমার দান,
কি করে ভূলে যাবো;
তুমি যে মহীয়ান।
শুধু কি আবেগ আপ্লুত হয়ে একাকি,
অসার প্রার্থনা করে, তোমাকে পাবো কি!
ঘোর অমাবস্যার রাতে,
পূর্ণিমার আলোর ঝলকে,
স্নিগ্ধতায় পূর্ণতা পাবে কি,
তনুমন নীরবে।
তোমাকে ছাড়া এ জীবন মরু প্রান্তর,
শ্রীহীন, জঞ্জালে পূর্ণ কালিমাখা অন্তর,
তেপান্তরের মাঠে, এ কোন অভিলাষী,
ঘোর বিপদের উলঙ্গ থাবার মুখোমুখি।
ভালবাসার একটু পরশ, জীবন বন্দনা,
করুণার সিন্ধু হতে, চাই বিন্দু করুণা!
দু'জাহানে ব্যর্থ হবো, তা'ই যদি তুমি চাও,
তোমার খুশিতে স্বর্গ নরক, মেনে নেবো যা' দাও।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৯/০১/২০০৩
১৩ টা ১০ মিনিট।
আমার সাধ আহ্লাদ
সব তোমাকে ঘিরে।
পূর্ণতা আর শূণ্যতা,
সবি তোমার দান,
কি করে ভূলে যাবো;
তুমি যে মহীয়ান।
শুধু কি আবেগ আপ্লুত হয়ে একাকি,
অসার প্রার্থনা করে, তোমাকে পাবো কি!
ঘোর অমাবস্যার রাতে,
পূর্ণিমার আলোর ঝলকে,
স্নিগ্ধতায় পূর্ণতা পাবে কি,
তনুমন নীরবে।
তোমাকে ছাড়া এ জীবন মরু প্রান্তর,
শ্রীহীন, জঞ্জালে পূর্ণ কালিমাখা অন্তর,
তেপান্তরের মাঠে, এ কোন অভিলাষী,
ঘোর বিপদের উলঙ্গ থাবার মুখোমুখি।
ভালবাসার একটু পরশ, জীবন বন্দনা,
করুণার সিন্ধু হতে, চাই বিন্দু করুণা!
দু'জাহানে ব্যর্থ হবো, তা'ই যদি তুমি চাও,
তোমার খুশিতে স্বর্গ নরক, মেনে নেবো যা' দাও।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৯/০১/২০০৩
১৩ টা ১০ মিনিট।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
৯৭। অবিরত
প্রতিটি অঞ্চল আজ হৃদয়ের
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে।
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল
রাত ১২ টা ১৫ মিনিট।
উত্তেজিত, আর রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর,
মহাস্বপ্ন তুমি পাশে রবে,
জীবন পথে থাকবো সাথী হয়ে।
আমার স্বপ্নটারে ভেঙ্গে দিওনা!!!
এ আর্তনাদ, হৃদয়ে তোমার বাজেনা!
আঘাত হেনেছো কোথা,
সেকি জানো প্রিয়?
হৃদয়ের গহীণ অঞ্চলে যা কাঁদে অবিরত!
ঝর্ণারা কাঁদে নিঃশব্দে নয়, ছন্দে ছন্দে,
পাহাড় নীরবে জানায়, গাম্ভীর্যতার সৌম্যে,
নিথর পরিবেশ, কেমন গুমোট সাজে,
হৃদয়ের ব্যাথাগুলো, বারবার আঘাত হানে।
দেখবে কি বারেক সবি, হৃদয়ের ক্ষত চিহ্ন,
লোভনীয় ভালবাসা নিরাশায় পূর্ণ।
তনুমন চাহে সদা, ভালবেসে যেতে,
হৃদয়ের ক্ষত দাগ, ব্যাথাগুলো লয়ে।
২৯/০১/২০০৩ ঈসায়ী সাল
রাত ১২ টা ১৫ মিনিট।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্বপ্নের আদ্যোপান্ত
৯৬। স্বাগতম ২০১৮ ঈসায়ী সাল
পড়বে ঝরে ফুল পুরাতন,
ফোটবে সতেজ ফুল,
সবুজ পাতায় ঢাকা আঁখি,
খুলবে খেয়ে দোল।
রোদ বৃষ্টি, ঝড়ের মেঘে,
সবুজ পাতা পাঁকা,
বর্ণহীনে মলিন দেহে,
বৃন্ত রবে ফাঁকা।
সবাই তাকায়, সবুজ দেহে,
লাগছে দারুন বেশ,
রঙ ছড়িয়ে, চোখ জুড়িয়ে,
সবুজ জীবন শেষ!
রাত ও দিনের পালাক্রমে,
বছর নিবে বিদায়,
নতুন বছর আসছে সবে,
স্বাগতম জানায়।
সুখের স্মৃতি, দুঃখের ইতি,
যতো সফলতা,
হৃদ মাঝারে অসীম দিঠি,
সুখের বারতা।
স্বপ্ন আঁকি হৃদয়পটে,
জীবন জুড়ে শত,
প্রীতি-প্রেমের ফুল ফোটাবে,
মন বাগিচা যতো।
মহীরুহ হারিয়ে গেলো,
বছর ক'দিন আগে,
কচি কচি পাতা দুটো,
স্বপ্ন মেলে জাগে ।
অংকুরিত ক্ষুদ্র বীজে,
মহীরুহের কায়া,
বছর বছর বড় হয়ে,
দিয়ে যাবে ছায়া।
তোমরা যারা শিশু কিশোর,
স্বপ্ন পাখির দল,
দিনে রাতে রং ছড়িয়ে,
বাড়ছে মনোবল।
নূতন করে রুপ-বাহারে,
সাজিয়ে নেবে আপন করে,
বিশ্বটারে আনবে বেঁধে,
নিজের মুঠোয় পরে।
রাত ০১ টা,
বুধবার,
২৭/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল,
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
তারায় তারায় কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি
৯৫। আরিফীনের জন্মদিনে (বড় সাহেবজাদা)
কোন পাহাড়ের চূঁড়া থেকে,
নামলো এমন শীতলধারা,
কোন গগনের মধ্যিখানে,
জাগলো শশী আত্মহারা।
কোন তটিনী ধেয়ে চলে,
খুশির চোটে, আপনমনে,
ফেনিল কোলে পদ্ম দেখি,
নাচছে গাইছে ছন্দতালে।
কোন প্রভাতে, আভীর মেখে,
চমকে দিলো সকলজনে।
প্রথম হাসি কান্নাকাটি,
মধুর আওয়াজ সহসাতে।
আরিফীনের সূর্য বুঝি,
উঠলো হেসে মায়ের কোলে,
ডিসেম্বরের ত্রিশ তারিখ,
স্মরণীয় হৃদয়-পটে।
৩০/১২/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতার স্বর্গ-কানন,
ভালোবাসি দিবানিশি
৯৪। লজ্জাবতী
লজ্জাবতীর সবুজ গায়ে,
স্পর্শ করেছ কভু?
