সোমবার, জুন ১৯, ২০২৩

মাদানী মিনার, বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদ, ভূঁইয়া পাড়া, ভাদুঘর, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩৪০০






বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদ, ভূঁইয়া পাড়া, ভাদুঘর, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩৪০০


















মাদানী মিনার, ভূঁইয়া পাড়া, ভাদুঘর, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩৪০০ 



মাদানী মিনার, ভূঁইয়া পাড়া, ভাদুঘর, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩৪০০ 


মাদানী মিনার, ভূঁইয়া পাড়া, ভাদুঘর, সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩৪০০ 



রবিবার, জুন ১৮, ২০২৩

দৈনিক মহাবিশ্ব - Daily Mohaabiswa

 










চা খাওয়ার উপকারিতা

 



চা খাওয়া শুধুই কি অভ্যাস? নাকি এর স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে? অনেকের ধারণা, চা খাওয়ার কোনো উপকারিতা নেই। আসলে এই ধারণা মোটেই সঠিক নয়। কারণ নিয়মিত চা খেলে পাবেন অনেকগুলো উপকার। সারাদিনের সতেজ অনুভূতির জন্য হলেও এক কাপ চায়ের প্রয়োজন পড়ে। সেইসঙ্গে বাঁচা যায় বিভিন্ন অসুখ থেকেও। চা খাওয়ার অভ্যাস মোটেও ক্ষতিকর নয়। তবে তা খেতে হবে পরিমিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত চা খাওয়ার উপকারিতা-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে চা। চায়ে থাকা ভিটামিন আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত চা খেলে আপনি অনেক ধরনের অসুখ থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

ভালো থাকে হার্ট

হার্ট ভালো রাখার জন্য খাবারের তালিকায় নজর রাখতে হবে। প্রতিদিন অন্তত এক কাপ চা আপনাকে এই কাজে সাহায্য করবে। লিকার চায়ে থাকে এমন কিছু এনজাইম, যা আপনার হার্টে রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হৃৎপিন্ড সুস্থ থাকে। বিশেষজ্ঞরা দিনে দুইবার লিকা চা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে

মরণঘাতি অসুখ ক্যান্সার থেকে বাঁচতে আপনাকে সাহায্য করবে চা। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে এমনটাই। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত গ্রিন টি খেলে তা শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি হতে দেয় না। তাই এই চা প্রতিদিন এক-দুই কাপ খেতে পারেন। এতে ক্যান্সারসহ আরও অনেক অসুখ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে।

মাইগ্রেন কমায়

মাইগ্রেন একবার দেখা দিলে কখনো আর পুরোপুরি সেরে যায় না। এ ধরনের সমস্যা যাদের আছে তাদের খাবারের বিষয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। কারণ কিছু খাবারের কারণে মাইগ্রেন বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে কিছু খাবার মাইগ্রেন কমাতে কাজ করে। তার মধ্যে একটি হলো ল্যাভেন্ডার চা। এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যে কারণে এই চা খেলে তা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। ফলে কমে মাইগ্রেন।

নার্ভ শান্ত করে

নার্ভ শান্ত করতে কাজ করে চা। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি করে। যে কারণে চা খেলে নার্ভ শান্ত হয়। পাশাপাশি নিয়মিত চা পান করলে মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যায়। তাই দেখবেন, মানসিক চাপ কমাতে অনেকেই এক কাপ চায়ে নিয়ে বসেন।

ব্যথা কমায়

শরীরে কোথাও আঘাত পাওয়ার কারণে ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে মধু চা। যদি আঘাত পাওয়ার কারণে শরীরে কোথাও ব্যথা হয় তবে এক কাপ মধু চা খেয়ে নিন। এতে খুব দ্রুত ব্যথা কমে আসবে। আমাদের শরীরে সৃষ্ট প্রদাহ দূর করতে কাজ করে মধু চা। সেইসঙ্গে ক্ষতস্থানের ফোলাভাব কমাতেও কাজ করে এটি।






