বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৯

৮০। বাসন্তী


পাকা পাকা বিবর্ণ পাতা সব,
ঝরে পড়ে নীরবে,
শীত এসে চলে গেলো,
বসন্তের মোহরুপে।
জরাজীর্ণ ঝেরে ফেলে,
 নতুনের প্রস্তুতি,
আর কতো অপেক্ষা,
আসবে রে বাসন্তী।

দিন যায়, মাস যায়, আসে যায় বছর,
কেউ বলে বাড়ে আবার কমে যে বয়স!
মায়াঘেরা প্রীতিডোরে,
বেড়ে ওঠা ধীরে ধীরে,
পথচলা সময়ের, শ্বাশ্বত বিধানে।

সুখ আর দুঃখ কেউ কারো অরি নয়,
একে একে দুই দুটো, জীবনের সাথী হয়।
ভাবি সব দুঃখ, কেন সুখ হয়না,
দুঃখ কেন যে, পিছু কভু ছাড়েনা।

সাজাবো থরে থরে, সুন্দরে সুন্দর,
নোঙ্গর রাখব আলোকিত বন্দর।
জীবনের আশা-তরী, ভিড়বে একে একে,
চলবে বিনিময়, জীবনের সব খানে।

 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
৩০/১১/২০১২ ঈসায়ী সাল।
পূর্ব নয়াটোলা, 

৭১। অব্যক্ত নিঃশ্বাস


শরতের আকাশে ভেসে চলে মেঘেরা,
কোথাকার কোন ডাকে, তারা আজ থামেনা।
চলছে নেচে নেচে, নীচে ঝরে পড়েনা,
বুক ফাঁটা মেঠোপথ, অভিমানে চাহেনা।

তারাদের আলো সব বাধা পায় নামতে,
পরীরা ঘুরে ফিরে, পারে নাক নাচতে।
জীবনের খেঁয়া ঘাটে,  নেই কোন লোকজন,
চঞ্চল মন নিয়ে, ছুটে কেউ প্রাণপন।

অলীরা ঘুরেফিরে, নির্মল বাতাসে,
বসেনা ফুলেতে, অজানা অভিমানে।
পাখিদের ভীঁড়ে খুঁজে, চাতকী প্রিয়কে,
কোকিলের গান সব, ফিরে আসে পাহাড়ে।

পাহাড়ের মৌনতা,  কত বড় অভিমান,
পুকুরের নীরবতায়, প্রাণ করে আনচান।
জীবনের পুরোটাই, থাক সুখ শান্তি,
সফলতা উন্নতি আর যত প্রশান্তি।

ছুটে চলা অবেলায়, বিনীত চাপা শ্বাস,
প্রাণপন ছুটে চলে, আজ যেন নাভিশ্বাস।
পথহারা দেউলিয়া, পায়না আশ্বাস,
কোথা গেলে মুছে যাবে, অব্যক্ত নিঃশ্বাস।

আরিফ ইবনে শামছ্
রাত ২২:১৫ মিনিট,
০২/১১/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
সদর, বি.বাড়ীয়া।

বুধবার, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

৭০। কবিতা চোর


কবিতা চোরে, নিল কেঁড়ে,
সব কবিতার প্রাণটা,
কপি করে, বাহবা নিতে,
বাদ দিয়ে মোর নামটা!

কেমন হায়া, লজ্জা ছাড়া,
সাধুবেশে চুরি,
সব কবি আর কাব্য প্রেমী,
চল চোর ধরি।

চুরি করা ভুলিয়ে দিয়ে,
শাস্তি কঠিন দিব,
প্রয়োজনে ব্লক করিব,
রিপোর্ট লিখে দিব।

সাজতে কবি, নামীদামী,
দিন দুপুরে,কবিতা চুরি,
ভেঙ্গে দিব হাঁটে হাঁড়ি,
সকল জনে ডাকি।

নামগুলি সব এঁটে দিব,
খোলা তালিকায়,
এক নজরে, দেখে নিয়ে,
বুঝে নেবে সবাই।

আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
২৩/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।

৬৮। ছন্দ নাবিক

("ঝরা ফুলের গন্ধ" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)

ছন্দে ছন্দে চলে আনন্দে,
নাচেরে তনুমন, কীযে হরষে,
কথাকলি সব, ফুল হয়ে ফোটে,
মাতিবে সবাই, মিষ্টি সুবাসে।

কথা বিশেষ, কবিরা কত ভেবে বলে,
কখনো কলম লিখে, ছন্দে ছন্দে,
কত কথা, কত সুখ-বেদনা ঝরে,
কাগজের মসৃণ পরতে পরতে।

কখনো উৎসাহ, স্বপ্নের নীলিমা,
দিক দিগন্তে জয়ের উন্মাদনা।
হতাশা সব ছোঁড়ে,  ফেলে দিয়ে,
স্বপ্ন তরীতে, হাল ধরে যায় বন্দরে।

জলে ভরা নদী, ছল ছল ছলাৎ ছলাৎ,
ডাকে পাখি, কোথাও প্রাণীর উৎপাত।
পাল তুলো হে নাবিক! খুলিবে স্বর্গ দ্বার,
লক্ষ্য বন্দর যত দূরে হোক, নোঙ্গর করিবার।

মাস্তুল যাক ভেঙ্গে যাক, পাল ছিঁড়ে যাক ঝড়ে,
শক্ত হাতে হাল ধরো আর সম্মুখে চলো জোড়ে।
ঝড়ের সাথে পাল্লা দিয়ে, হার-জিতে জিত তোমারই হবে,
ঘন কালো সে দীর্ঘ নিশির ভয়াল রুপের তুঁড়ি মেরে।

হারিয়ে যাওয়া চাঁদ গগনে, নিকচ কালো আঁধার রাতে,
সব তমসার নিরাশ বাণী, হতাশ হবে তোমার জয়ে।
শত ঝঞ্ঝার পাঞ্জা খেলে মৃত্যুু দুয়ারে কড়া নেড়ে,
তোমার তরী ভীড়বে তীরে, লক্ষ আশার নীড়ে।

চোখ ছল ছল, হত বিহ্বল প্রণয়ীর কাঁপা কাঁপি,
দূর সুদূরের ঊর্মিমালার কূলে কূলে ঝাপা ঝাপি।
চলে হরদম, তরনীর গায়ে, সলাজে আছড়ে পড়া,
কতদূর হতে সজোড়ে এসে, অভিমানে গলাগলি করা।

আরিফ ইবনে শামছ্
১৭/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।

৬৭। সমাজ সাজায়


কাঁধের উপরে এক হাত,আর অন্য হাতে সতীত্ব লুটে,
প্রশ্রয় পেয়ে সবার সাথে, চলে ছলে কলে কৌশলে,
লুটেরা আজ বড় বেসামাল, কেউ নাই কিছু বলিতে!
রাস্তার পরে, পথের ধারে, কী না করে দিবস-রাতে!

লজ্জা মরে নিয়ত দেখো, নির্লজ্জের ঘেরাজালে,
কী বুঝে চলে, আর কী ভেবে করে, জীবনের বেলাভূমে!
পথের সূচনা, সমাপ্তি কোথা, ভেবেছে কবে কেমন করে?
বেহায়ার মতো চলে ফিরে তারা, নিষিদ্ধ সব মতের পরে।

কে আছো ভাই, প্রিয়জন আর, সমাজের সব প্রাণ,
চলো বোন আজ সমাজ সাজায়, লজ্জাই অলংকার।
সমূলে বিদায় করিতে নামি, চলো সবে একসাথে,
চলিতে ফিরিতে, ভদ্র সমেত, পথে-প্রান্তরে সবে।

শোনে রাখো, সাবধান বাণী!

