মঙ্গলবার, মে ০৫, ২০২৬

৫৫। টেঁকসই মানবতা

টেঁকসই মানবতা
---আরিফ শামছ্ 
 
হীনমণ্য, দশা-দৈন্য, নির্জীব, নির্বিকার,
কী হল সিংহ, শার্দুল, ধ্বজাধারী আরবার।
তোমরা জাগিলে বিশ্ব জাগিবে, আছে মানবের উচ্ছ্বাস,
ঐ দেখ ঐ বিরান রণে পৈষাচিক উল্লাস!

কখনো জংগী, খুনী, ভ্রষ্ট, দালাল ভিনদেশী,
নানা তকমা জুড়িয়া দিবে থামাতে ঝঞ্ঝা গতি।
কী হবে তোর ত্রাণের বহর, সব মারিয়া সাফ!
ভূমিকা, আর প্রস্তুতি নিতে, করিতে নিন্দা পাঠ!

সময় ক্ষেপণে নরকের দ্বার খুলিছে জালিম বাদশাহী!
পাষাণ-পাষন্ড, কাপুরুষ -নির্মম, হিংস্র পশুর কারসাজী ।
কি হলো তোর, খোল আঁখি খোল, খোল জিহাদের দোর,
ভাংগিয়া অলস-অবস, নির্জীব প্রাণে, গতি সঞ্চারী হোক।

আঘাত হানিয়া, ধ্বংস-বিধ্বংস, পাষাণের জীবন ইতি,
একে একে সব জালিমের কবর রচিয়া যাব আজি।
এক হাতে ধর নাংগা শমশের, অন্য হাতে রণতুর্য,
তাকবীর তোল, বজ্র নিনাদে, বীর মহাবীর রণসূর্য।

উড়াও নিশান কালেমা খচিত, 
ছুটাও রণ অশ্ব,
জয় পরাজয় আল্লাহর হাতে, 
যুঝিব শহীদ ত্বক।
 
হে মানব! কী হল আজ, কোথা তোর মানবতার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি?
ঐ দেখ্ , ভেসে চলে কত, নাফের জলে মানবতার জলাঞ্জলি!
বাণে বাণে মৃত্যুপুরী, তুলিয়া ধর দিকে দিকে,ভালে ভালে,
জালিমের পরিণতি কি হয়, হবে জানাও হারে হারে।

রে বদমাশ, পাষন্ড, বর্বর, হীন সব পামর-চামর!
শেষ হবে তোর লম্ফ-জম্ফ, ঘিরিছে অরিন্দম।
ওরা কারা? ধর্ম, সম্পদ, জিহাদ, শহীদ, নিয়ে খেলে, জুয়া খেলা!
কভু আই.এস, তালেবান, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, আমেরিকা,
সাজাও নতুন বিশ্ব, নতুন করে, টেকসই মানবতা।

যে জিহাদ মানবতা, সত্য ন্যায়, ইনসান, ইহসানের ধ্বজাধারী,
মাজলুম, শোষিত, বঞ্চিতের অধিকার চির প্রতিষ্ঠিত অবশ্যম্ভাবী,
জালিমেরে খন্ড-বিখন্ড, মিসমার, ধূলী-ধূসর করি দিকভ্রান্ত,
রেজামন্দী স্রষ্টা-আল্লাহর, চির বিদ্রোহী-বিপ্লবীর মহালক্ষ্য।

১০/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
সকাল: ০৭:০০ টা।

*****************
তোমার “টেঁকসই মানবতা” কবিতাটা আগের “বিপ্লবী” সিরিজের তুলনায় একটু বেশি আইডিওলজিক্যাল ম্যানিফেস্টো + ধর্ম-রাজনীতি + মানবতাবাদী ঘোষণাপত্র ধরনের লেখা। এখানে কাব্যিক আবেগের সাথে চিন্তাগত অবস্থানও অনেক বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নিচে এর সাহিত্যিক ও ভাবগত বিশ্লেষণ দিলাম:

🔷 ১. মূল থিম
এই কবিতার কেন্দ্রীয় ধারণা হলো:
ন্যায়ভিত্তিক মানবতা প্রতিষ্ঠা বনাম জুলুম-শোষণ-শক্তির রাজনীতি
এখানে “টেকসই মানবতা” মানে:
স্থায়ী ন্যায়
মাজলুমের অধিকার
নৈতিক বিশ্বব্যবস্থা

