Besh Besh Shabash Bangladesh Asif_v144P
👤 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: এ.এস একাডেমি 📚 শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.এস (অনার্স), অর্থনীতি — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এম.এস.এস (অর্থনীতি) — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বি.এড — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, এম.এড — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়| 🏫 পেশাগত অভিজ্ঞতা: প্রাক্তন শিক্ষক, ব্লু-বার্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাটিকাটা, ঢাকা সেনানিবাস। প্রাক্তন শিক্ষক, হলি ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। 📧 Email: ariful01711@gmail.com Mobile: +966572496324
Besh Besh Shabash Bangladesh Asif_v144P
We are all known to the word of cost cutting and human rights in the corporate world. What’s kind of cost cutting practicing has started in the corporate culture!
Branding & Advertising :
Branding & Advertising is possible 100% successfully with Minimum cost throw All kinds of vehicles of this company. Visible facts are every employees are starting the early morning to reach the office & come back to their home after office by personal, public or Local Transport services.
Where is the companies & Personal Image & status, value of employees daily life is going with uncertainty, accident & lost the most important equipment and part & parcel of human body. If you compare the advertising by companies own vehicles 24/7 every moments caring the real & truth status of this company is better than all other advertising media which has shown with screen a limited timeframe. Total brand & advertising cost will very low & long lasting and successive rate will be high.
Transportation service:
Firstly : Safety
Every company should be manage their manpower’s safety from landing workstations to safety back home or refresher for the next working days .Is it right ? Available transportations’ system close for saving expenditure of company.
Second: Friendly working environment:
For doing job economically Management have to ensure all basic needs like stationaries, consumable goods, commodities & Printing components. Now a days some companies water supplying stopped for cost cutting! How they will hope, bring or find out the best productivity from employees.
It’s totally out of imaginary incident in the whole corporate and social life. Some company’s employee drives their operational activities without drinking water as their standard!
Third: Profit Maximization & Loss Minimization:
Employees have to memorize always companies profit & losses depend on all employees activities. Need the responsive working environment for doing their regular & urgent job within KPI with 100% QC pass.
Their Basic Needs & Necessity of Digital accessories, Communicative media, Office Stationeries, Consumable Goods & Commodities, Electronic Uses Facts & elements, Crockeries, Furniture’s & Latest or ultra-modern scope & opportunities availability.
Fourth: Jobs allocations & Return top to bottom judiciously:
Some observations getting from any company any time; more active & hard worker employee has deprived to get deserved recognition, increment & promotions for Dummy Top Management (DTM) who are more powerful than Real Top Management (RTM). Somebody works continuously and somebody works not referable according to his or her positions and return.
Fifth: “The best Court is your own Justice”:
Every employee must be ensured their Working Time, Leisure, Companies Assets, Office stationery using proper and rationally. There is no scope for waste anything like a drop of water or a single page.
Everybody Should have Consciousness for companies Profit maximization’s & Loss or cost minimization surrounding your working area or sections. Al last, ALLAH knows everything about Employee & Employers’ give & takes.
Sources:
https://www.linkedin.com/pulse/cost-cutting-employees-human-ariful?trk=prof-post
https://www.canva.com/design/DAFZl7t7nlA/PG8l6enx8goyNMdS-fkSkg/edit?utm_content=DAFZl7t7nlA&utm_campaign=designshare&utm_medium=link2&utm_source=sharebutton
https://www.youtube.com/watch?v=1gM7EE_SIUI
বিপ্লবী (২১)
আরিফ শামছ্
১৮/০৭/২০১৯ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
হুংকারে তব,
কাঁপে থরথর,
পাতা-পত্তর সম,
পড়েই নিথর।
পথ হারিয়ে ফের,
পালাতে না পেরে,
পথ ভুলে সব,
পায়েই লুটে।
গর্জ নিনাদ,
ঘুচে বিবাদ,
কন্ঠে বাজে,
ত্যাজি স্বর।
নিরাশার জল,
বয় ছল ছল,
ঝর্ণার ওপারে,
স্বপ্ন সকল।
বিপ্লবী!
