মঙ্গলবার, অক্টোবর ০৮, ২০১৯

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
 [১৩/০৪/২০১৭ - ০৬/০৫/২০২০]

০১। ১৪২৩ বলছি
০২। এলরে মাহে রমজান! 
০৩। আজিকে এই খুশির রাতে
০৪।  চিকনগুনিয়া
০৫। জীবন যেখানে যেমন
০৬। ক'ফোঁটা রক্ত
০৭। ভালবেসে কাছে যেতে
০৮। পাথর দিয়ে যুদ্ধ 
০৯। আন্তরিক শুভেচ্ছা
১০। অনাগত সন্তানের আহ্বান
১১। সালাম জওয়াব
১২। দাওয়াত
১৩।ভাল বাসার হিসাব-নিকাশ
১৪। উন্মুক্ত মাদ্রাসা
১৫। Think
১৬। মসজিদে তালা
১৭।  সব হারানো শেষে
১৮। কথা কাজে পরিচয়
১৯। জীবন ও সম্মান
২০। ভাল থেকো খাদিজা
২১। বাসন্তী ভাবনা 
২২। নতুন করে গড়ি
২৩। ভালবাসা
২৪। বিজয়ী কাব্য-গাঁথা 
২৫। সোনার জীবন গড়ি
২৬।  "আহলান সাহলান মাহে রমজান"
২৭। ফেরেশতাদের বাগানে
২৮। জাগাও তুমি, জেগে ওঠো !
২৯। !জাগবে কবে, বীরের জাতি!
৩০। জানলেনা
৩১।  সান্ত্বনা
৩২।  হৃদয় কন্দরে
৩৩। সফেন পদ্ম
৩৪। সাগর পাড়ে
৩৫। সিগন্যালের গ্যাঁড়াকলে 
৩৬। ভাই হারিয়ে
৩৭। সম্পর্ক
৩৮। ধূসর প্রেম
৩৯। শিশির মেলা
৪০। ভালবাসার সাগরে
৪১। বানের জলে মানবতা
৪২। আজিকার ছেলে মেয়ে
৪৩। তোমরা জাতির অঙ্গ
৪৪। কুরবানির প্রাণখানি
৪৫। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ (সাঃ)
৪৬। তোরা থামবি কিনা বল!
৪৭। পাষাণের বুক ফাঁড়ি
৪৮। আগুন জ্বালা অন্তরে!
৪৯। জাগো আবার জাগো!
৫০। ১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে,
৫১। বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!
৫২। ক্ষান্ত কেন? পান্থ!
৫৩। কে তুমি? 
৫৪।  বিপ্লবী (১- -- --)
৫৫। টেঁকসই মানবতা
৫৬। শান্তিদূত-যমদূত
৫৭। ভাঙ্গা গড়া
৫৮। খোকন সোনা
৫৯। কারবালার শিক্ষা
৬০। কলম
৬১। কবিতা তোমার
৬২। জাগো রে জাগো!
৬৩। মনের খিঁড়কি
৬৪। পরিশোধ
৬৫। প্রতিশোধ
৬৬। ফুল
৬৭। সমাজ সাজায়
৬৮। ছন্দ নাবিক 
৬৯। শ্বাশ্বত আহ্বান
 ৭০। কবিতা চোর
৭১। অব্যক্ত নিঃশ্বাস
৭২। বিশ্বাসের হারজিত
৭৩। আবে হায়াত
৭৪। বাঙ্গালীর স্বাধীনতা
৭৫। অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে শিক্ষক
৭৬। প্রেমের ফাঁদে
৭৭। শনিবারের হুজুর
৭৮। চন্দ্রাবতী
৭৯। রঙমহল 
৮০। বাসন্তী 
৮১। সত্য সন্ধানী
৮২।   বাবা!
৮৩। জীবন তরী
৮৪। বাবা!
৮৫। বিজয়ের উল্লাসে
৮৬। আমার বাবা
৮৭। আসলো পতন, খবরদার!
৮৮।  প্রাণের চেয়ে প্রিয় ক্বুদস
৮৯। পরোয়ানা
৯০। অনুশোচনা