বাঙালির চা-প্রেম, চা নিয়ে উন্মাদনা

 



বাংলাদেশে চা শিল্প একটি সম্ভাবনাময় এবং অর্থকরী খাত। ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে – অন্য মতে ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে – সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া উদ্যানে রোপিত হয়েছিল এই শিল্পের প্রথম বীজ। তখন থেকে নিয়ে এই একবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত চা শিল্প পাড়ি দিয়েছে বেশ লম্বা একটা পথ, এবং বাণিজ্যিকভাবে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধি আর উন্নতির জোয়ার দেখেছে এই খাতটি। সর্বশেষ ২০২০ অর্থবছরে ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে আমাদের দেশে। তাছাড়া রেকর্ড পরিমাণ ২.১৭ মিলিয়ন কেজি চা দেশের মাটি থেকে রপ্তানি হয়েছে উন্নত বিশ্বগুলোতে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে চা আমদানির প্রয়োজন হবে না বরং রপ্তানির ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে বলে বিশ্বাস চা-সচেতন মহলের। বাঙালির চা-প্রেম, চা নিয়ে উন্মাদনা নতুন কোনো বিষয় নয়।



ঘরে ঘরে, শহুরে অলিগলির মোড়ে মোড়ে, পাড়া-গঞ্জের বাঁশের মাচায়, মহাসড়কের পাশের ছোট্ট দোকানে, রাজনীতি আর নির্বাচনী প্রচারণার উত্তপ্ত পরিবেশে, কর্পোরেট অফিসের ঠান্ডা-শীতল এয়ার কন্ডিশন্ড রুমের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক আলোচনায়; কোথায় গড়ে উঠেনি বলুন তো বাঙালির চা সংস্কৃতি? রিফ্রেশমেন্টের এক প্রধানতম অনুসঙ্গ এই চাকে পরিপূর্ণ শুদ্ধতা আর প্রাকৃতিক নির্যাসে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যেই আল হিকমাহ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের শাই টি উদ্যোগের সূচনা। নানা ছল চাতুরির আশ্রয় নিয়ে অবিকল চেনা ব্রান্ডের মোড়কে খোলা, মানহীন চা BSTI এর নকল সিলের ছাপ্পা মেরে যখন বাজারজাত হতে দেখছিলাম, তখন গুণগতমান আর সেরা চা পাতা বাজারজাত করার দুঃসাহসী উদ্যোগ নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম আমাদের যাত্রা। ফলে অল্পসময়েই আমরা পেয়েছি চাঞ্চল্যকর সাড়া, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মানুষের দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছি অতি দ্রুত। আপনাদের প্রিয় শাই টির অতি উন্নত আর ঝরঝরে প্রতিটি দানা মন কেড়েছে চা প্রেমীদের। ফলে সহজেই আমরা অর্জন করেছি মানুষের আস্থা, বিশ্বাস আর ভালোবাসা। আল হিকমাহ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে আমাদের সকল ভোক্তা, গ্রাহক, পরিবেশক, শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 





শাই টি কেন সেরা?

সেরা পণ্য আমাদের “শাই স্পেশাল টি ” এর কিছু বৈশিষ্ট্যঃ

১. BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution) অনুমোদিত। বিএসটিআই নাম্বারঃ আরপি -৯২৩/জি-০৫/২০২০

২. ক্ষতি-কারক ক্যামিকেল মুক্ত ।  একশ ভাগ প্রাকৃতিক দানা।

৩.বিক্রিত পন্য ফেরত নেয়ার নিশ্চয়তা ।  *শর্ত প্রযোজ্য*

৪. প্রতি কাপ চা নিশ্চয়তা দেয় গাঢ় লিকার, মন মাতানো ঘ্রান, এবং ন্যাচারাল স্বাদের মিশ্রণ।