কন্ঠে তব,
বার বার রব,
তীক্ষ্ণ ধারালো,
তলোয়ার সম।
হবে উচ্চারণ,
গগন বিদারী,
কর্ণ ভেদিয়া,
হিংস্র ব্যাঘ্র,
আসন ছাড়িয়া,
শোনে গর্জন ।
বিপ্লবী!
মার্চের তালে তালে,
পদপিষ্ট পা'তলে,
শত শত পাপ,
নির্বাক পরিতাপ,
করে হা হুতাশ।
অত্যাচারীর পরিণতি,
নির্মম নিষ্ঠুর,
নির্জীব গতিহীন,
হতাশ চোখে,
স্বপ্নের ইতি।
চিরবিপ্লবী!
নূতন করে ফের,
স্বপ্ন বুনন,
চলে অগণন।
স্বপ্ন-সত্যি,
হেরার জ্যোতি,
পাথেয় মোতি,
সবি হবে আপন।
বিপ্লবী!
ঝড়ের গতিতে,
সময়ের আগে,
সবারে ছেড়ে,
জয়ী হবি।
চির বিপ্লবী।
পরাভব মেনে,
সবাই নেবে,
হবেই হবে
তুমিই জয়ী,
চির বিজয়ী।
বিপ্লবী (২০)
আরিফ শামছ্
১৩/০৫/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
তুমি চিরবিদ্রোহী।
অশান্ত বিশ্বে বল্গাবিহীন,
শান্তি ধরিত্রীর।
যুদ্ধ হবে,
যে যুদ্ধ সবে,
ন্যায়ের পক্ষে,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে,
আগ্রাসীদের শিক্ষা দিয়ে,
অত্যাচারীর জুলুম শেষে,
একটি বিশ্ব হবে।
যে বিশ্বে তোমার আমার,
আমার তোমার সবার,
সব অধিকার রবে।
ভেদ-বিভেদ রয়বেনাকো,
আপন পর বুঝবেনাতো,
সমান সমান হবে।
মানবেনা কেউ সীমারেখা,
স্বার্থপরের চিত্র লেখা,
এক আকাশের তলে,
এক পৃথিবী হলে।
দেশগুলো সব, মাতৃসম,
জগত মাঝে সৃষ্টি যতো,
সুখে দুঃখে, বিপদ যবে,
সবাই সবার হবে।
ভিসা পাসের ঝুট ঝামেলা,
মানবেনা কেউ হর হামেশা,
সকল দেশই আমার দেশ।
বিশ্ব ঘুরে আসবো ফিরে,
নিত্য নতুন খবর দিয়ে,
যাচ্ছে যাবে বেশ।
উচ্চ করি শির,
ঊর্ধ্ব শামশির,
ত্যাজী ঘোড়ার পিঠে।
ত্বড়িত গতিতে,
পলকে ছুটিতে,
জয়ের ঝিলিক ঠোঁটে।
বিপ্লবী!
ঘোর অমানিশি,
বাধার পাষাণ টুটি,
পাগলা অশ্ব ছুটে।
চলে হরদম,
ছুটে দমদম,
সময় প্রাচীর ধ্বসে।
অহোরাত্র দিবানিশি,
ছুটছে বিরামহীন,
বিশ্বাসে নিঃশ্বাসে।
চির বিজয়ী,
চির বিদ্রোহী,
বিপ্লবী শাহী,
বিশ্ব বিজয়ী।
মুক্তির মুক্তিকামী,
চির বিপ্লবী।
বিপ্লবী (১৯)
আরিফ শামছ্
২৫/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী।
উড়াও ঝান্ডা,
বয়বে হাওয়া,
লাগবে পালে,
লক্ষ্য তরী,
ফিরবে তীরে,
সফল অভিযানে।
শালীনতা,
স্বাধীনতা,
চলবে সাথে,
রাত-বিরাতে,
রুপ অপরুপ,
দৃষ্টি লোলুপ,
পথে ঘাটে,
আঁটবে কুলোপ।
কেউবা বলে পোষাক আশাক,
যেমনি ইচ্ছে, তেমনি পড়ি,
আমার স্বাধীনতা,
দৃষ্টি তোমার খারাপ কেনো,
তাকিয়ে থাকো বদের মতো,
চোখের অধীনতা!
