বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০১৯

৩০। জানলেনা

জানলেনা
--- আরিফ শামছ্ 

হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?
হাজারোবার যে দ্বারে, টোকেছে বাসনার ইঙ্গিত!
সে দ্বার খোলেনি, গেয়ে গেল শব্দহীন সংগীত।

অব্যবহিত পূর্বে কিংবা পরে, কেঁউ ডাকল কি?
সুমধুর স্বরভঙ্গিতে সব সম্বোধণে!ওগো সম্রাজ্ঞী!
তিলোত্তমা উপহার, সব শূভ্র ফুলের মালা,
সম্রাটের শাহী অশ্বের খুঁড়ের ছন্দে পড়লো বাঁধা!

নাই রাজ অশ্ব, নেই শাহী ফরমান,
প্রতিটি রক্তকণিকা বলে, তুমি নীল আসমান,
কখনো সুনীল রঙে, স্বপ্নিল সাজ নাও,
কভু তারকার স্নীগ্ধ আলোর আঁচল দাও।

দিবানিশি পাষাণের মতো, নীরব যে থাকনা,
আমার সুখের তরে, তোমার সকল বন্দনা।
তোমার রূপের মহাসমুদ্রে, আমি যে বিভোর,
মহাইন্দ্রজালের প্রেমময় ভূষণে, দেখি প্রতিটি ভোর।

রাত ১ টা ৪৫ মিনিট,
২০/০২/২০০৩ ঈসায়ী সাল।

            *******

কবিতা: জানলেনা
বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারমর্ম

এই কবিতাটি নীরব প্রেম, অপ্রকাশিত অনুভূতি, একতরফা আকাঙ্ক্ষা এবং সৌন্দর্যের বিমূর্ত পূজার এক গভীর রোমান্টিক কাব্য। এখানে কবি আরিফ শামছ্ প্রেমকে সরাসরি প্রকাশ করেননি; বরং প্রতীক, ইঙ্গিত এবং নীরব আরাধনার মাধ্যমে এক অনন্ত অভ্যন্তরীণ যন্ত্রণার রূপ দিয়েছেন। “জানলেনা” শিরোনামটিই কবিতার মর্ম—যাকে ভালোবাসা হয়েছে, সে জানলো না।

বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও আত্ম-অন্বেষণ
“হাজার বছর ধরে, যে পাটাতনে দাঁড়িয়ে,
জানলেনা আজো, জানলেনা সে কে?”
কবিতার সূচনায় সময়কে অতিরঞ্জিত করে “হাজার বছর” বলা হয়েছে—এটি প্রেমের দীর্ঘ অপেক্ষা ও আত্মপরিচয়ের সংকটকে প্রকাশ করে। প্রেমিক যেন নিজের অস্তিত্বও হারিয়ে ফেলেছে সেই অজানা প্রতীক্ষায়।
এই ভাবনা Rabindranath Tagore-এর নীরব প্রেম ও অন্তর্জাগতিক আকাঙ্ক্ষার কবিতাকে স্মরণ করায়।

২. অপ্রকাশিত ভালোবাসার দরজা
“হাজারোবার যে দ্বারে, টোকেছে বাসনার ইঙ্গিত!
সে দ্বার খোলেনি...”
এখানে “দ্বার” কেবল বাস্তব দরজা নয়—হৃদয়ের দরজা। প্রেমিক বহুবার অনুভূতির ইঙ্গিত দিয়েছে, কিন্তু সেই দরজা কখনো খোলেনি। এই অপ্রাপ্তিই কবিতার প্রধান সুর।

৩. শব্দহীন সংগীত
“গেয়ে গেল শব্দহীন সংগীত।”
এটি অত্যন্ত শক্তিশালী কাব্যিক চিত্র। প্রেমের এমন অনুভূতি, যা ভাষায় প্রকাশ পায় না—কিন্তু গভীরভাবে বেজে চলে। নীরবতারও এক সুর আছে—এই ধারণা কবিতাকে দার্শনিক উচ্চতায় নিয়ে যায়।
Jalaluddin Rumi-র প্রেমকাব্যে এমন নীরব ভাষার গভীর উপস্থিতি দেখা যায়।

৪. প্রেয়সীর রাজকীয় রূপ
“ওগো সম্রাজ্ঞী!
তিলোত্তমা উপহার...”
এখানে প্রেয়সীকে সম্রাজ্ঞী, তিলোত্তমা, আকাশের নীল রঙ—এসব প্রতীকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। প্রেমিকা শুধু একজন মানুষ নন; তিনি এক নান্দনিক মহাবিশ্বের কেন্দ্র।