৫. সিলেট, শ্রীমংগলসহ দেশের সেরা সব বাগানের সেরা চা সরবরাহ । (কর্নফুলি এবং ফিনলে বাগান এর মধ্যে অন্যতম)

৬. এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

৭. শাই টি, ল্যাবরেটরিতে গুনগত -মান যাচাই করে বাজারজাত করা হয়ে থাকে।

৮. স্পেশাল গ্রিন টি পাওয়া যায়



বিঃ দ্রঃ এই প্রডাক্ট বিক্রির একটি লভ্যাংশ সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য ব্যয় করা হয়।

শাই টি: খুচরা মূল্য

 সুখবর - সুখবর - সুখবর



শাই টি: খুচরা মূল্য



শাই ফ্যামিলি প্যাকেজ ৫০ গ্রাম প্যাকেটের বিক্রয় মূল্য ৩০ টাকা।


শাই স্পেশাল ২৫০ গ্রাম প্যাকেটের বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা।



শাই পপুলার চা

চমৎকার ফ্লেভার

লিকার, টেস্ট

ফ্রেশনেস বিশিষ্ট চায়ের ব্লেন্ড৷

পপুলার ৫০০ গ্রাম প্যাকেটের  বিক্রয় মূল্য ১০ টাকা।

পঞ্চগড়, শ্রীমঙ্গল, সিলেটসহ দেশের বিখ্যাত সব অঞ্চলের চা পাতার সমাহার রয়েছে আল হিকমাহ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের পোর্টফোলিওতে | যেগুলো আপনি পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে, একদমই সুলভ মূল্যে | তেমনিভাবে চট্টগ্রাম অকশন ও সরাসরি ওয়্যারহাউজ থেকে টাটকা এবং সেরা চা পাতা আপনার হাতে আমরা পৌঁছে দিচ্ছি নির্ভরতা আর বিশ্বস্ততার সাথে | আমাদের কাছে রয়েছে FBOP, BOP, GBOP, GOF, OF, PF, RD, DUST ও CD গ্রেডের বিভিন্ন মানের সেরা সব চা পাতা ৷ আমাদের সাথে ব্যবসায় শরিক হোন |




শাই স্পেশাল চা

চমৎকার ফ্লেভার

লিকার, টেস্ট

ফ্রেশনেস বিশিষ্ট চায়ের ব্লেন্ড৷

আল হিকমাহ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের একটি পণ্য | বাগানের সেরা পাতা ও সেরা কুড়ি থেকে প্রস্তুতকৃত বাহারি রং আর ঘ্রাণের, বাহারি স্বাদ আর আমেজের শাই স্পেশ্যাল চা বহন করে সজীবতার বার্তা, এনে দেয় উষ্ণতার ছোঁয়া, গড়ে তোলে রঙিন, মধুময় মুহুর্ত | নির্ভেজাল, অবিমিশ্রিত টাটকা চা পাতার ঝরঝরে কুড়ির নিশ্চয়তা আপনার চা পানের সেন্টিমেন্টকে এনে দেয় এক অনন্য মাত্রা | আজই আপনার দোকানে ট্রাই করুন শাই স্পেশাল চা।

শাই স্পেশাল ৫০০ গ্রাম প্যাকেটের বিক্রয় মূল্য ১৫০ টাকা।


শাই প্রিমিয়াম চা

চমৎকার ফ্লেভার

লিকার, টেস্ট

ফ্রেশনেস বিশিষ্ট চায়ের ব্লেন্ড৷


শাই প্রিমিয়াম ৫০০ গ্রাম প্যাকেটের বিক্রয়মূল্য ২০০ টাকা।




প্রয়োজনে:

৪০১, দারুন্নাজাত মাদ্রাসা  রোড, সারুলিয়া, ডেমরা-১৩৬১, ঢাকা,বাংলাদেশ। 

০১৬১০০০৭৯৭০ 

০১৫৪০০০৭১৫৪ 

শনিবার, জুন ১৭, ২০২৩

গ্রিন টি কেন খাবেন

 




চা একটি জনপ্রিয় পানীয়।বন্ধুমহলে বা ঘরোয়া আড্ডায় চায়ের জুড়ি নেই। আপনার সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে এককাপ চা। তবে চা যদি খেতেই হয় তবে গ্রিন টি খান। 

আপনি জানেন কি দুধ চা না খেয়ে কেন গ্রিন টি খাবেন?