খুব সেজেছি, বাইরে যাবো,
কেউ দেখে তা' পাগল হবে,
ভারী মজা হবে!
হয়তো কভু, মেলবে আঁখি,
ফেলতে পাতা, কেবা কবে,
সবি ভুলে রবে।
দেখতে চাহে, কেউবা দেখায়,
দোষ দেয়া যায় কারে!
রুপের গরব, ভাবে সরব,
রুচির বোনন নজর কাঁড়ে।
শালীনতা হারিয়ে কোথা,
অশালীনের পথে চলে,
কথা কাজে নাই শ্লীলতা,
যায়না দেখা পোশাকে,
লজ্জা বুঝি লুকিয়ে গেলো,
আজব রুচি দেখে।
ছোট বড়, পথিক, মজুর,
মধুর ভাষা, যায়না শোনা।
কেমনে চলে, কীযে বলে,
আপন পরে, ভেদ মানেনা।
আমার চলা, আমার মতো,
স্বাধীন কথা, বেজায় ভালো!
নয়তো একা তুমি ধরায়,
কত মানুষ বিদায় হলো!
চলাচলে, বাক বচনে,
পোশাক-আশাক,
রুচির জেড়ে,
ভুগবে সবে, ভুগবে নিজে,
বাড়ছে অনাচার,
দায় নিবে কে রে ?
শালীন পোশাক,
দৃষ্টি নত,
হেফাজতে শরম গাহ্,
শান্তি পাবে, শান্তি রবে,
কাছের দূরে, আপন পরে,
কাজের মাঝে শাহানশাহ্।
আবার জাগো মুক্তিকামী,
অশালীনের বিদ্রোহী,
সুন্দরের কান্ডারী,
সাজবে ধরা, নতুন সাজে,
সত্য সুন্দর কথা কাজে,
ঝঞ্ঝাবেগে বিপ্লবী।
চির সংগ্রামী।
বিপ্লবী (১৮)
আরিফ শামছ্
২৪/০৪/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
আলোর ফোঁয়াড়া,
সচেতন আঁখি,
জাগো ফিরিয়া,
হাতে হাত রাখি।
বিনিদ্র রজনী শেষে,
সোনালী ভোরের আশে,
চিরপ্রত্যয়ী,
চির সংগ্রামী!
অন্ধকারে আলোর রেখা,
দিশেহারা খুঁজছে একা।
মন্দ পথে ভালোর দেখা,
মিলবে কভু ভাবছে কেবা!
কেউবা ভুলে পথ হারিয়ে,
পথ খুঁজে যায়, পথ পেড়িয়ে।
সহজ, সরল, সফল পথে,
পথিক চলে, আপন মনে।
মানব মনে! হলো কীযে!
আলো ফেলে আঁধার খুঁজে,
ভালো মতের পথ ছেড়ে,
মন্দ পথেই ঘুরে ফিরে।
অন্ধকারে বিপদ আপদ,
ওৎ পেতে রয় হিংস্র স্বাপদ,
হেলায় ভুলে, খেলার ছলে,
জীবন যাবে, অতল তলে।
সুধা ছেড়ে, গরল পানে,
অসুর নাচে, বেসুর গানে,
মৃত্যু নেশা, জীবন ঘেষা,
সব ভুলিল, মরা বাঁচা।
চলছে জীবন, ভাসছে সবে,
ভালো খারাপ, পথ বিপথে।
কেউ শোনেনা, নিজের কানে,
অন্ধ মাতাল, কিসের টানে।
সমাজ, জাতির, জরা খরা,
মন্দ খারাপ, কালো ধরা,
যাক হারিয়ে, চিরতরে,
নামবে আলো ভুবন জুড়ে।
জাগছে সবে,
হাঁকছে রবে,
ডাকছে জোরে,
পথের পরে,
পবন বেগে,
ছুটতে হবে,
ছুটছে সবে,
চির সংগ্রামী।
চির বিপ্লবী!