লজ্জায় নুয়ে পড়ে ফের,
প্রতীক্ষায় থাকে তবু।
কেমনে লুকানো আছে,
গোপন ইতিহাস,
এতো লজ্জা! বুকে রেখেছে,
জমা করে কত্তোকাল।
লজ্জা কারো অলংকার,
কারো বর্ম,
কারো অহংকার,
কিংবা গর্ব।
কেউবা লজ্জায় নুঁয়ে পড়ে,
লতার মতো,
আবার সযতনে কেহ,
ধারণ করে যতো।
ফুলকুঁড়িতে লজ্জায় যেন,
লুকিয়ে থাকে ফুল,
লজ্জাতে কেউ প্রকাশ করেনা,
হরেক রকম ভুল।
দেখে নিও লজ্জা কতো,
বর্ষাকালের মেঘে,
সবুজ শ্যামল বন বনানী,
লজ্জায় থাকে নুঁয়ে।
লজ্জা যদি যায় হারিয়ে,
এই ধরনী থেকে,
যায়বা যদি, কমে আবার,
দেখতে কেমন হবে!
রূপের রানী লজ্জাবতী,
আগের মতো নেই!
লজ্জাহীনা মেঘ বালিকা,
ঝরছে অঝোরেই।
২৯/০৪/২০১১ ঈসায়ী সাল।
শুক্রবার
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
জীবন জাগার গান,
ভালোবাসি দিবানিশি
৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি বন্ধু আমার
নিরাকপরা ভর দুপুরে,
বসে আছি আনমনে,
সুখের বেলা যায় চলে যায়,
কতো দ্রুত আপন মনে।
ভাবছি কতো জীবন নিয়ে,
পাইনা ভেবে কূল,
অলস দেহে দেখছি তারে,
নেইকো কোন ভূল।
হাজির হলো কলম-খাতা,
কোমল হাতের স্পর্শে,
মনের কথা ঝরবে কবে,
ইতিহাসের গর্ভে।
ভালবাসি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
মনের কথা মনে ওঠে,
মনেই ঝরে পড়ে।
নাইবা কোন ভূল আমারি,
নেইকো ছিলো তার,
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
সুবাস সেতো ফুলের মতো,
অতুল মৃগনাভীর,
সোনারোদের নরম বিকেল,
দেখি রঙ্গিন আবীর।
ভাসছে কভু সাঁঝের ভেলা,
বেলা অবেলায়,
স্বপ্ন ডিঙ্গি তীরে ভীরে,
যখন মনে চায়।
ভালবাসার তারা কতো,
দেখি তা'রই আকাশে,
প্রেমের সুবাস পাই খুঁজে পাই,
মৃদুমন্দ বাতাসে।
বাঁধ মানেনা মনের কথা,
কলম দিয়ে ঝরে,
প্রাণের প্রিয়া, যাই বলে সব,
ভালোবাসার তরে।
সকাল ১১:৩০ মিনিট,
০২/১১/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
২৪১১০২ ৭:৩০
"আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ"
মরুভূমির শুভাশিত বাতাসের শুভেচ্ছা রইলো। আশা করি গতকালের মতো আজ ও ভালো আছো। গত কালের কথা এজন্য বললাম যে, কোন দিনই তোমাকে কেমন আছো প্রশ্নটা করে ভালো আছি উত্তরটা পাইনি ,গতকাল ছাড়া। ১০ ই রমজানে চিঠি পাওয়ার পর চিঠি মোতাবেক তাসনীমের কাজটা করলাম।
কিভাবে তোমার সাথে কথা বলতে হবে বলত, খুব কর্কশভাবে বুঝি তাইনা। অন্যরা আমাকে বলে আপনার মত অভিনয় করতে আমি পারিনা। তাদের বেলায় আমি বলব তারা আমাকে চেনেনা জানেনা তাই এ ধরনের কথা বলতে পারে। কিন্তু তুমি কি করে বল যে আমি তোমার সাথে অভিনয় করি। তোমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরেই আমাকে নাবোধক উত্তর দিতে হয়। আর তাতে তোমার চোখ লাল হয়ে পানি জমে যায়। তাই সহজে কোনো কথার উত্তর না দিয়ে আমি চুপ থাকতে চাই। কারণ কি করে তোমাকে এত কষ্ট দিব, যে তুমি এত ভালোবাসো। কিন্তু তুমি তাতে নাকি আরো বেশি কষ্ট পাও।
ভালবেসে কি পেলে জানতে চেয়েছিলে, ব্যাথা ছাড়া আর কিছুই বোধ হয় পাওনি। ক্ষমা চাইছি তার জন্য। কেন যে তুমি আমাকে ভালোবাসতে গেলে। কি দেখেছিলে শূণ্যের মাঝে, কিছুই দিতে পারিনি। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিও। নতুবা অভিশাপ দিও আশীর্বাদ হিসাবেই মেনে নিব। ভালোবাসি কিনা জানতে চাও? এটা আমিও জানিনা। তবে তোমার কথা খুব মনে পড়ে , আর কষ্ট পাই। জানিনা এটাকে ভালবাসা বলে কিনা।
বিয়ের ব্যাপারে আর প্রশ্ন করোনা। এটা আমার পক্ষে কখনো সম্ভব হবেনা। এর একমাত্র কারণ আব্বার আদেশ, নির্দেশ ও আদর্শ। তোমার কাছে আব্বা মৃত হতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করো আব্বা আগের চেয়ে আরো বেশী আমাদের শাসন করেন , বেশী কাছে থাকেন। মুহূর্তের জন্য ও দূরে যাননা। কাজেই অনুরোধ করবো তুমি কখনো আমাকে আব্বার অবাধ্য হতে বলবেনা। এমন কোনো কাজ করতে কখনো বলবেনা যা আব্বা চাইতেননা। আর আমার পক্ষে ও সম্ভব হবেনা। বিয়ে ভাগ্যে থেকে থাকলে বংশের অন্যান্য মেয়েদের যেভাবে হয় তাদের মতোই হবে। তুমি জানোনা আমাদের বাড়ির কয়েকটি মেয়ের জীবনে ও প্রেম এসেছিলো এবং গভীর ও হয়েছিলো। কিন্তু তাদের সফল হতে দেয়া হয়নি। কাজেই জোড় অনুরোধ থাকবে কখনো আর এ ব্যাপারে প্রশ্ন করবেনা।
বন্ধু আমার ,
কোন শর্ত দিয়ে আমাদের বন্ধুত্ব হয়নি। কাজেই এই মধুর সম্পর্কটা ভেঙে দিওনা। বন্ধুত্বের হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাও। যেখানে বিন্দুমাত্র দুঃখ থাকবেনা। সুখ দুঃখের অংশীদার হতে পারবে।