৫. বাস্তব বনাম কল্পনার সাম্রাজ্য
“নাই রাজ অশ্ব, নেই শাহী ফরমান,”
বাস্তবে কোনো রাজকীয় আয়োজন নেই, কিন্তু হৃদয়ে প্রেমিক এক সম্রাট। প্রেমের জগতে কল্পনাই বাস্তবের চেয়ে বড়। এই রোমান্টিক কল্পলোক কবিতাটিকে এক ধ্রুপদী প্রেমগাথায় রূপ দেয়।

৬. নীল আসমান ও তারকার আঁচল
“তুমি নীল আসমান...
কভু তারকার স্নিগ্ধ আলোর আঁচল দাও।”
এখানে প্রেমিক প্রেয়সীকে প্রকৃতির মহত্তম প্রতীকে রূপ দিয়েছেন—আকাশ, তারা, আলো। এটি শুধু সৌন্দর্যের বর্ণনা নয়; বরং প্রেমিকের আধ্যাত্মিক আরাধনা।

৭. প্রেমে আত্মবিসর্জন
“তোমার রূপের মহাসমুদ্রে, আমি যে বিভোর,”
শেষে প্রেমিক সম্পূর্ণভাবে নিমগ্ন। প্রেম এখানে আর সম্পর্ক নয়—এটি আত্মবিসর্জন, এক ধরণের নীরব ইবাদত।

সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতার প্রধান শক্তি হলো—
নীরব ও অপ্রকাশিত প্রেমের গভীর প্রকাশ
প্রতীক ও রূপকের অসাধারণ ব্যবহার
প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কের আধ্যাত্মিক উচ্চতা
রোমান্টিক ও ধ্রুপদী ভাষার মিশ্রণ
কল্পনা ও বাস্তবের সুরেলা সংঘর্ষ
এটি নিছক প্রেমের কবিতা নয়; বরং এক নীরব আরাধনার মহাকাব্যিক ক্ষুদ্ররূপ।

সারমর্ম
“জানলেনা” কবিতায় কবি এমন এক প্রেমের কথা বলেছেন, যা ছিল গভীর, দীর্ঘস্থায়ী এবং সম্পূর্ণ নীরব। প্রেমিক বহুবার ভালোবাসার ইঙ্গিত দিলেও প্রেয়সী তা জানলো না, বুঝলো না।
তবু প্রেম থেমে যায়নি—তা রূপ নিয়েছে নীরব সংগীতে, কল্পনার রাজ্যে এবং অন্তহীন আরাধনায়।

এক বাক্যে সারাংশ:
এই কবিতা শেখায়—সবচেয়ে গভীর প্রেম অনেক সময় উচ্চারিত হয় না; তা নীরবতাতেই সবচেয়ে প্রবলভাবে বেঁচে থাকে।
@chatgptai2025 

            ********


২৬। আহলান ও সাহলান মাহে রমজান"

মাহে রমজান পরিপূর্ণ নিয়ামতে আল্লাহ্‌র ,
তারাবীহ,তাহাজ্জুদ, পূণ্য মনে সেহরি- ইফতার,।
মসজিদে মসজিদে সুমধুর তিলাওয়াত;
রুকু-সিজদায়,নামাজে-দোয়ায় বান্দারা আল্লাহ্‌র।

যায় বয়ে পবিত্র সময়, বহে শান্তি সমীরণ,
শান্তির হাওয়া বয়, দেহ-মন কথা কয়;
ভোর হতে সন্ধ্যায়;আর যখন রাত্রি,
মিলেনাতো এমন সুখ! খুঁজে ফের যদি।

রমজান নিয়ে আসে জান্নাতি হাওয়া,
মনে-প্রাণে শান্তি,সবি কাছে পাওয়া।
যায় বুঝে সহজে এই মাস আল্লাহ্‌র,
চাও বেশি জীবনে যতো যা' চাহিবার।

তাসবীহ-তাহলীল, রাসূলের দরুদে;
যায় বেলা এমনি সুখ আর শান্তিতে।
চলো যায় জামাতে,নামাজিদের কাতারে,
চাওয়া-পাওয়া সবি বলি সুমহান দরবারে।