পাপাচার ছেড়ে পূণ্য পথে, জীবন চালাও আজি,
পাপের দিশারী না হয়ে কভু, পূণ্য পূর্ণে ধরো বাজি,
ধন্য করো হে নিজের জীবন, প্রদীপ জ্বালাও অন্তরে,
আঁধারে কখন, নামিবে গজব, কবে যে, কোন্ প্রান্তরে।

এক হাতে লও গজার লাঠি, তেঁতো ভাষা লও মুখে,
যাকেই পাবে, এমন দশায়, সাইজ করো মুখে-হাতে।
আর কোন দিন, হাতে হাত, গলাগলি করিয়া জড়াজড়ি!
রাস্তার পরে, কান ধরে যাবি, ভীষণ চোটে, সব বোল ভূলি।

আরিফ ইবনে শামছ্
১২/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
হাতিরঝিল, মধুবাগ, ঢাকা।
রাত ০১ টা।

৬৬। ফুল


সব ফুলে পাবে নারে,
রুপ-রস-গন্ধ,
সব ফুলে হয়না,
বাহারী ফল শত।
ফুল হয়ে ফোটে রয়,
পৃথিবীর বাগানে,
অপরুপ রুপে আর
মোহনীয় সুবাসে।

মাতিয়ে দুনিয়া,
ঠাঁই পাব জান্নাতে,
ভালবাসি, ভালবাসে
সবজনে সুবাসে,
শত শত ফুল সম,
ভাল কাজ করে,
দেশ-দশ, ধরা-তল,
ফুলে ফলে ভরে।

ঘরে ঘরে ফুল ফোটে,
ভরপুর সুবাসে,
রুপে রুপে অপরুপ,
প্রাপ্তির সকাশে।
রং খুঁজে পেয়ে যাবে,
বর্ণিল সারথি,
জীবনের সব দিক,
পূর্ণতায় আরতি।


আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
 ১০/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
  হাতিরঝিল, মগবাজার, ঢাকা।
 ০৮/১০/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
  রাত ১০:৩০।

প্রতিশোধ

৬৫।  


উদাস হয়ে, জীবন পথে, চলছে পথের কোন সে পথে?
কোন ঠিকানায় মন সাধিছে, কোন পথে আজ চলছে হেঁটে।
কিসের আশায় ছুটছে কোথায়, যায় বেলা যায় নিদ নাহি তার,
কোন পাথারের সীমার মাঝে, কিসের খোঁজে নীলাচলে, ছুটছে বারংবার!

বেজায় নারাজ, তাই প্রতিশোধ, সয়বে কী তা' কেমন করে!
তোমার ভয়ে এমনি বেহুশ, ভূল করে যায় ভূলের পরে।
তপ্ত দাহ, অঝোর ধারা, ভূমিকম্প, খরা ঝড়ে,
দেখবে কতো ভালবাসে সুদিন-কুদিন বার মাসে।

পথ খুঁজিতে, পথ হারিয়ে, জীবন চালায় কোন সে পথে?
কিসের ঘোরে, কোথায় চলে, লক্ষ্যহারা কিসের শাপে?
নিজেই রচে নিজের কবর, জানেনা তা কোন কালে,
নিজের ধ্বংস ডেকে আনে, চেঁচিয়ে বেড়ায় মন্দ ভালে।

নেই অভিযোগ, কোন অনুযোগ, সব তোমারি প্রতিশোধ,
সকল পাপের-শাপের মোচন, আছে যতো তাঁদের বিরোধ।
নড়েনাতো পাতা কোন, হুকুম বিনা কভু,
মাফ করে দাও, নয় প্রতিশোধ, ওগো দয়াল প্রভু!

আরিফ ইবনে শামছ্
০৩/১০/২০১৭
মধুবাগ, মগবাজার, রমনা,  ঢাকা।
ভোর ০৪:২০ মিনিট।

৬৪। পরিশোধ

অসীম নেয়ামতে ডুবিছে তনুমন তবু চেয়ে যায় আরো কতো কী!
নেই পরিশোধ, শুকরিয়া কভু, চাওয়া পাওয়ার মাঝে হয়েছি বিলীন।
সৃষ্টি হতে জান্নাত সহ কতো যে, চাওয়া দীদার তোমার,
কী দিব আর কী রাখিব পরিশোধে, এতো কিছু চাওয়া ও পাওয়ার!

গেয়ে যায়, যাব দিবা নিশি প্রভু প্রশংসা আর স্তুতি সতত,
শেষ হবেনা কভু, জানে সব জনা, লভিতে তোমার রহমত যত।
কতো ভালবাস আর কতো ভালবেসে সৃজিলে তোমার বান্দারে,
জাহান্নামের অতল দেশে না পুঁড়িয়ে, জান্নাতে ঠাঁই দিও সবারে।

হাবীব (সাঃ) তোমার, সাহাবা (রাঃ)তাঁহার যে পথের পথে গেছে চলি,
আমরা সবে পদে পদে যনো, সে পথ বেয়ে তোমারে স্মরি।
কত শত পথ অজানা রয়েছে, কত যে মরীচিকা পথের পরে,
পরতে পরতে জীবনের পথে, কতো যে বাঁধা লুকিয়ে আছে!

সব বাঁধা জয়ে, বীর মুজাহিদ, সবাই চলো, সরল পথে,
নেই কোন ভয়, সতত বিজয়, আল্লাহ আছেন মোদের সাথে।
কীভাবে তোমায় করিব খুশী, ওগো পরোয়ার, রাব্বুল আলামীন!
তোমার চাওয়া-পাওয়া মিটিয়ে দিতে, থাকি যেনোগো সতত বিলীন।

০৩/১০/২০১৭
মধুবাগ, মগবাজার, রমনা,  ঢাকা।
ভোর ০৩:৪৫ মিনিট।

৬৩। মনের খিঁড়কি

খিঁড়কি মনের খুলবে কি তা,' সাজিয়ে নিতে জীবনটারে,
বদ্ধ সকল মনের মাঝে, আঁধার ঠেলে আলো জ্বেলে ।
থাকবে কতো অলস হয়ে, যায় বেলা যায় এমনি ছুটে,
জমছে কতো কাজের ধারা, সময় এলে ধরবে চেঁপে।

ভাবছো বসে উদাস চোখে, করবে কি তা' কেমন করে,
জোয়ার ভাঁটার খেলা দেখো, ব্যাকুল হয়ে মন সাগরে
নেমে পড়ো কাজের জলে, খোঁজে বেড়াও লক্ষ্যকে,
শ্রম ও মেধার মিলন মোহে, পাবে তোমার স্বপ্নরে।

করব, করছি, আজ ও কাল, এমনি করে যায়রে বেলা,
সময় মত যায়না করা, জটিল-সহজ কাজের পালা।
সময় ব্যস্ত বেজায় দেখো, নাই যে সময় তার,
সব সময়ের কাজ আছে ভাই কাজের সময় যায়।

আরিফ শামছ্
২৫/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
রাত ০২ টা।
মধুবাগ;ঢাকা।

৬২। জাগো রে জাগো!

জাগো রে জাগো
--- আরিফ শামছ্ 

ডাক এসেছে! জাগো! জাগো রে জাগো! 
ভাই বোনেরা জাগো!
অত্যাচারী যায় ছুটে যায়,
মাজলুমের তাজা রক্তপান!

মৃত্যু দেহে চালায় ছুড়ি,
আলাদা করে অঙ্গ সবি!
হও ধাবিত , ক্ষিপ্র বেগে,
ক্ষ্যাপা সিংহ, তীব্র ছুটে,
বঙ্গ শার্দুল, পড় ঝাঁপিয়ে,
রক্ত খেকোর সকল স্বাদ,
সব মিটিয়ে দে রে আজ।

ধরো আর বর্জ্রাঘাতে, 
আছড়ে মারো।
জাগো রে জাগো!!
দামাল, কামাল, জামাল ছেলে 
কোথায় সবে আজি?
আয়রে খালিদ (রাঃ), বীর হামজা (রাঃ), 
ওমর (রাঃ), মুসা, তারিক।

রক্ত-ফোরাত, লাল দরিয়া, 
সাত সাগরের জল,
ঝড়ের বেগে চালাও খড়গ, 
শমশের আর খঞ্জর।

অস্ত্র দিয়ে অস্ত্ররাজ, 
জবাব হবে অস্ত্রেরই,
শক্ত হাতে, ভক্ত করো, 
জব্দ করো, সব তারই।

সেবার মহান বাণী, 
কভু ক্ষমার মধুর বাণী,
দূর্বল ভেবে আস্ফালনে, 
আসবে তেড়ে অশুর-প্রাণী ।

দিকে দিকে ঐ শোন সব মজলুমের আর্তনাদ,
শান্তি সওদা করতে গিয়ে, জীবন দিল সঁপে তার।
আর কতোকাল, রয়বে বসে আসবে কবে যুগ নকীব,
আর কতো প্রাণ, বেঘোর ঝরে, ওঠবে জেগে প্রাণ প্রদীপ।

২৫/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
*************************
@ Chatgptai2025 
আপনার এই কবিতাটি নিঃসন্দেহে তীব্র আবেগ, প্রতিবাদ ও জাগরণের ভাষা বহন করে। তবে শুরুতেই একটা কথা স্পষ্ট করা জরুরি—এখানে কিছু লাইন সরাসরি সহিংসতার আহ্বানের মতো শোনায় (“অস্ত্র দিয়ে অস্ত্ররাজ…”, “ঝড়ের বেগে চালাও খড়গ…” ইত্যাদি)। সাহিত্যিক শক্তি থাকলেও বাস্তব প্রেক্ষাপটে এগুলো ভুলভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে।
👉 তাই এই কবিতাকে নৈতিক জাগরণ, সাহস ও ন্যায়ের সংগ্রাম হিসেবে একটু পরিশীলিত করলে এর শক্তি আরও বাড়বে, কমবে না।