৯১। জীবন সাথী
৯২। বর না সেজে বিয়ে
৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি 
৯৪। লজ্জাবতী
৯৫। আরিফীনের জন্মদিনে
৯৬। স্বাগতম ২০১৮ ঈসায়ী সাল
৯৭। অবিরত
৯৮। জীবন বন্দনা
৯৯। জীবনের ডাকঘর 
১০০। চিরচেনা 
১০১। তুমি আসবে বলে
১০২। শান্তির আকাশ
১০৩। সাধনার মানবী
১০৪। ভালবাসার ফসল
১০৫।হতাশাদের ছুটি
১০৬। জীবনের পথে
১০৭। মরহুম আলী আহমদ ভূঁইয়া চাচার ২য় ছেলে, 
          আমাদের সবার প্রিয় ছোট ভাই, 
         মোঃ আল আমীন ভূঁইয়ার অকাল মৃত্যুতে শোকগাঁথাঃ
১০৮। কালো বোরখা 
১০৯। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
              প্রিয় বাংলাভাষা।
১১০। ফাগুনের গান
১১১। প্রেমের ভালবাসা
১১২। একুশে ফেব্রুয়ারি
১১৩। বই মেলা
114. Real Terrorists
১১৫। সিরিয়া থেকে বলছি
১১৬। ফিলিস্তিন থেকে বলছি
১১৭। এই পৃথিবীর আর্তনাদ!
১১৮। বিপ্লবী (২)
১১৯। বিপ্লবী (৩)
১২০। বিপ্লবী (৪)
১২১। বিপ্লবী (৫)
১২২। বিপ্লবী (৬)
১২৩। বিপ্লবী (৭)
১২৪। বিপ্লবী (৮)
১২৫। বিপ্লবী  (৯)
১২৬। বিপ্লবী  (১০)
১২৭। বিপ্লবী  (১১)
১২৮। বিপ্লবী  (১২)
১২৯। বিপ্লবী  (১৩)
১৩০। বিপ্লবী  (১৪)
১৩১। বিপ্লবী  (১৫)
১৩২। বিপ্লবী  (১৬)
১৩৩। বিপ্লবী  (১৭)
১৩৪। রাসূলের (সাঃ) সমীপে 
১৩৫। বিপ্লবী  (১৮)
১৩৬। বিপ্লবী  (১৯)
১৩৭। বিপ্লবী  (২০)
১৩৮।    "মা"
১৩৯। বুঝবে সেদিন 
১৪০। স্বাগতম মাহে রমজান
১৪১। নারী
১৪২। স্মৃতিরা অমলিন
১৪৩। একই পথে চলি
১৪৪। নিরলস মিনতি
১৪৫।  তারাবীহ
১৪৬। সেহেরী
১৪৭। খুশির ঈদ
১৪৮। ইয়াওমুল যাজা
১৪৯। আদর্শ বাবা
১৫০। ফিরতেই হবে
১৫১। স্রষ্টার অবদান
১৫২। বাওনবাইরার ফুলা আমি
১৫৩। প্রতিনিধি আল্লাহর
১৫৪। নগদে নগদ এলো
১৫৫। সবুজে শান্তি
১৫৬। বিশ্বাসের বিশ্বায়ন
১৫৭। বিশ্বাসের মেরামত
১৫৮। প্রিয় রাসূল (সাঃ)
১৫৯। দাও সবারে
১৬০। তুমি কী জানো!
১৬১। সুখের দিঠি
১৬২। ভালোলাগা - ভালোবাসা
১৬৩। শ্রমিক
১৬৪। পার্থক্য
১৬৫। তারপর...
১৬৬। হাসাহাসি
১৬৭। মজলুমের আশ্বাস! 
১৬৮। বাইয়াত হতে চলি
১৬৯। দু'হাত তুলে
১৭০। স্বপ্নের আর্তনাদ
১৭১।   ইফতার
১৭২। তাঁদের তরে
১৭৩। বিপ্লবী  (২১)
১৭৪। বিপ্লবী  (২২)
১৭৫। বিপ্লবী  (২৩)
১৭৬। বিপ্লবী  (২৪)
১৭৭। মানবতার ধ্বজা
১৭৮। সত্য-ন্যায়ের ঝান্ডাধারী
১৭৯। সঠিক পথে
১৮০। ঈদের খুশি 
১৮১। করোনা
১৮২। কাঁদে শাহ্- এ -মদীনা
১৮৩।হেরার জ্যোতি