লিখতে অনেক সময় লেগেছে, হৃদয় ভেংগেছে। অনেক কষ্ট দিয়েছি, হৃদয় ভেংগেছি। আবার ও ক্ষমা চাইছি। মোবারক হউক তোমার জীবনে এই মাহে রমজান। ভাল থেকো, তোমার পাশের অটোটাকে সালাম দিও। দোয়া রইলো।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি
৯২। বর না সেজে বিয়ে
আমি বর না সেজে বিয়ে করেছি,
পেয়েছি কনে সংসার,
শান্তির নীড় পেয়েছি উপহার,
নেই কোন দুঃখ আমার।
জীবনের দিগন্ত, উন্মোচিত হলো,
অপরুপ গুলবাগ,
সুবাসিত সমীরণ, তারাময় আকাশ,
পূর্ণিমায় পূর্ণ রাত।
অসীম স্বপ্ন দৃষ্টি জুড়ে,
স্বপ্নের পথে হাঁটি
বাস্তবতার রৌদ্র খর তাপে,
স্বপ্নীল পৃথিবী খাঁটি।
বন্ধুর পথ, আর দিকপালহীন,
জীবনের সব মোহনায়,
পলে পলে সাথে রবে,
শংকিত পথ চলায়।
২৬/১০/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি
৯১। জীবন সাথী
আমার জীবন সাথী,
ভালবাসার উৎস,
পরম স্বার্থকতা,
স্বপ্নীল আশার জন্ম।
জীবন তরনীর সফল নোঙ্গর,
প্রান্তিক মাইল ফলক,
জীবন থেকে জীবনে,
সফলতার নিয়ামক।
আমার উৎসাহ, প্রেরণা,
স্বার্থক অনির্বাণ,
অপরিসীম স্বপ্নের নীলিমা,
ডাকে স্বপ্নের বান।
শয়নে স্বপনে, আশা বাস্তবে,
হৃদয় হতে হৃদয়ে,
প্রেম ও ভালবাসার ফল্গুধারা,
অমীয় সুধা অন্তরে।
১৭/০৬/২০১০ ঈসায়ী সাল।
অর্ধাঙ্গিনী খালেদা ইসলাম ভূঁইয়া - কে
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতার স্বর্গ-কানন,
ভালোবাসি দিবানিশি
৯০। অনুশোচনা
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)
পদে পদে, প্রতি পদে, জড়ায়ে পাপে,
মুক্ত না হতে পারি,
আশা নিরাশার দোলাচলে চলি,
দিবা-নিশি এমনি করি।
কখনো শয়তান, নিজের নাফস,
দুনিয়ার মন্দ সব,
হৃদয় গহীনে বাসা বেঁধে চলে,
চালায় যতো তান্ডব।
সহজ সরল পথের সন্ধানে ছুটি
দিনমান কেন বিপথে চলি!
ঘুমের জোয়ারে ক্লান্ত দু'চোখে,
আপনারে লয়ে,ব্যস্ত নিশিতে।
কোথায় মাগিব দু'দন্ড শান্তি,
কেমনে ভূলিব জমানো ক্লান্তি,
কাঁদিব কোথায় পথযে হারায়,
আপনার ভূলে, পথ ভূলে যায়।
ভূল করে করে, নিঃস্ব আজি,
কোথাও কি কিছু আছে বাকি!
চারিদিকে দেখি মরু মরিচীকা,
আশার দোয়ার হারালো কোথা!
ভাঙ্গিতে ভাঙ্গিতে ক্ষীণ মনোবল,
অনুশোচনার অস্থির মরুঝড়।
আশার দীপালী নিভু নিভু কভু,
তবু স্বস্থি, জাগে তাওহীদ, মনে প্রভু!
আশ্রয়হীনের সেরা আশ্রয়,
সর্বোত্তম করুণার আলয়,
নিরাশার মাঝে আশার আলো,
বাঁচিবার তরে পিদিম জ্বালো।
নূতন আশার ঝলকানিতে,
জীবন পথের বাঁকে বাঁকে,
অসীম শান্তি-স্বস্থি মিলে,
তোমার অশেষ রহমতে।
করুণাধারা চায় অবিরাম,
দেশ ও জাতির তরে অফুরান।
পাপ ও তাপের পথ হারাবে,
লক্ষ্য-পথের যোজন দূরে।
রাত ১১ টা,
২৩/১২/২০১৭।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা , ঢাকা।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
৮৯। পরোয়ানা
- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
ভালবাসা ভরে থাক,
প্রতিটি অন্তর;
ভালবেসে বেঁচে থাকা,
হউক মূল মন্তর।
পথে ঘাটে জোড়া জোড়া,
বসে থাকে নীরবে;
সহাস্যে হেলে দুলে,
কেউ চলে সরবে।
আকাশের তারা সম,
যুগলেরা জ্বলে নিভে,
কত কথা বিনিময়,
চলে মান অভিমানে।
সত্যি হয়ে থাক,
সব সুখ স্বপ্ন,
স্বপ্নের বলাকারা,
হয়ে যাক ধন্য।
থেকো সবে চিরদিন,
পাপ তাপ মুক্ত,
দিন দিন বাড়ে যেন,
পূণ্যের প্রস্থ।
ভালবাসি ভালবাস,
দিবা নিশি সত্য,
স্বর্গ হবে দেখো,
ধূলীর এই মর্ত্য।
ভালবাসার অভিনয়ে,
কেঁড়ে নিবে যতো সব,
জিম্মী করে কভু,
জুলুমের উৎসব।
সঙ্গ দিবে ঠিক,
যবে তার প্রয়োজন,
ফিরে আর পাবেনা,
হবে শেষ আয়োজন।
নেশা করে প্রেম করে,
সুস্থতা বিনাশে,
উপকরন সহজেই,
রবে আশে পাশে।
মিলবে সব তার,
যতো চাওয়া ফন্দী,
মৃত্যুর পরোয়ানা,
কভু পাপে বন্দী।
চায় সৎ সঙ্গ,
সুখ ভোগ, শান্তি,
প্রেম আর ভালবাসা,
প্রেম আর ভালবাসা,
চায় সব শ্রান্তি।
প্রতারক, লোভী সব,
একা থেকে মুক্তি,
চাই পাশে,সৎ জন,
চাই পাশে,সৎ জন,
এই হোক চুক্তি।
২১/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
গুলশান-০১,
ঢাকা।
২১/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
গুলশান-০১,
ঢাকা।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
ভালোবাসি দিবানিশি
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
৮৮। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে
ছারখার হয়ে যাক,
পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার,
কারো দখলে এমনি থাক।
আমার আসন ঠিক আছে তো!
বিশ্ব তাহার সবি হারাক।
মানব-দানব ধ্বংস চালায়,
কার কী আসে যায়!