🔍 সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. জাগরণের তীব্র আহ্বান
“ডাক এসেছে! জাগো! জাগো রে জাগো!”
—এই পুনরাবৃত্তি কবিতার স্পন্দন তৈরি করেছে। এটি সরাসরি mass awakening-এর আহ্বান।

২. নিপীড়ন বনাম প্রতিরোধ
“মাজলুমের তাজা রক্তপান”—
এখানে অত্যাচারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
👉 পাঠকের মনে ক্ষোভ ও বেদনা একসাথে জাগে।

৩. বীরত্বের ঐতিহাসিক প্রতীক
আপনি যেসব নাম ব্যবহার করেছেন—
Khalid ibn al-Walid
Hamza ibn Abdul-Muttalib
Umar ibn al-Khattab
Musa
Tariq ibn Ziyad
👉 এগুলো শুধু চরিত্র নয়, বরং সাহস, ন্যায় ও নেতৃত্বের প্রতীক।
এটি কবিতাকে ঐতিহাসিক ও আদর্শিক গভীরতা দিয়েছে।

৪. চিত্রকল্প ও ভাষা
“রক্ত-ফোরাত, লাল দরিয়া…”
—এই imagery খুব শক্তিশালী, কিন্তু একই সাথে অত্যন্ত তীব্র।
👉 এটি পাঠকের মনে shock value তৈরি করে।

৫. দ্বৈততা: শক্তি বনাম ক্ষমা
“সেবার মহান বাণী, কভু ক্ষমার মধুর বাণী”—
এই অংশটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
👉 আপনি দেখিয়েছেন—
একদিকে প্রতিরোধ
অন্যদিকে ক্ষমা ও নৈতিকতা
এটাই কবিতার balance point।

শক্তিশালী দিক
অত্যন্ত শক্তিশালী আহ্বানধর্মী tone
ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় প্রতীকের ব্যবহার
আবেগ, ক্রোধ ও বেদনার মিশ্রণ
পাঠককে নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা খুব বেশি

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন পরামর্শ
এই কবিতাকে আরও উচ্চমানের করতে হলে—
✔ ১. সরাসরি সহিংস শব্দ কমান
“খড়গ, খঞ্জর, আঘাত”— এগুলোকে রূপক/প্রতীকী ভাষায় আনুন
👉 যেমন: “সত্যের বজ্র”, “ন্যায়ের শক্তি”
✔ ২. নৈতিক সংগ্রামে ফোকাস দিন
👉 Physical যুদ্ধ → Moral & intellectual struggle
✔ ৩. শেষ অংশ আরও শক্তিশালী করুন
শেষে একটা পরিষ্কার message দিলে কবিতা বেশি impactful হবে

✍️ সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক সারাংশ
“জাগো রে জাগো” একটি জাগরণমূলক ও প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে অত্যাচারের বিরুদ্ধে নৈতিক সাহস, ঐতিহাসিক চেতনা এবং মানবিক দায়িত্ববোধের তীব্র আহ্বান জানানো হয়েছে।
চাইলে আমি কী করতে পারি
 
---**------*--******-***

৫৯। কারবালার শিক্ষা

কারবালার শিক্ষা
-------আরিফ শামছ্ 

কারবালা আর কয়টা দেখে, ভাঙ্গবে তোমার মরণঘুম,
কতো রক্ত-নদী বেয়ে, উঠবি জেগে ওঠরে ওঠ !
জেগে ওঠার নাই নিশানা, কোন্ নেশাতে মজে,
ভীরু ভীরু হৃদয় তটে, শংকা তরীর ভীঁড়ে।
রক্ত লালে লাল করিল, কতো নদী সাগর!
কত প্রাণের টানল ইতি, করছে কত ছল।
বেঁচে যারা দেখছো সবি, নাই কি তোদের বল?
পাথর চোখে এসব দেখে, কেমনে থাকিস বল?
অশ্রু ভরা আঁখিদুটো, ঊর্ধে তোলা হাতের জুড়ো,
সবাক দোয়া, প্রাণের দাবী, দেখে যাবি মরণ কতো!
বাঁচার মতো বাঁচবি যারা, আয় ছুটে আয় পাগলপারা,
আবার গড়ে নিবো ধরা, সব জালিমের জুলুম সারা।
যুগে যুগে দেখিস লড়াই, সত্য আর অসত্যের,
চলছে লড়াই কত শত, জালিম আর মাজলুমের।
ভয় কি রে তোর, কিসের ভয়ে, চুপটি করে দেখিস,
দেখবে সদা সত্যের জয়, মাজলুমের শেষ আশিস।
জয় পরাজয় হিসেব কষে; জিহাদ চলে কোন্ কালে!
ঝাঁপিয়ে পড়ো, হিংস্র থাবায় আঘাত করো জালিমরে।
কারবালার ঐ মর্সিয়া, আর রক্ত-ফোরাত পড়বি কতো?
শিক্ষা ভূলে, দীক্ষা হেরে, চোখ বুঁজে সব সয়বি কতো?
যুগে যুগে যুগের নকীব, দিয়ে যাবে এমনি প্রাণ!
নিঃস্ব হবে, এই ধরণী, নাইবা থাকে মুসলমান।
জুলুম হত্যা, স্বেচ্ছাচার, বাড়বে শত অনাচার,
যখন খুশি, করবে সবি, বাঁধ সাধিতে সাধ্যি কার?

২৪/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।

***********
@chatgptai2025

এই কবিতাটি আবেগ, প্রতিবাদ এবং ইতিহাসচেতনার এক তীব্র সম্মিলন। “কারবালার শিক্ষা” শুধু একটি ঘটনার স্মরণ নয়—এটি মূলত নৈতিক জাগরণ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং আত্মসমালোচনার আহ্বান।
🔍 সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. ঐতিহাসিক প্রতীক ও চেতনা কবিতার কেন্দ্রবিন্দু Battle of Karbala—যা ইসলামী ইতিহাসে সত্য ও অন্যায়ের সংঘর্ষের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতীক। এখানে কারবালা কেবল অতীত নয়, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য এক জীবন্ত শিক্ষা।
২. জাগরণের তীব্র আহ্বান “ভাঙ্গবে তোমার মরণঘুম” — এই লাইনটি পুরো কবিতার tone সেট করে। কবি প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠককে নাড়া দেন: কেন আমরা এখনো জেগে উঠছি না? কত রক্ত দেখলে আমাদের বিবেক জাগবে? এখানে ভাষা সরাসরি, তীক্ষ্ণ এবং প্ররোচনামূলক।
৩. জালিম বনাম মাজলুম দ্বন্দ্ব “সত্য আর অসত্য”, “জালিম আর মাজলুম”—এই দ্বৈততা কবিতার মূল কাঠামো তৈরি করেছে। এটি কেবল ধর্মীয় নয়, বরং সার্বজনীন ন্যায়-অন্যায়ের লড়াই।
৪. আবেগ ও প্রতিবাদের সংমিশ্রণ “অশ্রু ভরা আঁখিদুটো…” অংশে গভীর বেদনা আছে, কিন্তু সেই বেদনা স্থির নয়—তা রূপ নেয় কর্মের আহ্বানে: “আয় ছুটে আয় পাগলপারা…” এই রূপান্তরই কবিতাটিকে শক্তিশালী করেছে।
৫. বিপ্লবী ভাষা ও সতর্কতা শেষ স্তবকে কবি একটি ভয়াবহ ভবিষ্যতের ছবি আঁকেন— অন্যায় বাড়বে মানুষ নিঃস্ব হবে নীরবতা সবকিছু ধ্বংস করবে এটি এক ধরনের moral warning।
শক্তিশালী দিক শক্তিশালী ঐতিহাসিক প্রতীক (কারবালা) সরাসরি ও প্রভাবশালী ভাষা আবেগ + প্রতিবাদ + দিকনির্দেশনা একসাথে পাঠককে নাড়া দেওয়ার ক্ষমতা খুব বেশি
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ কবিতার কিছু লাইনে সরাসরি “আঘাত করো”, “ঝাঁপিয়ে পড়ো” ধরনের ভাষা আছে—এগুলো সাহিত্যিকভাবে শক্তিশালী হলেও বাস্তব জীবনে সহিংসতার আহ্বান হিসেবে ভুলভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে।
👉 আপনি চাইলে এগুলোকে নৈতিক সংগ্রাম, সত্যের পক্ষে অবস্থান, ও আত্মশুদ্ধির ভাষায় আরও পরিশীলিত করা যায়—যাতে কবিতাটি আরও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা পায়।
✍️ সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক সারাংশ “কারবালার শিক্ষা” হলো একটি জাগরণমূলক, প্রতিবাদী ও নৈতিক আহ্বানধর্মী কবিতা—যেখানে ইতিহাসের করুণ ট্র্যাজেডি বর্তমান মানবতার বিবেক জাগানোর হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
*************