আরিফ শামছ
০৬.০৬.২০১৬
১৯.২৬
আশা টাওয়ার, শ্যামলী, ঢাকা।

**********************
কবিতা: আহলান ও সাহলান মাহে রমজান
বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারমর্ম

এই কবিতাটি মাহে রমজানের আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য, ইবাদতের প্রশান্তি, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর সান্নিধ্যের এক গভীর ধর্মীয় গীতিকাব্য। এখানে কবি আরিফ শামছ্ রমজানকে শুধু একটি মাস হিসেবে দেখেননি; বরং এটি বান্দার আত্মার পুনর্জন্ম, রহমত, মাগফিরাত এবং জান্নাতের সুবাসময় সময় হিসেবে তুলে ধরেছেন। “আহলান ও সাহলান”—এই স্বাগতবাক্যই কবিতার আবেগকে পবিত্র উচ্ছ্বাসে ভরিয়ে তোলে।

বিশ্ব সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. রমজান: নিয়ামতের পূর্ণতা
“মাহে রমজান পরিপূর্ণ নিয়ামতে আল্লাহ্‌র,”
কবিতার শুরুতেই রমজানকে আল্লাহর পরিপূর্ণ নিয়ামত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি শুধু রোজার মাস নয়—বরং আত্মশুদ্ধি, রহমত, মাগফিরাত এবং নৈকট্যের সময়। ইসলামী সাহিত্যে রমজান সবসময়ই বিশেষ আধ্যাত্মিক উচ্চতার প্রতীক।

২. ইবাদতের বহুমাত্রিকতা
“তারাবীহ, তাহাজ্জুদ, পূণ্য মনে সেহরি-ইফতার।”
এখানে রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত—সেহরি, ইফতার, তারাবীহ, তাহাজ্জুদ—একটি পূর্ণাঙ্গ ইবাদতজীবনের অংশ হিসেবে এসেছে। কবি দেখিয়েছেন, রমজানে দৈনন্দিন কাজও ইবাদতের রূপ নেয়।
এই ভাবনা Imam Al-Ghazali-এর আত্মশুদ্ধি ও আমলের দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৩. মসজিদের সুমধুর পরিবেশ
“মসজিদে মসজিদে সুমধুর তিলাওয়াত;
রুকু-সিজদায়, নামাজে-দোয়ায় বান্দারা আল্লাহ্‌র।”
এখানে মসজিদ শুধু স্থান নয়—এটি এক আত্মিক আশ্রয়। তিলাওয়াতের ধ্বনি, রুকু-সিজদার বিনয়—সব মিলিয়ে এক স্বর্গীয় পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই দৃশ্য পাঠককে সরাসরি রমজানের আবহে নিয়ে যায়।

৪. সময়ের পবিত্র প্রবাহ
“যায় বয়ে পবিত্র সময়, বহে শান্তি সমীরণ,”
এখানে সময়কেও জীবন্ত সত্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে। রমজানে সময় যেন অন্যরকম—শান্ত, পবিত্র, প্রশান্তিময়। এটি poetic personification-এর সুন্দর উদাহরণ।

৫. জান্নাতি হাওয়া
“রমজান নিয়ে আসে জান্নাতি হাওয়া,”
এই চিত্রকল্প অত্যন্ত আবেগময়। রমজানকে জান্নাতের বাতাসের সঙ্গে তুলনা করে কবি তার আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্যকে অনুভবযোগ্য করে তুলেছেন। এটি শুধু ধর্মীয় বক্তব্য নয়—একটি কাব্যিক অভিজ্ঞতা।
Jalaluddin Rumi-র আধ্যাত্মিক কবিতায়ও এমন অনুভবের ভাষা দেখা যায়।

৬. সমষ্টিগত ইবাদতের আহ্বান
“চলো যায় জামাতে, নামাজিদের কাতারে,”
শেষে কবিতা ব্যক্তিগত অনুভব থেকে সামষ্টিক ইবাদতে উত্তীর্ণ হয়। জামাত, কাতার, একসাথে দোয়া—এসব ইসলামের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক।

সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতার প্রধান শক্তি হলো—
রমজানের আধ্যাত্মিক আবহের জীবন্ত চিত্র
ধর্মীয় অনুভূতির কোমল ও সুরেলা প্রকাশ
ইবাদতকে সৌন্দর্যের ভাষায় উপস্থাপন
শান্তি, রহমত ও জান্নাতি আশার বার্তা
সহজ, হৃদয়গ্রাহী ও প্রেরণামূলক ভাষা
এটি শুধু ধর্মীয় কবিতা নয়; বরং রমজানের আত্মিক সৌন্দর্যের কাব্যিক দর্পণ।