বিপ্লবী (১৭)
আরিফ শামছ্
১৫/০৭/২০১৯ ঈসায়ী সাল।
বিপ্লবী!
কবি হবি?
বিপ্লবী কবি।
বুকে রবে,
অগ্নিগিরি,
জমবে লাভা,
বাড়বে আভা,
হবে উদগীরণ;
চোক্ষে রবে,
অগ্নি শিখা,
পুঁড়বে নিপীড়ন।
বজ্র ধমকে,
পিলে চমকে,
অত্যাচারী থামবে,
আসবে ফিরে,
বিশ্ব জুড়ে,
শান্তি ধরা আনবে।
নিঃশ্বাসে তোর,
আসবে ভোর,
অত্যাচারী বিফল,
শান্তি সুখে,
নিরাপদে,
রাখবে ধরাতল।
চুপি চুপি,
পড়ছো তুমি,
যাচ্ছো ডুবি,
ছাড়িয়ে সবি!
কেমন কবি,
আঁকছে ছবি,
পড়ি ভাবি,
কবি হবি!
আমার মতো,
অন্য কেহো,
দেখবে স্বপন,
হৃদয় কাঁপন,
শংকা, রীতি,
পূন্য প্রীতি,
লিখবে চিঠি,
রাখবে দিঠি।
জীবন জুড়ে,
সুখের চরে,
সবে মিলে,
হেসে খেলে,
রবো বেঁচে,
সিন্ধু সেঁচে।
মুক্তো কুড়ে,
পুষ্প করে,
আপন মনে,
মহান দানে।
ধন্য জীবন,
সফল মরণ।
আবার ভাবি,
কবি হবি?
বিপ্লবী কবি,
মুক্তিকামী,
চিরবিপ্লবী।
x
বাবুই পাখির মা
আরিফ শামছ্
১০/০৬/২০২১
অর্ধাঙ্গিনীর আপন মা তাই,
ভূলে গেলে আমায়!
স্নেহাদরের নেই তুলনা,
এখন খুঁজে পায়!
নিরাক পড়া ভর দুপুরে,
একলা বিকেলে,
কত স্মৃতি মনে পড়ে,
হর্ষ-বিষাদে।
বাবার কথা আসলে তুমি,
বলতে আমিই বাবা,
বাবা-মায়ের পুরো আদর,
পাবে সবি বাবা।
সত্যি মাগো, এত্তো আদর,
কেমন করে পাবো!
তুমি ও নাই, বাবা ও নাই,
আমরা কোথায় যাবো!
"জামাই! আসবেন কবে"?
এমন করে খোঁজে,
খবর পেলেই বলতে ফোনে,
"এসো সকাল, সাঁঝে"।
ভাদুঘর কতো যায় যে মাগো,
ডাকেনা তো কেউ,
কোথায় আছেন, আসবেন কখন,
বলেনা তো কেউ।
জানালার ঐ কোনে বসে,
অধীর আগ্রহে,
জামাই তোমার আসলো বুঝি,
খুঁজতে বারে বারে!
কোথায় পাবো খুঁজে মাগো?
কেমন আছো মা?
জামাই বলে তোমার মতো,
কেউতো ডাকেনা!
দরদভরা হৃদয়-মনে,
সহজ সরল সম্ভাষণে,
"বাবুই পাখি" সম্বোধনে ,
আর পাবোনা ঘরের কোণে।
ঈদের ছুটি, শীতের ছুটি,
গ্রীষ্মকালে ফলের ছুটি,
'আসবে কবে?কবে ছুটি'?
ডাকবেনা মা আর কী তুমি!
