👤 আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: এ.এস একাডেমি 📚 শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এস.এস (অনার্স), অর্থনীতি — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এম.এস.এস (অর্থনীতি) — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বি.এড — জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, এম.এড — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়| 🏫 পেশাগত অভিজ্ঞতা: প্রাক্তন শিক্ষক, ব্লু-বার্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাটিকাটা, ঢাকা সেনানিবাস। প্রাক্তন শিক্ষক, হলি ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। 📧 Email: ariful01711@gmail.com Mobile: +966572496324
শনিবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
৭৬। প্রেমের ফাঁদে
মিথ্যার বেসাতি আর করবে কতো,
তোমার পথ নয়তো জানা, যাবে কোথা?
তাই বলে যার, পথ আছে তার,
চলতে বাধা!
ভালোবাসা আর প্রেমের ফাঁদে,
ফেলছো কতো, নিজের লাভে,
জাহান্নামের কোন কিনারায়,
পৌঁছে দেয়ার কোন্ ঠিকাদার ।
সবুজ গাছের নীচে,
দূর্বা কোমল ঘাসে,
এক্কেবারে বসে আছো ঘেষে,
হে যুবক! বলছি তোমাকে,
কি তার পরিচয়? কে সে?
তোমার পাশে মন্ত্রমুগ্ধের মতো।
প্রেমের আধার যতো!
মোহমায়ার কোহকিনী,
হাজার মায়ার ছলচাতুরী।
নগদ হিসাব, নয়রে বাকী,
স্বপ্ন দেখায়, স্বপ্ন দেখে,
দিবা-নিশি নেই বিরতি।
কোথা হতে কেমন করে,
বসলো জুড়ে, মনের দোরে,
কোন খেয়ালে, পড়লো বাধা,
রয়বে কদিন, কজন জানে!
কোকিল কুজন বিজন বনে,
সবুজ পাতার আঁড়াল ডালে,
ডাকছে বেলা দুপুর সাঁঝে,
সব হৃদয়ে, ঝড় তুলে দে।
মনের দুঃখে গান ধরে সে,
হৃদয় পুরে ঢেউ খেলে,
নেয় যে কখন অচিনপুরে,
সাথীহারার সুর কে বুঝে?
আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
(আরিফ শামছ্)
২৫/১১/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা
৭৫। অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে শিক্ষক
সাধারণ লেখাসব, অসাধারণ হয়ে ওঠে,
আপনাদের আশীর্বাদে।
আমার অস্তিত্বের সব ভিত্তিমূলে,
শীতের সকালে, শিশির মাড়িয়ে,
আঁকা-বাঁকা, উচু-নীচু পথ বেয়ে,
কিছুটা উৎকন্ঠা, চিরচেনা ভয়ে,
শেখার আগ্রহ সাথে করে দ্বারে।
দক্ষিনের ঘরে, লম্বা টোলে একাকি বসে ধারে,
নিরলস ভাবে, কত সহজে,
বুঝাতেন গণিত শেষে।
শ্রদ্ধেয় নিখিল স্যার!
আরামের ঘর, বিছানা ছাড়িয়া,
বলিতেন "আরিফ বসো"!
দিল খোলা সে, আদরে ভরা,
আর কি শুনিব কভু।
বাংলায় ভাল নাম্বার পেতে
লাগবে ভালো হাতের নোট,
কোথায় পাবো, দিশেহারা হয়ে,
ভেবে নাহি পায় কূল।
ক্লাশের ফাঁকে, অনুরোধ মোর,
শোনেন প্রিয় স্যার নজরুল,
কচি হৃদয় মোর নাচিয়া উঠিল,
পেয়ে নোট সব অতুল।
আজো ভাসে মোর নয়ন জুড়িয়া,
সুন্দর লেখাগুলো,
কত কষ্ট, ত্যাগের মহিমায়,
স্নেহাদরে সব সাজালো।
পল্লী সাহিত্য, প্রত্যুপকার, পল্লী জননী,
আরো কতো কবিতা-প্রবন্ধ,
সব প্রশ্নের জবাব সাজালেন,
দেহ-মন মন্ত্রমুগ্ধ।
"নেই ভাবনা, লিখে দিব সব,
ক্লাশের অবসরে,
ভাল করে, নিও পড়ে, বানান সহ,
যখন হাতে পাবে"।
বাংলায় নম্বর, লেটারের ঘর ছুঁই ছুঁই,
কীযে ভালো লাগা!