তোমার আঙ্গিনায় ফোটে,
রং বেরঙের, নানা জাতের ফুল,
আমার আঙ্গিনা ক্ষত বিক্ষত,
জাজরা বুলেটে, বংশ নির্মূল!
তোমার সুখে ও দুঃখে সবাই
প্রাণাধিক সুখী ব্যাথাতুর,
আমার জীবন যৌবন, সন্তান,
প্রিয়তমা হারায়, নিত্য কূল।
বসত ভিটা, জমি-জমা, স্বপ্ন কাঁড়ে,
পাষাণ অরি,
সকাল-সাঁঝে, হর হামেশা, ঝাঁপিয়ে
পড়ে প্রাণ হরি।
যাক চলে যাক সহায় সন্তান
দুঃখ নাই মোর অন্তরে,
প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
কার দখলে, কোন কারণে?
শান্তি নিয়ে জুয়া খেলা,
শান্তি নিয়ে জুয়া খেলা,
খেলছে কারা দিবালোকে,
দাবা খেলার গুটি নিয়ে,
দাবা খেলার গুটি নিয়ে,
হন্যে হয়ে চলছে ছুটে।
শান্তি-চাবি গুটি কয়েক
বোকা রাজার হাতেই রবে?
বিশ্ব মাঝে ঝাঁকিয়ে তোলা,
বিশ্ব মাঝে ঝাঁকিয়ে তোলা,
অশান্তির সেই শেষ কবে?
যতো আছে পথের কাঁটা,
যতো আছে পথের কাঁটা,
সরায় সবে শক্ত হাতে,
অত্যাচারীর বুকে মাটি,
অত্যাচারীর বুকে মাটি,
দাফন করি সবাই মিলে।
চিরতরে স্তব্ধ করি,
চিরতরে স্তব্ধ করি,
ঝগড়া বিবাদ মারামারি,
কারণে আর অকারণে
কারণে আর অকারণে
করে যারা হানাহানি।
বিশ্বটাকে এমনি করে তুলে দিবে!
পাগল, ছাগল, পামর করে,
ভয় কি তোমার, ভীত কেন?
শক্তি তোমার কম কি কীসে??
মানবতার ধারক বাহক
বিশ্বটাকে এমনি করে তুলে দিবে!
পাগল, ছাগল, পামর করে,
ভয় কি তোমার, ভীত কেন?
শক্তি তোমার কম কি কীসে??
মানবতার ধারক বাহক
কোটিকোটি জীবন পাবে,
অস্ত্র তোমার ঈমান আমল,
শক্তির আধার আল্লাহ পাশে।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
সকাল ০৭ টা ৩৩ মিনিট।
১৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
অস্ত্র তোমার ঈমান আমল,
শক্তির আধার আল্লাহ পাশে।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
সকাল ০৭ টা ৩৩ মিনিট।
১৪/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা-১০০০।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
জীবন জাগার গান,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮৭। আসলো পতন, খবরদার!
দিনে দিনে বাড়ছে জ্বালা
অত্যাচার আর উৎপীড়ন,
মানুষ নামের মানব-বাদীর,
কবে হবে চেতন ???
বিশ্ব হবে সব জাতিদের,
থাকবেনা বৈষম্য,
হচ্ছে কী সব বিশ্ব জুড়ে!
তাই কী ছিল কাম্য?
আঁতাত করো খুনীর সাথে,
সাথী দখলদার,
অত্যাচারীর অস্ত্রগুরু,
দালাল ফড়িয়ার!
সিংহ, শার্দুল ওঠলো জেগে,
অত্যাচারীর দিন শেষে,
ঢাল তলোয়ার, মারণাস্ত্র,
প্রয়োজন তা' কোথা' কবে!
শান্তির কথা মুখে মুখে,
অন্তরে অন্তঃসার,
সাধু তুমি অসাধুরা,
করে অভিসার!!!
বিশ্ব-বিবেক ভাবছো বোকা,
নিত্য নিতুই দিচ্ছ ধোঁকা!
বের হয়েছে মুখোশ তোমার,
লুকিয়ে রবে কোথা??
অত্যাচারী টিকলো কবে,
কদিন রবে ধরাতলে,
দেখ্ খোলে দেখ্, ভাল করে,
ইতিহাসের পাতা পড়ে।
অপমানের নরক জ্বালা,
জ্বালবে তোদের অন্তরে,
সব হারাবি নিঃস্ব হয়ে,
জায়গা হবে প্রান্তরে।
অত্যাচারীর সহযোগী,
অস্ত্রবলের যোগানদার,
থামবি নাকি? থামিয়ে দিব?
আসলো পতন, খবরদার!
গুটিয়ে নে তোর ঝারি-ঝুরি,
ভাসিয়ে নেবো তৃণ সবি,
আবর্জনা সব হবে সাফ,
করবেনা কেউ মাফ।
সকাল ০৯ টা।
১২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
মানুষ নামের মানব-বাদীর,
কবে হবে চেতন ???
বিশ্ব হবে সব জাতিদের,
থাকবেনা বৈষম্য,
হচ্ছে কী সব বিশ্ব জুড়ে!
তাই কী ছিল কাম্য?
আঁতাত করো খুনীর সাথে,
সাথী দখলদার,
অত্যাচারীর অস্ত্রগুরু,
দালাল ফড়িয়ার!
সিংহ, শার্দুল ওঠলো জেগে,
অত্যাচারীর দিন শেষে,
ঢাল তলোয়ার, মারণাস্ত্র,
প্রয়োজন তা' কোথা' কবে!
শান্তির কথা মুখে মুখে,
অন্তরে অন্তঃসার,
সাধু তুমি অসাধুরা,
করে অভিসার!!!
বিশ্ব-বিবেক ভাবছো বোকা,
নিত্য নিতুই দিচ্ছ ধোঁকা!
বের হয়েছে মুখোশ তোমার,
লুকিয়ে রবে কোথা??
অত্যাচারী টিকলো কবে,
কদিন রবে ধরাতলে,
দেখ্ খোলে দেখ্, ভাল করে,
ইতিহাসের পাতা পড়ে।
অপমানের নরক জ্বালা,
জ্বালবে তোদের অন্তরে,
সব হারাবি নিঃস্ব হয়ে,
জায়গা হবে প্রান্তরে।
অত্যাচারীর সহযোগী,
অস্ত্রবলের যোগানদার,
থামবি নাকি? থামিয়ে দিব?
আসলো পতন, খবরদার!