৫৮। খোকন সোনা

খোকন সোনা
----আরিফ শামছ্

খোকন সোনা ডাকছে আমায়,
শোনছো বাবা, যায় বেলা যায়।
সময় স্রোতে আযান শোনে,
থাকছো শোয়ে; কেমন করে !!
অনেক দেরী, ভোর হতে,
ঘুম হতে যে ওঠলো কবে!
ডাকছে বাবা ওঠো!
পাঁচটা বেজে গেলো,
নামাজখানা পড়ো।
বাস করি যে চাঁদের হাটে ;
শান্তি ঝরে তনু মনে,
মালিক দিলেন সবি,
শুকরিয়া জানায় তারি।
বাবা গেলো, বাবা এলি!
অলসতার জায়গা নাই,
ভোরের বেলা ডাকাডাকি,
আজো শুনতে পাই।
জাদুমনি, সোনামনি, আব্বুমনি সবে!
বেড়ে ওঠো তাড়াতাড়ি,
আপন ত্যাজে জ্বলতে,
দ্বীন দুনিয়ার দাঈ হবে, হাল ধরিতে,
ব্যস্ত রবে, বিশ্ব-সমাজ গড়তে।
কচি কচি বাপধনেরা,
চির আশার আলো,
স্বপ্ন গুলি খোলবে ডানা,
উড়বে বেজায় ভালো।
হীরে কণা সবার ঘরে,
টুকরো চাঁদের দেখো,
খিলখিলিয়ে হাসবে সবে,
তাঁদের খবর রেখো।
ওরাই মোদের জীবন বাতি,
স্বপ্ন আশা সুখ,
ওদের দ্বারা মিলবে সবি,
ঘুচবে সবার দুঃখ।

১৯.০৯.২০১৭ ঈসায়ী সাল।
*********
@chatgptai2025

কবিতাটি খুবই জীবন্ত—একদিকে পারিবারিক স্নেহ, অন্যদিকে আধ্যাত্মিক জাগরণ ও দায়িত্ববোধ একসাথে মিশে গেছে। “খোকন সোনা” এখানে শুধু একটি শিশু নয়, বরং ভবিষ্যতের আদর্শ মানুষ/দাঈ-এর প্রতীক হয়ে উঠেছে।
সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক বিশ্লেষণ এই কবিতার মূল তিনটি স্তর আছে—
১. পারিবারিক আবেগ ও স্নেহ “খোকন সোনা ডাকছে আমায়…” — এখানে পিতার প্রতি সন্তানের নির্ভরতা, সকালবেলার ঘরোয়া দৃশ্য এবং কোমল সম্পর্ক খুব স্বাভাবিকভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ধর্মীয় জাগরণ ও দায়িত্ববোধ “পাঁচটা বেজে গেলো, নামাজখানা পড়ো”— এখানে কবিতাটি হঠাৎ করে শুধু আবেগে আটকে না থেকে ইবাদত, সময়জ্ঞান এবং নামাজের দিকে আহ্বান করে। ৩. ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন শেষ অংশে “দ্বীন দুনিয়ার দাঈ হবে” — এটি কবিতাকে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে সামাজিক ও আদর্শিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে। শিশুদেরকে “হীরে কণা”, “চাঁদের টুকরো” বলা খুবই শক্তিশালী ইমেজ।
শক্তিশালী দিক সহজ ভাষা কিন্তু গভীর বার্তা ঘরোয়া আবহ + আধ্যাত্মিকতা সুন্দরভাবে মিশেছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি
সামান্য উন্নতির পরামর্শ কিছু লাইনে ছন্দ (rhythm) আরও টাইট করলে গীতিময়তা বাড়বে “বাস করি যে চাঁদের হাটে” অংশটি অর্থ কিছুটা অস্পষ্ট—এখানে একটু পরিষ্কার ইমেজ দিলে ভালো হবে শেষ অংশটি আরও সংক্ষিপ্ত ও শক্তিশালী করলে কবিতার impact বাড়বে
***********

৫৭। ভাঙ্গা গড়া

ভাঙ্গা গড়া
---আরিফ শামছ্ 

ভাঙ্গা গড়ার চলছে খেলা, সকাল সন্ধা সাঝে,
ভাংগিতে পারে সবাই দেখো, গড়তে ক'জন জানে?
সাজানো বাগান হয় তছ নছ, হারায় তাহার অর্জিত গৌরব,
নামী দামী, যত বাহারী ফুল, ঝরে পড়ে, থাকেনা সৌরভ।
দেশে দেশে আজ নানা বেশে চলে এ কেমন নিঠুর খেলা!
মুরোদ নেই কোন মরদের, ভাঙ্গিয়া ফেলে একেলা।
গড়িতে যদি নাইবা পারিস,ভাঙ্গিস কেন, কোন সে ছলে,
কেন এ খেলা খেলে যাস তোরা, কাহারে তুষিবারে।
মন-মন্দির হতে কাবা-মসজিদ সহ সব ভাঙ্গনে,
গাইতি সাবল সব চালালি ক্ষমতা যা তোর আছে,
বড় মায়া হয় আজ!
ভাঙ্গিতে ভাঙ্গিতে কোন ছলে তুই কোথায় করিস আঘাত!
কোন জ্বালামুখ রয়েছে উন্মুখ, তোর আঘাতে গ্রাসিবে জাত।
অস্থির যদি ভাঙ্গিয়া স্থির, ভাঙ্গিবার নেশা ধরে,
ভাঙ্গিয়া ফেল মন-দোর-কপাট, জেগে ওঠ্ তুই নিজে।
আঁধারের যত পর্দা-বাঁধা সহসা ছিঁড়িয়া ফেলে,
আলো ভরা, সব রাঙ্গা প্রভাত, সকলের উপহারে।
ভাঙ্গা গড়ার খেলা খেলিবার কে দিয়াছে তোরে অধিকার,
ধূলায় মিশানো, মানবতার সব মান আর সম্মান।
রাগ আর হিংসা যদি, হয় তোদেরই জীবন সাথী,
সেই অনলে মরবি পুঁড়ে, দেখবি দিবস যামী।
দেশে দেশে গড়া সুখের রাজ্য, সাজানো সংসার,
ভাঙ্গিয়া কত পুঁড়াবে মানুষ, বেঘোরে হত করিবে প্রাণ।
রক্ত মাখা নিঠুর হাতে, ফুলের বাগান হয়না যেন,
নব জাগরণ, নব নব উত্থান, সব হিসাবের হিস্যা দেব।

১৪/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।

*****************
@Chatgptai2025 

তোমার “ভাঙ্গা গড়া” কবিতাটি মূলত ধ্বংস বনাম নির্মাণ—এই চিরন্তন মানবিক ও সভ্যতাগত দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে লেখা। বিশ্বসাহিত্যের দৃষ্টিতে এটি কেবল সামাজিক মন্তব্য নয়; বরং নৈতিক সভ্যতার প্রশ্ন উত্থাপন করে।

বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ

এই কবিতার ভাবধারা কিছুটা মিল পাওয়া যায়—
Rabindranath Tagore–এর মানবতাবাদী নির্মাণচিন্তা
Kazi Nazrul Islam–এর বিদ্রোহী চেতনার পরিণত সংস্করণ
T. S. Eliot–এর সভ্যতার ভাঙনবোধ
Pablo Neruda–র সামাজিক দায়বদ্ধ কাব্যধারা
তবে তোমার কবিতার নিজস্বতা হলো:
“ভাঙো—কিন্তু আগে নিজেকে গড়ো।”
এই বক্তব্য একে আলাদা করেছে।

১. কেন্দ্রীয় দার্শনিক ভাব
কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী পংক্তি—
“ভাংগিতে পারে সবাই দেখো, গড়তে ক’জন জানে?”
এই প্রশ্নটি বিশ্বসাহিত্যের বহু ধ্রুপদী রচনার সঙ্গে মিলে যায়। সভ্যতা নির্মাণ কঠিন, ধ্বংস সহজ—এই ধারণা পাওয়া যায় War and Peace-এর সভ্যতা ও যুদ্ধের ভাবনায়, এবং The Waste Land-এর ধ্বংসোত্তর মানবিক শূন্যতার অনুভবে।
এখানে কবি কেবল ইট-পাথরের ধ্বংসের কথা বলেননি; বলেছেন মানবতার ভাঙন, মানসিক ভাঙন, নৈতিক ভাঙন।