🔥 ২. শক্তিশালী দিক
🟢 (ক) শক্তিশালী রেটোরিক (প্রচারণামূলক ভাষা)
“খোল আঁখি খোল”
“রণতুর্য”
“বজ্র নিনাদ”
👉 এগুলো কবিতাকে oration / যুদ্ধঘোষণার ভাষা দিয়েছে
🌍 (খ) মানবতা বনাম জুলুমের দ্বন্দ্ব
তুমি এখানে একটি বড় কাঠামো তৈরি করেছো:
মানবতা (ইনসান, ইহসান)
জুলুম (জালিম, পাষণ্ড, বর্বরতা)
👉 এটা ক্লাসিক “moral binary structure”
⚔️ (গ) জিহাদ শব্দের দার্শনিক ব্যবহার
তুমি “জিহাদ” শব্দকে কেবল যুদ্ধ নয়, বরং:
সত্য, ন্যায়, মানবতার সংগ্রাম
এই অর্থে ব্যবহার করেছো
👉 এটা কবিতাকে ethical-political dimension দিয়েছে

⚠️ ৩. দুর্বলতা ও ঝুঁকির জায়গা
❗ (১) খুব বেশি তীব্র রাজনৈতিক-ধর্মীয় নাম/টার্ম
“আই.এস, তালেবান, হিজবুল্লাহ, ইসরাইল, আমেরিকা”
👉 এতে কবিতার:
কাব্যিক সার্বজনীনতা কমে যায়
সময়-নির্ভর রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যায়
❗ (২) ভাষার ভারসাম্য
অনেক জায়গায়:
গালি-ধর্মী শব্দ
আক্রমণাত্মক টোন
তালিকাভিত্তিক ইমোশন
👉 ফলে কাব্যিক flow কিছুটা ভেঙে যায়
❗ (৩) “মানবতা” বনাম “ধ্বংস” দ্বন্দ্ব
কবিতার শুরুতে মানবতার কথা, কিন্তু মাঝখানে:
ধ্বংস
হত্যা
কবর রচনা
👉 ফলে ideological tension তৈরি হয় (এটা শক্তি + দুর্বলতা দুটোই)

🧠 ৪. সাহিত্যিক মূল্যায়ন
এই কবিতাকে বলা যায়:
“Ideological Revolutionary Ethical Manifesto Poem”
সহজভাবে: 👉 এটা কবিতা + রাজনৈতিক-নৈতিক ঘোষণাপত্রের মিশ্রণ

🌿 ৫. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
তোমার এই কবিতায় একটা বড় শক্তি আছে:
👉 তুমি “মানবতা”কে শুধু আবেগ না, বরং system of justice হিসেবে দেখাতে চেয়েছো
কিন্তু একই সাথে: 👉 কবিতাটি মাঝে মাঝে “poetry” থেকে “political sermon” হয়ে যায়

✍️ ৬. উন্নতির পরামর্শ
যদি তুমি এটাকে শক্তিশালী সাহিত্যকর্ম বানাতে চাও:
✔️ (১) রাজনৈতিক নামগুলো কমাও
তার বদলে ব্যবহার করো:
“শক্তিধর রাষ্ট্র”
“আধিপত্যবাদ”
“যুদ্ধযন্ত্র”
✔️ (২) ইমেজারি বাড়াও
যেমন:
রক্ত
ধুলো
আলো-অন্ধকার
নদী-ঝড়
✔️ (৩) টোন একটু balance করো
সব সময় আঘাত নয়, মাঝে মাঝে:
নীরবতা
প্রার্থনা
আত্মচিন্তা

📊 ৭. সামগ্রিক রেটিং
ভাব: ⭐⭐⭐⭐⭐
আবেগ: ⭐⭐⭐⭐☆
কাব্যিকতা: ⭐⭐⭐☆
কাঠামো: ⭐⭐⭐☆

🔚 শেষ কথা
এই কবিতাটা তোমার “বিপ্লবী সিরিজ”-এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি:
ideological + manifesto-based poem
 
***-----*****

১। বিপ্লবী- ১০/আরিফুল ইসলাম।

সাহিত্যের জাগরণ


 "সাপ্তাহিক সেরা সাত"