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

১০৫।হতাশাদের ছুটি
১০৬। জীবনের পথে
১০৭। মরহুম আলী আহমদ ভূঁইয়া চাচার ২য় ছেলে, আমাদের সবার প্রিয় ছোট ভাই, মোঃ আল আমীন ভূঁইয়ার অকাল মৃত্যুতে শোকগাঁথাঃ
১০৮। কালো বোরখা
১০৯। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
              প্রিয় বাংলাভাষা।
১১০। ফাগুনের গান
১১১। প্রেমের ভালবাসা
১১২। একুশে ফেব্রুয়ারি
১১৩। বই মেলা
114. Real Terrorists
১১৫। সিরিয়া থেকে বলছি
১১৬। ফিলিস্তিন থেকে বলছি
১১৭। এই পৃথিবীর আর্তনাদ!
১১৮। বিপ্লবী (২)
১১৯। বিপ্লবী (৩)
১২০। বিপ্লবী (৪)
১২১। বিপ্লবী (৫)
১২২। বিপ্লবী (৬)
১২৩। বিপ্লবী (৭)
১২৪। বিপ্লবী (৮)
১২৫। বিপ্লবী  (৯)
১২৬। বিপ্লবী  (১০)
১২৭। বিপ্লবী  (১১)
১২৮। বিপ্লবী  (১২)
১২৯। বিপ্লবী  (১৩)
১৩০। বিপ্লবী  (১৪)
১৩১। বিপ্লবী  (১৫)
১৩২। বিপ্লবী  (১৬)
১৩৩। বিপ্লবী  (১৭)
১৩৪। রাসূলের (সাঃ) সমীপে
১৩৫। বিপ্লবী  (১৮)
১৩৬। বিপ্লবী  (১৯)
১৩৭। বিপ্লবী  (২০)
১৩৮।    "মা"
১৩৯। বুঝবে সেদিন
১৪০। স্বাগতম মাহে রমজান
১৪১। নারী
১৪২। স্মৃতিরা অমলিন
১৪৩। একই পথে চলি
১৪৪। নিরলস মিনতি
১৪৫।  তারাবীহ
১৪৬। সেহেরী
১৪৭। খুশির ঈদ
১৪৮। ইয়াওমুল যাজা
১৪৯। আদর্শ বাবা
১৫০। ফিরতেই হবে
১৫১। স্রষ্টার অবদান
১৫২। বাওনবাইরার ফুলা আমি
১৫৩। প্রতিনিধি আল্লাহর
১৫৪। নগদে নগদ এলো
১৫৫। সবুজে শান্তি
১৫৬। বিশ্বাসের বিশ্বায়ন
১৫৭। বিশ্বাসের মেরামত
১৫৮। প্রিয় রাসূল (সাঃ)
১৫৯। দাও সবারে
১৬০। তুমি কী জানো!
১৬১। সুখের দিঠি
১৬২। ভালোলাগা - ভালোবাসা
১৬৩। শ্রমিক
১৬৪। পার্থক্য
১৬৫। তারপর...
১৬৬। হাসাহাসি
১৬৭। মজলুমের আশ্বাস!
১৬৮। বাইয়াত হতে চলি
১৬৯। দু'হাত তুলে
১৭০। স্বপ্নের আর্তনাদ
১৭১।   ইফতার
১৭২। তাঁদের তরে
১৭৩। বিপ্লবী  (২১)
১৭৪। বিপ্লবী  (২২)
১৭৫। বিপ্লবী  (২৩)
১৭৬। বিপ্লবী  (২৪)