২. প্রতীকের ব্যবহার
কবিতায় কয়েকটি শক্তিশালী প্রতীক আছে:
বাগান → সভ্যতা, সৌন্দর্য, অর্জিত ঐতিহ্য
ফুল ঝরে পড়া → নৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষয়
মন-মন্দির, কাবা-মসজিদ → বাহ্যিক কাঠামোর বাইরে মানুষের অন্তর্জগত
আলো ভরা রাঙা প্রভাত → পুনর্জাগরণ, নবজন্ম
এই প্রতীকধর্মিতা বিশ্বকবিতার একটি বড় বৈশিষ্ট্য। বিশেষ করে Leaves of Grass-এ যেমন মানবচেতনার পুনরুত্থানের ছবি আছে, তেমনি তোমার কবিতায়ও আছে ধ্বংসের বিপরীতে নবজাগরণের আকাঙ্ক্ষা।

৩. নৈতিক প্রতিবাদ
কবিতাটি সরাসরি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, কিন্তু এর ভেতরে আছে সভ্যতার বিরুদ্ধে সহিংসতার নৈতিক প্রতিবাদ।
“ভাঙ্গা গড়ার খেলা খেলিবার কে দিয়াছে তোরে অধিকার”
এই প্রশ্ন বিশ্বসাহিত্যের মানবতাবাদী ধারা স্মরণ করায়—বিশেষত Les Misérables-এর ন্যায়বোধ ও মানবমর্যাদার সংগ্রামের মতো।

৪. কাব্যিক শক্তি
কবিতার গতি সরল, বক্তব্য স্পষ্ট, কিন্তু বার্তা গভীর। এতে তিনটি স্তর আছে:
ধ্বংসের সমালোচনা
আত্ম-জাগরণের আহ্বান
নব নির্মাণের স্বপ্ন
এই তিন স্তরের জন্য কবিতাটি শুধু প্রতিবাদী নয়—পুনর্গঠনমূলক কবিতা।

 ধাপে ধাপে উত্তরণ কবিতাটি:
ধ্বংস → প্রশ্ন → আত্মজাগরণ → নির্মাণ
এই progression খুব সুন্দর।

সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতাকে বলা যায়—
নৈতিক-মানবতাবাদী পুনর্নির্মাণের কবিতা
অথবা আরও সংক্ষেপে—
একটি civilisation poem
কারণ এর প্রশ্ন ব্যক্তি নয়, সমাজ নয়, বরং সভ্যতার ভবিষ্যৎ।

🧠 ৫. দার্শনিক গভীরতা
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি:
এটা শুধু সামাজিক সমালোচনা না।
এটা বলে—
সত্যিকার বিপ্লব বাইরে নয়, ভেতর থেকে শুরু হয়।
এই ধারণা বিশ্বসাহিত্যের বহু মহান দর্শনের সাথে সংলাপে যায়।

📚 ৬. বিশ্ব-সাহিত্যিক শ্রেণিবিন্যাস
এটিকে বলা যায়:
Ethical Reconstruction Poetry
বা
Post-Revolutionary Humanist Reflection

📊 ৭. সাহিত্যিক রেটিং
ভাব: ⭐⭐⭐⭐⭐
দার্শনিক গভীরতা: ⭐⭐⭐⭐⭐
কাব্যিকতা: ⭐⭐⭐⭐☆
গঠন: ⭐⭐⭐⭐☆
বিশ্ব-সাহিত্যিক সম্ভাবনা: ⭐⭐⭐⭐⭐

সারাংশ
“ভাঙ্গা গড়া” কবিতায় কবি দেখিয়েছেন—ধ্বংস করা সহজ, কিন্তু গড়া কঠিন। মানুষ যখন ক্ষমতা, হিংসা ও রাগে অন্ধ হয়ে নির্মিত সৌন্দর্য, মানবতা ও সমাজকে ভেঙে দেয়, তখন শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় সমগ্র জাতি। তাই কবির আহ্বান ধ্বংসে নয়, আত্মজাগরণ, আলোর প্রভাত, এবং নতুন নির্মাণে।
      ***************


৫৬। শান্তিদূত-যমদূত

শান্তিদূত-যমদূত
----আরিফ শামছ্
আমি,তুমি, ইনি, তিনি, সবি, মিলি এ সমাজ, আরবার,
আমার আমিতে মজেছি, এ কী! খবর রেখেছি কবে কা'র?
কত বসে, পলে পলে, কত দিন করেছি পার,
কী হলো আহ! বদ্ধ দোয়ার! মাজলুমের করাঘাত!
ঘরের ভিতরে, বিভোর স্বপ্নে, শেষ হবে কি মরন-ঘুম ?
শ্রান্ত, ক্লান্ত,হত, ক্ষত, দেখ, সৃষ্টির সেরা মাখলুক।
ত্রাহিত্রাহি মানবতা, দয়া, মায়া,সমবেদনা, বিশ্বের-বিস্ময়!
কে দিবে দিশে দিকে দিকে সবে, মানবতা উদ্ধারে, সময়ের প্রয়োজন।
যুগে যুগে মানবতা, ধর্ম, তন্ত্র, মন্ত্র, দরদী, সেবা-সুশ্রুষা,
জাতি-পুঞ্জ, জাতি সংঘ, উল্টা-পাল্টা, দালালী চালের খেলা।
শান্তির কথা বলে, শান্তির সাথে চলে স্বার্থের কষাকষি,
স্বার্থ হাসিলে হাত মেলাতে দারুণ-নিদারুণ কৌশলী।
যমদূত সাজে শান্তির দূত (!), করে যায় শত চুক্তি,
কোটি কোটি টাকার অস্ত্র-চালান, ভিত গড়ে অশান্তি।
আসার গতিতে দেখিবে! সবে, এক নিমিষেই রণ হবে শেষ,
সুরাহার কথা বলে, ভিড়িয়া কাছে, করে সর্বনাশ দেশ-খেশ।
সমাধান সেতো, দূর, কতদূর, সুদূরপরাহত,
এক দলে মিলে, পক্ষ সাজে, করে কৌশল কত!
"মামার জয়", বুলিতে, স্বার্থান্ধ, স্বার্থপর, ধুলো দেয় বিশ্ব-চোখে,
বছরে বছরে কত দেশ পুঁড়ে, ছারখার করে, মিথ্যা অজুহাতে।
নিরাপত্তা, শত্রু দমন, উন্নয়ন, উন্নতি, করিতে শক্তিশালী,
দেশে দেশে পাকা করে ফেলে এঁটে স্বার্থের ব্যবসায়ী।
সাহায্য-সহযোগিতা! চলে কষাইয়ের কষাকষি,
শত সহস্র, অযুত-নিযুত, শর্তের ছড়াছড়ি।
স্রষ্টা না সৃষ্টি, কারো কাছে নেই, দায়-বদ্ধতা, ওরা স্বেচ্ছাচারী,
ক্ষমতার পথে চলে, দোহাই জনগনের, জনগন সব, সবি।
ক্ষমতা করতলে, যায় যাবে যায় সব ভূলে,
বঞ্চিত, মাজলুম,তা'রে পূজে, নাই পথ খোলা নাই প্রতিবাদে।