কেমন করিয়া, জানাব সালাম,
বিনম্র শ্রদ্ধামালা।
ভূগোলে লেটার পেতে হলে সবে,
গনিত, চিত্র ভাল পারা চায়,
শতভাগের বেশি যত্ন করে,
শিখালেন প্রিয়, আবু জাহের স্যার।
গ্রামারের মারপ্যাঁচ, ছোট্ট্র মনে,
ঘুরিয়া ফিরিত সব সময়,
কতবার সাদরে, বুঝিয়ে দিতেন,
বার বার ফিরিত, সে অজানা ভয়।
ঢাকা থেকে আগত, গ্রামের ছেলে,
সুপ্রিয় ইংরেজী স্যার।
কতনা সহজ করিয়া বুঝাতেন,
ইংরেজির ভয় কাটিল সবার।
সুপ্রিয় ইংরেজি স্যার,
মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ,
চিনিত সবাই, সৈয়দ স্যার, নামে,
ভয়ে মরিত, নাজানি কখন,"
কোন্ সন্ধ্যারাতে হাজির হয়ে,
চলবে জনে জনে কৈফিয়ত।
"ধর্মতে ভালো নাম্বার পেতে ,
সুন্দর করে সব লিখিবে,
সব ধরনের প্রশ্ন থাকুক,
আসবে লিখে সবই শেষে"।
সহজ, সরল, বিশাল মনের,
শ্রদ্ধেয় আব্দুল মতিন স্যার,
সলাজ হাসি, আদরে মাখা,
ভূলিতে না পারি কথামালা।
মায়ের আদরে, বোনের ছায়ায়,
পড়েছি কতো, বেলা অবেলায়,
পরমা শ্রদ্ধেয়া বীথি ম্যাডাম,
সকল আপুমণি।
আদরে শাসনে করিয়াছে বড়,
আজো নয়নমণি।
সুপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজন হেড স্যার,
মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান।
ভিতরে বাহিরে শত বেড়াজালে,
নানাবিধ জঞ্জালে,
যুদিষ্ঠীর, বীর, মহাবীর যেমনি রণাঙ্গনে।
------ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্)
কৈফিয়তঃ
শ্রদ্ধেয় স্যার! শাব্দিক অযোগ্যতা, ছন্দের অপূর্ণতা, কাব্যিক সুধার অনুপস্থিতি শতভাগ ব্যর্থ আপনাদের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরতে। আপনাদের এক ফোঁটা ঘামের বিপরীতে শুধুমাত্র একটি মহাকাব্য নয়, মহাকাব্যগ্রন্থ যেনো অপূর্ণ। আপনাদের এক চিলতে ভালোলাগা, আত্ম-তৃপ্তি, দু-দন্ড শান্তি, আমাদের জীবনের মহা আনন্দের উপলক্ষ্য। আপনাদের নেক বাসনা বাস্তবায়নে সফল হওয়ার জন্য আমরা সবাই দোয়া চাই।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা
৭৪। বাঙ্গালীর স্বাধীনতা
প্রাণের চাওয়া, বাংলাদেশী নয়, বাঙ্গালীর স্বাধীণতা,
কেঁড়ে নিয়ে প্রাণ লুটিল বৃটিশ বেনিয়া,
পরাধীনতার মোড়কে পেলাম কেমন স্বাধীনতা!