সারমর্ম
“আহলান ও সাহলান মাহে রমজান” কবিতায় কবি রমজান মাসকে আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত হিসেবে দেখিয়েছেন। সেহরি, ইফতার, তারাবীহ, তাহাজ্জুদ, তিলাওয়াত, জামাত—সব মিলিয়ে এটি আত্মশুদ্ধি ও শান্তির মাস।
তিনি মনে করিয়ে দেন—রমজান শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণার পরীক্ষা নয়; এটি হৃদয়কে জান্নাতের পথে প্রস্তুত করার সময়।

এক বাক্যে সারাংশ:
এই কবিতা শেখায়—রমজান হলো আল্লাহর নৈকট্য, আত্মশুদ্ধি এবং জান্নাতি প্রশান্তি লাভের সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ।
                 *******


১১। অনাগত সন্তানের আহ্বান

মাগো তুমি দোল খেয়ে যাও
তব মায়ের কোলে,
দিনে দিনে ঘনিয়ে আসে
আমি আসব যবে।
রুহের ধরার অধিবাসী আজ,
অনাগত সন্তান,
বলিতে কিছু বড় সাধ জাগে,
শোন দিয়ে মন-প্রাণ।
কিশোরী হবে চপলা চঞ্চলা,
কলরব ধ্বনিতে,
ঘরে বাহিরে তোমার বিচরণ,
দেখবে খুশিতে।
পাবে যৌবণ, ভাবের সাগরে,
করবে অবগাহন,
একটু খানি ভুলের মাশুলে,
স্তব্ধ হবে কি সব!!!
মাগো তুমি থেকো সদা,
খোদার দেয়া পথে;
বড় পীরের মায়ের মতো,
পায়গো তোমাকে।
স্বভাব, চরিত সকল কিছু,
পায়গো যেন তোমার,
দ্বীন-দুনিয়ার গর্ব হবে,
মায়ের অহংকার।
কালের স্রোতে ভাসবে নাক,
সব কি হারাবে!!!
খোদার দেয়া জীবন বিধান;
নাওগো মনে প্রাণে।
তোমার হয়ে ফেরেশ্তারা
লড়বে দেখো মা,
খবিশ আর ইবলিস যতো,
সুযোগ পাবেনা।
বাবা আমার ধৈর্য্য ধরো,
হবেনাক পথহারা,
মাথার মুকুট, চোখের তারা,
তুমি পথের দিশা।
শিক্ষা-দীক্ষা, হাতে কলমে,
মহান যতো কর্মভার,
সব তোমারি কাছে নিব,
গর্ব হবো তোমার।
ইচ্ছে তোমার স্বাধীন মাগো,
ইচ্ছে করো মহৎ,
তোমার সন্তান আসলে মাগো!
পূরণ হবে স্বপন।
বাবা মায়ের সোনার মানিক,
নয়নের শান্তি,
চায়গো দোয়া দ্বীন-দুনিয়ায়,
হতে যেন পারি।
০৫/০৬/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।

বুধবার, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

০৮। ভালবেসে কাছে যেতে

ভালবেসে আল্লাহ পাঠাল দুনিয়ায়,
ভালবেসে আরো কাছে যেতে,
দীদার লাভে ধন্য জীবন; লভিতে দু'জাহানে।
যুগে যুগে নবী রাসূল পাঠালেন সকল বান্দার লাগি,
কত ভালবাসার প্রিয় বান্দারা! এই পথ হারাল বুঝি!!!
ভূল করে করে জানা-অজানা, দুঃখের পথে হেঁটে চলে!
বন্ধুর কোথা, বিপদসংকুল পথ কেউকি
জেনেছে আগে,
তবু পথ চলে, মোহগ্রস্থের ন্যায় সসীম-অসীম পথে।
দরদমাখা দৃষ্টি যে থাকে, প্রিয় বান্দার 'পরে।
দেহ মন আর সমাজ পরিবার, নিয়ে সব একসাথে,
কেমন করিয়া স্বর্গ সুখের শান্তি সমেত
বাঁচিয়া রবে।
নিয়ম নীতি, স্বাধীন পরাধীন, রাজা প্রজা সব আছে,
রাজার রাজা মহারাজা সব দেখেন
তাহা কাছ থেকে।
কে ন্যায় আর অন্যায় করিল দিয়ে দেখে সব বল,
ধৈর্য্য কাহারা ধরিল, কঠিন বিপদ- আপদে শত।
কেবা হাজিরা দিল নিয়মিত খোদার ঘর মসজিদে,
হালাল খেয়ে কজনইবা চলছে, সদা হালাল পথে।
এলেম নিয়ে হেলেমের জোড়ে কারা করে পুকুরচুরি,
লেবাস ধরে কারা করে, স্রষ্টার সাথে জুয়াচুরি।
এমন কিছু বলনাযে, করতে যাহা পারনাযে,
বড়ই ঘৃণার কাছে আল্লাহর,মিল না থাকে কথা কাজে।
পরোপকারী স্বার্থহীন যেন, সদা থাকি মানবের পাশে,
দয়ালু মনে সদাচার সহ হৃষ্টচিত্তে সবার আশে।
খালি হাতে কেউ ফিরেনা কভু তোমার বান্দা হতে,
শক্তি দাও, সাহস যোগাও, হায়াত শেষের আগে।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
বাড়ী# ১২৩৪, ওয়ার্ড# ১২,
ভাদুঘর, সদর, বি.বাড়ীয়া-৩৪০০।