আসসালামু আলাইকুম।
"সাহিত্য হোক নতুনত্বের বারিধারা-
সাহিত্য হোক সৎ সভ্যতার কথা বলা।"
'সাহিত্যের জাগরণ' পরিবারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করছি সাপ্তাহিক সেরা কবির নাম ও কবিতা। দেশ ও প্রবাসের অভিজ্ঞ বিচারক মন্ডলীর বিশেষ শাখা খুবই বিশ্লেষণ ও বিচক্ষণতার সাথে নির্বাচন করেছেন সাপ্তাহিক সেরা কবি। আমাদের সেরা কবিতা নির্বাচন করা হয় গ্রুপের নিয়মবিধি মেনে পোস্টকৃত কবিতা থেকে প্রতিদিন মানসম্মত কবিতা বাছাই করে নির্দিষ্ট কার্যালয়ে নেয়া।সেখান থেকে কবিতার মান+ বাছাই কার্যালয়ে বিচারকদের নাম্বারের যোগফল + গ্রুপে কবিতার জনপ্রিয়তা। উক্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।
সপ্তাহে অনেক কবিতা জমা হয়ে যায়। তারপরেও, আমরা সর্বোপরি সর্বোচ্চ মানসম্মত কবিতা নির্ধারণে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি।
"সাপ্তাহিক সেরা সাত কবি ও কবিতা"
=========================
১। বিপ্লবী- /আরিফুল ইসলাম।
২। ওহে যুবক-/ ইভা আলমাস।
৩। কবর এবং আমি- /ফারজানা ফয়েজ ফারাহা।
৪। স্বাধীনতা- /আলিফ খাঁন।
৫। গরীবের গর্জন- /অমৃত কুমার অমিত।
৬। বদলে দাও- /জাহেদুল ইসলাম জাহেদ।
৭। আমাদের পঁয়ত্রিশের দাবী-/ সোনিয়া ইসলাম শিলা।
______________________ ________________
______________________________
'সাহিত্যের জাগরণ' পরিবারের পক্ষ থেকে প্রিয় বিজয়ী কবিদের প্রাণঢালা অভিনন্দন ও জাগরণী শুভেচ্ছা রইল।দোয়াসহ সর্বাঙ্গীন সফলতা,সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
______________________________
শুভেচ্ছান্তে-
'সাহিত্যের জাগরণ' পরিবারের পক্ষে,
শেফা মির্জা শোভা
["পরিচালক ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক" ]
'সাহিত্যের জাগরণ' পরিবার।
১/ সা.পো. ০২
মন্তব্য : ০৭

১২৬। বিপ্লবী (১০)
--------আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
২৯/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।

চির বিপ্লবী!
তোমার মিছিলে,
পায়ে পায়ে চলে,
বজ্র হুংকারে,
শান্তির তরে,
আসছে দলে দলে,
শান্তির বিশ্ব চায়;
অশান্তি, মারামারি,
কাটাকাটি, হানাহানি,
মিথ্যাচার, জানাজানি,
খতম শেষে আপন ভূবন পায়।
সত্য নাবিক!
সততঃ বিদ্রোহী!
যুগে যুগে, যুগোপযোগী,
যুগিয়ে শান্তিবাণী,
অশান্ত বিশ্ব,
করেছে শান্ত,
সুখ দিয়েছে আনি।
আবার এসেছে ফের,
অত্যাচারী, জালিমেরা সবে,
নতুন কূট কৌশলে;
নিষ্পেষিত মানবতা,
মেতেছে হত্যাযজ্ঞে,
চতুর যাঁতাকলে।
হে বিশ্ববাসী!
ঘুমন্ত শার্দূল,
বিশ্ব বিপ্লবী!
এসেছে সময়,
জেগে উঠবার,
ঘুরে দাঁড়াবার,
কোন দলে যাবে বলো!
অতি সন্তর্পণে, স্বাগত স্বাধীন,
বিশ্ব জয়ে চলো।
নীরবে রয়ে যুগিয়ে যাবে,
অত্যাচারীর বল,
নাকি, সত্য ন্যায়ের ঝান্ডা হাতে,
খতম করবে ছল।
হাতে পায়ে, চোখে মুখে,
অসি, মসি, ট্রিগার চেপে,
সব হবে শেষ,
বাটন চেপে, নগ্ন আগুন;
দ্রোহানলে পুঁড়বে রাজ্য ,
বিশ্ব হবে বেশ।
আর ঘুমাবে কতো,
বিপ্লবীরা জেগে উঠো,
কেঁড়ে নিলো নেকড়ে যতো,
তোমার শান্তিধাম,
মানবতা চরম অসহায়,
চেয়ে আছো পথ পানে কার,
বীরদর্পে চলো, বিপ্লবীরা ছুটো।
সমস্বরে গাহি,
আমি বিদ্রোহী,
চির বিপ্লবী,
চির সংগ্রামী।








৫৩। কে তুমি?