বঙ্গবঙ্গ নাটক করে পায়নি কোন কূল,
বঙ্গবীরের সিংহ নাদে, হেয় হারালো ভূল।
বঙ্গভঙ্গ রদ হলযে, ফিরল শান্তি নিয়ে,
সুখের আসর ভেঙ্গে দিতে, লাগলো আবার পিছে।
ভাষা দিয়ে ভাঙতে তারা পারেনি মহাভারত,
ভাঙলো শেষে, ধর্ম দিয়ে পাকিস্তান ও ভারত।
সফল হলো চিরশত্রু বৃটিশ গড়া নকশা,
ভাঙলো আশার তরী সবার, সকল স্বপ্ন-খাসা।
পূর্ব পশ্চিম পাকিস্থানে, আবার এলো ভাষা,
ভাষার দোহায়, দানা বাঁধে, নতুন করে বাঁচা।
পুরনো চালে, নতুন ফাঁদে, পড়লো পুরো জাতি,
মুখের ভাষা, রক্ষা করে, আনলো বিজয় সবি।
ভাষার স্বাধীনতার পরে জাগে বাঁচার স্বাধীণতা,
আনলো করে সবাই মিলে, দেশের স্বাধীনতা।
রয়লো পড়ে দূর নিকটে জাতির স্বাধীনতা,
পথ হারিয়ে পথ ভূলে ফের, হারায় একতা।
বলতে পারো, প্রাণের দেশে নেইকি ধর্ম,ভাষা, বর্ণ!
শাসক শ্রেণী গায়ের জোড়ে, করবে কি সব ছিন্ন -ভিন্ন!
হাজার জনের দেশ গড়িয়ে, গড়বে অনেক দেশ,
প্রাচীন ভারত দেখবে সবে, মারামারি বেশ।
রাখো সবার ঊর্ধে আজি প্রিয় জন্মভূমি,
বাঁচার তরে, শিখবে ভাষা দেশী বিদেশী।
শত্রু যেনো পায়না সুযোগ, ভাঙতে প্রিয় বাংলাদেশ,
জাতি ধর্ম সব ভেদাভেদ ভূলে গড়ি সোনার দেশ।
মধুবাগ, বড়মগবাজার,
রমনা, ঢাকা।
[স্বাধীনতার বিপক্ষে নয়, বরং শাসক শ্রেণীর স্বেচ্ছারিতা, অদূরদর্শিতা এবং গোয়ার্তুমির যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে।]
- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
১৯/১১/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
কোন মন্তব্য নেই:
Labels:
কবিতা
৭৩। আবে হায়াত
আবে হায়াত
----আরিফ শামছ্
----আরিফ শামছ্
চাঁদ জাগে তার নিয়ম মেনে,
লক্ষ্য তারার মেলা করে,
ঘন কালো আঁধার পালায়,
আলোর ধারা বয়ছে ধরায়।
রূপের বাহার দেখতে পাবে,
হরেক ফুলে, ফুল বাগানে,
সুবাস বিলায় উজাড় করে,
প্রাণ মাতিয়ে, নয়ন জুড়ে।
তাকাও সবুজ বৃক্ষদলে,
ফল ও ছায়া, ফুলের মাঝে।
রাখছে কেমন আপন করে,
শ্রান্তি-ক্লান্তি, দুঃখ -সুখে।
তোমরা সবাই রবির মতো,
ওঠবে জ্বলে জ্ঞানের আলোয়,
চাঁদের মতো আঁধার রাতে,
পথ দেখাবে নিতুই।
বাগান সবুজ বৃক্ষ তরু,
ফুল, ফসলের মতো,
অবাক সবাক সকল প্রাণে,
আবে হায়াত রেখো।
drostpoSne16v7iu t912m6i4437f6i3ae6 3,at01oe1lfb34N1l033lumr
“আবে হায়াত” — সাহিত্যিক বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন
— আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
আপনার কবিতা “আবে হায়াত” মূলত একটি শিক্ষামূলক, নৈতিক ও মানবিক চেতনার কবিতা। এখানে প্রকৃতি, আলো, ফুল, বৃক্ষ, চাঁদ ও সূর্যের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের জন্য আদর্শ জীবনদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটি সহজ ভাষায় রচিত হলেও এর ভেতরে গভীর দার্শনিক ও মানবিক আবেদন রয়েছে।
সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য