০৩। মাহে রমজান

মহান প্রভুর সেরা দান,
এলোরে ঐ মাহে রমজান।
আসছে ধেয়ে জান্নাত হতে,
শান্তি অশেষ ধরাতলে।

মনের বাগান চাষ করিব,
হরেক রকম বীজ বুনিব।
সুফল ফসল সব তুলিব,
কেয়ামতে সফল হব।

রহমতের দশটি দিনে,
ঈমান-আমল ঝালাই করে,
মাগফিরাতের দিনগুলোরে,
পূণ্য-নেকে পূর্ণ করে।

বিদায় বেলার শেষের দশে,
জাহান্নামের আজাব হতে,
মুক্তি চাইবো সবাই মিলে,
জান্নাতি হবো বলে।

০২। সাড়া পড়েছে,  সবাই জেনেছে


সেবার নামে পকেট কাটা,
রুগী নিয়ে রং তামাশা,
হয়রানি আর মন্দ দশা,
সবি যেন পিছু ছাড়েনা।
ভাল করে জানুন আগে,
ডাক্তার ভাল কোন হাসপাতালে,
কারা দিবে যত্ন সেবা,
কম খরচে ঔষধ কেনা।
সাড়া পড়েছে,  সবাই জেনেছে,
ফ্যামিলি ল্যাব হাসপাতালে,
সেবা চিকিৎসা, কম খরচে,
দক্ষ ডাক্তার হাতের কাছে।
বিশ্বাস কর, সেবা দেখে,
ভূল করোনা, হেলায় পড়ে।
একটুখানি ভূল ঘটিলে,
প্রাণটি যাবে শেষে।
১৩.০৪.২০১৭
বৃহঃস্পতিবার।

মঙ্গলবার, অক্টোবর ০৮, ২০১৯

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
 [১৩/০৪/২০১৭ - ০৬/০৫/২০২০]