চলছে সবি আগের মতো,
তুমি শুধু নেই,
তোমার বাড়ি আজো আছে,
প্রাণযে তাহার নেই।
মাগো তুমি থেকো সুখে ,
জান্নাতীদের দলে।
আসবো ফিরে সবাই মিলে,
আবার সদলবলে।
মর্জিনা মঞ্জিল
নয়াটোলা, মীরবাগ, ঢাকা।
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“বিপ্লবী (১৬)” কবিতাটি যুদ্ধ, আগ্রাসন, মানবিক বিপর্যয় এবং প্রতিরোধচেতনার এক তীব্র ও অগ্নিময় কাব্যিক প্রকাশ। এখানে কবি আকাশ, বাতাস, শকুন, বোমারু বিমান, ড্রোন ইত্যাদি প্রতীকের মাধ্যমে আধুনিক যুদ্ধসভ্যতার নিষ্ঠুরতা তুলে ধরেছেন এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের আহ্বান জানিয়েছেন। কবিতাটি একই সঙ্গে প্রতিবাদ, বেদনা ও জাগরণের কণ্ঠস্বর।
কবিতার শুরুতেই শক্তিশালী প্রতীকী চিত্র—
“তোমার আকাশ,
শান্ত বাতাস,
চিল শকুনের দখলে।”
এখানে “চিল শকুন” শুধু পাখি নয়; বরং যুদ্ধবাজ, লোভী ও ধ্বংসাত্মক শক্তির প্রতীক।
“বোমারু বিমান”, “ড্রোন”, “বারুদ”— আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তির ভয়াবহতাকে কাব্যিকভাবে প্রকাশ করেছে।
কবিতার ভাষা সংক্ষিপ্ত, দ্রুতগতিসম্পন্ন ও বজ্রধ্বনির মতো তীব্র।
“অস্ত্র তুলো”, “জ্বালাও ঘাঁটি”, “মুক্ত করো আকাশ বাতাস”— এসব উচ্চারণ কবিতাকে স্লোগানধর্মী ও আবৃত্তিযোগ্য করেছে।
কবিতায় যুদ্ধের অন্ধকারের বিপরীতে মুক্তির স্বপ্ন রয়েছে।
“রাতের শেষে,
শেষ প্রহরে,
ডাকবে ভোরের পাখি,”
এই অংশে আশাবাদী পুনর্জাগরণের প্রতীক ফুটে উঠেছে।
কবিতাটি মূলত মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
কবি দেখিয়েছেন কিভাবে “মানুষ নামে অমানুষ” যুদ্ধ ও ক্ষমতার লোভে মানবতাকে ধ্বংস করছে।
“এক পলকে,
নিচ্ছে কেঁড়ে,
কত শত প্রাণ!”
এই পঙ্ক্তি আধুনিক যুদ্ধের নিষ্ঠুর ও নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞকে তুলে ধরে।
কবিতার কেন্দ্রীয় শক্তি হলো প্রতিরোধচেতনা।
কবি নিপীড়িত মানুষকে আত্মরক্ষামূলক জাগরণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এখানে বিদ্রোহ ধ্বংসের জন্য নয়; বরং স্বাধীনতা ও মানবতার পুনরুদ্ধারের জন্য।
“ড্রোন”, “বোমারু বিমান”, “কামান গোলা”— এসব উপাদান কবিতাটিকে সমকালীন বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এটি শুধু ঐতিহাসিক যুদ্ধ নয়; আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আগ্রাসনেরও কাব্যিক প্রতিবাদ।
এই কবিতার ভাবধারা বিশ্বসাহিত্যের যুদ্ধবিরোধী ও বিপ্লবী কবিতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
তবে “বিপ্লবী (১৬)” অধিকতর সরাসরি, আবেগপ্রবণ ও গণসংগ্রামমুখী।
এই কবিতা মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়—