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

ভালবাসি দিবা-নিশি

৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি
---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১০/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
নিরাকপরা ভর দুপুরে,
বসে আছি আনমনে,
সুখের বেলা যায় চলে যায়,
কতো দ্রুত আপন মনে।
ভাবছি কতো জীবন নিয়ে,
পাইনা ভেবে কূল,
অলস দেহে দেখছি তারে,
নেইকো কোন ভূল।
হাজির হলো কলম-খাতা,
কোমল হাতের স্পর্শে,
মনের কথা ঝরবে কবে,
ইতিহাসের গর্ভে।
ভালবাসি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
মনের কথা মনে ওঠে,
মনেই ঝরে পড়ে।
নাইবা কোন ভূল আমারি,
নেইকো ছিলো তার,
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
সুবাস সেতো ফুলের মতো,
অতুল মৃগনাভীর,
সোনারোদের নরম বিকেল,
দেখি রঙ্গিন আবীর।
ভাসছে কভু সাঁঝের ভেলা,
বেলা অবেলায়,
স্বপ্ন ডিঙ্গি তীরে ভীরে,
যখন মনে চায়।
ভালবাসার তারা কতো,
দেখি তা'রই আকাশে,
প্রেমের সুবাস পাই খুঁজে পাই,
মৃদুমন্দ বাতাসে।
বাঁধ মানেনা মনের কথা,
কলম দিয়ে ঝরে,
প্রাণের প্রিয়া, যাই বলে সব,
ভালোবাসার তরে।
সকাল ১১:৩০ মিনিট,
০২/১১/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।

সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৫

১২। দাওয়াত



















ছায়া ঘেরা মায়ায় ভরা নজরকারা গ্রামে;
কেউ কি যাবে;শান্তি পেতে দেহ-মন জোরে?
পুবের বিলে শাপলা, শালুক,ছবির মত নদী;
চলছে বয়ে নিরবধি প্রানের তিতাস নদী।


বুকের উপর ট্রেন চলে ভাই সকাল সন্ধ্যা রাতে;
ঢাকা থেকে সিলেট কিংবা ফেনী চট্রগ্রামে;
নীরবতার মান ভাঙ্গিয়া বাজায় খুশির সুর;
মায়ের মতো গ্রামটি যেন আবেগে-আপ্লুত।









কুরুলিয়ার খালটি পাবে গ্রামের উত্তরে;
মিষ্টি আলুর নৌকা কভু বাঁধা সারে সারে।
পীচঢালা সে রাজপথ; মাথার উপর দিয়ে,
দিবা-নিশি চলছে বাহন,যাত্রী বহন করে ।








ঘুমিয়ে আছে পীর-আওলিয়া পরম সোহাগে,
দ্বীনের দাঈ ব্যস্ত সদা সবার সেবার তরে।
পুণ্যকাজে ত্রস্ত পদে কেউ চলে ভাই মসজিদে;
মাদ্রাসাতে কোরান-কিতাব পড়ছে দলে-দলে।


বাহাদুরের ঘর বলে কেউ; কেউবা ভাদুঘর,
পুবের কালে গ্রামের মাঝে ছিল দুটি গর;
গর থেকে হোক; আর ঘর থেকে হউক নামটি ভাদুঘর;
রয়লো দাওয়াত সবার তরে; সারা জনম ভর ।