কেন গ্রিন টি
গ্রিন টিতে রয়েছে ফ্লেভোনয়েড নামক একটি উপাদান, যা আসলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি এমন একটি শক্তিশালী উপাদান যা সব দিক থেকে শরীরকে চাঙ্গা রাখে। গ্রিন টি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া কেটেচিন নামেও একটি উপাদান থাকে এই চায়ে, যা ভিটামিন ‌’ই’ ও ‘সি’-এর থেকেও বেশি শক্তিশালী, যা শরীরে প্রবেশ করে একাধিক উপকার করে। 

আসুন জেনে নিই কেন গ্রিন টি খাবেন- 

ওজন কমায় 

গ্রিন টি ওজন কমায়। গ্রিন টি হজম প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। গ্রিন টি উপস্থিত কেটাচিন পেটের মেদ ঝরাতে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অতিরিক্ত ওজন কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি খেতে পারেন। 

কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি

সকাল ঘুম খেকে উঠে যদি গ্রিন টি পান করেন, তবে সারাদিন আপনি থাকবেন সতেজ ও প্রাণবন্ত। গ্রিন টি শরীরের স্টেমিনা তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি করে, তাই পুরো দিন ধরে শরীর চনমনে থাকে।  গ্রিন টি পান করলে আপনার কর্মক্ষমতা বাড়বে। আপনি যদি দিনের মধ্যে কয়েকবার গ্রিন টি পান করেন, তবে তা আরও বেশি উপকারে আসবে। 

রোগ-প্রতিরোধ 

শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গ্রিন টির কোনো বিকল্প নেই। যারা অ্যালার্জিতে খুব ভোগেন তারা নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে ভালো। এ ছাড়া গ্রিন টি খেলে শরীরের বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটলে অ্যালার্জির মতো রোগ ধারের কাছেও আসতে পারে না। 

ক্যান্সার

গ্রিন টিতে উপস্থিত ইজিসিজ নামক উপাদানটি ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সে কারণেই তো বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, ক্যান্সার রোগকে যদি দূরে রাখতে হয়, তা হলে গ্রিন টির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই হবে।

স্মৃতিশক্তির উন্নতি

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। সেই সঙ্গে অ্যালার্টনেসও বাড়াতেও এই পানীয়টি বিশেষ ভূমিকা নেয়। সে কারণেই তো সকাল-বিকাল এই চাটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

হার্টঅ্যাটাক 

প্রতিদিন গ্রিন টি খেলে হার্ট কিন্তু খুব ভালো থাকে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৪৬-৬৫ শতাংশ কমে যায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

নিয়মিত ২-৩ কাপ করে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করলে শরীরে রক্তের প্রবাহ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে ব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে না। তাই আপনার পরিবারে যদি এই রোগের ইতিহাস থাকে, তা হলে প্রতিদিন ডায়েটে গ্রিনটি অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন!

ডায়াবেটিসের 

সারা বিশ্বের মধ্যে আমাদের দেশ ডায়াবেটিস কয়াপিটালে পরিণত হয়েছে। তাই তো এমন পরিস্থিতিতে যদি সুস্থভাবে বাঁচতে চান, তা হলে গ্রিনটির সাহায্য নিতে ভুলবেন না যেন! 




ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল (MSPT – Final) Multinational Security and Prosperity Theory & Model

বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল MSPT – Version 01–04 (Final Universal Edition) “Shared Humanity, Shared Responsibility, Shared Fu...