কে তুমি? খেয়ালে, দেয়ালে গা এলিয়ে অলস হয়ে রয়লি পাটে,
জাতির জাহাজ ডুবলো দেখো, নাইরে সময় তোর হাতে।
কোথা হতে এলি, কোথা যাবি বল চোক্ষে দেখি অগ্নিগিরি,
আসমানে তোর ভাসমান খেয়া ধায় লক্ষ্য দিতে পারি।

অশনি-বসনে, রুদ্র নজরে, ভয়াল প্রলয়ংকর!
তান্ডবলীলা বেলা অবেলা, ধ্বংস করিতে চল্।
সাগরে মহাসাগরে উঠিছে কবে কেমনে ভয়াল ঝড়!
আকাশ পাতাল সংগী দরিয়া, পাষাণ বর্বর বধ কর্!

আকারে সাকারে একজোট সব হিংস্র পশুর দল,
দিল ভাঙ্গা মৃত্যু নিয়ে নাচে নিত্য জানোয়ার সব!
কচি খোকা আর কিশোরীর নিষ্পাপ অপলক চাহনী,
সদা-নিত্য খুঁজে ফিরে চায়, মুক্তির নির্ভয় বাণী।

পাষাণের খঞ্জর, পাষন্ড বিঁধে,
নিরীহ নর-নারীর বক্ষোপর;
স্তব্ধ - নির্বাক সার্বিক অপমৃত্যু, 
তবু মুক্তির গান ধর্,
দশ দিক হতে মহালয় লয়ে, 
করতালি মেরে ধ্বংস কর্।
মহাশক্তি, মহাভক্তি, 
সারা বিশ্বের নৃপতি,
অমোঘ বিধানে, নিগুঢ় শাসনে, 
দিবে মরমর শাস্তি।

তবকে তবকে তোলপাড় করি,
ভূমি-পর্বত তুলিয়া ধর্,
রক্ত খেকো, পিচাশ, চন্ডাল,
সব পামর, পিষে পিষে মর্।

০৭/০৯/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
রাত ০১:৩০ মিনিট।
ফখরে বাঙ্গাল নিবাস,
ভূঁইয়া বাড়ী, বাড়ী# ১২৩৪,
ওয়ার্ড# ১২, গ্রাম: ভাদুঘর,
পোষ্ট: ভাদুঘর-৩৪০০।
থানা:সদর, জিলা: বি.বাড়ীয়া।

--+++++++++

আপনার এই কবিতাটি আগেরগুলোর ধারাবাহিকতায় আরও তীব্র, আরও মহাজাগতিক—কিন্তু শুরুতেই একটা কথা পরিষ্কার করা দরকার: এখানে “ধ্বংস”, “বধ”, “পিষে মর”–এর মতো ভাষা আছে, যা বাস্তব সহিংসতার আহ্বান হিসেবে নয়, বরং অত্যাচার ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে প্রতীকী, নৈতিক ও মহাজাগতিক প্রতিরোধ হিসেবে পড়াই সবচেয়ে যথাযথ। এই দৃষ্টিকোণেই এর সাহিত্যিক মূল্য সবচেয়ে বেশি।
এখন আসি বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন ও সারাংশে—
🌍 বিশ্ব-সাহিত্যিক মূল্যায়ন
🧭 ১. সাহিত্যধারা (Literary Context)
এই কবিতাটি দাঁড়ায়:
Apocalyptic Poetry (প্রলয়চিত্রধর্মী কবিতা)
Revolutionary–Mythic Poetry (বিপ্লবী ও পুরাণ-প্রতীকধর্মী)
Cosmic Justice Literature (মহাজাগতিক ন্যায়বিচার ধারণা)
বাংলা সাহিত্যে এর শক্তিশালী সাদৃশ্য পাওয়া যায়
কাজী নজরুল ইসলাম–এর বিদ্রোহী কাব্যধারায়, বিশেষত বিদ্রোহী–এর মহাজাগতিক ক্রোধ ও শক্তির ব্যবহারে।
বিশ্বসাহিত্যে মিল পাওয়া যায়:
Paradise Lost — স্বর্গ–নরক, ন্যায়–অন্যায়ের মহাযুদ্ধ
The Second Coming — সভ্যতার ভাঙন ও প্রলয়ের পূর্বাভাস