প্রকৃতি-নির্ভর চিত্রকল্প:
সূর্য, চাঁদ, তারা, ফুল, বৃক্ষ—এসবের মাধ্যমে জীবনের দায়িত্ব, জ্ঞান ও কল্যাণের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
নৈতিক শিক্ষা:
“রবির মতো জ্বলে ওঠা”, “চাঁদের মতো পথ দেখানো”—এসব উপমা নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হওয়ার আহ্বান জানায়।
মানবিকতা ও কল্যাণবোধ:
বৃক্ষ যেমন ফল ও ছায়া দেয়, তেমনি মানুষকেও অন্যের উপকারে আসতে বলা হয়েছে।
শিশুসাহিত্যের আবহ:
“দেখছো খোকা…” সম্বোধন কবিতাটিকে শিশুমন উপযোগী ও স্নেহময় করেছে।
“আবে হায়াত” শব্দের তাৎপর্য
আবে হায়াত
এখানে “আবে হায়াত” কেবল পৌরাণিক অমরতার জল নয়; বরং ভালোবাসা, জ্ঞান, মানবতা ও কল্যাণময় জীবনের প্রতীক হিসেবে
ব্যবহৃত হয়েছে।
******-**-
“আবে হায়াত” — বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ, মূল্যায়ন ও সারাংশ
— আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
✦ সামগ্রিক মূল্যায়ন
“আবে হায়াত” একটি মানবিক, শিক্ষামূলক ও প্রকৃতি-দর্শনভিত্তিক কবিতা, যেখানে শিশুমন, জ্ঞান, আলো, প্রকৃতি ও মানবকল্যাণকে একত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে। কবিতাটি সরল শব্দচয়ন ব্যবহার করলেও এর অন্তর্নিহিত দর্শন বিশ্বসাহিত্যের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কবিতার ধারার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
এ কবিতায় প্রকৃতি কেবল সৌন্দর্যের উপাদান নয়; বরং শিক্ষক, পথপ্রদর্শক ও নৈতিক আদর্শ হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। সূর্য, চাঁদ, ফুল, বৃক্ষ ও আলো—সবকিছু মানবজীবনের প্রতীকী ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে।
✦ বিশ্ব-সাহিত্যিক বিশ্লেষণ
১. Romanticism (প্রকৃতি-নির্ভর রোমান্টিক ধারা)
কবিতাটিতে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্ক গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। এই বৈশিষ্ট্য বিশ্বসাহিত্যের Romantic tradition-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশেষত
William Wordsworth
এর কবিতায় যেমন প্রকৃতি মানুষকে নৈতিক শিক্ষা দেয়, তেমনি “আবে হায়াত”-এ সূর্য, চাঁদ ও বৃক্ষ মানবতার শিক্ষক হয়ে উঠেছে।
উদাহরণ:
“তোমরা সবাই রবির মতো,
উঠবে জ্বলে জ্ঞানের আলোয়”
এখানে সূর্য = জ্ঞান, আলো = মানবকল্যাণ।
২. Didactic Poetry (শিক্ষামূলক কবিতা)
এই কবিতা মূলত একটি Didactic বা নৈতিক শিক্ষামূলক কবিতা।
শিশু ও নতুন প্রজন্মকে:
জ্ঞানী হতে,
মানবিক হতে,
অন্যকে আলো দিতে,
উপকারী হতে আহ্বান করা হয়েছে।
এ দিক থেকে কবিতাটি
Rabindranath Tagore
এর শিশুমনভিত্তিক নৈতিক কাব্যধারার সঙ্গে আংশিক মিল বহন করে।
৩. Sufi-Humanistic Symbolism
“আবে হায়াত” শব্দটি নিজেই গভীর আধ্যাত্মিক প্রতীক।
আবে হায়াত
সুফি সাহিত্য ও পারস্য কাব্যে “আবে হায়াত” মানে:
আত্মার অমরতা,
জ্ঞানের আলো,
আল্লাহপ্রদত্ত চিরন্তন কল্যাণ।
এই কবিতায় তা রূপ নিয়েছে:
মানবতা,
জ্ঞান,
প্রেম,
কল্যাণকর জীবনের প্রতীকে।
এখানে
Jalal ad-Din Muhammad Rumi
ধারার মানবিক ও আত্মিক আবেদন অনুভূত হয়।
৪. Ecological Humanism (প্রকৃতি ও মানবতার সংযোগ)
বর্তমান বিশ্বসাহিত্যে ecological consciousness একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কবিতায়:
বৃক্ষ ছায়া দেয়,
ফুল সুবাস দেয়,
আলো অন্ধকার দূর করে।
অর্থাৎ প্রকৃতি নিঃস্বার্থ দানের প্রতীক।
এই ভাবধারা আধুনিক পরিবেশ-সাহিত্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
✦ ভাষা ও শৈলী বিশ্লেষণ
ভাষা
সহজ ও হৃদয়গ্রাহী
শিশুমন উপযোগী
ছন্দে কোমলতা রয়েছে
উপদেশমূলক হলেও কৃত্রিম নয়
চিত্রকল্প
কবিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক:
সূর্য
চাঁদ
তারা
ফুল
বৃক্ষ
আলো
এসব দৃশ্যমান উপাদানকে নৈতিক প্রতীকে রূপান্তর করা হয়েছে।
✦ দার্শনিক ভিত্তি
কবিতাটি তিনটি মূল দর্শনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে:
বিষয়
দার্শনিক অর্থ
আলো
জ্ঞান ও সত্য
বৃক্ষ
নিঃস্বার্থ উপকার
আবে হায়াত
চিরন্তন মানবকল্যাণ
✦ সাহিত্যিক শক্তি
শক্তিশালী দিকসমূহ
✔ শিশুসুলভ কোমলতা
✔ নৈতিক আবেদন
✔ সহজ ভাষায় গভীর দর্শন
✔ প্রকৃতি ও মানবতার সমন্বয়
✔ ইতিবাচক ও আলোকময় বার্তা
✦ সীমাবদ্ধতা (বিশ্বসাহিত্যিক মানদণ্ডে)
বিশ্বমানের আধুনিক কাব্যিক ঘনত্বের তুলনায়:
কিছু লাইনে পুনরাবৃত্তি রয়েছে,
ছন্দ কিছু স্থানে অসম,
রূপক আরও গভীর করা যেত,
শেষ স্তবক আরও শক্তিশালী সমাপ্তি পেতে পারত।
তবে এ সীমাবদ্ধতাগুলো কবিতার মানবিক আবেদনকে দুর্বল করেনি।
✦ সারাংশ
“আবে হায়াত” মূলত আলো, জ্ঞান, মানবতা ও কল্যাণের কবিতা। প্রকৃতিকে শিক্ষক করে নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কবিতাটি শিশুসাহিত্য, নৈতিক কাব্য ও আধ্যাত্মিক মানবতাবাদের একটি সুন্দর সমন্বয়।
এটি এমন এক কবিতা, যা:
শিশুকে শিক্ষা দেয়,
বড়দের মানবতা স্মরণ করায়,
এবং সমাজকে আলো ছড়ানোর আহ্বান জানায়।
********
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
কোন মন্তব্য নেই:
বিপ্লবী - আরিফ শামছ্
বিপ্লবী
আরিফ শামছ্
আমি বিপ্লবী, বিদ্রোহী!
ভীরু-কাপুরুষ নহে কোন,
যুদ্ধং দেহ-মনে, ফিরিয়া আনিব,
চিরশান্তি অবনীর।
যুগ-যুগান্তে, দেশ-দেশান্তে,
জাতি, উপজাতি, গোষ্ঠী জ্ঞাতে,
শান্তির মহাবীর।
আমার আমিতে, বিশ্ববাসী,
অরুণ, তরুণ, যুবক, যুবতী;
শান্তিকামী, সংস্কারক, চিরসংগ্রামী,
স্রষ্টা ও সৃষ্টির সীমাহীন শক্তি,
নুতন করিয়া গড়িয়া তুলিব,
স্বাধীন, বিশ্ব-ভূমি।
দু'পায়ে দলিব লোভের বাসনা,
পৈশাচিক নৃত্য-তান্ডবলীলা,
বাঁধা বিপত্তি, পথেঘাটে যতো;
উলঙ্গ করিয়া ধরিব তুলিয়া,
ভন্ড, মুনাফিক, সব জালিমেরা,
স্বাধীন, স্বাধিকার হরণ করিছে কতো!