গুটিয়ে নে তোর ঝারি-ঝুরি,
ভাসিয়ে নেবো তৃণ সবি,
আবর্জনা সব হবে সাফ,
করবেনা কেউ মাফ।
সকাল ০৯ টা।
১২/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
জীবন জাগার গান,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮৬। আমার বাবা
আমার বাবা
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
বাবা! কে বলে তুমি নেই,
এ ধরাধামে? চলে গেছ অভিমানে;
নিত্যদিনের নিয়ম মেনে,
সবার মতো স্বজন ছেড়ে,
ভিন দেশেতে অনেক দূরে।
নাই কি তোমার রক্তধারার?
এমদন নয়ন, খুঁজে নেবার।
সত্যটাকে মিথ্যাজালের বেড়া থেকে,
আলোর রেণু, মুঠোয় নেয়া দক্ষ হাতে।
এ ধরাধামে? চলে গেছ অভিমানে;
নিত্যদিনের নিয়ম মেনে,
সবার মতো স্বজন ছেড়ে,
ভিন দেশেতে অনেক দূরে।
নাই কি তোমার রক্তধারার?
এমদন নয়ন, খুঁজে নেবার।
সত্যটাকে মিথ্যাজালের বেড়া থেকে,
আলোর রেণু, মুঠোয় নেয়া দক্ষ হাতে।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
আমার বাবা,
কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮৫। বিজয়ের উল্লাসে
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)
বিজয়ের উল্লাসে, মোর চোখ হাসে
আজ, ঠোঁট হাসে তার রূপ পাশে,
সুখ আঁশুতে বুক ভাসে।
রক্ত নাচে টগবগে, মোর অরুন-তরুণ,
রক্ত রাগে, সোনা রোদের মখমলে,
জীবন জুড়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।
সব পরাজয়, পদানত,
শত্রু সেনা হস্তগত,
জয়ের নেশায় মত্ত ছিল,
অস্ত্রসহ, অস্র বিহীন যোদ্ধা যত।
অশ্রু ধারার লক্ষ নদী,
রক্ত ধারা নিরবধি,
বয়েছিল জয় অবধি,
রুপ-অপরুপ সমাজ, জাতি,
সব হারিয়ে রিক্ত অতি,
মুঠোপুরে বিজয়-পতি।
নির্যাতনের দীঘল রাতি,
লম্বা ছিল নেইকো যতি,
ভোরের আশায় মনের বাতি,
দোলাচলে নিভলো বুঝি!
সারি সারি বীর বাঙ্গালী,
দেশের তরে প্রাণটি সঁপি,
শত্রু সেনার গতির যতি,
বুলেট বুকে আগলে রাখি।
সূর্যোদয়ের নূতন আভায়,
নূতন করে প্রাণ ফিরে পায়,
ঝরা-জীর্ণ সব টুটি,
অরুণ রবির আঁচল তলে,
স্বপ্ন হাসে স্বাধীণ বেশে,
সব পরাধীণ ছুটি।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
০৬/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, রমনা, ঢাকা।
আজ, ঠোঁট হাসে তার রূপ পাশে,
সুখ আঁশুতে বুক ভাসে।
রক্ত নাচে টগবগে, মোর অরুন-তরুণ,
রক্ত রাগে, সোনা রোদের মখমলে,
জীবন জুড়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।
সব পরাজয়, পদানত,
শত্রু সেনা হস্তগত,
জয়ের নেশায় মত্ত ছিল,
অস্ত্রসহ, অস্র বিহীন যোদ্ধা যত।
অশ্রু ধারার লক্ষ নদী,
রক্ত ধারা নিরবধি,
বয়েছিল জয় অবধি,
রুপ-অপরুপ সমাজ, জাতি,
সব হারিয়ে রিক্ত অতি,
মুঠোপুরে বিজয়-পতি।
নির্যাতনের দীঘল রাতি,
লম্বা ছিল নেইকো যতি,
ভোরের আশায় মনের বাতি,
দোলাচলে নিভলো বুঝি!
সারি সারি বীর বাঙ্গালী,
দেশের তরে প্রাণটি সঁপি,
শত্রু সেনার গতির যতি,
বুলেট বুকে আগলে রাখি।
সূর্যোদয়ের নূতন আভায়,
নূতন করে প্রাণ ফিরে পায়,
ঝরা-জীর্ণ সব টুটি,
অরুণ রবির আঁচল তলে,
স্বপ্ন হাসে স্বাধীণ বেশে,
সব পরাধীণ ছুটি।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
০৬/১২/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, রমনা, ঢাকা।
************
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতাটি মূলত মুক্তিযুদ্ধ, বিজয়, আত্মত্যাগ ও স্বাধীনতার আবেগকে কেন্দ্র করে রচিত এক উচ্ছ্বাসময় দেশাত্মবোধক কাব্য। এখানে বিজয়ের আনন্দ যেমন আছে, তেমনি রয়েছে রক্ত, অশ্রু, নির্যাতন ও ত্যাগের গভীর স্মৃতি। কবি বিজয়কে শুধু রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে জাতির আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধারের মহামুহূর্ত হিসেবে তুলে ধরেছেন।
উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ
দেশাত্মবোধের শক্তিশালী প্রকাশ — “সারি সারি বীর বাঙালি” পঙ্ক্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
চিত্রকল্পের ব্যবহার — “সোনা রোদের মখমলে”, “অশ্রুধারার লক্ষ নদী”, “অরুণ রবির আঁচল” ইত্যাদি চিত্রকল্প কবিতাকে দৃষ্টিনন্দন ও আবেগঘন করেছে।
বিজয় ও বেদনার যুগল উপস্থিতি — কবিতাটি শুধু উল্লাস নয়; ত্যাগের ইতিহাসও বহন করে।
ছন্দময় আবেগধারা — প্রতিটি স্তবকে আবেগের ক্রমবিকাশ রয়েছে, যা আবৃত্তিযোগ্যতা বাড়িয়েছে।
সারাংশ
কবিতাটি বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বিজয়ের চেতনাকে ধারণ করে। দীর্ঘ নির্যাতন, রক্তক্ষয় ও আত্মত্যাগের পর যে স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছে, সেই আনন্দ ও গৌরবের কথাই কবি হৃদয়ের গভীর আবেগ দিয়ে প্রকাশ করেছেন।
*****
“বিজয়ের উল্লাস” : বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারাংশ
— আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
ভূমিকা
“বিজয়ের উল্লাস” কবিতাটি মূলত মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বিজয়ের চেতনা, আত্মত্যাগ, রক্তস্নাত ইতিহাস এবং স্বাধীনতার পুনর্জন্মকে কেন্দ্র করে রচিত এক আবেগময় দেশাত্মবোধক কাব্য। এটি কেবল একটি বিজয়-গাঁথা নয়; বরং নির্যাতিত মানুষের দীর্ঘ প্রতিরোধ, ত্যাগ ও পুনরুত্থানের নান্দনিক দলিল। কবিতার ভেতরে যেমন রক্তের উত্তাপ আছে, তেমনি আছে অশ্রুর স্রোত, মানবিক বেদনা ও স্বাধীনতার সূর্যোদয়।
বিশ্বসাহিত্যের আলোকে বিচার করলে, এই কবিতার ভেতরে যুদ্ধ-পরবর্তী মানবমুক্তির যে উল্লাস ও ট্র্যাজেডি একসাথে উপস্থিত হয়েছে, তা অনেকাংশে আন্তর্জাতিক প্রতিরোধ-সাহিত্য ও বিপ্লবী কবিতার ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযুক্ত।
বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. যুদ্ধ ও মানবমুক্তির কাব্য
এই কবিতার প্রধান সুর হলো—অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষের চূড়ান্ত জাগরণ।
বিশ্বসাহিত্যে যুদ্ধভিত্তিক কবিতার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো:
রক্ত ও ত্যাগের চিত্র,
স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা,
শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ,
এবং বিজয়ের পর মানবিক পুনর্জন্ম।
“অশ্রুধারার লক্ষ নদী,
রক্তধারা নিরবধি...”