🔥 ২. কেন্দ্রীয় ভাব (Core Theme)
এই কবিতার কেন্দ্রীয় শক্তি হলো:
অমানবিকতার বিরুদ্ধে এক মহাশক্তির আবির্ভাব ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান
এখানে “তুমি” কে?
কোনো ব্যক্তি নয়
বরং এক প্রতীকী শক্তি—যা হতে পারে:
বিবেক
বিপ্লবী চেতনা
অথবা ঈশ্বরপ্রদত্ত ন্যায়শক্তি

🌪️ ৩. চিত্রকল্প ও প্রতীক (Imagery & Symbolism)
এই কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি এর দৃশ্যমানতা (visual intensity):
অগ্নিগিরি, ঝড়, মহাসাগর → অপ্রতিরোধ্য শক্তি
তান্ডবলীলা → ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির ইঙ্গিত
খোকা–কিশোরীর নিষ্পাপ চাহনী → মানবতার নিরীহ রূপ
পাষাণ, পিশাচ, জানোয়ার → নৈতিক অবক্ষয়ের প্রতীক
এইসব উপাদান কবিতাটিকে এক ধরনের cosmic battlefield-এ পরিণত করেছে।

🎭 ৪. ভাষা ও শৈলী
অত্যন্ত উচ্চকণ্ঠ, নাটকীয় (dramatic & declamatory)
imperative (আদেশধর্মী) ক্রিয়া: “ধ্বংস কর”, “তুলিয়া ধর”, “পিষে মর”
আবৃত্তির জন্য খুব শক্তিশালী
প্রায় একটি যুদ্ধ-ঘোষণার মতো কাব্যিক ভাষা

⚖️ ৫. শক্তিশালী দিক (Strengths)
✔ শক্তিশালী মহাজাগতিক চিত্রকল্প
✔ আবেগের বিস্ফোরণ
✔ নৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
✔ প্রতীকী শক্তির ব্যবহার
✔ পারফরম্যান্স উপযোগী ভাষা

📉 ৬. সীমাবদ্ধতা (Critical Notes)
ধ্বংসাত্মক চিত্রকল্প বেশি, পুনর্গঠনের দিক কম
কিছু জায়গায় পুনরাবৃত্তি
আন্তর্জাতিক মানে layered metaphor আরও গভীর করা যেত

📌 সারাংশ (Summary)
এই কবিতাটি এক মহাজাগতিক ও প্রতীকী বিদ্রোহের কাব্য, যেখানে অমানবিকতা, অত্যাচার ও নৈতিক পতনের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী সত্তার আহ্বান জানানো হয়েছে। ধ্বংসের চিত্রকল্পের মাধ্যমে এখানে মূলত ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাই প্রকাশ পেয়েছে।

🧾 এক লাইনের মূল্যায়ন
এটি একটি অগ্নিময়, প্রলয়চিত্রধর্মী কবিতা, যেখানে ধ্বংসের প্রতীক দিয়ে ন্যায় ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনি এখন ধারাবাহিকভাবে যে কবিতাগুলো লিখছেন, সেগুলো একত্র করলে একটি শক্তিশালী বই হতে পারে, যেমন:
📖 সম্ভাব্য বইয়ের নাম:
“বিদ্রোহ ও জাগরণ”
“অগ্নিকণ্ঠ: এক বিপ্লবী কবির ভাষ্য”
“জাতি, জাগরণ ও প্রলয়ের কবিতা”
***-**-*****

ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র

বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল (MSPT – Final) Multinational Security and Prosperity Theory & Model

বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল MSPT – Version 01–04 (Final Universal Edition) “Shared Humanity, Shared Responsibility, Shared Fu...