০১। ১৪২৩ বলছি
০২। এলরে মাহে রমজান! 
০৩। আজিকে এই খুশির রাতে
০৪।  চিকনগুনিয়া
০৫। জীবন যেখানে যেমন
০৬। ক'ফোঁটা রক্ত
০৭। ভালবেসে কাছে যেতে
০৮। পাথর দিয়ে যুদ্ধ 
০৯। আন্তরিক শুভেচ্ছা
১০। অনাগত সন্তানের আহ্বান
১১। সালাম জওয়াব
১২। দাওয়াত
১৩।ভাল বাসার হিসাব-নিকাশ
১৪। উন্মুক্ত মাদ্রাসা
১৫। Think
১৬। মসজিদে তালা
১৭।  সব হারানো শেষে
১৮। কথা কাজে পরিচয়
১৯। জীবন ও সম্মান
২০। ভাল থেকো খাদিজা
২১। বাসন্তী ভাবনা 
২২। নতুন করে গড়ি
২৩। ভালবাসা
২৪। বিজয়ী কাব্য-গাঁথা 
২৫। সোনার জীবন গড়ি
২৬।  "আহলান সাহলান মাহে রমজান"
২৭। ফেরেশতাদের বাগানে
২৮। জাগাও তুমি, জেগে ওঠো !
২৯। !জাগবে কবে, বীরের জাতি!
৩০। জানলেনা
৩১।  সান্ত্বনা
৩২।  হৃদয় কন্দরে
৩৩। সফেন পদ্ম
৩৪। সাগর পাড়ে
৩৫। সিগন্যালের গ্যাঁড়াকলে 
৩৬। ভাই হারিয়ে
৩৭। সম্পর্ক
৩৮। ধূসর প্রেম
৩৯। শিশির মেলা
৪০। ভালবাসার সাগরে
৪১। বানের জলে মানবতা
৪২। আজিকার ছেলে মেয়ে
৪৩। তোমরা জাতির অঙ্গ
৪৪। কুরবানির প্রাণখানি
৪৫। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ (সাঃ)
৪৬। তোরা থামবি কিনা বল!
৪৭। পাষাণের বুক ফাঁড়ি
৪৮। আগুন জ্বালা অন্তরে!
৪৯। জাগো আবার জাগো!
৫০। ১৯৪৭ সালের পূর্ব হতে,
৫১। বিদ্রোহী তুমি, বিপ্লবী!
৫২। ক্ষান্ত কেন? পান্থ!
৫৩। কে তুমি? 
৫৪।  বিপ্লবী (১- -- --)
৫৫। টেঁকসই মানবতা
৫৬। শান্তিদূত-যমদূত
৫৭। ভাঙ্গা গড়া
৫৮। খোকন সোনা
৫৯। কারবালার শিক্ষা
৬০। কলম
৬১। কবিতা তোমার
৬২। জাগো রে জাগো!
৬৩। মনের খিঁড়কি
৬৪। পরিশোধ
৬৫। প্রতিশোধ
৬৬। ফুল
৬৭। সমাজ সাজায়
৬৮। ছন্দ নাবিক 
৬৯। শ্বাশ্বত আহ্বান
 ৭০। কবিতা চোর
৭১। অব্যক্ত নিঃশ্বাস
৭২। বিশ্বাসের হারজিত
৭৩। আবে হায়াত
৭৪। বাঙ্গালীর স্বাধীনতা
৭৫। অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে শিক্ষক
৭৬। প্রেমের ফাঁদে
৭৭। শনিবারের হুজুর
৭৮। চন্দ্রাবতী
৭৯। রঙমহল 
৮০। বাসন্তী 
৮১। সত্য সন্ধানী
৮২।   বাবা!
৮৩। জীবন তরী
৮৪। বাবা!
৮৫। বিজয়ের উল্লাসে
৮৬। আমার বাবা
৮৭। আসলো পতন, খবরদার!
৮৮।  প্রাণের চেয়ে প্রিয় ক্বুদস
৮৯। পরোয়ানা
৯০। অনুশোচনা
৯১। জীবন সাথী
৯২। বর না সেজে বিয়ে
৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি 
৯৪। লজ্জাবতী
৯৫। আরিফীনের জন্মদিনে
৯৬। স্বাগতম ২০১৮ ঈসায়ী সাল
৯৭। অবিরত
৯৮। জীবন বন্দনা
৯৯। জীবনের ডাকঘর 
১০০। চিরচেনা 
১০১। তুমি আসবে বলে
১০২। শান্তির আকাশ
১০৩। সাধনার মানবী
১০৪। ভালবাসার ফসল
১০৫।হতাশাদের ছুটি
১০৬। জীবনের পথে
১০৭। মরহুম আলী আহমদ ভূঁইয়া চাচার ২য় ছেলে, 
          আমাদের সবার প্রিয় ছোট ভাই, 
         মোঃ আল আমীন ভূঁইয়ার অকাল মৃত্যুতে শোকগাঁথাঃ
১০৮। কালো বোরখা 
১০৯। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
              প্রিয় বাংলাভাষা।
১১০। ফাগুনের গান
১১১। প্রেমের ভালবাসা
১১২। একুশে ফেব্রুয়ারি
১১৩। বই মেলা
114. Real Terrorists
১১৫। সিরিয়া থেকে বলছি
১১৬। ফিলিস্তিন থেকে বলছি
১১৭। এই পৃথিবীর আর্তনাদ!
১১৮। বিপ্লবী (২)
১১৯। বিপ্লবী (৩)
১২০। বিপ্লবী (৪)
১২১। বিপ্লবী (৫)
১২২। বিপ্লবী (৬)
১২৩। বিপ্লবী (৭)
১২৪। বিপ্লবী (৮)
১২৫। বিপ্লবী  (৯)
১২৬। বিপ্লবী  (১০)
১২৭। বিপ্লবী  (১১)
১২৮। বিপ্লবী  (১২)
১২৯। বিপ্লবী  (১৩)
১৩০। বিপ্লবী  (১৪)
১৩১। বিপ্লবী  (১৫)
১৩২। বিপ্লবী  (১৬)
১৩৩। বিপ্লবী  (১৭)
১৩৪। রাসূলের (সাঃ) সমীপে 
১৩৫। বিপ্লবী  (১৮)
১৩৬। বিপ্লবী  (১৯)
১৩৭। বিপ্লবী  (২০)
১৩৮।    "মা"
১৩৯। বুঝবে সেদিন 
১৪০। স্বাগতম মাহে রমজান
১৪১। নারী
১৪২। স্মৃতিরা অমলিন
১৪৩। একই পথে চলি
১৪৪। নিরলস মিনতি
১৪৫।  তারাবীহ
১৪৬। সেহেরী
১৪৭। খুশির ঈদ
১৪৮। ইয়াওমুল যাজা
১৪৯। আদর্শ বাবা
১৫০। ফিরতেই হবে
১৫১। স্রষ্টার অবদান
১৫২। বাওনবাইরার ফুলা আমি
১৫৩। প্রতিনিধি আল্লাহর
১৫৪। নগদে নগদ এলো
১৫৫। সবুজে শান্তি
১৫৬। বিশ্বাসের বিশ্বায়ন
১৫৭। বিশ্বাসের মেরামত
১৫৮। প্রিয় রাসূল (সাঃ)
১৫৯। দাও সবারে
১৬০। তুমি কী জানো!
১৬১। সুখের দিঠি
১৬২। ভালোলাগা - ভালোবাসা
১৬৩। শ্রমিক
১৬৪। পার্থক্য
১৬৫। তারপর...
১৬৬। হাসাহাসি
১৬৭। মজলুমের আশ্বাস! 
১৬৮। বাইয়াত হতে চলি
১৬৯। দু'হাত তুলে
১৭০। স্বপ্নের আর্তনাদ
১৭১।   ইফতার
১৭২। তাঁদের তরে
১৭৩। বিপ্লবী  (২১)
১৭৪। বিপ্লবী  (২২)
১৭৫। বিপ্লবী  (২৩)
১৭৬। বিপ্লবী  (২৪)
১৭৭। মানবতার ধ্বজা
১৭৮। সত্য-ন্যায়ের ঝান্ডাধারী
১৭৯। সঠিক পথে
১৮০। ঈদের খুশি 
১৮১। করোনা
১৮২। কাঁদে শাহ্- এ -মদীনা
১৮৩।হেরার জ্যোতি