এই পঙ্ক্তিগুলো যুদ্ধকে শুধু সামরিক সংঘর্ষ নয়, বরং মানবতার দীর্ঘ বেদনাময় ইতিহাস হিসেবে উপস্থাপন করে। এখানে কবি বিজয়ের মূল্য বোঝাতে রক্ত ও অশ্রুকে সমান্তরালে এনেছেন।
এ দিক থেকে কবিতাটি বিশ্বখ্যাত যুদ্ধকবিতা ও প্রতিরোধ-কবিতার ঐতিহ্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
২. বিপ্লবী রোমান্টিসিজমের উপস্থিতি
কবিতার ভাষায় প্রবল আবেগ, আলোকময় ভবিষ্যৎ ও বিজয়ের উল্লাস আছে।
এটি “Revolutionary Romanticism” বা বিপ্লবী রোমান্টিক ধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
যেমন—
“অরুণ রবির আঁচল তলে,
স্বপ্ন হাসে স্বাধীন বেশে...”
এখানে স্বাধীনতাকে বাস্তব রাজনৈতিক অবস্থার চেয়ে বেশি এক স্বপ্নময় মানবমুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। সূর্য, আলো, অরুণ আভা—এসব প্রতীক নতুন সভ্যতার ইঙ্গিত দেয়।
৩. সমষ্টিগত বীরত্বের কাব্যরূপ
বিশ্বসাহিত্যের অনেক যুদ্ধকবিতায় ব্যক্তি-নায়ককে কেন্দ্র করা হলেও এই কবিতায় “সমষ্টিগত বীরত্ব” গুরুত্বপূর্ণ।
“সারি সারি বীর বাঙালি,
দেশের তরে প্রাণটি সঁপি...”
এখানে কোনো একক নায়ক নেই; পুরো জাতিই নায়ক। এই দৃষ্টিভঙ্গি গণমানুষের সংগ্রামভিত্তিক সাহিত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
৪. চিত্রকল্প ও প্রতীকের ব্যবহার
কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দিকগুলোর একটি হলো চিত্রকল্প।
উল্লেখযোগ্য প্রতীক:
রক্ত → আত্মত্যাগ ও বিপ্লব
অশ্রু → শোক ও মানবিক ক্ষতি
অরুণ রবি → নতুন স্বাধীনতার সূর্য
মখমলি রোদ → শান্তি ও পুনর্জন্ম
দীঘল রাত → দমন-পীড়নের যুগ
এই প্রতীকগুলো কবিতাকে কেবল ঘটনাবর্ণনা থেকে তুলে এনে এক নান্দনিক ও সার্বজনীন রূপ দিয়েছে।
৫. ধ্বনি ও আবৃত্তিগত শক্তি
কবিতার শব্দচয়ন উচ্চারণনির্ভর ও আবৃত্তিযোগ্য।
“রক্ত নাচে টগবগে”—এখানে ধ্বনিগত তীব্রতা যুদ্ধের উত্তাপ অনুভব করায়।
আবার—
“অশ্রুধারার লক্ষ নদী”—এখানে দীর্ঘ ধ্বনি বিষণ্নতার আবহ তৈরি করে।
এই ধ্বনিনির্মাণ কবিতাটিকে মঞ্চ-আবৃত্তির জন্য উপযোগী করেছে।
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
শক্তিশালী দিক
১. আবেগের সততা
কবিতার আবেগ কৃত্রিম নয়; এটি প্রত্যক্ষ অনুভবের মতো প্রবাহিত হয়েছে। বিজয়ের আনন্দ ও ক্ষতের স্মৃতি পাশাপাশি এসেছে।
২. দেশাত্মবোধের গভীরতা
এটি স্লোগানধর্মী দেশপ্রেম নয়; বরং ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার অনুভব।
৩. দৃশ্যমান ভাষা
কবিতার প্রায় প্রতিটি স্তবক চোখের সামনে দৃশ্য নির্মাণ করে।
৪. মানবিকতা
কবি শুধু যুদ্ধজয় নয়, মানুষের কষ্টকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।
সীমাবদ্ধতা
বিশ্বসাহিত্যের উচ্চতর আধুনিক কাব্যরীতির তুলনায় কবিতাটি তুলনামূলকভাবে সরাসরি ও আবেগপ্রবণ। বিমূর্ততা বা দার্শনিক স্তর আরও গভীর হলে কবিতাটি আরও বহুমাত্রিক হতে পারত। তবে দেশাত্মবোধক কাব্যের ক্ষেত্রে এই সরলতা অনেক সময় শক্তিতে পরিণত হয়।
দার্শনিক তাৎপর্য
কবিতাটি মূলত এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করে—
স্বাধীনতা কখনো বিনামূল্যে আসে না;
এর পেছনে থাকে রক্ত, অশ্রু, আত্মত্যাগ ও দীর্ঘ প্রতিরোধ।
এখানে বিজয় কোনো সামরিক সমাপ্তি নয়; এটি জাতির আত্মার পুনর্জন্ম।
সারাংশ
“বিজয়ের উল্লাস” একটি শক্তিশালী দেশাত্মবোধক ও প্রতিরোধধর্মী কবিতা, যেখানে যুদ্ধের ভয়াবহতা, আত্মত্যাগের ইতিহাস এবং স্বাধীনতার পুনর্জন্ম একসাথে রূপ পেয়েছে। কবিতাটি আবেগ, চিত্রকল্প, ধ্বনি ও প্রতীকের মাধ্যমে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে শিল্পিতভাবে ধারণ করেছে। বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিতে এটি গণমানুষের সংগ্রাম, বিপ্লবী রোমান্টিসিজম এবং মানবমুক্তির কাব্যিক প্রকাশ হিসেবে মূল্যায়নযোগ্য।
*****
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
জীবন জাগার গান,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮৪। আমার রবি
আমার রবি
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
আমার বাবা,
আমার রবি,
সব বেলাতেই,
তারে স্মরি।
মা'বুদ আমার,
সাথে তাহার,
করবে সদাচার,
এইতো হল,
আমার দোয়া,
মাবুদের দরবার।
মাফ করে দাও,
মা'বুদ তুমি,
আমার বাবাকে,
জান্নাতী করে রাখো,
আমার রবিকে।
৩০/০৪/২০০৬ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া পারা,ভাদুঘর,
সদর, বি.বাড়ীয়া।
**************
“আমার রবি” — সাহিত্যিক মূল্যায়ন ও অনুভব