“বিপ্লবী (১৬)” একটি যুদ্ধবিরোধী, মানবতাবাদী ও জাগরণধর্মী কবিতা, যেখানে কবি আধুনিক আগ্রাসন, ধ্বংস ও মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিপীড়িত মানুষের আত্মমর্যাদা, স্বাধীনতা ও মানবিক জাগরণের আহ্বান উচ্চারণ করেছেন। কবিতাটির মূল শক্তি নিহিত রয়েছে এর তীব্র প্রতীকী ভাষা, সংগ্রামী আবেগ এবং মুক্ত মানবতার স্বপ্নে।
**********
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“বিপ্লবী (১৫)” কবিতাটি মূলত নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক সংকট, তরুণ সমাজের বিপথগামিতা এবং আত্মিক পুনর্জাগরণের আহ্বানভিত্তিক এক প্রতীকধর্মী বিদ্রোহী কাব্য। এখানে কবি “ফুল”, “বাগান”, “সুবাস”, “পোকা”, “খরা” ইত্যাদি প্রকৃতিনির্ভর প্রতীকের মাধ্যমে সমাজ ও মানবজীবনের নৈতিক অবস্থাকে গভীরভাবে উপস্থাপন করেছেন।
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর প্রতীকী নির্মাণ।
“ফুলবাগানে মড়ক লেগেছে,
নাইরে ফুলের ঘ্রাণ,”
এই পঙ্ক্তি পুরো সমাজের নৈতিক বিপর্যয়কে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করেছে।
কবি প্রকৃতির চক্রকে মানবজীবনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
“মৃত ভূমি নব সাজে,
নতুন প্রাণে, সবুজ মাঝে,”
এখানে ধ্বংসের পর পুনর্জন্ম ও আশার দর্শন ফুটে উঠেছে।
কবিতাটি শুধুমাত্র অভিযোগ নয়; বরং জাগরণের আহ্বান।
“জাগো সবে জাগো,
চির সংগ্রামী,
মুক্তিকামী,”
এই অংশে কবির বিদ্রোহী ও প্রেরণাদায়ী কণ্ঠ স্পষ্ট।
কবিতায় আধুনিক সমাজের ভোগবাদ, নষ্ট প্রেম, তরুণদের পথভ্রষ্টতা ও পারিবারিক অবহেলার চিত্র উঠে এসেছে।
“আঁধার রাতে, ছেলে মেয়ে,
কোথায় পড়ে থাকে!”
এখানে কবি উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও সমাজসচেতন পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
কবিতাটি ধর্মীয় ও নৈতিক চেতনায় গভীরভাবে প্রভাবিত।
“আল্লাহ পূরণ করবে আশা,”
কবি মনে করেন, স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও নৈতিক জীবন ছাড়া সমাজে সত্যিকারের সুবাস ফিরে আসবে না।
কবিতার মূল লক্ষ্য ধ্বংস নয়; পুনর্গঠন।
কবি চান “ফুলে ফলে ভরা জমি”— অর্থাৎ সুস্থ, সুন্দর ও নৈতিক সমাজব্যবস্থা।
এই কবিতাটি বিশ্বসাহিত্যের নৈতিক ও প্রতীকধর্মী কবিতার ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
তবে এই কবিতা বেশি সরাসরি সামাজিক ভাষ্যধর্মী এবং গণসচেতনতামূলক।
তবে এই সরলতাই কবিতাটিকে জনমুখী ও সহজবোধ্য করেছে।
এই কবিতা মানুষকে শেখায়—
“বিপ্লবী (১৫)” একটি প্রতীকধর্মী সামাজিক ও নৈতিক জাগরণের কবিতা। এখানে কবি ফুল ও বাগানের রূপকের মাধ্যমে সমাজের অবক্ষয়, তরুণদের বিপথগামিতা এবং মানবিক সংকটকে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে তিনি আশা, আত্মশুদ্ধি ও স্রষ্টামুখী নৈতিক জীবনের আহ্বান জানিয়েছেন। কবিতাটির মূল শক্তি নিহিত রয়েছে এর প্রতীকী ভাষা, সামাজিক সচেতনতা ও পুনর্জাগরণের আশাবাদী চেতনায়।