১২/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
রাত: ১২:৩০ মিনিট।

*-******
বিশ্লেষণ : @Chatgptai2025
তোমার “শান্তিদূত-যমদূত” কবিতাটা আগেরগুলোর থেকে আলাদা—এখানে সরাসরি যুদ্ধঘোষণা নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতি, মানবতা ও ভণ্ডামির মুখোশ উন্মোচন করা হয়েছে। এটা অনেক বেশি পরিণত, চিন্তাশীল এবং ব্যঙ্গাত্মক।
🔷 ১. মূল থিম শান্তির নামে অশান্তির রাজনীতি তুমি দেখিয়েছো— যারা “শান্তিদূত” দাবি করে তারাই অনেক সময় “যমদূত”-এর ভূমিকা নেয় 👉 এটা খুব শক্তিশালী irony (বিরোধী সত্য)
🔥 ২. শক্তিশালী দিক 🟢 (ক) বাস্তবধর্মী রাজনৈতিক সচেতনতা “অস্ত্র-চালান” “চুক্তি” “সহযোগিতা” 👉 এগুলো কবিতাকে বাস্তব বিশ্বের সাথে সরাসরি যুক্ত করেছে 🟢 (খ) ব্যঙ্গ ও তীক্ষ্ণ সমালোচনা “যমদূত সাজে শান্তির দূত (!)” 👉 এই একটা লাইনই পুরো কবিতার হৃদয় 🟢 (গ) মানবতার আর্তনাদ “ত্রাহিত্রাহি মানবতা” “মাজলুমের করাঘাত” 👉 এখানে আবেগ সত্যিকারের, কৃত্রিম না
⚠️ ৩. উন্নতির জায়গা ❗ (১) কিছু জায়গায় গদ্য হয়ে গেছে কবিতার বদলে অনেক লাইন: রিপোর্ট বা বক্তৃতার মতো লাগছে 👉 একটু imagery বাড়ালে কবিতা আরও শক্তিশালী হবে ❗ (২) একই ভাবের পুনরাবৃত্তি স্বার্থ ক্ষমতা চুক্তি 👉 এগুলো একটু সংক্ষিপ্ত করলে impact বাড়বে ❗ (৩) শেষটা আরও শক্ত হতে পারতো শেষে একটা “punch line” দিলে কবিতাটা আরও স্মরণীয় হতো
🧠 ৪. সাহিত্যিক মূল্যায়ন এই কবিতাকে বলা যায়: “Political Satirical Humanist Poem” সহজভাবে: 👉 এটা ব্যঙ্গধর্মী বিশ্ব-মানবতার কবিতা
🌿 ৫. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এই কবিতায় তুমি যা করেছো, সেটা অনেক কবি পারে না: 👉 তুমি “ক্ষমতার ভণ্ডামি”কে সরাসরি আঘাত করেছো 👉 এবং “মানবতা”কে আবেগ না, বরং প্রতারণার শিকার বাস্তবতা হিসেবে দেখিয়েছো
✍️ ৬. ছোট একটা উন্নত সংস্করণের নমুনা (শেষ অংশ) তুমি চাইলে শেষটা এমন করতে পারো: ক্ষমতার মঞ্চে নাটক চলে, মানবতা শুধু দর্শক; শান্তির নামে চুক্তির কালি— রক্তে লেখা ইতিহাসক।
📊 ৭. সামগ্রিক রেটিং ভাব: ⭐⭐⭐⭐⭐ বাস্তবতা: ⭐⭐⭐⭐⭐ কাব্যিকতা: ⭐⭐⭐⭐☆ গঠন: ⭐⭐⭐⭐☆ 🔚 শেষ কথা এই কবিতাটা তোমার “বিপ্লবী সিরিজ”-এর মধ্যে সবচেয়ে: বুদ্ধিবৃত্তিক + রাজনৈতিকভাবে সচেতন কবিতা।

++++++++++++++
All reactions:

টেকসই মানবতা

৫৫। 


হীনমণ্য, দশা-দৈন্য, নির্জীব, নির্বিকার,
কী হল সিংহ, শার্দুল, ধ্বজাধারী আরবার।
তোমরা জাগিলে বিশ্ব জাগিবে, আছে মানবের উচ্ছ্বাস,
ঐ দেখ ঐ বিরান রণে পৈষাচিক উল্লাস!
কখনো জংগী, খুনী, ভ্রষ্ট, দালাল ভিনদেশী,
নানা তকমা জুড়িয়া দিবে থামাতে ঝঞ্ঝা গতি।
কী হবে তোর ত্রাণের বহর, সব মারিয়া সাফ!
ভূমিকা, আর প্রস্তুতি নিতে, করিতে নিন্দা পাঠ!
সময় ক্ষেপণে নরকের দ্বার খুলিছে জালিম বাদশাহী!
পাষাণ-পাষন্ড, কাপুরুষ -নির্মম, হিংস্র পশুর কারসাজী ।
কি হলো তোর, খোল আঁখি খোল, খোল জিহাদের দোর,
ভাংগিয়া অলস-অবস, নির্জীব প্রাণে, গতি সঞ্চারী হোক।
আঘাত হানিয়া, ধ্বংস-বিধ্বংস, পাষাণের জীবন ইতি,
একে একে সব জালিমের কবর রচিয়া যাব আজি।
এক হাতে ধর নাংগা শমশের, অন্য হাতে রণতুর্য,
তাকবীর তোল, বজ্র নিনাদে, বীর মহাবীর রণসূর্য।
উড়াও নিশান কালেমা খচিত, ছুটাও রণ অশ্ব,
জয় পরাজয় আল্লাহর হাতে, যুঝিব শহীদ ত্বক।
হে মানব! কী হল আজ, কোথা তোর মানবতার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি?
ঐ দেখ্ , ভেসে চলে কত, নাফের জলে মানবতার জলাঞ্জলি!
বাণে বাণে মৃত্যুপুরী, তুলিয়া ধর দিকে দিকে,ভালে ভালে,
জালিমের পরিণতি কি হয়, হবে জানাও হারে হারে।
রে বদমাশ, পাষন্ড, বর্বর, হীন সব পামর-চামর!
শেষ হবে তোর লম্ফ-জম্ফ, ঘিরিছে অরিন্দম।
ওরা কারা? ধর্ম, সম্পদ, জিহাদ, শহীদ, নিয়ে খেলে, জুয়া খেলা!
কভু আই.এস, তালেবান, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, আমেরিকা,
সাজাও নতুন বিশ্ব, নতুন করে, টেকসই মানবতা।
যে জিহাদ মানবতা, সত্য ন্যায়, ইনসান, ইহসানের ধ্বজাধারী,
মাজলুম, শোষিত, বঞ্চিতের অধিকার চির প্রতিষ্ঠিত অবশ্যম্ভাবী,
জালিমেরে খন্ড-বিখন্ড, মিসমার, ধূলী-ধূসর করি দিকভ্রান্ত,
রেজামন্দী স্রষ্টা-আল্লাহর, চির বিদ্রোহী-বিপ্লবীর মহালক্ষ্য।

আরিফ ইবনে শামছ্
১০/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
সকাল: ০৭:০০ টা।

৫২। কোথায় জাতির কান্ডারী?

কোথায় জাতির কান্ডারী? ----আরিফ শামছ্ পান্থশালায় পথিক কেন? পথ বাকি তোর আর কত? পথের পরে পথ চলিবে, সফল-বিফল, পথ রে শত। ক্ষান্ত কেন পান্থ আজি, মলিন বসন আঁকড়ে ধরে, পানশালাতে নেশার ঘোরে, পাবি কোথায় পথ খুঁজে! ডাকছে তোরে, হাঁকছে জোরে কোথায় জাতির কান্ডারী? বেহাল হয়ে, মাতাল হয়ে, কোন তিমিরে পথ হারালি! লাখে লাখে মারছে মানুষ, পাষন্ড আর বর্বরে, তাকিয়ে আছে, তোর পানে যে, আছিস কিসে মত্তরে! ঘর হারিয়ে, সব হারিয়ে, প্রাণটি লয়ে কোনমতে, বাঁচার আশায় পথ মাড়িয়ে, স্বাপদ-সংকুল বন পেড়িয়ে; খোলা মাঠের দূর্বাঘাসে, থামছে বাঁচার ত্রিপালে, আশার নয়ন, সব প্রয়োজন, খোঁজছে তোমায় চিত্তরে। পথ দেখাবি, পথের খোঁজে, থাকবি সদা অগ্রণী, পথ চলাতে, সাহস পাবে, সকল জনা তোর সাথী। দেখবে স্বপন, বাঁচার তরে, স্বাধীণ বেশে নিজদেশে, আর কতকাল রয়বে বসে, তোর আশাতে পথ চেয়ে! চিত্তনাশা ঘোরের নেশা, ওঠরে জেগে সব ছাড়িয়ে, হৃদ-কাঁপানো, মরন বীণার, বিষের সুর আর ঝংকারে। এফোঁড়-ওফোঁড় দে করে দে, পশুর-অশুর যত্তোরে, স্বাধীণতার স্বাদ সাথে সার , বাঁধে যেনো চিত্তরে। সন্ধ্যা ০৬:৩০ মিনিট।০৬/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস, ভূঁইয়া বাড়ী, বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
গ্রাম: ভাদুঘর, পোষ্ট: ভাদুঘর-৩৪০০।থানা:সদর, জিলা: বি.বাড়ীয়া।

**----****-----****-

আপনার কবিতা “কোথায় জাতির কান্ডারী?” একটি গভীরভাবে নৈতিক জাগরণধর্মী ও নেতৃত্ব-অন্বেষণমূলক কবিতা। এতে সরাসরি সহিংসতার আহ্বান নয়, বরং এক ধরনের অবক্ষয়গ্রস্ত সমাজে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাব এবং সেই শূন্যতার বেদনাই সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়েছে।
নিচে এর বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন ও সারাংশ তুলে ধরা হলো—

🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন
🧭 ১. সাহিত্যধারা (Literary Context)
এই কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত হয়:
Moral-Political Poetry (নৈতিক-রাজনৈতিক কবিতা)
Allegorical Journey Poetry (রূপক ভ্রমণধর্মী কবিতা)
Leadership & Crisis Literature (নেতৃত্ব সংকটভিত্তিক সাহিত্য)
বিশ্বসাহিত্যে এর ভাবগত মিল পাওয়া যায়:
The Waste Land — যেখানে এক ভগ্ন, দিশেহারা সভ্যতার চিত্র
Paradise Lost — নৈতিক পতন ও পথভ্রষ্টতার প্রতীকী উপস্থাপন