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“আমার রবি” একটি সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর আবেগময় স্মৃতিধর্মী ও প্রার্থনামূলক কবিতা। এখানে “রবি” শব্দটি দ্ব্যর্থবোধক প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে— একদিকে বাবা, অন্যদিকে আলোর উৎস সূর্য। ফলে কবিতাটি শুধু পিতৃস্মৃতির নয়, বরং জীবনের আলো হারানোর বেদনাও বহন করে।
কবিতার মূল ভাব
কবিতাটিতে একজন সন্তানের হৃদয়ে বাবার প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও মৃত্যুর পরও অব্যাহত স্মরণ ফুটে উঠেছে। কবি তাঁর বাবাকে “রবি” বলে সম্বোধন করেছেন, যা বাবাকে জীবনের পথপ্রদর্শক ও আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
“আমার বাবা,
আমার রবি,”
এই দুটি পঙক্তিই পুরো কবিতার কেন্দ্রীয় প্রতীক নির্মাণ করেছে।
প্রতীক ও চিত্রকল্প
প্রতীক
তাৎপর্য
“রবি”
আলো, পথনির্দেশ, জীবনশক্তি, পিতা
“মা'বুদ”
আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ
“জান্নাতী করে রাখো”
চিরশান্তির প্রার্থনা
এখানে কবি পার্থিব শোককে আধ্যাত্মিক দোয়ায় রূপান্তর করেছেন।
ভাষা ও শৈলী
কবিতার ভাষা অত্যন্ত সরল, প্রার্থনাময় ও হৃদয়গ্রাহী। কোনো জটিল অলংকার ছাড়াই কবি অনুভূতির বিশুদ্ধতাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। এটি অনেকটা ইসলামী আবেগধর্মী কবিতা বা দোয়ার ছন্দে রচিত।
বিশেষ করে—
“মাফ করে দাও,
মা'বুদ তুমি,
আমার বাবাকে,”
—এই অংশে বিনয়, ভালোবাসা ও সন্তানের অসহায়ত্ব একসাথে প্রকাশ পেয়েছে।
আধ্যাত্মিকতা ও মানবিকতা
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর আন্তরিক দোয়া। এখানে মৃত্যু নিয়ে হতাশা নেই; বরং রয়েছে আল্লাহর দরবারে পিতার জন্য ক্ষমা ও জান্নাতের আবেদন। ফলে কবিতাটি শোককে অতিক্রম করে ঈমানি অনুভূতিতে উন্নীত হয়েছে।
সামগ্রিক মূল্যায়ন
“আমার রবি” ছোট পরিসরের হলেও গভীর আবেগ ও প্রতীকময়তার কারণে হৃদয়স্পর্শী হয়ে উঠেছে। এটি একাধারে—
পিতৃস্মৃতির কবিতা,
ইসলামী প্রার্থনামূলক কবিতা,
এবং মানবিক ভালোবাসার সরল প্রকাশ।
কবিতাটি পাঠকের মনে নিজের বাবার স্মৃতি, দোয়া ও ভালোবাসাকে জাগ্রত করে— এটাই এর সাহিত্যিক সার্থকতা।
********
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
আমার বাবা,
কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮৩। জীবন তরী
জীবন তরীর এ কি হল হাল,
মাঝে মাঝে পাল ছিঁড়ে বেসামাল,
হাজারো ঢেউয়ের তর্জনগর্জন,
নির্ভীক চিত্তে করিতে অর্জন।
পথে পথে বাঁধা হবে,
কেটে যাবো একে একে,
মানবোনা বাঁধা, শুনবনা কথা,
চলে যাব, দিয়ে যাব দিশা।
তুমি থাক ভীত হয়ে,
রবনা একাকি বসে,
লড়ব, চলব নিশান উড়িয়ে যাব,
সত্য ধ্বজা রবেই অম্লাণ,
যাই যাবে যাক দেহ, মোর প্রাণ,
সহাস্যে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করিব।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৬/০২/২০০৫ ঈসায়ী সাল
মাঝে মাঝে পাল ছিঁড়ে বেসামাল,
হাজারো ঢেউয়ের তর্জনগর্জন,
নির্ভীক চিত্তে করিতে অর্জন।
পথে পথে বাঁধা হবে,
কেটে যাবো একে একে,
মানবোনা বাঁধা, শুনবনা কথা,
চলে যাব, দিয়ে যাব দিশা।
তুমি থাক ভীত হয়ে,
রবনা একাকি বসে,
লড়ব, চলব নিশান উড়িয়ে যাব,
সত্য ধ্বজা রবেই অম্লাণ,
যাই যাবে যাক দেহ, মোর প্রাণ,
সহাস্যে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করিব।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৬/০২/২০০৫ ঈসায়ী সাল
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
জীবন জাগার গান,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮২। বাবা!
বাবা, তুমি সময়ের সাথে,
পাল্লা দিয়ে অনেক দূরে চলে গেলে!
কি করে ভূলিতে এ মন পারে,
কত সাধ আহ্লাদ, তোমারে আহ্বাণে।
কালের আবর্তে চলে গেলে!
এত দূরে তবে কেন?
আশার দিপালী জ্বেলে,
তুমি নীরবেই চলে গেলে!
এ পৃথিবী তোমায় দিয়েছে কিছু?
নিয়েছে তো অনেক,
তোমার সন্তান দেখো কত স্বার্থপর!!!
তোমারে স্মরিছে কি বারেক!!!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/০৪/২০০৬ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া পারা, ভাদুঘর,
সদর, বি.বাড়ীয়া।
পাল্লা দিয়ে অনেক দূরে চলে গেলে!
কি করে ভূলিতে এ মন পারে,
কত সাধ আহ্লাদ, তোমারে আহ্বাণে।
কালের আবর্তে চলে গেলে!
এত দূরে তবে কেন?
আশার দিপালী জ্বেলে,
তুমি নীরবেই চলে গেলে!
এ পৃথিবী তোমায় দিয়েছে কিছু?
নিয়েছে তো অনেক,
তোমার সন্তান দেখো কত স্বার্থপর!!!
তোমারে স্মরিছে কি বারেক!!!