******************************
কবি: আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
“বিপ্লবী (১৪)” কবিতাটি এক জাগরণধর্মী, উদ্দীপনামূলক ও সংগ্রামী কাব্য, যেখানে কবি বিদ্রোহ, স্বাধীনচেতা মানবতা, যুবশক্তি ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে বজ্রনাদের মতো উচ্চারণ করেছেন। এটি কেবল রাজনৈতিক বিপ্লবের আহ্বান নয়; বরং অন্ধকার, স্থবিরতা ও দিশাহীনতার বিরুদ্ধে এক মানসিক ও আত্মিক জাগরণের কবিতা।
কবিতার শুরুতেই তীব্র স্লোগানধর্মী উচ্চারণ—
“উড়াও নিশান,
বাজাও ভীষণ,
বজ্রযানে বজ্রনাদ,
বিপ্লবীরা জিন্দাবাদ।”
এই ছন্দ, অনুপ্রাস ও ধ্বনির গতি কবিতাকে অত্যন্ত আবৃত্তিযোগ্য ও উদ্দীপনাময় করেছে। “বজ্র”, “ঝঞ্ঝা”, “ঝড়ো হাওয়া”, “দূর্বার”— এসব শব্দ কবিতায় শক্তি ও গতি এনেছে।
কবি ঝড়, মেঘ, আকাশ, তারার আলো, পাহাড়, ঊর্মি— এসব প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে বিপ্লবকে মহাজাগতিক শক্তির রূপ দিয়েছেন।
এই কবিতায় বাংলা বিদ্রোহী সাহিত্যের শক্তিশালী ঐতিহ্য প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষত Kazi Nazrul Islam-এর বিদ্রোহী চেতনার অনুরণন অনুভূত হয়।
কবিতার ভাষা সরাসরি, অগ্নিময় ও গণজাগরণমূলক। এখানে কবি জনগণকে জাগিয়ে তুলতে চান।
কবিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তরুণদের উদ্দেশে আহ্বান—
“কিশোর কিশোরী,
যুবক যুবতী।”
এখানে যুবসমাজকে জাতির ভবিষ্যৎ, পরিবর্তনের চালিকাশক্তি ও আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হয়েছে।
কবিতায় অন্ধকার থাকলেও হতাশা নেই। বরং আলো, বিজয় ও মানবতার প্রত্যাবর্তনের বিশ্বাস প্রবল।
“জাগবে মানবতা,
নামবে সফলতা।”
এই আশাবাদ কবিতাটিকে ধ্বংসের নয়, পুনর্জাগরণের কাব্যে পরিণত করেছে।
বিশ্বসাহিত্যের বিপ্লবী ও জাগরণধর্মী কবিতার সঙ্গে এই কবিতার ভাবগত মিল রয়েছে। যেমন—
তবে “বিপ্লবী (১৪)” বেশি স্লোগানধর্মী, আবেগপ্রবণ ও জনমুখী, যা একে মঞ্চকাব্য ও গণআবৃত্তির জন্য উপযোগী করে তুলেছে।
তবে এই তীব্রতাই কবিতাটিকে জাগরণমূলক শক্তি দিয়েছে।
এই কবিতা মানুষকে শেখায়—
“বিপ্লবী (১৪)” একটি জাগরণধর্মী বিদ্রোহী কবিতা, যেখানে কবি সমাজের দিশাহীনতা, স্থবিরতা ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলতে চেয়েছেন। কবিতাটি সংগ্রাম, আত্মবিশ্বাস, মানবতা ও বিজয়ের স্বপ্নে উজ্জীবিত। এর মূল শক্তি নিহিত রয়েছে বজ্রনাদের মতো উচ্চারণ, প্রতীকী আলোকচিত্র ও আশাবাদী বিপ্লবী চেতনার মধ্যে।
*********************উপস্থাপিত MSPT (Multinational Security and Prosperity Theory & Model) একটি উচ্চাভিলাষী, মানবিক ও বহুমাত্রিক বৈশ্বিক সহযোগিতা কাঠামো হি...