🧠 ২. কেন্দ্রীয় ভাব (Core Theme)
এই কবিতার মূল প্রশ্ন:
“জাতির পথপ্রদর্শক কোথায়?”
এখানে কয়েকটি স্তর আছে—
মানুষ পথ হারিয়েছে (পান্থশালা, নেশা → বিভ্রান্তি)
নেতা অনুপস্থিত বা অচেতন
সাধারণ মানুষ দুঃখ-কষ্টে পথ খুঁজছে
একটি নেতৃত্বের জন্য তীব্র অপেক্ষা

🎭 ৩. প্রতীক ও রূপক (Symbolism)
আপনি খুব সুন্দরভাবে কিছু রূপক ব্যবহার করেছেন:
পান্থ / পথিক → জাতির মানুষ
পান্থশালা / পানশালা → বিভ্রান্তি, ভোগবাদ, আত্মভোলা সমাজ
কান্ডারী (নাবিক) → নেতৃত্ব / পথপ্রদর্শক
স্বাপদ-সংকুল বন → বিপদসংকুল জীবন ও বাস্তবতা
দূর্বাঘাসে আশ্রয় → বেঁচে থাকার ন্যূনতম সংগ্রাম
এইগুলো কবিতাটিকে একটি extended metaphor-এ পরিণত করেছে—পুরো জাতিকে একটি পথহারা যাত্রার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

🔥 ৪. আবেগ ও টোন (Tone & Emotion)
বেদনা, হতাশা, প্রশ্ন—এই তিনটি আবেগ প্রধান
সরাসরি আহ্বান: “ওঠরে জেগে”
অন্তর্নিহিত আশাবাদ: এখনও জাগরণ সম্ভব

⚖️ ৫. শক্তিশালী দিক (Strengths)
✔ শক্তিশালী রূপক কাঠামো
✔ গভীর সামাজিক বাস্তবতা
✔ আবেগ ও প্রশ্নের ভারসাম্য
✔ সাধারণ ভাষায় গভীর অর্থ প্রকাশ
✔ নেতৃত্ব সংকটের সার্বজনীনতা

📉 ৬. উন্নতির জায়গা (Critical Notes)
কিছু লাইনে ছন্দ আরও মসৃণ করা যায়
শেষের দিকে বার্তার পুনরাবৃত্তি আছে
“কান্ডারী” চরিত্রটি আরও স্পষ্টভাবে চিত্রায়িত হলে প্রভাব বাড়ত

📌 সারাংশ (Summary)
“কোথায় জাতির কান্ডারী?” একটি রূপকধর্মী কবিতা, যেখানে পথহারা জাতিকে পথিক হিসেবে উপস্থাপন করে একজন প্রকৃত নেতার অভাব ও সেই শূন্যতার বেদনাকে তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটি একইসাথে হতাশা, প্রশ্ন এবং জাগরণের আহ্বান বহন করে।

🧾 এক লাইনের মূল্যায়ন
এটি একটি গভীর রূপকধর্মী জাগরণ কবিতা, যা নেতৃত্বহীন সমাজের দিশাহীনতাকে মানবিক ও কাব্যিক ভাষায় প্রকাশ করে।
**--*******

৫১। বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!

বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!
--- আরিফ শামছ্
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)
দ্রোহানলের আগ্নেয়গিরি, বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!
বিষের বাঁশি, কে বাজাবি, আইরে ভীষণ ভৈরবী।
একূল ওকূল ভাঙ্গরে দুকূল, নে ভাসিয়ে জালিমরে,
মাথার 'পরে আছড়ে মারিস, পাহাড় সম ঊর্মিরে।
নটরাজের পবন-ভবন, আয়রে ছুটে তড়িৎ বেগে,
দস্যিরাজের দস্যিপনায়, লাগাম টানো বিশ্বরে।
আয়-গতিবেগ, আয়রে ধেয়ে, ধমকে- চমকে ভেঙ্গে যারে,
রক্তচোষা, জন্তু -প্রাণী, মানব-দানব সংহারে।
ঈষাণ কোণে, উড়াও নিশান, কালো মেঘের গর্জরে,
চিতার অনল ধরিয়ে দিবি, দস্যুদেরই অন্তরে।
বিনামেঘের বজ্রবাণে, সাঙ্গ কর জীবনরে,
নৈঋতেরই প্রান্ত কোণে, ভীষণ, পাষাণ, বৌদ্ধরে।
আয় অবিরাম, ঘূর্ণিবায়ূ, সাথী করে ঝড়-টর্নেডো,
কম্পে কম্পে ভূমিকম্পে, আগ্নেয়গিরির ঐ জ্বালামুখ,
যা ছুটে যা মানবতা, বন্দী যেথা প্রকোষ্ঠে,
মানুষরূপী সবজানোয়ার, রক্ত -মাংস ভক্ষণে।
ফেলরে মুছে সব নিশানা, সবকটিরে ধররে,
মরণ জ্বালা, বিষের জ্বালা, জ্বালিয়ে দিবি অন্তরে।
তিলে তিলে দে বুঝিয়ে, অত্যাচারীর পরিণতি,
জালিম, জুলুম, জুলমাতের সব, মৃত্যুবাণে দিবি।
উড়াও পাহাড়, ঝঞ্ঝা বায়ু, ধ্বংস-নাশী সংহর্ত্রী,
জ্বালাও, পোঁড়াও, অমানুষী পাপের তাপের রাজ্যটি।
চালাও প্রবল ধ্বংসলীলা, আকাশ-বাতাস বৈপ্লবী,
পৈশাচিকের দম্ভ-হম্ভ, দে গুঁড়িয়ে বিপ্লবী!

ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
০৬/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।

**********
আপনার কবিতা “বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!” নিঃসন্দেহে তীব্র শক্তি, ক্রোধ ও প্রতিরোধের ভাষা বহন করে—কিন্তু একটা বিষয় শুরুতেই স্পষ্ট করা দরকার: এতে ব্যবহৃত কিছু চিত্র ও আহ্বান (ধ্বংস, সংহার, আগুন, ইত্যাদি) বাস্তব জীবনে সহিংসতার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে। সাহিত্যিকভাবে এগুলো প্রতীকী (symbolic rage) হিসেবে কাজ করলেও, সরাসরি সহিংসতার উৎসাহ হিসেবে যেন না দাঁড়ায়—এটা মাথায় রেখে মূল্যায়ন করা জরুরি। এখন আসি এর বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন ও সারাংশে—
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন 🧭 ১. সাহিত্যধারা (Literary Context) এই কবিতাটি মূলত অন্তর্ভুক্ত হয়: Revolutionary Poetry (বিপ্লবী কবিতা) Romantic Rebellion Tradition (রোমান্টিক বিদ্রোহধারা) Mytho-poetic Protest (পুরাণ-প্রতীক নির্ভর প্রতিবাদ) বাংলা সাহিত্যে এটি স্পষ্টভাবে স্মরণ করিয়ে দেয় কাজী নজরুল ইসলাম-এর বিদ্রোহী ধারা—বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী এর প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়। বিশ্বসাহিত্যে এর সাদৃশ্য পাওয়া যায়: Percy Bysshe Shelley (revolutionary idealism) William Blake (mythical imagery + divine rage)
🔥 ২. ভাব ও শক্তি (Intensity & Energy) এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর অগ্নিময় শক্তি (volcanic intensity)। আপনি ব্যবহার করেছেন: আগ্নেয়গিরি 🌋 বজ্রপাত ⚡ ঝড়, টর্নেডো 🌪️ ভূমিকম্প 🌍 এইসব প্রাকৃতিক শক্তি এখানে প্রতীক: অত্যাচারের বিরুদ্ধে সৃষ্টিশীল ধ্বংস ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা
🧠 ৩. প্রতীক ও পুরাণের ব্যবহার কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক: নটরাজ → ধ্বংস ও সৃষ্টির চক্র (cosmic destruction & renewal) ভৈরবী → শক্তি, ভয়ংকর রূপ, জাগরণ দস্যিরাজ / জালিম → শোষক শক্তি মানুষরূপী জানোয়ার → নৈতিক অবক্ষয় এইসব উপাদান কবিতাটিকে mythic-protest কবিতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
🎭 ৪. ভাষা ও শৈলী অত্যন্ত উচ্চারণধর্মী (oratorical) আহ্বানমূলক (invocative tone) ক্রমাগত imperative verb: “আয়”, “ভেঙ্গে”, “জ্বালাও”, “ধ্বংস করো” এটি পড়ার চেয়ে শুনার জন্য বেশি শক্তিশালী—একটি পারফরম্যান্স কবিতা।
⚖️ ৫. শক্তি (Strengths) ✔ বিস্ফোরক আবেগ ✔ শক্তিশালী ছন্দ ও গতি ✔ পুরাণ + রাজনীতি মিশ্রণ ✔ স্মরণীয় চিত্রকল্প ✔ বিদ্রোহী কণ্ঠস্বর
📉 ৬. সীমাবদ্ধতা (Critical Perspective) এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে: সহিংসতার ভাষা অনেক বেশি সরাসরি “ধ্বংস” এর উপর জোর বেশি, “পুনর্গঠন” কম কিছু জায়গায় পুনরাবৃত্তি (repetition) আছে আন্তর্জাতিক মানে layered metaphor আরও বাড়ানো যেত
📌 সারাংশ (Summary) “বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!” একটি অগ্নিময় বিপ্লবী কবিতা, যেখানে কবি প্রাকৃতিক শক্তি ও পুরাণের প্রতীক ব্যবহার করে অত্যাচারী ও অমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে এক সর্বাত্মক বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছেন। এটি মূলত ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য এক ধরনের মানসিক ও নৈতিক বিস্ফোরণের কাব্যিক প্রকাশ।
🧾 এক লাইনের মূল্যায়ন এটি একটি শক্তিশালী, নজরুল-প্রভাবিত বিপ্লবী কবিতা, যেখানে প্রতীকী ধ্বংসের মাধ্যমে ন্যায় ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। ************