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

১০৫।হতাশাদের ছুটি
১০৬। জীবনের পথে
১০৭। মরহুম আলী আহমদ ভূঁইয়া চাচার ২য় ছেলে, আমাদের সবার প্রিয় ছোট ভাই, মোঃ আল আমীন ভূঁইয়ার অকাল মৃত্যুতে শোকগাঁথাঃ
১০৮। কালো বোরখা
১০৯। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
              প্রিয় বাংলাভাষা।
১১০। ফাগুনের গান
১১১। প্রেমের ভালবাসা
১১২। একুশে ফেব্রুয়ারি
১১৩। বই মেলা
114. Real Terrorists
১১৫। সিরিয়া থেকে বলছি
১১৬। ফিলিস্তিন থেকে বলছি
১১৭। এই পৃথিবীর আর্তনাদ!
১১৮। বিপ্লবী (২)
১১৯। বিপ্লবী (৩)
১২০। বিপ্লবী (৪)
১২১। বিপ্লবী (৫)
১২২। বিপ্লবী (৬)
১২৩। বিপ্লবী (৭)
১২৪। বিপ্লবী (৮)
১২৫। বিপ্লবী  (৯)
১২৬। বিপ্লবী  (১০)
১২৭। বিপ্লবী  (১১)
১২৮। বিপ্লবী  (১২)
১২৯। বিপ্লবী  (১৩)
১৩০। বিপ্লবী  (১৪)
১৩১। বিপ্লবী  (১৫)
১৩২। বিপ্লবী  (১৬)
১৩৩। বিপ্লবী  (১৭)
১৩৪। রাসূলের (সাঃ) সমীপে
১৩৫। বিপ্লবী  (১৮)
১৩৬। বিপ্লবী  (১৯)
১৩৭। বিপ্লবী  (২০)
১৩৮।    "মা"
১৩৯। বুঝবে সেদিন
১৪০। স্বাগতম মাহে রমজান
১৪১। নারী
১৪২। স্মৃতিরা অমলিন
১৪৩। একই পথে চলি
১৪৪। নিরলস মিনতি
১৪৫।  তারাবীহ
১৪৬। সেহেরী
১৪৭। খুশির ঈদ
১৪৮। ইয়াওমুল যাজা
১৪৯। আদর্শ বাবা
১৫০। ফিরতেই হবে
১৫১। স্রষ্টার অবদান
১৫২। বাওনবাইরার ফুলা আমি
১৫৩। প্রতিনিধি আল্লাহর
১৫৪। নগদে নগদ এলো
১৫৫। সবুজে শান্তি
১৫৬। বিশ্বাসের বিশ্বায়ন
১৫৭। বিশ্বাসের মেরামত
১৫৮। প্রিয় রাসূল (সাঃ)
১৫৯। দাও সবারে
১৬০। তুমি কী জানো!
১৬১। সুখের দিঠি
১৬২। ভালোলাগা - ভালোবাসা
১৬৩। শ্রমিক
১৬৪। পার্থক্য
১৬৫। তারপর...
১৬৬। হাসাহাসি
১৬৭। মজলুমের আশ্বাস!
১৬৮। বাইয়াত হতে চলি
১৬৯। দু'হাত তুলে
১৭০। স্বপ্নের আর্তনাদ
১৭১।   ইফতার
১৭২। তাঁদের তরে
১৭৩। বিপ্লবী  (২১)
১৭৪। বিপ্লবী  (২২)
১৭৫। বিপ্লবী  (২৩)
১৭৬। বিপ্লবী  (২৪)