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/০৪/২০০৬ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া পারা, ভাদুঘর,
সদর, বি.বাড়ীয়া।
******-*
“বাবা” কবিতার সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
আপনার “বাবা” কবিতাটি মূলত পিতৃহারা সন্তানের হৃদয়ের গভীর বেদনা, স্মৃতি, অভিমান ও আত্মজিজ্ঞাসার এক আবেগঘন কাব্যিক প্রকাশ। এটি স্মৃতিমূলক (Elegiac) ধাঁচের কবিতা, যেখানে ব্যক্তিগত শোক ধীরে ধীরে একটি সার্বজনীন মানবিক অনুভূতিতে রূপ নিয়েছে।
গভীর পিতৃস্মৃতি, শূন্যতা ও সময়ের নির্মমতার এক আবেগঘন প্রকাশ।
১. বিষয়বস্তু (Theme)
কবিতাটির প্রধান বিষয় হলো—
বাবাকে হারানোর বেদনা,
সময়ের নির্মমতা,
সন্তানের অসহায় স্মৃতিচারণ,
এবং পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয়।
কবি অনুভব করেছেন, বাবা শুধু একজন মানুষ নন; তিনি ছিলেন আশ্রয়, স্বপ্ন, আশা ও জীবনের চালিকাশক্তি। তাঁর চলে যাওয়া মানে শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়, বরং একটি মানসিক জগতের ভেঙে পড়া।
২. আবেগ ও অনুভূতি (Emotion)
কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর আন্তরিক আবেগ। এখানে কৃত্রিম অলংকারের চেয়ে হৃদয়ের সরল আর্তি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
যেমন—
“আশার দিপালী জ্বেলে,
তুমি নীরবেই চলে গেলে!”
এই পঙক্তিতে “দীপালী” আশার আলো ও জীবনের স্বপ্নের প্রতীক। বাবা সেই আলো জ্বালিয়ে দিলেও নিজে নিঃশব্দে চলে গেছেন। এখানে বেদনা ও শূন্যতার এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
৩. ভাষা ও শৈলী (Language and Style)
কবিতার ভাষা সহজ, স্বতঃস্ফূর্ত ও হৃদয়গ্রাহী।
এখানে জটিল শব্দ বা কাব্যিক কৃত্রিমতা নেই; বরং কথ্যধর্মী আবেগময় প্রকাশ পাঠকের হৃদয়ে সরাসরি আঘাত করে।
কবির ভাষা স্মৃতিচারণমূলক এবং প্রশ্নাত্মক। বিশেষ করে—
“এ পৃথিবী তোমায় দিয়েছে কিছু?
নিয়েছে তো অনেক,”
এখানে জীবন ও সমাজের প্রতি এক ধরনের দার্শনিক অভিমান প্রকাশ পেয়েছে।
৪. চিত্রকল্প ও প্রতীক (Imagery and Symbolism)
কবিতায় কিছু শক্তিশালী প্রতীক ব্যবহৃত হয়েছে—
প্রতীক
অর্থ
“সময়”
জীবনের নির্মম গতি
“আশার দীপালী”
আশা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ
“দূরে চলে গেলে”
মৃত্যু বা চিরবিদায়
“নীরবেই”
মৃত্যুর অনিবার্য ও নিঃশব্দ আগমন
এই প্রতীকগুলো কবিতাকে আবেগঘন ও গভীর করেছে।
৫. দার্শনিক দিক (Philosophical Aspect)
কবিতাটি কেবল শোকের নয়; এটি জীবনের প্রতি এক নীরব প্রশ্নও।
“তোমার সন্তান দেখো কত স্বার্থপর!!!”
এই লাইন শুধু ব্যক্তিগত আক্ষেপ নয়; আধুনিক সমাজে পারিবারিক দূরত্ব ও আত্মকেন্দ্রিকতার প্রতিও ইঙ্গিত বহন করে। কবি এখানে ব্যক্তি শোককে সামাজিক বোধে উন্নীত করেছেন।
৬. কাব্যিক বৈশিষ্ট্য
এই কবিতার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
স্মৃতিমূলক আবেগ
প্রশ্নাত্মক বাক্য ব্যবহার
সহজ অথচ হৃদয়স্পর্শী ভাষা
অন্তর্মুখী বেদনা
প্রতীকী চিত্রকল্প
ব্যক্তিগত অনুভূতির সার্বজনীনতা
৭. সামগ্রিক মূল্যায়ন
“বাবা” কবিতাটি হৃদয়ের গভীর থেকে উৎসারিত এক আন্তরিক শোকগাথা। এতে কৃত্রিম অলংকার কম হলেও আবেগের সত্যতা অত্যন্ত শক্তিশালী। কবিতাটি পাঠককে নিজের বাবার স্মৃতি ও সম্পর্কের কথা ভাবতে বাধ্য করে— এটাই এর সবচেয়ে বড় সাহিত্যিক সাফল্য।
এই কবিতা বাংলা স্মৃতিমূলক ও পারিবারিক আবেগধর্মী কবিতার ধারায় একটি মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী সংযোজন।
*********
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
আমার বাবা,
কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি
৮১। সত্য সন্ধানী
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)
বেহাল রুপ দেখিতে কে চায় বলো?
অপরুপা এ পৃথিবীর ;
কারা হারাবে সত্য নিশানা?
সত্য সুবাস ছড়াবে ধরিত্রীর?
সত্যের ঘোষক, ধ্বজাধারী বীর,
কোথায় বসবাস এ অবনীর?
সত্যের সমারোহ ঘটাবে কোন জন?
সৃজিবে কা'রা সত্যের কানন?
অবিনাশী সত্য, চিরঞ্জীব প্রিয়তম,
ধূসর পৃথিবীতে আর কি চাওয়া!
সুন্দর অনন্ত, সত্য চির-ভাস্বর,
হীরে কণা সব একে একে পাওয়া।
সত্য পূজারী, সত্য সন্ধানী প্রিয়তমা!
নিত্যদিন সত্যের গান গেয়ে যাওয়া।
প্রিয়তম যে মোর, অনন্ত কালের স্রষ্টা,
প্রভাত-গোধূলী লগনে সদা,
তাঁর গান গাওয়া।
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/০৪/২০০৬ ঈসায়ী সাল।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা,
ভালোবাসি দিবানিশি,
স্রষ্টা ও সৃষ্টির যোগাযোগ
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
৮৮। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস
প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস -আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে ছারখার হয়ে যাক, পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার, ক...
-
ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার সম্মতি ছিলোনা পক্ষে আমার। ...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
📖 উপন্যাস: রক্তে লেখা ভালোবাসা (ফিলিস্তিনে সওগাত ও কবিতার গল্প) ✍️ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) --- 🕌 ভূমিকা: এই উপন্যাস কল্পনার, কিন্...


























