All reaction

৫০। ১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ।

১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ।
-----আরিফ শামছ্ 
গোলা ভরা ধান ছিল তার,
পুকুর ভরা মাছে।
তলা ছাড়া ঝুড়ি কভু,
মাথা পিছুর ঋণে।
সোনার বাংলার স্বপ্ন গুলো,
অংকুরেতেই শেষ,
দেশ গড়িতে সোনার ছেলে,
ছোট নির্নিমেষ।
দরদীরা আসে মোদের উন্নয়নের তরে,
বৃটিশ, পাকি, ইন্ডিয়ানরা নেই পারে যা লুটে।
দাঁড়ায় যতো মহান নেতা দেশ গড়িবার তরে,
কার খুশিতে, কাদের তরে, জীবন নিচ্ছে কেঁড়ে???
মুজিব বলো, জিয়া বলো, জাতীয় নেতা যারা,
দেশের তরে জীবন দিল, হিংস্র পশুর দ্বারা।
কার ইশারায়, কেমন করে, দেশের নাঁড়ী কাটে,
পারবনাকি মহান প্রাণের, শান্তি এনে দিতে।
আজ প্রয়োজন, বের করে নাও, কারা মোদের শত্রুদল
দেশ- বিদেশের ভাঙ্গে কারা, সোনার-স্বপ্ন-পদ্ম-দল,
মীর জাফরের প্রেতাত্নারা আজো ঘুরেফিরে,
ঘসেটিদের দেখা পাবে, দেশটা যারা বেঁচে।
নাগরিকেরা জিম্মী থাকে, কেউ জাগেনা কভু,
প্রতিবাদের পথ হারিয়ে, মাথা টুকে শুধু।
মুক্তি কোথায় মিলবে সেতো, রয়লো অধরা,
কুক্ষিগত করে রাখে, সব রকমের ক্ষমতা।
সেও শুনি, নাই তাদেরি, তখতে কোন নিজের বল,
ভিনদেশীদের কাঠির ছোঁয়ায়, হয় ক্ষমতার পালা বদল!
আর কতোকাল রয়বে জাতি, স্বাধীণ হয়ে পরাধীণ,
জাতির তরে জাগবে কবে, মুজিব, জিয়া, মহাবীর।
নিজের মতো দেশ সাজাতে পায়না কেন শক্তি বল,
স্বাধিকারের নীরব যাতন, শেষ করিবে কোন সে জন?
থাকবেনাক বাঁধা কোন, সোনার বাংলা গড়তে,
জাতি গড়ার মহান পথে, নেইকো দ্বিধা মরতে।

ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।
০৪/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
("বিজয়ের উল্লাস" যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত।)

*********
আপনার কবিতা “১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে, আজকের এই বাংলাদেশ” একটি স্পষ্টভাবে ঐতিহাসিক-রাজনৈতিক, প্রতিবাদধর্মী ও জাতিসত্তা-চিন্তনমূলক কবিতা। নিচে এর বিশ্ব-সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন ও সারাংশ দেওয়া হলো।
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন 🧭 ১. সাহিত্যধারা (Literary Tradition) এই কবিতাটি বিশ্বসাহিত্যের যে ধারার সাথে সম্পর্কিত, তা হলো: Postcolonial Literature (উত্তর-ঔপনিবেশিক সাহিত্য) Political Protest Poetry (রাজনৈতিক প্রতিবাদ কবিতা) National Identity Poetry (জাতীয় পরিচয়ভিত্তিক কবিতা) এটি সেই ধারার অংশ যেখানে উপনিবেশ, স্বাধীনতা, ক্ষমতা, রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পর্ক নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলা হয়—যেমন কাজ করেছেন: পাবলো নেরুদা (Pablo Neruda) ল্যাংস্টন হিউজ (Langston Hughes) মাহমুদ দারবিশ (Mahmoud Darwish)
🔥 ২. বিষয়বস্তুর গভীরতা কবিতাটির কেন্দ্রীয় বিষয়গুলো হলো: উপনিবেশিক শোষণের ইতিহাস (ব্রিটিশ–পাকিস্তান যুগ) স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক বাস্তবতা ও হতাশা রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব ও ক্ষমতার সমালোচনা “স্বাধীনতার ভেতরে পরাধীনতা” (internal colonization) জনগণের নীরবতা ও জাগরণের প্রয়োজন বিশেষ করে এই ধারণাটি শক্তিশালী: স্বাধীনতা আছে, কিন্তু মানসিক ও রাজনৈতিক পরাধীনতা রয়ে গেছে
🧠 ৩. প্রতীক ও ইতিহাস ব্যবহার আপনি কবিতায় ব্যবহার করেছেন: মীর জাফর / ঘসেটি বেগম → বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক মুজিব / জিয়া → জাতীয় নেতৃত্বের ঐতিহাসিক রেফারেন্স ব্রিটিশ / পাকিস্তানি / বিদেশি শক্তি → বহিরাগত শোষণ “জাল পাতা লোভ-লালসা” → আধুনিক ক্ষমতার দুর্নীতি এগুলো কবিতাটিকে historical allegory পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
🎭 ৪. ভাষা ও শৈলী ভাষা সরল, সরাসরি এবং জনমুখী আবেগ ও ক্ষোভ প্রধান চালিকাশক্তি বক্তৃতাধর্মী (oratorical tone) “জাগরণ কবিতা” হিসেবে শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করে তবে বিশ্বসাহিত্যের মানদণ্ডে: চিত্রকল্প (imagery) আরও ঘনীভূত করা গেলে এটি আরও উচ্চ সাহিত্যমান পেত কিছু অংশ বেশি সরাসরি বক্তব্যধর্মী, কাব্যিক বিমূর্ততা (poetic abstraction) কম
⚖️ ৫. শক্তিশালী দিক (Strengths) ✔ ঐতিহাসিক সচেতনতা ✔ রাজনৈতিক সাহসিকতা ✔ জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন ✔ জনতার পক্ষে অবস্থান ✔ আবেগঘন ভাষা
📉 ৬. সীমাবদ্ধতা (Literary Limitations) অতিরিক্ত সরাসরি বক্তব্য (less symbolic depth) কিছু অংশে তাল ও কাব্যিক ঘনত্ব কম আন্তর্জাতিক কবিতার তুলনায় metaphorical layering কম
📌 বিশ্বসাহিত্যিক সারসংক্ষেপ (Summary) এই কবিতাটি বাংলাদেশের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক ও জাতিসত্তা-ভিত্তিক প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে ১৯৪৭ থেকে বর্তমান পর্যন্ত উপনিবেশিক শোষণ, স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক জটিলতা এবং জনগণের নীরবতা তুলে ধরা হয়েছে। এটি মূলত একটি “awakening poem”, যা জাতিকে আত্মজাগরণের আহ্বান জানায় এবং ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরের দুর্নীতি ও বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীকী চিত্র নির্মাণ করে।
🧾 এক লাইনের বিশ্বসাহিত্যিক মূল্যায়ন এটি একটি শক্তিশালী দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক প্রতিবাদ কবিতা, যা ইতিহাস, ক্ষমতা ও জাতিসত্তার দ্বন্দ্বকে জনমানসের ভাষায় প্রকাশ করে।
*********

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

৮৮। প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস

প্রাণের চেয়ে প্রিয় কুদস -আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) ওরা মার খাচ্ছে, খাক, জ্বলে পোঁড়ে ছারখার হয়ে যাক, পুরো ভিটে মাটি, সাজানো সংসার, ক...