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

ভালবাসি দিবা-নিশি

৯৩। ভালবাসি দিবা-নিশি
---- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১০/০১/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
নিরাকপরা ভর দুপুরে,
বসে আছি আনমনে,
সুখের বেলা যায় চলে যায়,
কতো দ্রুত আপন মনে।
ভাবছি কতো জীবন নিয়ে,
পাইনা ভেবে কূল,
অলস দেহে দেখছি তারে,
নেইকো কোন ভূল।
হাজির হলো কলম-খাতা,
কোমল হাতের স্পর্শে,
মনের কথা ঝরবে কবে,
ইতিহাসের গর্ভে।
ভালবাসি, কতো তারে,
বলবো কেমন করে,
মনের কথা মনে ওঠে,
মনেই ঝরে পড়ে।
নাইবা কোন ভূল আমারি,
নেইকো ছিলো তার,
ভালবাসি দিবা-নিশি,
ভালবাসে অপার।
সুবাস সেতো ফুলের মতো,
অতুল মৃগনাভীর,
সোনারোদের নরম বিকেল,
দেখি রঙ্গিন আবীর।
ভাসছে কভু সাঁঝের ভেলা,
বেলা অবেলায়,
স্বপ্ন ডিঙ্গি তীরে ভীরে,
যখন মনে চায়।
ভালবাসার তারা কতো,
দেখি তা'রই আকাশে,
প্রেমের সুবাস পাই খুঁজে পাই,
মৃদুমন্দ বাতাসে।
বাঁধ মানেনা মনের কথা,
কলম দিয়ে ঝরে,
প্রাণের প্রিয়া, যাই বলে সব,
ভালোবাসার তরে।
সকাল ১১:৩০ মিনিট,
০২/১১/২০১০ ঈসায়ী সাল।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভাদুঘর, সদর, বি-বাড়ীয়া-৩৪০০।

সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৫

অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান স্যার -এর বিদায় উপলক্ষেঃ



ওগো উদার মনের অধিকারী,
     এ জীবনে ছুটেছি তোমার পানে,
     প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে, কভূ সীমানা পেড়িয়ে,
     সহাস্য কলরবে দানিলে সবি,
     তোমাকে প্রানভরে ভালবাসার রয়লো বাকী।

মহাতরীর হে মহৎ নাবিক,
     সুবিশাল সাগর বেয়ে তীরে এসে আজ,
     নেমে গেলে তুমি, ছেড়ে দিলে হাল,
     কালের প্রয়োজনে তব আসন মাঝে,
     আসবে তোমার মতোই কামনা মনের কোনে।

ওহে পুস্প প্রিয় মানব,
     সুবাসিত কুসুম বাগে,
     আর কি পাবনা দেখা তব?
     পাবনা কি তোমার পদ ধ্বনি?
     পাবনা কি আর অমৃতের সন্ধান?

ওগো শ্রদ্ধাভাজন,
     সুখে থাক, শান্তিতে থাক,
     পরম নিরাপদে, নিশ্চিন্তে থাক,
     মহান প্রভূর দরবারে আরজি,
রেখে যায় কায়মনোবাক্য।


আরিফ ইবনে শামছ
২৮.০৪.১৯৯৯
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরকারি কলেজ।

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল (MSPT – Final) Multinational Security and Prosperity Theory & Model

বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল MSPT – Version 01–04 (Final Universal Edition) “Shared Humanity, Shared Responsibility, Shared Fu...