বলে শান্তির বাণী,
অপকৌশলে, শান্তির আঁড়ালে,
জাতিতে জাতিতে মারামারি,
ধ্বংস বিধ্বংস, বিবেকহীনতা,
কতো নির্মম ছলচাতুরী!
করি ছিন্নভিন্ন, অন্যায়, অসত্য,
জুলুমের ভীত, করি সঙ্গীহীন, সত্য।
মজলুমেরা সবে ভাই ও বোন,
দেশ, কাল, ভেদ-বিভেদ না জানি,
জানি ওরাই স্বর্গ, ওরাই মর্ত্য।
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
কোন মন্তব্য নেই:
৭২। বিশ্বাসের হারজিত
ভালবাসা অভিনয়, ভালবাসা ভাল নয়,
নেই কোন দন্ড, মেপে নিব অন্ত, ভালবাসে ভালবাসি, তন্ত্র-মন্ত্র।
ভাল লাগে রুপ সুধা, করি পান অফুরান,
স্নিগ্ধতা চাহনীর, খুন করে কাঁড়ে প্রাণ।
ভাষাহারা নির্বাক, নিশ্চুপ চুপ চুপ,
গোলাপী গন্ড, পাঁপড়ি ছোপ ছোপ।
কাল কেশ, লাগে বেশ, উড়ছে তো উড়ছে,
চাঁদমুখে বাতাসে, দোল খেয়ে খেলছে।
সচেতন আঙ্গুল সযতনে সরিয়ে,
মুগ্ধতা বাড়িয়ে, কাছে টানে সহজে।
শিশিরে স্নাত হওয়া, ফোটা ফুল সদ্য,
সোনালী কিরণে, অপরূপ পদ্ম,
নিষ্পাপ নিশ্চিত, পাপ নেই কিঞ্চিৎ,
ভালবাসে-ভালবাসি, বিশ্বাস- হারজিত।
রচনাকালঃ
--------- আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।
১২/১১/২০১৭ ঈসায়ী সাল।
১৪/ডি, মধুবাগ,
বড়মগবাজার, রমনা,
ঢাকা।
All reactions:
৪You and ৩ others
By ARIFUL ISLAM BHUIYAN (ARIF SHAMS)
ARIFUL ISLAM BHUIYAN-আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
at
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩
কোন মন্তব্য নেই:
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
ভালবাসি দিবা-নিশি _সূচীপত্র
বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল (MSPT – Final) Multinational Security and Prosperity Theory & Model
বহুজাতিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি তত্ত্ব ও মডেল MSPT – Version 01–04 (Final Universal Edition) “Shared Humanity, Shared Responsibility, Shared Fu...
-
ভালোবাসার শ্বেতপত্র -----আরিফ শামছ্ বড়ই সৌভাগ্যবান, তুমি হয়েছো যার, তাঁর মতো করে, রাখতে পারবোনা বলেই, স্রষ্টার সম্মতি ছিলোনা পক্ষে আমার। ...
-
সকল ধর্মমতে আল্লাহর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা এবং সৃষ্টির বিস্তারিত ইতিহাস। উনি কি এখনও সৃষ্টিশীল কাজ করেন? জবাব: অসাধারণ প্রশ্ন করেছেন — এটি ধর...
-
📖 উপন্যাস: রক্তে লেখা ভালোবাসা (ফিলিস্তিনে সওগাত ও কবিতার গল্প) ✍️ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (আরিফ শামছ্) --- 🕌 ভূমিকা: এই উপন্যাস কল্পনার, কিন্...