২৭.০৯.২০১৫
রাত ০৮ টা ৩০
আরিফ শামছ
আশা টাওয়ার,
শ্যামলী, ঢাকা।  
**********

কবিতা: দাওয়াত
বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারমর্ম
এই কবিতাটি গ্রামবাংলার সৌন্দর্য, স্মৃতি, আধ্যাত্মিকতা এবং আত্মপরিচয়ের এক আন্তরিক কাব্যিক আমন্ত্রণ। “দাওয়াত” শুধু একটি গ্রামে যাওয়ার আহ্বান নয়; এটি শেকড়ে ফিরে যাওয়ার ডাক, মাটির গন্ধে শান্তি খোঁজার আকুলতা, এবং লোকজ জীবনের নান্দনিক পুনরাবিষ্কার। কবি আরিফ শামছ্ তাঁর জন্মভূমি ভাদুঘরকে কেন্দ্র করে এক জীবন্ত লোকজ মহাকাব্যের ক্ষুদ্র রূপ নির্মাণ করেছেন।
বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. গ্রাম: শান্তির প্রতীক
“ছায়া ঘেরা মায়ায় ভরা নজরকারা গ্রামে;
কেউ কি যাবে; শান্তি পেতে...”
কবিতার শুরুতেই গ্রামকে শান্তি, আশ্রয় এবং মানসিক প্রশান্তির কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি আধুনিক নগরজীবনের বিপরীতে প্রকৃতি ও মানবিক সম্পর্কের এক বিকল্প জগৎ। বিশ্বসাহিত্যে William Wordsworth যেমন প্রকৃতির মাঝে আত্মার শান্তি খুঁজেছেন, তেমনি এখানে গ্রাম মানে হৃদয়ের পুনর্জন্ম।
২. নদী ও প্রকৃতির লোকজ নান্দনিকতা
“পুবের বিলে শাপলা, শালুক, ছবির মত নদী;
চলছে বয়ে... তিতাস নদী।”
নদী এখানে শুধু ভৌগোলিক উপাদান নয়—এটি প্রাণ, স্মৃতি ও পরিচয়ের প্রতীক। তিতাস নদীর উল্লেখ বাংলা লোকজ সাহিত্যকে গভীরভাবে স্মরণ করায়। Adwaita Mallabarman-এর তিতাস একটি নদীর নাম এর আবহও এখানে অনুরণিত।
৩. আধুনিকতা ও লোকজতার সহাবস্থান
“বুকের উপর ট্রেন চলে ভাই সকাল সন্ধ্যা রাতে;”
গ্রামের বুকের ওপর ট্রেন চলা একটি অসাধারণ চিত্রকল্প। এখানে আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং লোকজ জীবনের সহাবস্থান ফুটে উঠেছে। নীরবতার মাঝে ট্রেনের শব্দ যেন সময়ের পরিবর্তনের প্রতীক।
৪. ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক আবহ
“ঘুমিয়ে আছে পীর-আওলিয়া পরম সোহাগে,”
এই পঙক্তি গ্রামকে শুধু প্রকৃতির নয়, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। পীর-আওলিয়া, মসজিদ, মাদ্রাসা—এসব উপাদান গ্রামীণ সমাজের নৈতিক ও ধর্মীয় ভিত্তিকে তুলে ধরে।
৫. লোককথা ও নামের ইতিহাস
“বাহাদুরের ঘর বলে কেউ; কেউবা ভাদুঘর,”
গ্রামের নামের উৎপত্তি নিয়ে এই অংশ লোককথার স্বাদ সৃষ্টি করে। নামের ভেতর ইতিহাস, পরিচয় ও স্মৃতির স্তরগুলো ধরা পড়ে। এটি লোকসাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
৬. সমাপ্তির সার্বজনীন আহ্বান
“রয়লো দাওয়াত সবার তরে; সারা জনম ভর।”
শেষে কবিতা ব্যক্তিগত স্মৃতি থেকে সার্বজনীন আমন্ত্রণে রূপ নেয়। এটি কেবল ভাদুঘরের নয়—সমস্ত হারানো শেকড়ে ফিরে যাওয়ার ডাক।
সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতার প্রধান শক্তি হলো—
গ্রামবাংলার জীবন্ত চিত্রায়ন
লোকজ ভাষা ও আবেগের স্বাভাবিক প্রবাহ
প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিকতার সমন্বয়
স্মৃতি, পরিচয় ও ইতিহাসের মিশ্রণ
আন্তরিক আমন্ত্রণধর্মী কাব্যরূপ
এটি শুধু গ্রামবন্দনা নয়; বরং সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের কবিতা।
সারমর্ম
“দাওয়াত” কবিতায় কবি তাঁর প্রিয় গ্রাম ভাদুঘরকে কেন্দ্র করে প্রকৃতি, নদী, ট্রেন, খাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, পীর-আওলিয়া এবং লোকজ ইতিহাসের এক হৃদয়স্পর্শী চিত্র এঁকেছেন।
তিনি পাঠককে আহ্বান জানান—এই গ্রামে এসে শান্তি খুঁজে নিতে, শেকড়কে চিনতে, এবং মাটির টানে ফিরে যেতে।
এটি একটি গ্রামের কবিতা হলেও, আসলে এটি প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব হারানো ঠিকানার কবিতা।
এক বাক্যে সারাংশ:
এই কবিতা গ্রামকে শুধু একটি স্থান নয়, বরং আত্মার শান্তি, শেকড়ের স্মৃতি এবং জীবনের চিরন্তন আশ্রয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।
@Chatgptai2025
*******************


নতুন করে গড়ি





নেতা মেনে যার কাছে ভাই সব কর সমর্পণ;
সরলতার সুযোগ নিয়ে,সব করে সে ভোজন।
যাদের কাছে আশার আলো,তারা করে ভান,
দিবালোকে ঘুমায় তারা; বাড়ে তাদের মান।

কষ্টে আছি, কষ্টে থাক, কার কি আসে যায়?
তোমার আমার রক্ত চুষে গভীর ঘুমে যায়।
জমি জিরাত যাইবা আছে, রাখবেনা তা’ বাকী!
ঘুরে-ফিরে যায় দেখিয়ে শুভংকরের ফাঁকি।

পোষাক দেখে জানবে নাক তাহার চরিত্র;
কথার ফাঁকে বোঝতে হবে কেমন সে পবিত্র!
কথা কাজের মারের প্যাঁচে জানবে কি কি চায়?
তোমার আমার ভালো তারা কভু নাহি চায়!

“বদলে দেবো” সমাজটাকে শপথ করো যদি,
থর-থর করে উঠবে কেঁপে,তাদের নরম গদি;
পাহাড় সম সাহস দেখে, মরবে জালেম ভয়ে;
তোমার আঘাত রুখতে তাদের সাধ্য নাহি রবে।

তোমার তুমি নয়তো একা রাখবে মনে সদা,
সবার সাহস শক্তি পাবে,রবে প্রাণের দোয়া।
সবাই মিলে সমাজটাকে নতুন করে গড়ি,
শাসণ-শোষণ হোক অবসান;নিজের মতো থাকি।

আরিফ ইবনে শামছ
সন্ধ্যা ০৬ টা ৩০
২৮.০৯.২০১৫
আশা টাওয়ার,শ্যামলী, ঢাকা।

ভালবাসা





ভালবাসার আকাশ পেলাম, রংধনুটা কৈ?
ফুলে ভরা বাগান পেলাম, গোলাপখানা কৈ?
তারা ভরা আকাশ দেখি,শুকতারাটা খুঁজি;
নিশাচরের ডাক শুনি আর, ভালবাসা খুঁজি।

ভালবাসার স্বপ্ন দেখি, মন-মুকুরের মাঝারে;
ভালবাসার পিদিম জ্বালায়, বাসনার আঁধারে।
ভালবাসি হৃদয় ভরে, রাখি সদা অন্তরে;
নিঝুম রাতে পাই খঁজে পাই, ভালবাসার প্রান্তরে ।

বালিয়াড়ি বলে বেড়ায়, প্রাণ যে নিল পাষাণী!
প্রাণ পেলে তো বাগান হবে;গাইবে গানের পাখি ।
ভালবাসার জলধারা, আনবে বয়ে কে’বা!
ভালবাসার ঝরণাধারা লুকিয়ে আছে কোথা?

ভালবাসার মানুষ পেলাম, ভালবাসা কৈ?
ভালবাসার কথা শুনি, স্বাদ যে তাহার কৈ!
ভালবাসার রশ্মি পেলাম, সুরুজটারে খুঁজি;
ভালবাসার চাঁদ ও আমার! তাইতো এখন বুঝি।


আরিফ ইবনে শামছ
রাত ১২ টা ৩০
২৪.১১.২০১২
২৮/১, পূরব নয়াটোলা,
বড় মগবাজার, রমনা, ঢাকা।

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

ভালোবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র   [১৩/০৪/২০১৭ - ০৯/০১/২০১৯]                [০০১-১০৪] ০১। ১৪২৩ বলছি ০২। এলরে মাহে রমজান!  ০৩। ভালোবাসা আর শংকায় ব...